• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯

 

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনির ৬ জনকে গ্রেফতারে তৎপরতা চলছে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ১৪ আগস্ট ২০১৯

সংবাদ :
  • সাইফ বাবলু
image

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া পলাতক খুনির ৬ জনকে গ্রেফতারে সক্রিয় তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ সদর দফতরের ইন্টারপোল শাখা। আত্মস্বীকৃত ওই ৬ খুনিকে গ্রেফতারে সম্প্রতি ১৯৩টি দেশের ইন্টারপোল শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করে জারি করা রেড নোটিশ রিভিও করা হয়েছে। তবে বন্দীবিনিময় চুক্তি না থাকায় আত্মস্বীকৃতি খুনিদের ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না। ৬ খুনির সর্বশেষ অবস্থানের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলেও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের অসহযোগিতার কারণে ৪ জনের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ৬ খুনির মধ্যে দু’জনের অবস্থান পাকিস্তানে থাকতে পারে। কিন্তু কূটনৈতিক তৎপরতার দুর্বল অবস্থানের কারণে পুলিশ সদর দফতরের সব চেষ্টা বারবার বিফলে যাচ্ছে।

জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের ইন্টারপোল শাখার এআইজি মহিউল ইসলাম সংবাদকে জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ৬ খুনির মধ্যে কে কোথায় রয়েছে, তা নিয়ে ইন্টারপোল শাখা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন করে ১৯৩টি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইতোমধ্যে নূর চৌধুরীর অবস্থান কানাডা ও রাশেদ চৌধুরীর অবস্থান ইউকে রয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে। বাকি ৪ জনের মধ্যে আবদুল মাজেদ ও শফিকুল ইসলাম ডালিম সম্ভাব্য দেশ পাকিস্তান এবং ইন্ডিয়ায় রয়েছে বলে ধারণা করা ছিল। এর মধ্যে যোগাযোগ করে ইন্ডিয়ায় তাদের অবস্থানের বিষয়ে সে দেশের সরকার নেগেটিভ জানিয়েছে। পাকিস্তান এখনও কিছু জানায়নি।

এআইজি মহিউল ইসলাম জানান, ৬ খুনিকে গ্রেফতারে সহযোগিতা চেয়ে ২০০৯ সাল থেকে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে রেড নোটিশ দু’বার রিভিউ করা হয়েছে সফলভাবে। এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছাড়াও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালতেও কাজ করছে। আমরা ৬ খুনিকে ফিরিয়ে আনার জন্য সবদিক থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পুলিশ সদর দফতরের এ বিষয়ে আন্তরিকতার অভাব নেই।

পুলিশ সদর দফতরের এনসিবি (ইন্টারপোল) শাখা সূত্রে জানা গেছে, আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী, রিসালদার মোসলেউদ্দিন, আবদুর রশিদ, শফিকুল ইসলাম ডালিমের অবস্থান কোথায় রয়েছে, তা নিয়ে সম্প্রতি ১৯৩টি দেশের সঙ্গে যোাগযোগ করা হয়েছে ইন্টারপোলের মাধ্যমে। এর মধ্যে ভারতসহ কয়েকটি দেশ থেকে বলা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের কেউ তাদের দেশে নেই। কিন্তু পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ থেকে বারবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও কোন রেসপন্স পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টার পর নূর চৌধুরীর অবস্থান কানাডা ও রাশেদ চৌধুরীর অবস্থান ইউকে রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। রিসালদার মোসলেউদ্দিন ও আবদুল মাজেদ পাকিস্তান অথবা ইন্ডিয়ায় রয়েছে বলে তথ্য ছিল। যোগাযোগের পর ইন্ডিয়া সরকার জানিয়েছে ওই দু’জন তাদের দেশের নেই। কিন্তু পাকিস্তান রেসপন্স করেনি। আবদুর রশিদের সম্ভ্যাব অবস্থান ফ্রান্স, ইতালি, লিবিয়া, থাইল্যান্ড অথবা ইউকে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শফিকুল ইসলাম ডালিমের অবস্থান চীন, ইউকে, কেনিয়া, লিবিয়া অথবা থাইল্যান্ডে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব দেশের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যার সঙ্গে জড়িত খুনিদের মধ্যে যারা বিভিন্ন দেশে পালিয়ে গিয়েছিল, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আইনমন্ত্রীকে প্রধান করে একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছিল সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ টাস্কফোর্সের সদস্য। মূলত পুলিশ সদর দফতরের ইন্টারপোল শাখার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মধ্যে কে কোথায় অবস্থান করছে, এর তথ্য বের করার পর তা ট্রাস্কফোর্সকে জানানো হয়েছে। ইন্টারপোলের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার নথিও পৌঁছে দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশের পুলিশের কাছে। এ বিষয়ে এখন টাস্কফোর্স কাজ করছে। এখন তাদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টি গঠিত টাস্কফোর্সই তদারক করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পলাতক বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উভয় দেশে ল’ ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে। ২০১০ সালের ২৮ মার্চ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীকে সভাপতি করে এ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে বর্তমান সরকার নতুনভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ওই টাস্কফোর্সটি পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে একাধিক সভায় মিলিত হয়েছে এবং জাতির পিতার হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খুনিদের ইতোমধ্যে স্থাবর সম্পত্তি ও ব্যাংক হিসাব জব্দের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ইন্টারপোলের মাধ্যমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাজাপ্রাপ্ত খুনিদের ছবি সংবলিত তথ্য প্রেরণপূর্বক তাদের অবস্থান চিহ্নিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। রাশেদ চৌধুরীর বিষয়ে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন সফরের সময় অনুরোধ জানান তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এর তিন মাস পর অর্থাৎ ২৭ মে মার্কিন আইনি পরামর্শক সংস্থা স্কাডেন এলএলপিকে রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফেরত আনার কাজে যুক্ত করা হয়। সংস্থাটির পক্ষে মামলার তদারক করছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাবেক আইনি পরামর্শক গ্রেগরি ক্রেইগ। এরপর বিষয়টি নিয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন মার্কিন অ্যাটর্নি জন স্টুয়ার্ট ব্রুসের সঙ্গে। পাকিস্তানে পলাতক এক খুনির বিষয়ে জানতেও পাকিস্তান দূতাবাসকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল বিপথগামী উচ্ছৃঙ্খল খুনি সেনা সদস্যরা। ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও বর্বরোচিত এই হত্যাযজ্ঞ চালায় তারা। সেদিন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে প্রাণ হারান সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিল। ইতিহাসের এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে সেদিন আরও প্রাণ দিয়েছিলেন শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, ভগ্নিপতি আবদুল রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রেন্টু খানসহ অনেকে। ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পরিকল্পনা ও যোগসাজশের অভিযোগে সাবেক ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেয়া হয়। ২০১০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা ৫ জনের ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হয়। এর আগে ১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বরে পলাতক খুনিদের গ্রেফতারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রীয় শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না’ মর্মে তৎকালীন সরকারের ‘ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স’ জাতীয় সংসদের মাধ্যমে বাতিল করে এই খুনিদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে। গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা ৫ আসামির ফাঁসির দণ্ডাদেশ কার্যকরে আপিল বিভাগের ‘ক্লিয়ারেন্স’ নিশ্চিত হয়ে গেলে আসামিদের শেষ আইনি আশ্রয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়। দণ্ডাদেশ কার্যকর হওয়া আসামিরা হচ্ছে সাবেক লে. কর্নেল ফারুক রহমান, মহিউদ্দিন আহমেদ (অর্টিলারি), শাহরিয়ার রশিদ খান, একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ (ল্যান্সার) ও সাবেক মেজর বজলুল হুদা। বজলুল হুদাকে থাইল্যান্ডের সঙ্গে বন্দীবিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সরকার ব্যাংকক থেকে এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাবেক লে. কর্নেল একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে (ল্যান্সার) দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি অ্যাডিশনাল ডিআইজি আবদুল কাহার আকন্দ সংবাদকে জানান, বিদেশে পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। আর দেশে পলাতকদের স্থাবর, অস্থাবর কিছু সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ব্যাপারে সিআইডিসহ টাস্কফোর্স তৎপর আছে। ঘটনার ২১ বছর পর হত্যা মামলা করা হয়। ঘটনার পর বিভিন্ন সরকারের আমলে অনেক আলামত নষ্ট করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। তারপরও দীর্ঘ সময় পর অক্লান্ত পরিশ্রম করে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ১০০ দিনের মধ্যে মামলা তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছিল। এই মামলা তদন্ত করতে গিয়ে খোদ তদন্তকারী কর্মকর্তা নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়েছিলেন। এরপরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আসামি বজলুল হুদাকে ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

অনিয়মের অভিযোগ তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে সাময়িক অব্যাহতিদান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের তিন বিচারপতিকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তাদের অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছেন সুপ্রিম কোর্ট। আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতির নেতৃত্বে চলছে এই তদন্ত। কোন ধরনের দুর্নীতি

আমার গাংচিল যেন ডানা মেলে উড়তে পারে যত্ন নেবেন সবাই-প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তৃতীয় বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ‘গাংচিল’র উদ্বোধন করেছেন। বাসস। প্রধানমন্ত্রী

১৫ যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধ মামলায় ময়মনসিংহের ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক

sangbad ad

অর্থনৈতিক বিকাশের প্রধান অন্তরায় দুর্নীতি : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বিকাশের প্রধান অন্তরায় হচ্ছে দুর্নীতি

বঙ্গবন্ধু জনগণের মুক্তির প্রশ্নে আপসহীন থেকে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত না করে অসীম সাহসিতার

ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের পরিচালককে হাইকোর্টে তলব

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভোক্তাদের জরুরি সেবায় হটলাইন চালু করতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রস্তাবের বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ

বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ কোনদিন শোধ হবে না শোধ করা যাবেও না

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

‘বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ কোনদিন শোধ হবে না। শোধ করা যাবেও না। কারণ জাতির পিতা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়।

মিল্কভিটার দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠের নীতি প্রণয়নের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুধের গুণগত মান নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় জনশক্তি নিয়োগের মাধ্যমে মিল্কভিটার সুনাম অক্ষুন্ন রাখার

উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু গ্রাহকের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে এবং উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-

sangbad ad