• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

 

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আট সংকট নিরসনে ছয় প্রস্তাব : বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৪ মে ২০১৯

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, ঢাবি
image

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় রাজনীতি শিক্ষাগত মানের ওপরে প্রভুত্ব করছে এবং অল্প কয়েকটি বাদ দিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেবল সনদ বিক্রির ভবনে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক’। ৪ মে শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। সেখানে শিক্ষকরা এ মন্তব্য করেন। সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই : উচ্চশিক্ষা, নীতিমালা, কাঠামো’-শীর্ষক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। কনভেনশন থেকে বর্তমানে দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলমান সরকারি কর্তৃত্ব, স্বায়ত্তশাসনের অপব্যবহার, সনদ বাণিজ্যসহ ৮টি সংকট চিহ্নিত করা হয়। এসব সংকট নিরসনে সংবাদ সম্মেলন করে ৬টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক আনু মোহাম্মদ, নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সাঈদ ফেরদৌস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক রুশাদ ফরিদী, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক কাজী মারুফুল ইসলাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক গীতি আরা নাসরীন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক তানজীমউদ্দিন খান প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে সামিনা লুৎফা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সার্বিক মানের অবনমন ঘটেছে বলে একটি ধারণা ধীরে ধীরে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় রাজনীতি শিক্ষাগত মানের ওপরে প্রভুত্ব করছে। অল্প কয়েকটি বাদ দিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেবল সনদ বিক্রির ভবনে পরিণত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কনভেনশনের আয়োজন করে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলমান আটটি সংকট তুলে ধরেন। এগুলো হলো- সরকারি কর্তৃত্ব; ইউজিসির কৌশলপত্রের কারণে সান্ধ্যকোর্স, বৈকালিক কোর্স, বিশেষ প্রোগ্রাম চালু; স্বায়ত্তশাসনের অপব্যবহার; শিক্ষায় জিডিপির তুলনায় কম বরাদ্দ ও গবেষণায় তহবিল বরাদ্দ না থাকা; অ-স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত; শিক্ষক নিয়োগে দলীয় বিবেচনায় ভোটার বৃদ্ধির প্রবণতা; ছাত্ররাজনীতির নামে শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণ এবং মুনাফামুখী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কারণে মান অর্জনে ব্যর্থ হওয়া।

একই সঙ্গে সমস্যা সমাধানে ছয়টি প্রস্তাবও তুলে ধরেন সামিনা লুৎফা। প্রস্তাবের প্রথম দফায় বলা হয়েছে- বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকটগুলো রাষ্ট্রব্যবস্থার সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই রাষ্ট্রব্যবস্থার সংকটগুলোর সমাধান হওয়া দরকার। সরকারগুলো বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বাস করে না, নিজ স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার। আজকের জন্য এমন আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় চাই যা চিন্তার স্বাধীনতা, প্রশ্ন করার পরিসর এবং বিশ্লেষণের বিস্তার নিয়ে তৈরি হবে। সরকারকে এক্ষেত্রে উদার হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজের মতো চলতে দিতে হবে। উন্নয়নের ধারায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শিক্ষা খাত ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করতে হবে। ‘ইউজিসির কৌশলপত্র ও নয়া উদারবাদী নীতি’র বিষয় উল্লেখ করে দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলা হয়েছে- নব্য উদারবাদী মতাদর্শের আলোকে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশ্বব্যাংক প্রণীত বাণিজ্যিকীকরণের নীতি থেকে সরে আসতে হবে। উন্নয়নশীল দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্চশিক্ষাকে দরিদ্র মানুষদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। নৈশ বা সান্ধ্যকোর্সগুলোকে ধীরে ধীরে তুলে নিতে হবে। বছর বছর ছাত্রছাত্রীদের বেতন বাড়ানো বন্ধ করতে হবে। ‘বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার আইন ও নীতি’-শীর্ষক প্রস্তাবে বলা হয়েছে- তিয়াত্তরের আদেশের অপব্যবহার রোধে কিছু সংস্কার প্রয়োজন। সিন্ডিকেটে নির্বাচিত ৬ জনের বাইরে যেসব শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেপুটেশনে বাইরে গিয়েছেন তাদের আবার সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সিন্ডিকেটে মনোনয়ন দেয়া বন্ধ করতে হবে। সিনেট নির্বাচনে নির্বাচিত ৩৫ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের বাইরে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটদের নির্বাচনে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোন শিক্ষক নির্বাচন করতে পারবেন না। যারা প্রশাসনের নানা পদে রয়েছেন, তাদের শিক্ষক সমিতির নির্বাচন করা থেকে বিরত রাখতে হবে। তিয়াত্তরের আদেশের আওতামুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য তিয়াত্তরের আদেশের আদর্শের আলোকে আইন ও নীতি চূড়ান্ত করতে হবে। স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্থানীয় প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব ক্ষমতা উপাচার্যের হাতে না রেখে, কিছু ক্ষমতা বিভাজন করতে হবে। চতুর্থ প্রস্তাবে ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়’ সম্বন্ধে বলা হয়েছে- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সমধর্মী ভাবা বন্ধ করতে হবে, কারণ এগুলো তো হোমোজেনাস না। ভালো, দক্ষ, বয়স্ক শিক্ষকদের ধরে রাখার ব্যবস্থা করা দরকার, পূর্ণকালীন শিক্ষকদের সংখ্যা বাড়াতে হবে। শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করা জরুরি। শিক্ষকদের অধিকার নিয়ে কথা বলার জায়গা দরকার। মালিকদের একচেটিয়া ক্ষমতার হাত থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য রাষ্ট্রের মনোযোগ দরকার। পিএইচডি ও এমফিল ডিগ্রির অনুমতি দেয়া দরকার। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় তাদের নিজেদের গ্র্যাজুয়েটদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে দিতে পারে। শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে পাবলিক-প্রাইভেটের একটা যোগসূত্র করা দরকার শিক্ষার্থীরা যেন পাবলিক-প্রাইভেটে আদান-প্রদান করতে পারে। বাংলায় পাঠদানের ক্ষেত্রে হীনমন্যতাবোধ থেকে মুক্তি দরকার। ‘পাঠদান ও গবেষণা’র প্রস্তাবে বলা হয়েছে- পাঠদানের মতো ন্যূনতম কাজটিতে শিক্ষকদের জবাবদিহিতার পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে। শিক্ষকদের কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে। পাঠদান শিক্ষকের প্রথম কাজ, দ্বিতীয় কাজ গবেষণা। ভালো ভালো শিক্ষক ভালো গবেষক নাও হতে পারেন, উল্টোটাও ঘটতে পারে। শিক্ষকের আগ্রহ ও সামর্থ্য অনুযায়ী লোড বণ্টনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে এবং তাদের স্বীকৃতি ও প্রমোশনের আলোকে গবেষণার জন্য সরকারকে প্রচুর বরাদ্দ দিতে হবে। গবেষণার অনুদান প্রাপ্তিতে দলগত পরিচয়ের প্রাধান্য বন্ধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প-িতদের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও আদান প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি ধরার সফটওয়্যার সব বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে হবে। দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সার্বক্ষণিক পিএইচডি-এমফিল ডিগ্রি চালু করা। ছয় নম্বর প্রস্তাবে ‘ভর্তি নিয়োগে ও প্রশাসন’ বিষয়ে বলা হয়েছে- ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি ধাপে ধাপে পরিবর্তন করতে হবে। প্রশ্নের ধরন পাল্টাতে হবে আগে, সম্পূর্ণ এমসিকিউভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা থেকে সরে এসে, এপ্টিচ্যুড টেস্টে যেতে হবে। প্রথম বর্ষ থেকে সবাইকে হলে সিট দিয়ে দিতে হবে। প্রভাষক পদে নিয়োগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করে এ বিষয়ে নিয়োগ পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে। দলগত ও আঞ্চলিক বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ও বিভাগে পাস করা শিক্ষার্থীদের ওই বিভাগে চাকরি দেয়ার প্রবণতা বদলাতে হবে।

দেশে করোনায় আক্রান্ত ৩৬ হাজার ৭৫১: মৃত্যু ৫২২

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে; নতুন শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ১৬৬ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২২ জনের, মোট শনাক্ত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৭৫১ জন।

করোনায় মৃত্যু প্রায় সাড়ে ৩ লাখ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। গত ডিসেম্বরের শেষে চীনের উহানে শুরু হওয়া করোনার সংক্রমণ বিশ্বের ২১৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

অসহায়দের পাশে থাকাতে সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ পবিত্র ঈদে দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সামর্থ্যবানদের আহ্বান জানিয়েছেন।

sangbad ad

জাতীয় কবি নজরুলের জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২১তম জন্মবার্ষিকী আজ উদ্যাপিত হয়েছে।

করোনা সংকটে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহবান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ করোনাভাইরাস জনিত সংকট এবং বাংলাদেশের উপকুল এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘূর্ণীঝড় আম্পানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র জনগণের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

ঈদ উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও ঈদ উপহার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুসলমানদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আজ (২৫ মে) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের গজনবী রোডে মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্রে (মুক্তিযাদ্ধা টাওয়ার-১) বসবাসরত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য এবং যুদ্ধাহত পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ফুল, ফল ও মিষ্টি পাঠান।

যথাযোগ্য মর্যাদায় সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আজ সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ঈদকে ঘিরে যে আনন্দ-উচ্ছাস থাকার কথা তা এবার ম্লান করে দিয়েছে মহামারী করোনাভাইরাস।

দেশে করোনায় মৃত্যু পাঁচশ ছাড়াল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে; নতুন শনাক্ত হয়েছেন সর্বোচ্চ ১৯৭৫ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৫০১ জনের, শনাক্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৫৮৫ জন।

বায়তুল মোকাররমে ঈদের ৫টি জামাত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আজ সোমবার পবিত্র ঈদুল ফিতর। দেশজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবার ঈদুল ফিতরের জামাত আয়োজনের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবং কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহেও এবার হচ্ছে না ঈদ জামাত। ইসলামিক ফাউেন্ডশন জানিয়েছে, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদের নামাযের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়। পর্যায়ক্রমে ৮টা, ৯টা, ১০টা ও পৌঁণে ১১টায় পরবর্তী জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

sangbad ad