• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৯

 

দূতাবাসের প্রতিবেদন

মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার বন্ধ হয়নি : পদ্ধতি পরিবর্তন হচ্ছে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ আগস্ট ২০১৮

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

মালয়শিয়ার শ্রমিক নিয়োগে সিনারফ্লেক্স কোম্পানির (এসপিপিএ) সিস্টেম ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাতিল হলেও বাংলাদেশের শ্রমবাজার বন্ধ হবে না। অটোমেটিকালি পুরনো পদ্ধতি চালু হবে। তবে কাজের স্বচ্ছতা ও গতি ফিরিয়ে আনতে শীঘ্রই নতুন নিয়ম নিয়ে উভয় দেশের সরকারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারের হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে শ্রম কাউন্সিলর মো. সায়েদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদন ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারের হালনাগাদ পরিস্থিতি জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের কিছু মিডিয়া ‘মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার বন্ধ’ বলে বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করছে। প্রকৃতপক্ষে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার বন্ধ হয়নি। মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার এখনও চালু আছে, শুধু পদ্ধতিগত পরিবর্তনের কথা বলছে তারা। এখনো ৩০ হাজার ভিসা সম্বলিত অপেক্ষমান শ্রমিকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনের যোগাযোগ অব্যাহত আছে। শ্রমিক নিয়োগের পরবর্তী কার্যক্রম উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার আলোকে নির্ধারিত হবে। অন্য সব দেশের কর্মী নিয়োগেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি উভয় সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। সম্পূর্ণ অনলাইন ভিত্তিতে চলমান এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের জন্য মালয়েশিয়া সরকার সিনারফ্লেক্স এসডিএন-বিএইচডি নামের সে দেশের একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়। মালয়েশিয়া সরকারের প্রস্তাবিত ১০টি এজেন্সির মাধ্যমে এই রিক্রুটিং কার্যক্রম চলমান আছে। গত ৯ মে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়। এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার আরও সুশৃঙ্খল রাখার জন্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। এরই অংশ হিসেবে ১৪ আগস্ট মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ এক প্রেস ব্রিফিং করেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং মানবসম্পদ মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেস ব্রিফিংয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বর্তমানে নিয়োজিত ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সি সৃষ্ট মনোপলির পরিবর্তে অধিকসংখ্যক বা সব রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান। এছাড়া কর্মী প্রেরণকারী সব দেশ থেকে একই পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চালু করা হবে বলে জানান। আরও জানানো হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে যেমন সমঝোতা স্মারক রয়েছে, নেপালসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গেও মালয়েশিয়া একই ধরনের সমঝোতা স্বাক্ষর করবে। ওই প্রেস ব্রিফিংয়ের ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়া সরকারের নতুন চিন্তাভাবনাকে পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে সিনারফ্লেক্স কোম্পানির (এসপিপিএ) সিস্টেম ১ সেপ্টেম্বর থেকে অকার্যকর হবে বলে গত ২১ আগস্ট মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সিনারফ্লেক্সের নির্বাহী পরিচালককে জানানো হয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৬৯ হাজার কর্মীর চাহিদা পাঠিয়েছে। এর মধ্য থেকে ২ লাখ ৩৫ হাজার কর্মীর ভিসা মালয়েশিয়া দূতাবাস সত্যায়ন করছে। এর মধ্য থেকে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী দুই লাখ ভিসার অনুমতি দিয়েছে। যাদের ভিসা প্রক্রিয়া ৩০ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে, তাদের কোনো সমস্যা হবে না। এরকম ২৫ থেকে ৩০ হাজারের মতো শ্রমিক আছেন। মালয়শিয়া সরকার ত্রুটি বিচ্যুতির কারণে ৮৬টি কোম্পানির ভিসা সত্যায়ন করা হয়নি। কিন্তু যারা রিক্রুটিং এজেন্সিকে টাকা দিয়ে ফেলেছেন কিন্তু ভিসা প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেননি, তাদের এজেন্সির সঙ্গে কথা বলে টাকা ফেরত নেয়ার পরামর্শ দেন। এতে কোন সমস্যা হলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহায়তা করবে।

এদিকে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। তারা চিঠি দিয়েছে তাদেরই নিয়োগকৃত কোম্পানিকে। আমাদের জানালে আমরা অবশ্যই জানতে চাইতাম। মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার বন্ধ করা হয়েছে কিংবা শ্রমিক নিয়োগ আর করবে না, এমন কিছু তারা বলেনি। তারা সিস্টেম বদলানোর কথা বলছে।

এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করেছে মালয়েশিয়ায় জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে শ্রমিক পাঠানো রিক্রুটিং এজেন্টরা। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মালয়েশিয়া সরকারের যেকোন বক্তব্যকে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল অতিরঞ্জিত করে দেশ ও মিডিয়াকে বিভ্রান্ত করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। এখনও ৭০ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়া যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে, যাদের ভিসা হয়ে গেছে। অনেকের কলিং ভিসা আসার অপেক্ষায় রয়েছে। অসম্পূর্ণ সংবাদ প্রকাশের কারণে এই ৭০ হাজার শ্রমিকের মনে সন্দেহ জাগবে এবং তারা হয়তো আর যেতে চাইবে না। বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবে না-এমন কথা মালয়েশিয়া সরকার কখনো বলেনি। মালয়েশিয়া সরকার কোন পদ্ধতিতে কলিং ভিসা প্রসেস করবে, এটা তাদের রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। এতদিন এসপিপিএ পদ্ধতিতে ভিসা প্রসেস করতো, এখন ১৪টি দেশের জন্য একই পদ্ধতিতে ভিসা প্রসেস করবে। এতে কাজের স্বচ্ছতা এবং গতি দুটোই বাড়বে।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই অর্থাৎ প্রথম সাত মাসে ৪ লাখ ৫১ হাজার ৫৩৬ জন বাংলাদেশি কাজের জন্য বিদেশে গেছেন। তাদের মধ্যে শুধু সৌদি আরব আর মালয়েশিয়ায় ১ লাখের বেশি শ্রমিক গেছেন। এ সংখ্যা যথাক্রমে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫৭৭ ও ১ লাখ ৯ হাজার ৫৬২। এছাড়া ২০১৭, ২০১৬ ও ২০১৫ সালে মালয়েশিয়াগামী বাংলাদেশি নাগরিকের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৯৯ হাজার ৭৮৭, ৪০ হাজার ১২৬ এবং ৩০ হাজার ৪৮৩।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া সরকার তাদের পাঁচটি খাতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে রাজি হওয়ার পর ২০১৬ সালে ঢাকায় দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। পাঁচ বছর মেয়াদি এই চুক্তির আওতায় লোক পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয় ওই ১০টি জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিকে। কিন্তু প্রবাসী এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগসাজশে একটি চক্র ওই ১০ এজেন্সিকে নিয়ে সিন্ডিকেট করে শ্রমিকদের কাছ থেকে দুই বছরে অন্তত ২০০ কোটি রিঙ্গিত হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর গত জুনে ওই ব্যবস্থা স্থগিত করে দেশটির নতুন সরকার।

সরকারের প্রধান লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সুশাসনের মাধ্যমে

শিক্ষা প্রশাসনে বড় পরিবতর্ন আসছে

রাকিব উদ্দিন

image

শিক্ষা প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল আসছে। রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ‘লোভনীয়’ পদে

ইশতেহার বাস্তবায়নই প্রথম লক্ষ্য

মোস্তাফিজুর রহমান

image

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নেই মনোযোগ সরকারের। চলতি মেয়াদের শুরু থেকে

sangbad ad

নিজের জন্যই ট্রাফিক আইন মানা উচিত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আমাদের নিজেদের জন্যই ট্রাফিক আইন মানা প্রয়োজন। দ্রুত যাওয়ার চাইতে জীবন

প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে শত ভাগ চেষ্টা করা হবে : প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেছেন, বর্তমানে

নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ২১ জানুয়ারি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক বসছে আগামী ২১ জানুয়ারি। ওইদিন সকাল ১০টায়

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে চালিত ১১শ’ প্রতিষ্ঠান বিশৃঙ্খলায় বিরাজমান

রাকিব উদ্দিন

image

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে অধ্যক্ষ ও ডিগ্রি কলেজে উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

আগামী পাঁচ বছর আমাদের জন্য কঠিন পরীক্ষা : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু

বিমানবাহিনীর আজান ও কেরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আন্তঃঘাঁটি আজান ও কেরাত প্রতিযোগিতা বৃহস্পতিবার

sangbad ad