• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯

 

নতুন মন্ত্রিসভায় চমকের আভাস

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৫ জানুয়ারী ২০১৯

সংবাদ :
  • ফয়েজ আহমেদ তুষার
image

আগামী ৭ জানুয়ারি, সোমবার বিকেলে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগের নতুন এই মন্ত্রিসভায় বড় চমক থাকছে। চমকের একটি অংশ হচ্ছে দফতর বদল; অপর অংশ হচ্ছে বাদ পড়া এবং নতুন অন্তর্ভুক্তি। দশম সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রিসভায়ও এ ধরনের চমক ছিল।

আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, গত পাঁচ কিংবা দশ বছরে যেসব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীর ‘পারফরম্যান্স’ সন্তোষজনক নয় তাদের মধ্যে কয়েকজনের দফতর বদল এবং কয়েকজনকে বাদ দেয়া হতে পারে। বাদ পড়াদের তালিকায় থাকতে পারে বর্তমান মন্ত্রিসভার এক ডজনের বেশি মন্ত্রী। টানা তিন থেকে চারবার সংসদ সদস্য হয়েও মন্ত্রী হতে পারেননি তাদের কয়েকজন যুক্ত হতে পারেন নতুন মন্ত্রিসভায়। এছাড়া, নবম সংসদ নির্বাচনের পর মন্ত্রী হয়ে দশম সংসদের মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন এমন কয়েকজনের জায়গা হতে পারে এবার। এছাড়া তরুণদের মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্ত করেও চমক দেখাতে পারে মহাজোট সরকার। মহাজোট সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার আকার কেমন হচ্ছে, কারা জায়গা পাচ্ছেন, কারা বাদ পড়ছেন, কার দফতর বদল হচ্ছে; এসব নিয়ে সরকার ও দলের বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে। মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে সংসদ সদস্যদের অনেকেই আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়, দলের সাধারণ সম্পাদক ও প্রভাবশালী নেতাদের কাছে জোরালো তদবির করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আলোচনায় মুখর দেশের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) বলেছেন, মন্ত্রিসভায় বড় চমক থাকতে পারে। তবে সেটা কী, তা স্পষ্ট করে বলেননি তিনি।

মহাজোটের প্রধান শরিক জাতীয় পার্টির (জাপা) বেশিরভাগ সংসদ সদস্য এবারও সরকারের সঙ্গে থাকতে চাইলেও বাঁধ সেধেছেন পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, জাতীয় পার্টি সংসদে বিরোধী দল হিসেবে থাকবে। মন্ত্রিত্ব নিয়ে সরকারের অংশীদার তারা হবে না। বর্তমান মন্ত্রিসভায় জাপার তিনজন মন্ত্রী রয়েছেন। পার্টি প্রধানের সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে বাদ পড়ছেন এই তিনজন মন্ত্রী। বিতর্কিত কিংবা বয়সের ভারে কাজের চাপ নিতে পারছেন না; ক্ষমতাসীন দলের এমন অন্তত সাতজন মন্ত্রী এবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পচ্ছেন না। শুক্রবার জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যু হওয়ায় বিগত মন্ত্রীসভা থেকে আর একজন সদস্যের নাম নতুন মন্ত্রিসভায় থাকছে না।

এবারের মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার আলোচনায় রয়েছেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং সাবেক পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগ সভাপতিম-লীর সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু।

প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হওয়ার আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, ঢাকার সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, মুন্সীগঞ্জের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, গাজীপুরের সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি, নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু।

নতুন মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রী কে হচ্ছে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ইতোমধ্যে রাজনীতি থেকে অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিলেও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মত থাকলে আরও এক বছর অর্থমন্ত্রী থাকার ইচ্ছা জানিয়েছেন। এবার অর্থমন্ত্রী হওয়ার আলোচনায় আছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান এবং বর্তমান পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নাম। সড়ক পরিবহন ও সেতু, শিল্প, বাণিজ্য, কৃষি, শিক্ষাসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশিরভাগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের দফতর পরিবর্তন হচ্ছে না। টেকনোক্র্যাট হিসেবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বহাল থাকছেন বলে জানা গেছে।

এবারের মন্ত্রিসভা সম্পর্কে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিমসহ দলের জেষ্ঠ্য অনেক নেতাই কথা বললেও সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য দেননি। মোটামুটি সবার একই কথা, কে মন্ত্রী হবেন, কে বাদ পড়বেন, কী চমক থাকবে, এসব আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এখতিয়ার। মন্ত্রিসভা সম্পর্কে গণমাধ্যমগুলোও নানা চমকপ্রদ খবর প্রকাশ করছে। এছাড়া, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিশ্বের দীর্ঘমেয়াদি সরকার প্রধানের তালিকায়ও অন্তর্ভুক্ত হওয়া, বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী নারী সরকার প্রধানের স্থান অর্জন এসব খবরও রয়েছে গণমাধ্যমে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। চতুর্থবারের মতো (টানা তৃতীয়বার) প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা; যা বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী সোমবার বিকেলে বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেয়ার এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ তিনিই পড়াবেন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সংবিধানের চতুর্থ ভাগের (নির্বাহী বিভাগ) ২য় পরিচ্ছেদের (প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা) ৫৬ অনুচ্ছেদের দফা (১)-এ বলা আছে, ‘একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন।’ দফা (২)-এ বলা আছে, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।’ দফা (৩)-এ বলা আছে, ‘যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।’ সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রীদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিযুক্ত হবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মনোনীত হতে পারবেন; যা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল ১২ জানুয়ারি। সংসদের অধিবেশন বসেছিল ২৯ জানুয়ারি। তখন শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে ৪৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছিল। পরে কয়েক দফা রদবদল এনে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়ায় ৫২ সদস্যে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের ফলে ২৯৮ আসনের মধ্যে ২৫৭টিতে জয় পায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। জোটগতভাবে (মহাজোট) তারা পায় ২৮৮ আসন। মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টি ২২, ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, জাসদ দুইটি, বিকল্পধারা দুইটি, তরিকত ফেডারেশন একটি ও জাতীয় পার্টি (জেপি-মঞ্জু) একটি আসনে জয়ী হয়। মহাজোটের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গীরা সব মিলিয়ে পায় সাতটি আসন।

মন্ত্রিসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া অনুমোদন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি যে ভাষণ দেবেন, তার খসড়া অনুমোদন

পহেলা মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন করবে ইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভোটাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্র সম্পর্কে সচেতনা বাড়াতে প্রথমবারের

‘উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবার জন্য কাজ করব’ : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার

sangbad ad

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নানা চেষ্টা

সাইফ বাবলু

image

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজধানীতে পক্ষকালব্যাপী পুলিশের ট্রাফিক শৃঙ্খলা পক্ষের ৩

সরকারের প্রধান লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সুশাসনের মাধ্যমে

শিক্ষা প্রশাসনে বড় পরিবতর্ন আসছে

রাকিব উদ্দিন

image

শিক্ষা প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল আসছে। রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ‘লোভনীয়’ পদে

ইশতেহার বাস্তবায়নই প্রথম লক্ষ্য

মোস্তাফিজুর রহমান

image

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নেই মনোযোগ সরকারের। চলতি মেয়াদের শুরু থেকে

নিজের জন্যই ট্রাফিক আইন মানা উচিত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আমাদের নিজেদের জন্যই ট্রাফিক আইন মানা প্রয়োজন। দ্রুত যাওয়ার চাইতে জীবন

প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে শত ভাগ চেষ্টা করা হবে : প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেছেন, বর্তমানে

sangbad ad