• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮

 

বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে

দুই জায়ান্ট জিই মিতসুবিশির প্রবেশ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই ২০১৮

সংবাদ :
  • ফয়েজ আহমেদ তুষার
image

সরকারের রূপকল্প (ভিশন) ২০২১ বাস্তবায়নে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা করতে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে যৌথ বিনিয়োগে আসছে এ খাতের জায়ান্ট (দানব) হিসেবে পরিচিত বিশ্বখ্যাত দুই কোম্পানি জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই) এবং মিতসুবিশি করপোরেশন (মিতসুবিশি)। সরকারের প্রতিষ্ঠান পিডিবি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপের সঙ্গে পৃথকভাবে মোট ৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকা) যৌথ বিনিয়োগে অংশীদারিত্বের ঘোষণা দিয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বিদেশি এই দুটি প্রতিষ্ঠান।

৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা) ব্যয়ে ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের একটি এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে সরকারি প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সঙ্গে বুধবার (১১ জুলাই) সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি জিই। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়ন হলে তেলের চেয়ে অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। একই দিনে সামিট গ্রুপের সঙ্গে জিই এবং মিতসুবিশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কয়েকটি প্রকল্পে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা) যৌথ বিনিয়োগের অংশীদার হওয়ার ঘোষণা দিয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- ৬০০ মেগাওয়াট করে মোট দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র, মোট তিন লাখ ৮০ হাজার মিটার গ্যাস উৎপাদন ক্ষমতার দুটি এলএনজি টার্মিনাল, এক লাখ মেট্রিক টন ক্ষমতার একটি তেলের টার্মিনাল ও ৩০০ মেগাওয়াটের একটি এইচএফওভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন।

জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি (জিই) একটি মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি যা বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তি খাতে সেবা প্রদান করে থাকে। বাজার মূলধন সংগ্রহের দিক দিয়ে এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম কোম্পানি। মিতসুবিশি একটি স্বায়ত্তশাসিত জাপানি বহুজাতিক কোম্পানি। গাড়ি নির্মাণে বিশ্বখ্যাত এই প্রতিষ্ঠান দেশে ও দেশের বাইরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে থাকে। কোম্পানিটির মোট আয় জাপানের জিডিপির প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ।

৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে পিডিবি-জিই সমঝোতা
কক্সবাজারের মহেশখালীতে এলএনজিভিত্তিক তিন হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য পাঁচ হাজার ৬০০ একর ভূমি উন্নয়নে ১৬০ কোটি ডলার এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ২৮০ কোটি ডলার ব্যয় হবে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে পিডিবির পক্ষে চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ ও জিই পাওয়ারের প্রেসিডেন্ট ও সিইও রাসেল স্টোকস এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী, এখন বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জিইর সঙ্গে পিডিবি একটি যৌথ মূলধনী কোম্পানি গঠন করবে। ওই প্রকল্পের ৩০ ভাগের মালিকানা পাবে জেনারেল ইলেকট্রিকের সুইজারল্যান্ড শাখা, ৫১ শতাংশ অংশীদারিত্ব থাকবে পিডিবির এবং বাকি ১৯ ভাগ শেয়ার পিডিবি ও জিইর মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাট, বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জমি অধিগ্রহণ, ভরাট ও ফ্যাসিবিলিটি স্টাডি সমাপ্ত হলে ৩৬ মাসে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে আসবে।

সর্বোচ্চ বেসরকারি বিনিয়োগে সামিট মিতসুবিশি ও জিই : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা) বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে সামিট, মিতসুবিশি এবং জিই। যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। বুধবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মিতসুবিশি করপোরেশনের ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিজনেস ডিভিশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তেতসুজি নাকাগাওয়া, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান এবং জিই পাওয়ারের প্রেসিডেন্ট ও সিইও রাসেল স্টোকস। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম ও পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌ. খালেদ মাহমুদ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী সামিট ৫৫ শতাংশ, মিতসুবিশি ২৫ শতাংশ এবং জিই ২০ শতাংশ অংশীদারিত্ব পাবে।

সামিটের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান অনুষ্ঠানে বলেন, সরকারের ভিশন-২০২১ এবং ২০৩০ বাস্তবায়নে, সামিট, জিই এবং মিতসুবিশির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বেসরকারি বৈদেশিক বিনিয়োগ আনছে। জনগণের পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদা, সেরা প্রযুক্তি এবং কম দামে সরবরাহ করা যায়। ২০২১ সালে শুরু হয়ে, বিশ্বের সেরা ট্যারিফে ২০২৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্পটি সম্পন্ন করার নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সামিটের উৎপাদন সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে। এই সমঝোতা চুক্তি পূর্বে স্বাক্ষরিত (১৩ মার্চ ২০১৮ সিঙ্গাপুরে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে মিতসুবিশির সঙ্গে সামিটের জয়েন্ট ভেঞ্চারের চুক্তির ধারাবাহিকতার অংশ।

জিই পাওয়ারের প্রেসিডেন্ট ও সিইও রাসেল স্টোকস বলেন, সামিটের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের এইচএ প্রযুক্তি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনকে সার্বিকভাবে শক্তিশালী করবে। সামিট জানায়, এই প্রকল্পে বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকরী এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি জিইর ফ্ল্যাগশিপ ‘নাইনএইচএ’ গ্যাস টারবাইন দ্বারা চালিত হবে, যা উভয় ৫০ হার্জ এবং ৬০ হার্জ ক্যাটাগরিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং কার্যকরী গ্যাস টারবাইন। এলএনজি টার্মিনালটিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে যেখানে বয়েল অফ গ্যাস থাকবে না, পরিবর্তে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হবে।

এদিকে বর্তমান সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাতে বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতার ক্রমাগত উন্নয়ন হচ্ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছর শেষ হওয়ার পূর্বেই এ খাতে আরএডিপি (সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) শতভাগ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের জুনে আরএডিপি বাস্তবায়নে জাতীয় অগ্রগতির তুলনায় বিদ্যুৎ খাতের অগ্রগতি প্রায় ৭ শতাংশ বেশি।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার খাত। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে তখন বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। এ প্রেক্ষাপটে সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি নানাবিধ উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ খাতে এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছর অর্থবছরে এডিপি বরাদ্দ ছিল ২৬ হাজার ২৯২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বিদ্যুৎ খাতে বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতাও তুলনামূলকভাবে অন্যান্য খাতের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সূত্রমতে, সরকরের প্রণীত ‘পাওয়ার সেক্টর মাস্টার প্ল্যান’ অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২৪ হাজার মেগাওয়াট। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন বাজেটের আকার ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে ৯ গুণের বেশি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সংখ্যা ২৭টি থেকে ১২১টিতে উন্নীত হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা তিন গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৭৫৩ মেগাওয়াটে। সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ২০০৯ সালের ৩ হাজার ২৬৮ মেগাওয়াট থেকে বর্তমানে ১১ হাজার ০৫৯ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। বিগত ৯ বছরে নতুন করে ১ লাখ ৯৫ হাজার বিতরণ লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ গ্রাহক সংখ্যা ২ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখে এবং সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর পরিমাণ ৪৭ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ খাতে শুধু সংখ্যাগত উন্নয়নেই জোর না দিয়ে এ খাতের গুণগত মান উন্নয়নেও সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়েছে। এতে বিদ্যুৎ খাতে সিস্টেম লস ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ২ শতাংশে নেমে এসেছে।

বিগত নয় বছরে বিদ্যুৎ খাতের বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতাও দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে বাজেট বৃদ্ধির সুফল এখন জনগণের কাছে সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় বিদ্যুৎ খাতে কর্মরত সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যুৎ খাতের এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন এ খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, এ খাতে সরকারের চলমান কার্যক্রম সমূহের সফল ও সময়ানুগ বাস্তবায়ন নিশ্চিতের মাধ্যমে সাফল্যের এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।

জনগণই দু’দেশের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার মূল ভিত্তি : হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভারত-বাংলাদেশের জনগণই দুই দেশের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতার মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার

হাঙ্গেরীতে রসাটমের নিউক্লিয়ার কিডস প্রোগামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন ‘রসাটম’ এর আয়োজনে হাঙ্গেরীতে অনুষ্ঠিতব্য ‘ ১০ম নিউক্লিয়ার কিডস’ প্রোগামে বাংলাদেশ

মায়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিসির রুলিং চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গাদের বলপূর্বক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর কারণে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ইন্টান্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) এর কাছে রুলিং চেয়েছে

sangbad ad

কোটা সংস্কার কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দেয়ার অনুরোধ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

কোটা পদ্ধতি সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট

রোহিঙ্গাদের নেয়ার কোন লক্ষণ দেখছি না-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মায়ানমার কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে ইতিবাচক ভঙ্গিতে কথা বলে এসেছে। কিন্তু বাস্তবে

লেবাননে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে অংশ নিতে নৌবাহিনীর ৮০ সদস্যের চট্রগ্রাম ত্যাগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

লেবাননে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ব্যানকন-৯ (ইউনিফিল) এ যোগদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ

স্পিকারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালতের ভিকটিম ট্রাস্ট ফান্ডের বোর্ড চেয়ার এর সাক্ষাৎ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালতের ভিকটিম ট্রাস্ট

যানবাহন ৪৬ লাখ চালক ১৮ লাখ ৭০ হাজার

মাহমুদ আকাশ

image

প্রায় ২৪ লাখ অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক পরিবহনখাত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সারাদেশে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ অদক্ষ চালক বাস, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানসহ ভারী

আইসিসির আমন্ত্রণে নেদারল্যান্ডে স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ইন্টান্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) আয়োজিত ‘কমেমরেশন অব দ্যা টুয়েন্টিথ অ্যানিভার্সেরি অব দ্যা অ্যাডপশন

sangbad ad