• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮

 

পদ্মা সেতু আট মাস পিছিয়ে

অগ্রগতি ৪৯ শতাংশ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭

সংবাদ :
  • মাহমুদ আকাশ
image

ডিসেম্বরেও বসছে না পদ্মা সেতুর দ্বিতীয় স্প্যান। পিছিয়ে আছে নদী শাসনের কাজ। এখনও চূড়ান্ত হয়নি ১৪ পিলারের নকশা। মূল সেতু, নদী শাসন, সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়াসহ পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতি ৪৯ শতাংশ। নির্ধারিত সময় থেকে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ৮ মাস পিছিয়ে আছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ পরিকল্পনা কমিশন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি)। মূল সেতুর ১৪টি পিলারের ডিজাইন সংশোধন ও কাজের অগ্রগতি বিবেচনা করে প্রকল্পের সময় ও ব্যয় আরও এক দফা বৃদ্ধি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

জানা গেছে, পদ্মা সেতুর মাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদনে গত নভেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মোট প্রোগ্রেস ৪৯ শতাংশ। এর মধ্যে মূল সেতু ৫২ শতাংশ, নদী শাসন ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ, জাজিরা সংযোগ সড়ক ৯৯ শতাংশ, মাওয়া সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়া শতভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া গত নভেম্বর পর্যন্ত মূল সেতুর ২৪০টি পাইলের মধ্যে ৭৩টি সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া নদীর মধ্যের ৪০টি পিলারের মধ্যে চারটি পিলারের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে জাজিরা অংশে ৩৭ ও ৩৮ নাম্বার পিলারের ওপর গত ৩০ সেপ্টেম্বর বসানো হয়েছে ৩ হাজার ২০০ টন ওজনের প্রথম স্প্যান। এছাড়া ৩৯ ও ৪০ নাম্বার পিলার নির্মাণ কাজও শেষ পর্যায়। তাই চলতি মাসে ৩৮ ও ৩৯ নাম্বার পিলারের ওপর দ্বিতীয় স্প্যান, ৩৯ ও ৪০ নাম্বার পিলারে তৃতীয় স্প্যান বসানো কথা রয়েছে। তবে পিলারের ওপর ব্যায়ারিংসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম স্থাপনের একাধিকবার ট্রায়াল দেয়া হয়। কিন্তু টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে শতভাগ সফল হয় না। তাই নির্ধারিত সময় অনেক কাজ করা সম্ভব্য নয় বলে সেতু বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তকর্তারা জানান। এর আগে প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীর পর ২০১৫ সালে তা শেষ করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছিল। এরপর দ্বিতীয় সংশোধনীতে কাজ শেষ করার নতুন লক্ষ্য ঠিক হয় ২০১৮ সালের নভেম্বর। সর্বশেষ নির্মাণ ব্যয় বেড়ে ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার তৃতীয় দফা সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে প্রকল্প সূত্র জানায়।

এ বিষয়ে পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম সংবাদকে বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পের অগ্রগতি ভালো। নির্ধারিত সময় শেষ লক্ষ্যে প্রকল্পের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৪৯ শতাংশ। এর মধ্যে দুই পাড়ের সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়া শতভাগ শেষ হয়েছে। তবে জাজিরা অংশে সংযোগ সড়কের কিছুটা কাজ বাকি আছে। সেই হিসেবে ৯৯ শতাংশ ধরা হয়। এছাড়া মূল সেতু ৫২ শতাংশ ও নদী শাসন ৩৪ শতাংশসহ প্রকল্পের অগ্রগতি ভালো। এছাড়া সেতুর নদীর মধ্যে ৪০ পিলারের ৪টি পুরোপুরি কাজ শেষ হয়েছে। এই পিলারের ওপর ডিসেম্বরের শেষ দিকে ও অথবা জানুয়ারি শুরুতেই স্প্যান বসানো হবে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় কিছু টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে অনেক সময় নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত কাজ শেষ করা যায় না।

এদিকে নির্ধারিত সময় থেকে আট মাস পিছিয়ে থাকায় ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। তাই প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের একাধিক সুপারিশ করেছে আইএমইডি প্রতিবেদনে। এছাড়া পদ্মা সেতুর ১৪ পিলারের ডিজাইন সংশোধনের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে গত ২০ নভেম্বর আইএমইডি প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতল (সড়ক ও রেল) পদ্মা সেতু প্রকল্পের ৪৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এই পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১৪ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। সেতুর মূল কাজের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রগতির বিবেচনায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রায় আট মাস পিছিয়ে আছে। ৪২টি পিয়ারের (স্তম্ভ) মধ্যে দুটির কাজ সম্পন্ন হয়েছে, এছাড়া মাত্র ছয়টি পিয়ারের পাইলিং সম্পন্ন এবং চারটির আংশিক সম্পন্ন হয়েছে। ৪২টি পিয়ারের মধ্যে ১৪টির পাইল ডিজাইন সংশোধনাধীন। এই ১৪টির পাইল ডিজাইন কবে পাওয়া যাবে এবং ডিজাইন প্রাপ্তির জন্য প্রকল্প কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া গত ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম স্প্যান বসানোর পর দ্বিতীয়টি কবে বসবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে আইএমইডির প্রতিবেদনে। এই সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বসবে। পাইলিংয়ের জন্য চারটি হ্যামার প্রকল্প এলাকায় থাকলেও তার দুটি কার্যকর রয়েছে। তাই নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে বেশ কয়েকটি সুপারিশ করেছে আইএমইডি। এগুলো হলো- ১. অসম্পূর্ণ পিয়ারের পাইলিং, পাইল ক্যাপ নির্মাণ, পিয়ার শ্যাফট ও পিয়ার ক্যাপ নির্মাণ শেষ করার সময়ভিত্তিক কর্ম-পরিকল্পনা করে অগ্রগতিতে জোর দিতে হবে। ২. যে সকল পিয়ারের পাইলিং শেষ হয়েছে, সেগুলোর পিয়ার ক্যাপ শেষ করে স্প্যান বসানোর কাজ ত্বরান্বিত করতে হবে। ৩. যেসব পিয়ারের নকশা এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তা দ্রুত শেষ করতে হবে। নকশা চূড়ান্ত করতে কর্তৃপক্ষ কী কী করছে, তা আইএমইডিকে জানাতে হবে। ৪. ধারাবাহিকভাবে কোন স্প্যান কোন সময়ে স্থাপন করা হবে, তার ধারাবাহিক পরিকল্পনা নিতে হবে। ৫. নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করার পাশাপাশি টেকসই ও সেতুটির প্রতিটি পর্য়ায়ে গুণগতমান রক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

এছাড়া পদ্মা সেতুর মোট ৪১টি স্প্যানের ১১টি স্প্যানের প্রয়োজনীয় স্টিল ট্রাসের মালামাল প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে তিনটির সংযোজন শেষ হয়েছে। চীনে আরও ১৫টি তৈরির কাজ চলছে। বাকি ১৫টি স্প্যানের কাজ পর্যায়ক্রমে প্রকল্পে আনা হবে। প্রকল্পের জাজিরা প্রান্তের ১২ দশমিক ১১ কিলোমিটার এবং মাওয়া প্রান্তের ১ দশমিক ৬৭ কিলোমিটারের সংযোগ সড়কের শতভাগ কাজ শেষ। সিনোহাইড্রোর সঙ্গে প্রায় ৮ হাজার ৭০৮ কোটি টাকার চুক্তির মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা বা ৩৪ শতাংশ কাজ বাস্তাবায়িত হয়েছে। জাজিরা প্রান্তে ১২ দশমিক ১১ কিলোমিটারের সংযোগ সড়ক তৈরি শতভাগ কাজ শেষ হয়েছে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. শফিুকল ইসলাম সংবাদকে বলেন, আইএমইডির প্রতিবেদনে নির্ধারিত সময় থেকে প্রকল্পের কাজ ৮ মাস পিছিয়ে আছে বিষয়টি আসলে ঠিক। আমরা চেষ্টা করছি পিছিয়ে পরা কাজগুলো এগ্রিয়ে নেয়ার জন্য। কিন্তু ১৪ পিয়ারের ডিজাইন না পাওয়ার কারণে এখনও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে তাগাদা দেয়া যাচ্ছে না। তবে আশা করছি চলতি মাসেই সংশোধিত ১৪ পিয়ারের ডিজাইন পাওয়া যাবে। এক দেড় মাস পরে কাজ বাস্তবায়নের গতি আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।

সেতু বিভাগের সূত্র জানায়, পদ্মা সেতুর কাজের ৮টি কম্পোনেন্ট ভাগ করে কাজ করা হচ্ছে। মূল সেতু ও নদীশাসন হচ্ছে বড় দুটি কাজ। এর বাইরে দুই পারে সংযোগ সড়ক ও টোল প্লাজা নির্মাণ এবং অফিস, বাসাসহ নির্মাণ অবকাঠামোর কাজ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। মূল সেতু ও নদী শাসনের কাজ ছাড়া বাকিগুলো প্রায় শেষ পর্যায়ে। পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণে চুক্তি সই হয় ২০১৪ সালের জুনে। ওই বছর নভেম্বরে চুক্তিটি কার্যকর হয়। মূল সেতু নির্মাণের চুক্তি মূল্য ১২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। গত নভেম্বর পর্যন্ত মূল সেতুর অগ্রগতি ৫২ শতাংশ। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬২ শতাংশ। এছাড়া নদী শাসন ২০১৪ সালের নভেম্বরে চুক্তি সইয়ের পর ডিসেম্বরে তা কার্যকর হয়। এ প্যাকেজও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এ অংশের চুক্তি মূল্য আট হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। গত নভেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে লক্ষ্যমাত্র ছিল ৫৪ শতাংশ। এছাড়া দুইপাড়ের সংযোগ সড়ক নির্মাণকাজ ও সার্ভিস এরিয়া-২ নির্মাণকাজ শতভাগ শেষ হয়ে গেছে বলে প্রকল্প সূত্র জানায়। পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামোর কাজ করছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। আর নদী শাসনের কাজ করছে চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন। এ দুই অংশের নির্মাণ তদারকি করছে কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। ২৮ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে পুরো প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

এদিক পদ্মা সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে কাজ চলছে ১৬টির। বাকি ১৪ পিলার/পিয়ারের (স্তম্ভ) নকশা সংশোধন করা হচ্ছে। পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে প্রতি বছর কিছুটা করে মাটি সরে যায়। খরস্রোতের কারণে এমনি হয় বিধায় সেতুটির পাইল অনেক গভীর হতে হবে। বিশ্বে কোন সেতুতে এত গভীর পাইল করতে হয়নি। তবে এখন পাইলের শেষ প্রান্তে কাদা মাটির স্তর ধরা পড়ায় দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা। এজন্য নতুন করে নকশা রিভিউ করতে হচ্ছে। এজন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে পদ্মা সেতুর ব্যবস্থাপনা পরামর্শককে। পদ্মা সেতুর ব্যবস্থাপনা পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করছে বিশ্বের খ্যাতনামা প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান যুক্তরাজ্যের রেন্ডাল লিমিটেড। এর সঙ্গে রয়েছে জাপানের পাডিকো কেইএল ও বাংলাদেশের বিসিএল। এ তিন প্রতিষ্ঠানই যুক্তভাবে পদ্মা সেতুর ১৪টি পিলারের ৮৪ পাইলের নকশা পর্যালোচনা করছে। এক্ষেত্রে ডেনমার্কের পরামর্শক কাউই সহায়তা করছে বলে প্রকল্প সূত্র জানায়।

পশুর হাটে নিরাপত্তার জন্য র‌্যাব-পুলিশের পরিকল্পনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বসবে ২১টি পশুর হাট। হাটগুলোতে

আমি এই সংবর্ধনা বাংলার মানুষকে উৎসর্গ করলাম

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি জনগণের সেবক। জনগণের জন্যই কাজ করে যাব। জনগণের পাওয়াই আমার পাওয়া

প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনায় বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সাড়ে নয় বছরের শাসন আমলে অনন্য সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঐতিহাসিক গণসংবর্ধনা প্রদান করা হবে। শনিবার (২১ জুলাই) বিকেল

sangbad ad

সাড়ে নয় বছরের শাসন আমলে অনন্য সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাচ্ছেন গণসংবর্ধনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বর্তমান সরকারের টানা সাড়ে নয় বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশের ধারাবাহিক

জনগণই দু’দেশের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার মূল ভিত্তি : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভারত-বাংলাদেশের জনগণই দুই দেশের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার

হাঙ্গেরীতে রসাটমের নিউক্লিয়ার কিডস প্রোগামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন ‘রসাটম’ এর আয়োজনে হাঙ্গেরীতে অনুষ্ঠিতব্য ‘ ১০ম নিউক্লিয়ার কিডস’ প্রোগামে বাংলাদেশ

মায়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিসির রুলিং চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গাদের বলপূর্বক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর কারণে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ইন্টান্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) এর কাছে রুলিং চেয়েছে

কোটা সংস্কার কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দেয়ার অনুরোধ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

কোটা পদ্ধতি সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট

রোহিঙ্গাদের নেয়ার কোন লক্ষণ দেখছি না-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মায়ানমার কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে ইতিবাচক ভঙ্গিতে কথা বলে এসেছে। কিন্তু বাস্তবে

sangbad ad