• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২০

 

বিশ্ব ও আঞ্চলিক শক্তিধর রাষ্ট্রের নির্লিপ্ততায়

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দীর্ঘায়িত হচ্ছে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

সংবাদ :
  • ইবরাহীম মাহমুদ আকাশ
image

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের বিশ্ব ও আঞ্চলিক শক্তিধর রাষ্ট্রের নির্লিপ্ততা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দীর্ঘায়িত হচ্ছে। রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না করে দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রেখে বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে মনে বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে বিশ্ব ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি মানবতা ও নৈতিকতার অবস্থান এখন শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। তাই আঞ্চলিক সংকট সমাধানে শক্তিধর রাষ্ট্রের নির্লিপ্ততা আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। যা আগে কখনও দেখা যায়নি। এদিকে রোহিঙ্গাদের সহায়তায় দাতা সংস্থার ৬০ কোটি ডলার ঘোষণা করেছে। দাতা সংস্থাগুলো সম্মেলন করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে কোন কাজে আসবে না বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তবে রোহিঙ্গা মায়ানমারে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থানকালীন সহায়তার এই সম্মেলন হতে পারে। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে এই সম্মেলন কোন ভূমিকা পালন করবে না। যখন না পর্যন্ত ভারত, চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের পররাষ্ট্র নীতিতে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জোরালো ভূমিকা পালন না করবে।

এছাড়া রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্থানান্তরে বিষয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নীতিবাচক প্রচারণা। তা মোকাবিলা করেই রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্থানান্তরের কাজ শুরু পরামর্শ তাদের। অপরদিকে মায়ানমারের নির্বাচনের পর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে চীন। এটা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ কিন্তু খুব একটা আশার কথা নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন, বিশ্ব রাজনৈতিক ব্যর্থতার কারণে রোহিঙ্গা সংকট সহসা সমাধান হচ্ছে না। রোহিঙ্গা সংকটের শুধু বাংলাদেশের একার বিষয় নয়। এটা বিশ্ব রাজনীতি সঙ্গে জড়িত। বিগত এক দশকে বিশ্ব রাজনীতিতে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এখানে মানবতা ও নৈতিকতার অবস্থান এখন শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। আর আমাদের অবস্থার এমন দুইটি আঞ্চলিক শক্তির মাঝে। যারা এ বিষয় নিয়ে কোন ভূমিকা পালন করছে না। কারণ আমাদের দক্ষিণ এশিয়ায় মায়ানমারের প্রতিবেশী ভারত ও চীন দুটি শক্তিধর রাষ্ট্র। তারা এ বিষয়ে কোন দায়িত্ব পালন করছে না। অথচ তাদের এই বিষয়ে সমাধান করা উচিত। উল্টো রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে চীন ও ভারত মায়ানমারের কাছ থেকে সুবিধা নিচ্ছে। এটা আমাদের জন্য একটি দুর্ভাগ্য।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান শুরু হলে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়টির ওপর চালানো হয় নিষ্ঠুর নির্যাতন। নির্বিচারে হত্যা, বাড়িঘরে আগুন ও নারীদের ধর্ষণ করে জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালানো হয়। বর্বরোচিত নির্যাতনের ফলে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গরা।

ওই সময়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। এর আগে থেকেই ৪-৫ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রিত ছিল। ফলে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১০-১১ লাখ। রোহিঙ্গা সংকট তিন বছর পেরিয়ে চতুর্থ বছরে পদার্পণ করলেও প্রত্যাবাসনে কোন অগ্রগতি নেই। করোনা মহামারীর কারণে প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম সব বন্ধ করে দিয়েছে মায়ানমার। তবে বাংলাদেশ হাল ছাড়ছে না। করোনা মহামারীর মধ্যেই ছয় লাখ রোহিঙ্গার তালিকা মায়ানমারের কাছে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ। যদিও এ তালিকা থেকে মায়ানমারের যাচাইয়ের খুবই ধীরগতির। মায়ানমার দুই পর্যায়ে মাত্র ৩০ হাজার রোহিঙ্গাকে যাচাই করে প্রত্যাবাসনের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তার মধ্যে প্রথম পর্যায়ের মাত্র আট হাজারের তালিকা বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ২২ হাজারের তালিকা এখনও দেয়নি। মহামারীর পাশাপাশি আগামী নভেম্বরে মায়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের কারণেও প্রত্যাবাসনে দেশটি ধীরগতি দেখাতে পারে। বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে তা স্থগিত হয়। বাংলাদেশের একার প্রচেষ্টায় তারা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবে-এটা মনে করা ঠিক হবে না। চীন ও ভারতকে সঙ্গে নিয়ে মায়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে বলে মনে করেন কূটনীতিকরা।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন, উইরোপে জার্মানি ও ফ্রান্সের মাঝে যদি এ রকম কোন ঘটনা ঘটতো তাহলে তারা সবাই মিনে তা সমাধান করে ফেলতো। কিন্তু আমাদের অবস্থা থেকে চীন ও ভারত সুবিধা নিচ্ছে। এই অঞ্চলের রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি চীন ও ভারতের ব্যর্থতার কারণে সমাধান হচ্ছে না। এখানে বাংলাদেশের কোন ব্যর্থতা নেই। বাংলাদেশ যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে এবং করছে। ভূ-রাজনীতি বাংলাদেশ একটি গুরত্বপূর্ণ অবস্থানে আছে। কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থান এত বড় নয় যে এই সমস্যা ধারণ করতে পারবে। বিশ্ব ও আঞ্চলিক রাজনীতি বড় ধরনের এই পরিবর্তনের কারণে আঞ্চলিক কোন সংকট সমাধানে শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো নির্লিপ্ততা লক্ষ্য করা গেছে।

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৬০ কোটি ডলার ঘোষণা

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় প্রায় ৬০ কোটি ডলার দেয়ার অঙ্গীকার করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা দেশ ও সংস্থা। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে যৌথভাবে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে দাতা দেশ ও সংস্থাগুলো এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া মায়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের সহায়তায় ২০২০ সালের জন্য ১০০ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। তার অর্ধেক অর্থও না আসার প্রেক্ষাপটে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সবচেয়ে বড় দাতা দেশ যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ২০ কোটি ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেবে ১১ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং যুক্তরাজ্য ৬ কোটি ডলার দেবে। আরও বেশ কয়েকটি দেশ অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সম্মেলেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বলেন, ‘‘আজকে সর্বমোট ৫৯৭ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তার ঘোষণার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মানবিক সংকটে সাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে তার জোরালো অবস্থানের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। রোহিঙ্গাকে নিয়ে কক্সবাজার বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এসব শরণার্থীদের পাশাপাশি তাদের আশ্রয় দেয়া স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন, দাতা সংস্থাগুলো সম্মেলন করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে কোন কাজে আসবে না। তবে রোহিঙ্গা মায়ানমারে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করছে। সেক্ষেত্রে তাদের সহায়তার এই সম্মেলন হতে পারে। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে এই সম্মেলন কোন ভূমিকা পালন করবে না। যখন না পর্যন্ত ভারত, চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের পররাষ্ট্র নীতিতে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জোরালো ভূমিকা পালন না করবে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তাব চীনের

মায়ানমারের নির্বাচনের পর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে চীন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এ আশ্বাস দেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘মায়ানমারের নির্বাচনের পর প্রথমত রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ, চীন ও মায়ানমারের মন্ত্রী পর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের উদ্যোগ নেয়া হবে। টেলিফোন আলাপে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে ঢাকায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় প্রস্তুতিমূলক বৈঠক দ্রুত শুরু করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী। তাকে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চীনকে মায়ানমার জানিয়েছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে ‘দ্রুত আলোচনা শুরু করবে’। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর ওয়াং ই বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মায়ানমারে ফেরত নেয়া হবে বলে সম্প্রতি মায়ানমার আবারও চীনকে ‘আশ্বস্ত করেছে’। চীন রোহিঙ্গা বিষয়ে মায়ানমারের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতি হলে রোহিঙ্গাদের যাতে ফেরত নেয়া যায়, সে লক্ষ্যে মায়ানমার কাজ করবে বলে চীনকে তারা জানিয়েছে।’

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন, এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু খুব একটা আশান্বিত নয়। কারণ এটা একটি বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা। এর আগের ভারত ও চীন এরকম অনেক ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের কার্যকর কোন ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি। আঞ্চলিক রাজনীতি রোহিঙ্গা সংকট সামাধানে পুরোপুরি ব্যর্থ এটা বলা যায়।

ভাষানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর এখনও অনিশ্চিত

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বিরোধিতার কারণে ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি। সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের জন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। জোয়ার-জলোচ্ছ্বাস থেকে এই চরের ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা রক্ষা করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ তৈরি করেছে। এক লাখ রোহিঙ্গার জন্য সেখানে ১২০টি গুচ্ছ গ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের এক সভায় ভাসানচরের জন্য নেয়া প্রকল্পের খরচ ৭৮৩ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। বাড়তি টাকা ভাসানচর রক্ষাকারী বাঁধের উচ্চতা বাড়ানো, আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা, জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের জন্য ভবন ও জেটি নির্মাণে খরচ হবে। বরাদ্দ বাড়ার ফলে ভাসানচর রক্ষাকারী বাঁধের উচ্চতা ১০ ফুট থেকে বাড়িয়ে ১৯ ফুট করা হবে। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক অন্যান্য সংস্থার আপত্তির কারণে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের পরিকল্পনায় আপাতত বড় কোন অগ্রগতি নেই। তবে পরিকল্পনা বাতিল করা হয়নি বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়। এ বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক অন্যান্য সংস্থার আপত্তির কারণে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের পরিকল্পনায় আপাতত বড় কোন অগ্রগতি নেই। তবে পরিকল্পনা বাতিল করা হয়নি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’ এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্থান্তান্তর নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নীতিবাচক প্রচারণা কাজ করছে। এটা আমাদের মোকাবিলা করেই ভাষানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের বুঝাতে হবে কক্সাবাজার থেকে ভাষানচর যথেষ্ট উপযোগী বাসস্থান।’

ভাসানচরে তৃপ্ত রোহিঙ্গারা নিতে চান অন্যদেরও

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

কক্সবাজারের আশ্রয় শিবিরে ছাপড়া ঘর, অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ পরিবেশ থেকে ভাসানচরের পরিকল্পিত আবাসনে পৌঁছে তৃপ্তি ও স্বস্তির কথা জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা।

বঙ্গবন্ধু অবিনাশী সত্ত্বা, তাঁর ভাস্কর্য ভাঙা যায় না : শ ম রেজাউল করিম

প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙা যায় না।

করোনা নিয়ন্ত্রণে পৃথিবীর মানুষের কাছে প্রধানমন্ত্রী প্রশংসিত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

মহামারী করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের কারণে পৃথিবীর মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করোনা নিয়ন্ত্রণে সারাবিশ্ব অবাক। সারা পৃথিবীর মানুষ তার প্রশংসা করছে।

sangbad ad

ভাস্কর্য বিতর্কের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী দেখছেন: ওবায়দুল কাদের

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ নিয়ে সমালোচনার জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও...

এক সপ্তাহের মধ্যে ভাস্কর্য বিরোধীতার সমাধান : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

হেফাজতে ইসলামের নেতাদের বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধিতায় ‘সৃষ্ট পরিস্থিতি’ অবসানের আশ্বাস দিয়েছেন

খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাটির গুরুত্ব অপরিসীম: কৃষিমন্ত্রী

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, এমপি বলেছেন, দেশের মানুষের খাদ্য ও

শৃঙ্খলা হচ্ছে সৈনিকের মূল পরিচিতি : প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

বিজিবির সার্বিক উন্নয়নে বর্তমান সরকারের বাস্তবায়িত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী

১০ জেলায় অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের আড়াই মাস পর শুরু হতে চলেছে নতুন করোনাভাইরাস শনাক্তের অ্যান্টিজেন

প্রযুক্তি যেন মাটির জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি না হয়: প্রধানমন্ত্রী

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা। বাংলাদেশের কৃষি এখন খরপোশ কৃষি থেকে বাণিজ্যিক কৃষিতে উত্তরণের ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদিত কৃষি পণ্যের গুণাগুণ বজায় রাখতে হবে।