• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮

 

সরিয়ে নেয়া হচ্ছে রাজধানীর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮

সংবাদ :
  • মাহমুদ আকাশ
image

রাজধানীর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল স্থানান্তর করে নগরীর বাইরে নেয়া হচ্ছে। সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালীসহ মোট ৭টি সিটি সার্ভিস বাস টার্মিনাল থাকবে রাজধানীতে। এর মধ্যে মিরপুর-১২, মোহাম্মদপুরের বসিলা, সদরঘাটের ফলপট্টি ও বঙ্গবাজারের আনন্দবাজারে নতুন চারটি সিটি সার্ভিস বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। এছাড়া কেরানীগঞ্জে ঝিলমিল, আবদুল্লাহপুর, আমিনবাজার ও সিমরাইলে নির্মাণ করা হবে ৪টি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল। এর ফলে রাজধানীতে কোন আন্তঃজেলা বাস প্রবেশ করতে পারবে না। বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের ছোট পরিবহনে করে রাজধানীতে পৌঁছে দেবে আন্তঃজেলা বাস মালিকরা। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। রাজধানীর ‘বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশন ও কোম্পানির মাধ্যমে বাস পরিচালনা’ পদ্ধতি প্রবর্তনের কার্যক্রম সমন্বয় কমিটি এ নিয়ে কাজ করছেন। আগামী দুই বছরের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে জানান সংশ্লিষ্টরা। গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগরীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ও যানজট নিরসনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রকে আহ্বায়ক করে ১০ সদস্যের এই সমন্বয় কমিটি গঠন করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

জানা গেছে, ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত রাজধানীর ফুলবাড়িয়ায় মাত্র একটি বাস টার্মিনাল ছিল। এই টার্মিনালটিকে স্থানান্তর করার জন্য আনন্দবাজার, সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালীতে জমি দেয়া হয়। তৎকালীন সিটি করপোরেশন সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালীতে বাস টার্মিনাল স্থানান্তর করলেও আনন্দবাজারে টার্মিনাল নির্মাণের কাজে হাত দেয়নি। সে সময় রেলওয়ে থেকে আনন্দবাজারে চার একরের কিছু বেশি জমি সিটি করপোরেশনকে দেয়া হলেও পরবর্তীতে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেলওয়ে আবার তা ফিরিয়ে নেয়। কথা ছিল রেলওয়ে সেখানে একটি অত্যাধুনিক সুপার মার্কেট নির্মাণ করবে। কিন্তু তাও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে ফুলবাড়িয়া থেকে পুরোপুরি টার্মিনাল সরিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। যানজট কমাতে ফুলবাড়িয়া থেকে টার্মিনাল স্থানান্তর করে সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালীতে নেয়া হয়। তখন সেগুলো মূল শহরের কিছুটা বাইরে হলেও এখন শহর বেড়েছে। তাই এসব টার্মিনালের কারণে ঢাকার প্রবেশপথও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। রাজধানী পরিণত হয়েছে যানজটের নগরীতে। নতুন পরিকল্পনায় রাজধানীর বাস টার্মিনাল স্থানান্তর ও ছয় কোম্পানির আওতায় রাজধানীতে ছয় রঙের বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য ডিএসসিসি’র মেয়রকে আহ্বায়ক করে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রাজধানীতে ৭টি স্থানে সিটি সার্ভিসের টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। এছাড়া রাজধানীর বাইরে চার স্থানে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে বলে ডিএসসিসি’র সূত্র জানায়।

এ বিষয়ে সমন্বয় কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ড. এসএম সালেহ উদ্দিন সংবাদকে বলেন, নতুন পরিকল্পনায় ঢাকায় ৭টি স্থানে সিটি সার্ভিসের বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে টার্মিনাল নির্মাণে স্থান নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সিটি সার্ভিসের টার্মিনালে শুধুমাত্র রাজধানীর ভেতরের বাসগুলো অবস্থান করবে। এছাড়া ঢাকায় আন্তঃজেলা পরিবহন প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। রাজধানীর বাইরে নেয়া হবে এই আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল। ঢাকায় প্রতিদিন প্রায় ৫-৭ হাজার দূরপাল্লার বাস প্রবেশ করে। এতে প্রচ- যানজট সৃষ্টি হয়। তাই আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত সিটি সার্ভিস বাস চলাচল করবে। এসব যাত্রী রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে পারবে।

ডিএসসিসি তথ্য মতে, রাজধানীকে যানজটমুক্ত রাখতে ২০১০ সালের ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে, মহাখালী টার্মিনাল টঙ্গীতে, সায়েদাবাদ টার্মিনাল কাচপুরে ও গাবতলী টার্মিনাল মিরপুরে স্থানান্তরের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সিটি করপোরেশনকে (ডিসিসি) নির্দেশ দেন। পরে ওই বছরের ১২ আগস্ট ডিসিসি চারটি টার্মিনালের জন্য রাজউককে ৮০ একর জমি দেয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু রাজউক এ পর্যন্ত কোথাও জায়গা দিতে পারেনি বলে ডিএসসিসি’র কর্মকর্তারা জানান।

কর্মকর্তারা বলেন, গুলিস্তান, সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া এলাকায় রাখার জায়গা না থাকায় বাস রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে থাকে। নগরীতে যানজটের একমাত্র কারণ এই যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও অব্যবস্থাপনা। বিষয়গুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনতে বর্তমানে ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড অন্যত্র সরিয়ে নেয়া প্রয়োজন। কেননা, ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া হয়ে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে প্রতিনিয়ত আসা-যাওয়া করছে। প্রায় লক্ষাধিক নাগরিক প্রতিদিন এ পথে যাতায়াতের সময় গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া এলাকার যানজটে দুর্ভোগে পড়েন। এছাড়া কমলাপুর টিটিপাড়ার রেলওয়ের জায়গায় অবৈধ বস্তি রয়েছে। বস্তিটি উচ্ছেদ করে সেখানে একটি ট্রাক টার্মিনাল স্থাপন করা হলে সড়কে অবৈধ পার্কিং অনেকাংশে কমবে। এ দুটি বস্তি ছাড়াও আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড উচ্ছেদের পরিকল্পনা রয়েছে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের।

ডিএসসিসি’র সূত্র জানায়, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালটি প্রায় সাড়ে ১৪ একর জমির ওপর নির্মিত টার্মিনাল। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালটি আন্তঃজেলা টার্মিনাল ও সিটি টার্মিনাল এ দুই ভাগে বিভক্ত টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন ২-৩ হাজার গাড়ি ছেড়ে যায়। এসব গাড়ির অধিকাংশেই কাউন্টার রাস্তার দুই পাশে গড়ে উঠেছে। যাত্রাবাড়ী মোড় থেকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল হয়ে রাজধানী সুপার মাকের্ট পর্যন্ত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের (গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী উড়াল সড়ক) নিচে প্রায় শতাধিক অবৈধ বাস কাউন্টার তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ী মোড় এবং ডেমরাগামী সড়কের মুখেই অবৈধ টেম্পো স্ট্যান্ড। ফলে সড়কটি সংকুচিত হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় বলে যাত্রীরা জানান। অবৈধ বাস কাউন্টারের কারণে রাজধানীর সুপার মার্কেট থেকে শুরু করে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রচ- প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকায় যানজটে আটকে থাকতে হয় যাত্রীদের। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের ভেতর থেকে ফ্লাইওভারের ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও তা ব্যবহার করছে না বাস মালিকরা। টার্মিনালের প্রবেশের মুখে লাইন ধরে দাঁড় করিয়ে রাখে বাসগুলো। এতে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের পাশেই রেলক্রসিং থাকায় যানজটের কারণে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। টার্মিনালের ভেতরে চরম বিশৃঙ্খলা। টার্মিনালে প্রবেশ ও নির্গম পথের অবস্থা যাচ্ছেতাই। এখান থেকে কোন বাস সহজে বের হতে পারে না। বাইরে থেকে আসা বাসও টার্মিনালে প্রবেশ করতে গিয়ে নানা বাধার মুখে পড়ে। টার্মিনালের ভেতর সারাক্ষণই অবস্থান করছে শত শত বাস। যাত্রী নামিয়ে বাসগুলো অন্যত্র সরে যাওয়ার নিয়ম থাকলেও মানা হচ্ছে না। বাস রক্ষণাবেক্ষণের কাজও চলে টার্মিনালের ভেতরেই। অবৈধ দোকানের ছড়াছড়ি। কোন রুটের বাস কোথায় দাঁড়ায়, কোত্থেকে ছাড়ে এর কোন দিকনির্দেশনা নেই বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা খান মুহাম্মদ বেলাল সংবাদকে বলেন, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় রাস্তার দুই পাশে যেসব বাস ও ট্রাক টার্মিনাল আছে; এগুলোর জন্য বিকল্প টার্মিনালের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। টার্মিনাল তৈরির আগ পর্যন্ত এসব বাস ও ট্রাক ফ্লাইওভারের নিচ থেকে অন্যত্র সরিয়ে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া যেসব বাস মালিকরা রাস্তার দুই পাশে অবৈধ কাউন্টার তৈরি করেছে সেগুলো অচিরেই উচ্ছেদ করা হবে বলে জানান তিনি।

ঝুঁকিপূর্ণ হলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু জরুরি : বিশেষজ্ঞ অভিমত

ওয়ালিদ খান

ঝুঁকিপূর্ণ হলেও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করাটা জরুরি, বর্তমানে

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন স্থগিত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রত্যাবাসন বিষয়ে বাংলাদেশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। তবে রোহিঙ্গা এবং জাতিসংঘের

বিএনপি আবার আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি আবার ‘আগুন সন্ত্রাস’ শুরু করেছে

sangbad ad

শিক্ষকদের উন্নয়নে সরকার সব করছে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শিক্ষকদের কল্যাণে এবং তাদের জীবনমান ও পেশাগত উন্নয়নে সরকার সব ধরনের

ভোটের ৭-১০দিন আগে সেনা মোতায়েন : ইসি সচিব

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাত থেকে দশদিন আগেই সেনাবাহিনী ও বিজিবি

আর বাকী ৪৪ দিন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর ৪৪ দিন বাকী। ভোট হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর, রোববার

আরও চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

জাতীয়করণ হয়েছে আরও চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এ নিয়ে বর্তমানে দেশে সরকারি মাধ্যমিক

সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশ সিইসির

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ

কোন অনুকম্পা নয় রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের সংবিধান : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সংবিধান বিশ্বে অনন্য। জাতির

sangbad ad