• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯

 

বিআরটিএ ও পুলিশের প্রস্তুতির অভাবে কার্যকর হচ্ছে না নতুন সড়ক আইন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

দ্বিতীয় দিনেও ২ নভেম্বর শনিবার নতুন সড়ক পরিবহন আইনের কার্যকারিতা দেখা যায়নি রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে। ১ নভেম্বর শুক্রবার থেকে বাস্তবায়ন হয় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮। কিন্তু আইন বিভিন্ন ধারায় শাস্তি সম্পর্কে এখনও জানে না অনেক পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশের প্রস্তুতি না থাকা ও বিধিমালা তৈরি না হওয়ার কারণে আইন এখনও পুরোপুরি কার্যকর করা যাচ্ছে না বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এদিকে নতুন সড়ক আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধনের দাবি জানিয়েছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো।

সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুড়ে দেখা গেছে, প্রথমদিনের মতো শনিবারও রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে নতুন আইনের কার্যকর দেখা যায়নি। তবে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়া সড়কে যানবহন কিছুটা কম ছিল। কিন্তু বেশিরভাগ চালক নতুন সড়ক আইন সম্পর্কে অবগত নয়। অনেকেই নতুন আইনের শাস্তি সম্পর্কে জানে না। দুই-একজন আইনের শাস্তির কমানোর দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া ট্রাফিক পুলিশের অনেক সদস্য আইনের শাস্তি বিষয়ে তেমন জানেন না। পাশাপাশি নতুন আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পুলিশের পস (পয়েন্ট অব সেল) মেশিনের সফটওয়্যারও আপডেট হয়নি। তাই আইনের কার্যকারিতা নিয়ে তাদের আগ্রহ কম দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ট্রাফিক দক্ষিণ) আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, নতুন আইন তো সবজায়গায় হুট করে প্রয়োগ করা যাবে না। মানুষ তো এখনও জানে না। ডিএমপির যেসব অফিসাররা আইনটা প্রয়োগ করবে তাদের জানার দরকার আছে। তাদের একটি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আমরা করেছি। এছাড়া ট্রাফিক আইনের বেশিরভাগ মামলায় চালকের কাগজপত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে জরিমানার স্লিপ প্রিন্ট করে দেয় পুলিশ। পয়েন্ট অব সেল (পস) মেশিনের সঙ্গে আইনের সঙ্গতি রেখে সফটওয়্যার আপডেটের কাজ এখনও হয়নি। বর্তমান মেশিনের সফটওয়্যারে আগের আইনটি সেট করা। নতুন আইনটি সফটওয়্যারে সেট করতে এক মাসের মতো সময় লাগবে। যতদিন সফটওয়ার পদ্ধতিতে না যাব, ততদিন মেনুয়্যাল পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হবে।

এ বিষয়ে বিআরটিএ পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মো. মাহবুব-ই-রববানী বলেন, নতুন এ আইন একেবারে চাপিয়ে দেয়া হবে না। কারণ আগের আইনের সঙ্গে নতুন আইনের অনেক পার্থক্য রয়েছে। হঠাৎ করে নতুন আইন চাপিয়ে এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হবে না। যাতে গাড়ি-ঘোড়া চলাচল বন্ধ হয়ে জনভোগান্তি তৈরি হয়। তবে পর্যায়ক্রমে নতুন আইনটি সহনীয় মাত্রায় প্রয়োগ করা হবে। আপাতত কাজ চলবে পুরোনো আইনে।

এদিকে নতুন সড়ক পরিবহন আইনকে স্বাগত জানালেও আইনটির কয়েকটি ধারা সংশোধনের দাবি জানিয়েছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো। শনিবার রাজধানীর শাহবাগে পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সংগঠনের সভাপতি মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, এই আইনের ফলে মালিক-শ্রমিকরা যেন অযথা হয়রানির শিকার না হয়। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মালিক শ্রমিকরা যেন অকারণে হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দুর্ঘটনার মামলা যেন ৩০৪(খ) ধারার পরিবর্তে ৩০২ ধারায় দায়ের না করা হয়। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় ড্রাইভার কাউকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে হত্যা করেছে, সেক্ষেত্রে ৩০৪(খ) ধারা ৩০২ ধারায় স্থানান্তর করলে আপত্তি নাই। গাড়ির মালিকের সব কাগজপত্র এবং চালকের লাইসেন্স ঠিক থাকার পরও কোন কোন ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার জন্য মালিকদের বড় অঙ্কের জরিমানা করা হয়। এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহন খাত অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আইনের জামিন অযোগ্য ধারাটিসহ তিন-চারটি ধারা সংশোধন করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠেনর মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, আইনের প্রতি সমর্থন থাকলেও কিছু বিষয় পুনর্বিবেচনা করা দরকার। এই আইনের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন আছে। এ আইন মেনে চলতে আমরা পরিবহন মালিকদের আহ্বান জানাব। পাশাপাশি এ আইনের অনেকগুলো ধারা আছে, আমি মনে করি যেগুলো এই মুহূর্তে বাস্তবায়ন সম্ভব না। আইনের কিছু ধারা যেন সংশোধন করা হয়।

অন্যদিকে নতুন সড়ক পরিবহন আইন নমনীয় করার দাবি জানিয়েছে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খান। ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় স্বাধিনতা হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আইন কঠোর করে শাস্তি বাড়িয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। এখনও বিধি প্রণয়ন করা হয়নি। বিধি প্রণয়ন ব্যতীত আইন প্রয়োগে জটিলতার অবসান হবে কীভাবে? আইন কঠোর করলে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমবে বলে যারা মনে করছেন, তাদের সঙ্গে ভিন্নমত জানান তিনি। চালক বা শ্রমিককে সাজা বা ফাঁসি দিলে দুর্ঘটনা বন্ধ হবে, এমন অলিক কল্পনা যারা করেন, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। সব দেশে আইন আছে, কেউ কাউকে হত্যা করলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-। এ কঠিন আইন থাকার পরও কি হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়ে গেছে? তাদের মনে রাখতে হবে, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হত্যাকাণ্ড নয়। দুর্ঘটনা দুর্ঘটনাই। দুর্ঘটনায় শুধু যাত্রী বা পথচারী নিহত হয় না, চালক বা শ্রমিকও নিহত হন। চালক বা শ্রমিকের কারণে যদি দুর্ঘটনা ঘটে তার দায়ভার চালক ও শ্রমিকের। আইন অনুযায়ী তাদের সাজা হবে। অন্য কারণে দুর্ঘটনার দায়ভার তারা নেবে কেন?

‘রেলপথের ওপর মোবাইল ফোন কানে দিয়ে কথা বলতে গিয়ে আনমনা কেউ ট্রেনের চাকায় কাটা পড়লে তার জন্য কি ট্রেনের ড্রাইভারকে দায়ী করা হয়? বলেন তিনি। দুর্ঘটনা নিয়ে উচ্চ আদালতের কয়েকটি আদেশের প্রসঙ্গ টেনে শাজাহান খান বলেন, সম্প্রতি দুর্ঘটনার কারণে দেশের সর্বোচ্চ আদালত পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের রায় দিয়েছেন। ঢালাওভাবে এ ধরনের রায় কোন দেশে নেই। এতে মালিক-শ্রমিক গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে আছেন। এসব রায় সড়কে কতটা শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শুধু শাস্তির ভয় দেখিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। বরং সড়ক আইন যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের প্রস্তাবিত ১১১টি সুপারিশের বাস্তবায়ন জরুরি।

তাদের দাবিগুলো হলো- সড়ক দুর্ঘটনার মামলা জামিনযোগ্য করতে হবে, তদন্ত ছাড়া দুর্ঘটনার মামলা ৩০২ ধারায় (হত্যাকাণ্ডের ধারা) দায়ের করা যাবে না, নিরপেক্ষতার স্বার্থে পুলিশ ও দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে মামলার তদন্ত করতে হবে; লোডিং পয়েন্টে ওভারলোড চেক করার ব্যবস্থা করতে হবে। তাই আইন বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা অবলোকন ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি দেয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

মুজিববর্ষে ঘরে ঘরে জ্বলবে বিদ্যুতের আলো : প্রধানমন্ত্রী

বাসস

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, তার সরকার ২০২১ সাল নাগাদ সব উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে

দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৭ কোটি টাকা : সংসদে অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, গত জুন পর্যন্ত দেশে ঋেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৭ কোটি টাকা। এসব ঋণের মধ্যে

মানুষের কল্যাণে প্রয়োজনে বাবার মত জীবনটাও দিয়ে যাবো

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মানুষের জন্য জীবন দিয়ে গেছেন।

sangbad ad

স্পিকারের সঙ্গে আইসিআরসি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব দ্য রেডক্রস (আইসিআরসি) প্রতিনিধি দলের প্রধান পিয়ের

প্রতিবন্ধী কল্যাণ তহবিলের মতো তৃতীয় লিঙ্গদেরও কল্যাণ তহবিল থাকা দরকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রতিবন্ধী কল্যাণ তহবিলের মতো তৃতীয় লিঙ্গদেরও একটি কল্যাণ তহবিল থাকা

নারীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েরা আজ খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করছে, যা বিশ্বের নিকট

দেশে খাদ্য সংকট নেই : দু’হাজার সাত শতাধিক গুদাম খাদ্যশস্যে পূর্ণ

রাকিব উদ্দিন

image

খাদ্য মজুদের রেকর্ড গড়ছে সরকার। দেশের দুই হাজার সাত শতাধিক খাদ্য গুদাম খাদ্যশস্যে পরিপূর্ণ। মজুদ বৃদ্ধির পাশাপাশি খোলা বাজারে

নতুন সড়ক আইন প্রয়োগ আরও ৭দিন পর : কাদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সড়ক পরিবহনের নতুন আইন কার্যকর করার সময় আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক

কৃষি জমি নষ্ট করে শিল্পায়ন নয় : কৃষক লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ। কৃষকরাই বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে রাখে। কৃষক ফসল

sangbad ad