• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

 

তাড়াহুড়ো করে ইভিএম চাপিয়ে দেয়া ঠিক হবে না : প্রধানমন্ত্রী

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রবিবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন(ইভিএম) চাপিয়ে দেয়া হবে না। তিনি বলেন. ইভিএম হলো একটি প্রযুক্তি। আমি সবসময় এর পক্ষে ছিলাম, এখনো আছি। তবে এটা তাড়াহুড়ো করে চাপিয়ে দেয়া ঠিক হবে না। “কারণ এটা প্র্যাকটিসের ব্যাপার। আমাদের পরীক্ষা করে দেখতে হবে।” বিএনপিসহ অনেক রাজনৈতিক দলের বিরোধিতার প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) গণভবনে নেপালে অনুষ্ঠিত বিমসটেক সম্মেলন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, এটি নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হোক। ইভিএম নিয়ে বিএনপি অনেক বেশি সোচ্চার। কারণ বিএনপি কারচুপির মাধ্যমে জয়ী হতে পছন্দ করে। ব্যালট পেপারে নির্বাচন হলে একেকজন একাধিক ভোট দিতে পারে, তখন বিএনপি নেতা-কর্মীরা কারচুপির মাধ্যমে ব্যালট বাক্স ভরাতে পারে। মাগুরা, ঢাকা-১০ আসনের মতো নির্বাচন করতে চায় বিএনপি। ইভিএমে এ সুযোগ নেই, এ কারণে বিএনপি এটি চায় না।’

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য ইভিএম শুরু করা যেতে পারে। এটি নতুন প্রযুক্তি। কিছু কিছু জায়গায় শুরু হলে তো সমস্যা নেই। শহর এলাকায় এটি শুরু করা যেতে পারে। ত্রুটি পেলে বাদ দেওয়া যাবে, এটি নিয়ে বিএনপির এত আপত্তি কেন?’

তিনি বলেন, ইভিএম ডিজিটাল বাংলাদেশেরই একটা অংশ। আমরা এখন টাকা পাঠাচ্ছি অনলাইনে, গাড়ি কিনছি অনলাইনে, সবজি কিনছি অনলাইনে। এটা ঠিক যে প্রযুক্তি আমাদের সবসময়ই সুবিধা দেয় না। কিন্তু ইভিএমের বিরুদ্ধে বিএনপি সবচেয়ে বেশি সোচ্চার। ভোটের রাজনীতিতে কারচুপি করা এটা তো স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিল জিয়াউর রহমান। ইভিএম চালু হলে বিএনপি ভোট কারচুপি করতে পারবে না বলেই তারা আপত্তি জানাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে বাংলাদেশে চালুর পর এখন পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের নির্বাচনেই কেবল ইভিএম’র পরীক্ষামূলক ব্যবহার হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য ইসি ইতোমধ্যে নির্বাচনী আইন সংশোধনের প্রস্তাব করেছে। এক-তৃতীয়াংশ আসনে ইভিএম ব্যবহারের একটি পরিকল্পনার কথা প্রকাশ পেলেও সিইসি বলেছেন, তারা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।

আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন হবে, ঠেকানোর ক্ষমতা কারোর নেই। জনগণ ভোট দিলে আছি, না দিলে নেই। তবে লক্ষ্য ও পরিকল্পনা গ্রহণ করে ফেলছি। সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ছাড়া আসলে দেশের উন্নয়ন হবে না। সে লক্ষ্যে ২০১০ থেকে ২০, ২০২১ থেকে ৪১ সাল পর্যন্ত করণীয় অনেকদূর এগিয়েছে। ৪১ থেকে ১০০ পর্যন্ত কী হবে সেই পরিকল্পনাও দিয়ে যাচ্ছি।

নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান করার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, কাকে বসাবো, বসলে তো চেয়ার ছাড়ে না। বিএনপির সঙ্গে আলোচনার প্রশ্নই আসে না। বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর পর আমি তার বাসায় গেলাম। আমার মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেয়া হলো। ওইদিন থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাদের (বিএনপি) সঙ্গে আর কোনো আলোচনা হতে পারে না।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আমাদের বিরুদ্ধে প্রায় এক ডজন মামলা দিয়েছিল। আমার একটা মামলাও কিন্তু তোলে নাই। সবগুলো তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে হবে বলে আমি বলেছিলাম। সেগুলো প্রমাণ করতে পারে নাই। তিনি আরও বলেন, বিএনপির এত নামি-দামি ব্যারিস্টার, তারা কেন পারলো না যে খালেদা জিয়া নির্দোষ। এখানে আমাদের কী দোষ? এখন বলছে নির্বাচন করবে না। নির্বাচন করবে কি করবে না, এটা একটা দলের বিষয়। এখানে কাউকে দাওয়াত দেয়া না দেয়া আমাদের বিষয় না।

গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী নির্বাচন চান কি না এমন প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ড. কামাল গংরা আদৌ নির্বাচন চায় কি না? কারণ বাংলাদেশে একটা শ্রেণি বসেই থাকে একটা অনির্বাচিত কিছু আসলে, তারা একটা ফ্ল্যাগ পায়। ড. কামাল হোসেনও আন কনটেস্টে জিতে এসেছিলেন। জাতির পিতা একটা আসন ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই সিটে কেউ কনটেস্ট করে নাই। উনি (ড. কামাল হোসেন) এমপি হয়ে আসলেন। সেই আনকনটেস্টের যিনি এমপি, তিনি আনকনটেস্ট মানতে চান না। নিজেকে আবার সংবিধান প্রণেতা দাবি করেন, এখন আবার সেই সংবিধানও তিনি মানতে চান না। তবে তারা সব মিলিয়ে একটা জোট করেছে, এটা ভালো। বাংলাদেশে তো দুটি দল, একটা আওয়ামী লীগ, আরেকটা আওয়ামী লীগ বিরোধী। আওয়ামী লীগ বিরোধীদের তো একটা জায়গা থাকা দরকার। অন্ততপক্ষে একটা ভালো জোট হোক, আমরা নির্বাচনটা কনটেস্ট করি। একটা তো বিকল্প থাকতে হবে। তিনি বলেন, বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিকল্পধারা করলেন, সেটা এখন স্বকল্প হয়ে গেছে। আমাদের তো কোনো কিছু হলে সব উত্তরপাড়ার দিকে তাকিয়ে থাকে। আমি তো মৃত্যুর মুখে আছি সবসময়। একটু আন্দোলন দেখলেই সেটার ঘাড়ে চড়ে সবাই বসতে চায়। যখন আন্দোলন হয় তখন আমি দেখি। তারপর কেউ সেই আন্দোলনের ঘাড়ে যদি কেউ চড়ে, তাকে সরিয়ে দেই। তারাও পড়ে যায়। সেই আন্দোলন করে যদি কেউ সফল হয় আর যদি উত্তরপাড়া থেকে কেউ আসে- সেটাই তো উনারা চান। সুষ্ঠুভাবে গণতন্ত্র তো তারা চান না।

খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বলে বিএনপির সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে গ্রেফতার করা হয়নি। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এতিমদের টাকা চুরির দায়ে। দুর্নীতির মামলায় তিনি কারাগারে। ওনারই পছন্দের ফখরুদ্দিন, মইনউদ্দিনের সময় মামলা দেয়া হয়েছে। দশ বছর ধরে এই মামলা চলেছে। ১৫৪ দিন ধার্য করা হয়েছে। তারা চুরি করলে অনেকেই তাদের পক্ষে। আর আমাদের বেলায় পান থেকে চুন খসলে তোলপাড় শুরু হয়। কোর্টের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। আর দ্রুত মুক্তি চাইলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আগামী ১০০ বছরে বাংলাদেশ কোন পর্যায়ে যাবে ‘ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’ এর মাধ্যমে সেই পরিকল্পনা চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতেই এ ‘ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’ হাতে নেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে কাজ চলছে। ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা দিয়ে যাচ্ছি। দিনবদলের কাজ চলছে। তা অব্যাহত থাকবে। ২১০০ সালে বাংলাদেশকে কীভাবে দেখতে চাই, বদ্বীপকে বাঁচিয়ে রাখা, জলবায়ু পরিবর্তনসহ অন্যান্য অভিঘাত থেকে বাঁচাতে এই প্ল্যান হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের ছবি ব্যবহার করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর রোহিঙ্গাবিরোধী মিথ্যা প্রচারণা চালানোর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশেও এই ধরনের ছবি নিয়ে অনেক কিছু হয়েছে। এখন কথাটা হচ্ছে, শিখলো কার কাছ থেকে এরা? আমাদের বিএনপি-জামায়াতের কাছ থেকে এগুলো শিখলো কি-না তারা? বিভিন্নভাবে জামায়াত-বিএনপিও কিন্তু এ ধরনের প্রচার চালিয়েছিল। মিয়ানমার যেটা করেছে এটা অত্যন্ত জঘণ্য কাজ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে দেশটিকে দেয়া বাংলাদেশের তালিকা অনুযায়ী ৩ হাজার লোককে ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত রয়েছে মিয়ানমার। মিয়ানমারের যিনি প্রেসিডেন্ট তার সঙ্গে আমার এ বিষয়ে আলোচনা হয়। তাদের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছে, সে চুক্তি অনুযায়ী তাদের ৩ হাজার লোকের একটা তালিকা দেয়া হয়েছে, যারা ফিরে যেতে চান। তিনি (মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট) তাদের ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত বলে আমাকে জানিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সাধারণত যখন এই ধরনের (বিমসটেক) একটা আঞ্চলিক গোষ্ঠী তৈরি হয়, তখন সেখানে এ ধরনের দ্বি-পাক্ষিক বিষয়গুলো সেখানে তুলে ধরা যায় না। এতে পরিবেশটা ভালো থাকে। আমরা বঙ্গপোসগারকে ঘিরে যে দেশগুলো সে দেশগুলোর সঙ্গে একটা সমঝোতা ও দেশগুলোর মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। সার্বিক বিবেচনায় বিমসটেকের সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেপালের কাঠমাণ্ডুতে অনুষ্ঠিত বে অব বেঙ্গল ইনেশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপরাশেনের (বিমসটেক) চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা ও বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৯৭ সালে ৪টি দেশ নিয়ে শুরু হওয়া ‘বিসটেক’ পরবর্তী সময়ে ২০০৪ সালে ৭টি দেশ নিয়ে ‘বিমসটেক’ হিসেবে নতুন করে যাত্রা শুরু করে। বিমসটেক ২১ বছর পূর্ণ করায় এবারের শীর্ষ সম্মেলন ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্মেলনে বিগত দশ বছরে আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জিত সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমসটেক অঞ্চলের দারিদ্র ও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত অভিঘাত, সন্ত্রাস ও অন্যান্য সমস্যাকে যৌথভাবে মোকাবেলা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ২১ বছরের সাফল্য-ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে বিমসটেককে আরও শক্তিশালী করার জন্য নেতৃবৃন্দকে আহ্বান জানিয়েছি। সম্মেলনে ২০১০ সালে ভারতের গোয়াতে বিমসটেক লিডারদের শীর্ষ সম্মেলনে ১৬ দফা ঘোষণাকে দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেয়া হয়েছে। সামষ্টিক উন্নয়নের জন্য বিমসটেক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গঠন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে সহায়তা ও পুঁজি বিনিয়োগের বিষয়ে তাগিদ দিয়েছি। এর জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো ও আইনি দলিল সম্পন্ন করার জন্য জোর দিয়েছি।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৩০ ও ৩১ আগস্ট নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ‘বে অব বেঙ্গল ইনেশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন’ (বিমসটেক) সম্মেলনে যোগ দিতে দুদিনের সরকারি সফরে নেপাল যান। গত শুক্রবার দুপুরে তিনি দেশে ফেরেন।

সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশ সিইসির

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ

কোন অনুকম্পা নয় রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের সংবিধান : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সংবিধান বিশ্বে অনন্য। জাতির

দুদক ৫ বছরে দুর্নীতিবাজদের ২৭৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত ও জরিমানা করেছে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি দমন কমিশন ৫ বছরে দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত দুর্নীতিবাজদের কাছ থেকে

sangbad ad

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাধা শিশুশ্রম

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হলে দেশ থেকে শিশুশ্রম মুক্ত করতে হবে। শিশু

৩০ ডিসেম্বরের পর ভোট পেছানোর সুযোগ নেই : সিইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নির্বাচন আরও পেছানোর দাবি নাকচ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন

ইভিএম এর ভুল-ত্রুটি সনাক্ত করে তা শুধরে দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সিইসি’র আহ্বান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীমিত

এক সপ্তাহ পিছিয়ে ভোট ৩০ ডিসেম্বর এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ বিভিন্ন জোটের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভোটের তারিখ এক সপ্তাহ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর

নিরপেক্ষ তদন্তে দুদকেরও দুর্নীতি বের হবে : এনবিআর চেয়ারম্যান

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

আমাদের দেশে সবারই দুর্নীতি আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সাক্ষাৎ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র সঙ্গে সৌজন্য

sangbad ad