• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮

 

রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসনে সমঝোতা স্মারক সই করেছে ইউএনএইচসিআর

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৮

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। স্বারকে প্রাধান্য পেয়েছে রোহিঙ্গাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া, তাদের অস্থায়ী ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর নিরাপত্তা বিষয় গুলো।

শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইউএনএইচসিআরের সদর দফতরে এই স্মারক সই হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক এবং ইউএনএইচসিআরের মহাপরিচালক ফিলিপো গ্র্যান্ডি নিজ নিজ পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুত্রে জানাজায়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, এই সমঝোতা স্মারক সইয়ের ফলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়াটি সহজ হবে। রোহিঙ্গারা যে স্বচ্ছায় নিজ দেশে ফেরত গেছেন, এর মাধ্যমে সেটিও নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সমঝোতা স্মারকে রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার অধিবাসী হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে। চুক্তিতে প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার ভূমিকা ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিশদভাবে বলা আছে। আরো বলা হয়, এর আগে ১৯৯২ সালে যখন রোহিঙ্গারা এসেছিল, তখনও আমরা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে একই ধরনের চুক্তি করেছিলাম। সেই চুক্তির আদলে এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত করে সই করা হয়েছে।

স্মারক অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের তথ্য সরবরাহ, কাঠামো তৈরির জন্য জমি দেওয়া ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে কাজ করবে সরকার। অন্যদিকে, রোহিঙ্গাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া, তাদের অস্থায়ী ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া, চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবে ইউএনএইচসিআর। এর আগে, গত জানুয়ারি মাসে সরকার ও শরণার্থী সংস্থা তথ্য সরবরাহ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল, যা মূল প্রত্যাবাসন চুক্তির সহায়ক হিসাবে কাজ করবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সামরিক বাহিনীর আক্রমণ শুরু হলে প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করেন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্যে তাদের প্রত্যাবাসনের জন্য দুই দেশের সরকার দু’টি চুক্তি করেছে। এ নিয়ে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।

পশুর হাটে নিরাপত্তার জন্য র‌্যাব-পুলিশের পরিকল্পনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বসবে ২১টি পশুর হাট। হাটগুলোতে

আমি এই সংবর্ধনা বাংলার মানুষকে উৎসর্গ করলাম

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জনগণের সেবক। জনগণের জন্যই কাজ করে যাব। জনগণের পাওয়াই আমার পাওয়া

প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনায় বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সাড়ে নয় বছরের শাসন আমলে অনন্য সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঐতিহাসিক গণসংবর্ধনা প্রদান করা হবে। শনিবার (২১ জুলাই) বিকেল

sangbad ad

সাড়ে নয় বছরের শাসন আমলে অনন্য সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাচ্ছেন গণসংবর্ধনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বর্তমান সরকারের টানা সাড়ে নয় বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশের ধারাবাহিক

জনগণই দু’দেশের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার মূল ভিত্তি : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভারত-বাংলাদেশের জনগণই দুই দেশের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার

হাঙ্গেরীতে রসাটমের নিউক্লিয়ার কিডস প্রোগামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন ‘রসাটম’ এর আয়োজনে হাঙ্গেরীতে অনুষ্ঠিতব্য ‘ ১০ম নিউক্লিয়ার কিডস’ প্রোগামে বাংলাদেশ

মায়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিসির রুলিং চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গাদের বলপূর্বক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর কারণে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ইন্টান্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) এর কাছে রুলিং চেয়েছে

কোটা সংস্কার কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দেয়ার অনুরোধ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

কোটা পদ্ধতি সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট

রোহিঙ্গাদের নেয়ার কোন লক্ষণ দেখছি না-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মায়ানমার কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে ইতিবাচক ভঙ্গিতে কথা বলে এসেছে। কিন্তু বাস্তবে

sangbad ad