• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

 

বন উজাড় করতে দৈনিক ৪শ’ টাকা পাচ্ছে রোহিঙ্গারা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , সোমবার, ১৪ মে ২০১৮

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

কক্সবাজারের পাহাড় কাটতে এবং বন উজার করতে রোহিঙ্গারা দৈনিক পাচ্ছে ৪শ’ টাকা। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। তবে এই কাজে বন বিভাগের অনুমতি নেই বলে জানিয়েছে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ।

পালিয়ে আসা চার লাখসহ কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে ১২টি ক্যাম্পে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। বন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, সাড়ে পাঁচ হাজার একর বনভূমিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো গড়ে ওঠার কথা বলা হলেও বাস্তবে ১০ হাজার একরেরও বেশি বনভূমিতে রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে। বর্তমান হাজার হাজার রোহিঙ্গা বসতি গড়ে তুলতে প্রতিদিন নতুন নতুন বনভূমি দখল করে গাছ কেটে পাহাড় ন্যাড়া করে ফেলছে। পাহাড় কেটে মাটি সমান করছে। এছাড়া, বুলডোজার দিয়েও পাহাড় কাটা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি এড়াতে দুই লাখ রোহিঙ্গার জন্য নতুন আবাসন তৈরির নামে এসব পাহাড় কাটাচ্ছে আইওএমসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থা।

উখিয়ার কুতুপালং, মধুরছড়া, লম্বাশিয়া, পালংখালী, বালুখালী, তাজনিমার খোলাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাহাড় কাটতে জনপ্রতি দৈনিক ৪০০ টাকা করে পারিশ্রমিকও পাচ্ছেন রোহিঙ্গারা। পাহাড় নিধনে নিয়োজিত রোহিঙ্গা শ্রমিক জাফর আলম বলেন, ‘আমার নেতৃত্বে ১২০০ রোহিঙ্গা শ্রমিক ‘আইওএম’র আওতায় মাটি কাটার কাজ করছি। প্রতি ঘণ্টায় ৫০ টাকা মজুরিতে দৈনিক ৪০০ টাকা পাওয়া যায়। এক সপ্তাহ ধরে আমরা এই কাজ করে যাচ্ছি’।

আরেক রোহিঙ্গা মাঝি শফিউল ইসলাম বলেন, ‘সকাল সাতটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত মোট আট ঘণ্টা মাটি কাটার কাজ করছি। কারণ, যেখানে আমরা বসতি স্থাপন করেছিলাম, সেই জায়গাটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এজন্য এখানে নতুন করে বসতি স্থাপনের কাজ চলছে। মূলত, এসব বসতি ঘর তৈরির দায়িত্বে রয়েছে আইওএম।’

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ‘আইওএম’-এর পক্ষে পাহাড় কাটা কাজে নিয়োজিত সুপারভাইজার ইমাম শরিফ ঘটনার স্বীকার করে বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বসতি স্থাপনে দৈনিক ৪০০ টাকা পারিশ্রমিকে তিন হাজার রোহিঙ্গা শ্রমিক এখন কাজ করছেন। কারণ, ঝুঁকিপূর্ণ রোহিঙ্গা বসতিগুলোকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে পাহাড় কেটে আবাসন তৈরি করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই।’

বন বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, পাহাড় কাটার জন্য কোন অনুমতি না নিয়েই এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নির্বিচারে বন ও পাহাড় কাটার ফলে এ অঞ্চলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরাও। এ কারণে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কাও করছেন তারা।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আলী কবির বলেন, ‘বসতি নির্মাণের জন্য প্রথম দফায় সাড়ে পাঁচ হাজার একর বনভূমি রোহিঙ্গাদের দখলে চলে গেছে। কোন ধরনের পরিকল্পনা ছাড়াই এটা করা হয়েছে। এজন্য বন বিভাগের কোন অনুমতি নেয়া হয়নি। আর এখন নতুন করে যেসব পাহাড় কাটা হচ্ছে, সঠিক পরিকল্পনা না নিলে বর্ষা মৌসুমে সেগুলোও ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, কক্সবাজার ত্রাণ ও শরণার্থী কমিশনার ‘আরআরআরসি, এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ‘আইওএম’ এসব পাহাড় কাটছে।

পরিবেশবাদী সংগঠন কক্সবাজার বন-পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দিপু বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে সরিয়ে নিয়ে এ কেমন ঝুঁকিমুক্ত করতে চাইছে প্রশাসন? নতুন বসতি তৈরির অজুহাতে ‘এনজিও’রা যেভাবে পাহাড় কেটে মরুভূমিতে পরিণত করছে, তাতে মনে হয় বনভূমি সংরক্ষণের কেউ এখানে নেই। যেভাবে পাহাড় কেটে সাবাড় করা হচ্ছে, এতে এনজিওদের স্বার্থসিদ্ধি হলেও এলাকার মানুষের জন্য ভয়াবহ পরিণতির দিন ঘনিয়ে আসছে। এ থেকে তখন কেউ রেহাই পাবে না। তাই এনজিদের এসব অপকর্ম ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নিতে সরকার আরও ৫৪০ একর বনভূমি-পাহাড় বরাদ্দ দিয়েছে। তাই ওইসব এলাকায় ঝুঁকিতে থাকা রোহিঙ্গাদের বর্ষার আগেই নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করতে এনজিও’রা কাজ করছে।’ তবে ঢালাওভাবে পাহাড় কাটার বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান তিনি।

সংসদের ২২তম অধিবেশন সমাপ্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) শেষ হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারের

উদ্বেগের মধ্যেই ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল পাস

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ব্যাপক সমালোচিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা বাতিল করে বহুল

sangbad ad

সাংবাদিকতা পেশাকে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকতা পেশাকে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে

ছয় কোম্পানির ছয় রঙের বাস চলবে

মাহমুদ আকাশ

image

ছাত্রছাত্রীদের ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনের পর রাজধানী ঢাকার গণপরিবহন

মাতৃমৃত্যু রোধে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান স্পিকারের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী মাতৃমৃত্যু রোধে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার

৮০০০ টাকা নুন্যতম মজুরি শ্রমিক অসন্তোষের সুযোগ দেখছেন না প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জন্য আট হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা নিয়ে অসন্তোষের

কঙ্গোয় শান্তি মিশনে মেডেল প্যারেড পরিদর্শন বিমানবাহিনী প্রধানের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এলাকা ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোতে বিমানবাহিনী

শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা একটি দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত : প্রধানমন্ত্রী

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকা এবং আইন-শৃঙ্খলা

sangbad ad