• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮

 

মাদক বহন বিপণন ও সেবনে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ০৮ অক্টোবর ২০১৮

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

পাঁচ গ্রামের বেশি ইয়াবা, ২৫ গ্রামের বেশি হেরোইন বা কোকেন উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন করলে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮’-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। প্রস্তাবিত আইনে এসব মাদকদ্রব্য সেবনেও একই শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আগের আইনে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ২ থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৮ অক্টোবর) তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই খসড়ায় অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে বলেন, এই আইনে ৫ গ্রামের বেশি ইয়াবা বহন, বিক্রি, চোরাচালানে যুক্ত থাকলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই অপরাধে সর্বনিম্ন সাজার প্রস্তাব করা হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ৫ গ্রামের কম মাদকদ্রব্য বহনে সর্বোচ্চ ১৫ বছর ও সর্বনিম্ন পাঁচ বছর কারাদণ্ড।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের আগের আইনটি ১৯৯০ সালে করা। কিন্তু এখনকার বাস্তবতায় সেই আইনটি দিয়ে মাদক নির্মূল করা কঠিন। এজন্য ২৮ বছরের পুরনো আইনটির সঙ্গে বর্তমানে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী সব আইনের সমন্বয় করে নতুন খসড়া তৈরি করা হয়েছে। আইনে এই সময়কালে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়া ইয়াবা নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’

ইয়াবা, সিসাবার ও ডোপ টেস্টের মতো বিষয়গুলো আইনে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, ‘সব ধরনের মাদককে নতুন আইনে যুক্ত করা হয়েছে। এমন কোন বিষয় নেই যা কভার করবে না। খসড়া আইনে কেউ মাদকাসক্ত কিনা, তা যাচাইয়ের জন্য ডোপ টেস্টের বিধান রাখার কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ মাদক ছাড়া ধরা পড়লেও শাস্তির সুযোগ থাকছে এই আইনে। কেউ পরীক্ষায় পজেটিভ প্রমাণ হলে সর্বনিম্ন ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের কথা বলা আছে।’

এছাড়াও প্রস্তাবিত আইনে হেরোইন-কোকেনসহ ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত মাদকদ্রব্য ২৫ গ্রাম বা তার বেশি পরিমাণে বহনে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড এবং সর্বনিম্ন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, ২৫ গ্রামের কম বহনে সর্বোচ্চ ১০ বছরের এবং সর্বনিম্ন ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ইয়াবা ‘ক’ শ্রেণীর মাদকদ্রব্য। এর রাসায়নিক নাম অ্যামফিটামিন। এই মাদকদ্রব্য বহন, মজুদ, বিপণনের পরিমাণ সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম হলে এক থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড। মাদকদ্রব্য পরিমাণ ১০০ গ্রামের বেশি থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত হলে ৫ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। মাদকদ্রব্যের পরিমাণ ২০০ গ্রামের বেশি হলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, যেকোন পানীয়তে যদি ০.৫ শতাংশ বা এর বেশি পরিমাণ অ্যালকোহল থাকে তাহলে সেটি বিয়ার হিসেবে গণ্য হবে। এই জাতীয় পণ্য বিক্রির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্সের কোন শর্ত ভঙ্গ করলে লিখিত প্রদান সাপেক্ষে এক লাখ টাকা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

কোনো ব্যক্তি, কোনো প্রতিষ্ঠান এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধ সংঘটনে অর্থ বিনিয়োগ ও সরবরাহ করলে, মদদ দিলে বা পৃষ্ঠপোষকতা করলে মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ডের সাজা পাবেন জানিয়ে সচিব বলেন, ‘একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনে কাউকে প্ররোচনা দিলে, সাহায্য করলে বা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে, প্রচেষ্টা নিলে অপরাধ সংঘটন হোক বা না হোক তিনি এই আইনের অধীন অনুরূপ দণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।’

১৯৯০ সালের মাদক আইনটির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শফিউল আলম আরও বলেন, ‘এটাকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে পুর্নবিন্যাস করা হয়েছে। বাংলাদেশ সিঙ্গেল কনভেনশন অন নারকোটিকস ড্রাগস-১৯৬১, ইউএন কনভেনশন অন সাইকো ট্রপিক সাবসটেন্সস-১৯৭১ এবং ইউএন কনভেনশন অন নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকো ট্রপিক সাবসটেন্সস ১৯১৮-এ সই করেছে। এগুলোর ভিত্তিতে আইনটি হালনাগাদ করা হয়েছে।’

সচিব জানান, ইন্টারন্যাশনাল নারকোটিক্স কন্ট্রোল বোর্ডের নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রস্তাবিত আইনে ‘কন্ট্রোল-ডেলিভারি’ নামে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। মাদকদ্রব্যের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, এই আইনের তফসিলে উল্লিখিত কোন দ্রব্য এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা মাদকদ্রব্য বলে ঘোষিত অন্য কোনো দ্রব্য যা সংশ্লিষ্ট তফসিলের অংশ বলে গণ্য হবে। মাদকদ্রব্যের সঙ্গে অন্য যে কোনো দ্রব্য মিশ্রিত বা একীভূত দ্রব্য সমুদয় পণ্য মাদকদ্রব্য বলে গণ্য হবে। আর সিসার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের ভেষজ-নির্যাস সহযোগে দশমিক ২ শতাংশের ঊর্ধ্বে নিকোটিন এবং এসএস ক্যানেল মিশ্রিত উপাদান।’

জাতিকে মেধাশূন্য করতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, জাতিকে মেধা শূন্য করার হীন চক্রান্ত

নির্বাচনী সংঘাত চিন্তিত ইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন মানে বড় নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিক্ষিপ্তভাবে ছোট ছোট সহিংসতার ঘটনা ঘটতেই

নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে রেঞ্জ ডিআইজিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠকে

sangbad ad

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আজ ১৪ ডিসেম্বর; শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে

দশ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে ৪ গুণ

ফয়েজ আহমেদ তুষার

image

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গত দশ বছরে প্রায় চারগুণ বেড়েছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের

সংসদ ভবনের নির্মাণশৈলীর প্রশংসা দ. কোরিয়ার প্রতিনিধি দলের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণশৈলীর ভূয়সী প্রশংসা করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদীয়

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে কাল শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি সড়কে যানবাহন চলাচল

ইসি বিব্রত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর দ্বিতীয় দিনে দু'জন নিহত হওয়ার ঘটনা এবং বিএনপি মহাসচিবের

ঢাবিতে ডিনস্ অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭০ শিক্ষার্থী

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

বিবিএ ও এমবিএ পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জন করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ব্যবসায়

sangbad ad