• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

 

ডাক্তাররা চরম ক্ষুব্ধ : ভেঙে পড়তে পারে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২০

সংবাদ :
  • বাকী বিল্লাহ
image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীর আবাসিক হোটেলে থাকা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন পরিপত্র জারির পর চিকিৎসকরা চরম ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়েছেন। এ পরিপত্র জারির কারণে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পরিবার বিপদে পড়বেন বলে তারা মনে করেন। তারা করোনাভাইরাসেও আক্রান্ত হতে পারেন তাই মনে করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এ পদক্ষেপ আত্মঘাতী বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। নতুন আদেশে বলা হয় ডাক্তারকে বাসা খুঁজে নিতে হবে। না হয় নিজ বাসায় থাকতে হবে। এমন আদেশে মৃত্যুর ঝুঁকিতে আছে ডাক্তার পরিবার। নতুন আদেশে ঝুঁকি আরও বাড়বে, দেশে দেখা দেবে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী সংকট। এ নিয়ে হাসপাতালগুলোতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, গত ২৯ জুলাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকারি চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্ব পালনকালে নির্ধারিত পৃথক অবস্থানের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এরমধ্যে (ক) কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা সাধারণভাবে একাধারে ১৫ দিনের বেশি দায়িত্ব পালন করবেন না এবং প্রতিমাসে ১৫ দিন দায়িত্ব পালন শেষে পরবর্তী ১৫ দিন তারা সঙ্গনিরোধ ছুটিতে থাকবেন। (খ) চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা ১৫ দিন কর্মকালীন পৃথক অবস্থানের নিমিত্ত বিশেষ ভাতা অথবা খাবারসহ আবাসনের সুবিধা পাবেন। এরমধ্যে ঢাকা মহানগরীর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা ১৫ দিন কর্মকালীন পৃথক অবস্থানের জন্য ৬টি স্থাপনা ব্যবহার করতে পারবেন বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এরমধ্যে (১) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) একাডেমি। (২) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ম্যানেজমেন্ট। (৩) জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি। (৪) ন্যাশনাল একাডেমি অব অ্যাডুকেশনাল ম্যানেজমেন্ট। (৫) টিসার্স ট্রেনিং কলেজ ও (৬) জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট।

(৭) ঢাকা মহানগরের বাইরে সব জেলা, উপজেলার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা পূর্বক সেখানে অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে এরূপ ব্যবস্থা করা যাবে। (৮) সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত আবাসিক স্থাপনাসমূহের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে আবাসন সুবিধা গ্রহণে ইচ্ছুক স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন। সেজন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আবাসিক স্থাপনাসমূহের কর্তৃপক্ষের বিল দাখিল সাপেক্ষে পরিশোধ করবেন। (৯) চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা যারা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত স্থাপনায় অবস্থান করবেন তাদের যাতায়াতের জন্য আবশ্যিকভাবে (প্রাপ্যতা সাপেক্ষে) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহনের (বিআরটিসি) যানবাহন ব্যবহার করতে হবে। এরূপ ক্ষেত্রে ভাড়া পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) কাছ থেকে প্রাপ্য বিলের ভিত্তিতে বরাদ্দ দাবি করতে হবে। যেখানে বিআরটিসি যানবাহন নেই সেখানে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রিকুইজিশনকৃত বা ভাড়ায় যানবাহন ব্যবহার করা যেতে পারে। (১০) কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার সেবা প্রদানকালীন নির্ধারিত আবাসিক সুবিধা গ্রহণ না করলে দৈনিক ভাতা প্রাপ্য হবেন। এরমধ্যে চিকিৎসক (ঢাকা মহানগর) ২ হাজার টাকা। ঢাকা মহানগর ব্যতিত অন্যান্য এলাকায় ১৮শ’ টাকা। নার্স ঢাকা মহানগরীতে ১২শ’ টাকা। বাইরে ১ হাজার টাকা। অন্যান্য শ্রেণীর স্বাস্থ্যকর্মীরা ঢাকায় ৮শ’ টাকা ও ঢাকার বাইরে ৬৫০ টাকা।

(১১) একজন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী এক মাসে ১৫ দিনের বেশি ভাতা প্রাপ্য হবেন না এবং প্রাপ্যতা অনুসারে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওই বিশেষ ভাতা ভ্রমণ ও দৈনিক ভাতা আহরণের পদ্ধতিতে উত্তোলন করবেন বা প্রাপ্য হবে। (১২) স্বাস্থ্য অধিদফতরের ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ভাতার হিসাবে সরকারের কাছে বরাদ্দ দাবি করবেন। বরাদ্দকৃত অর্থ হতে আবাসিক সুবিধা গ্রহণ না করে দৈনিক ভাতা গ্রহণকারীদের পরিশোধিত অর্থ বাদ দিয়ে বাকি অর্থ দ্বারা বিভিন্ন আবাসিক স্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং যানবাহনের জন্য দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ সম্ভব না হলে প্রকৃত খরচের হিসাবসহ অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দাবি করা যাবে। এ পরিপত্র অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। ঈদের আগে গত ২৯ জুলাই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান পরিপত্রে স্বাক্ষর করেন। এর অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ বিভিন্ন দফতরে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সোসাইটি অফ অ্যানেসথেসিওলজির সভাপতি প্রফেসর ডা. দেবব্রত বণিক বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এ আদেশের খবর ৪ আগস্ট মঙ্গরবার দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে প্রচার হয়েছে। এতে চিকিৎসকদের মধ্যে মানসিক চাপ বাড়ছে। হঠাৎ পরিপত্রের কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হবে। এ রোগ এখন ডাক্তার, তার পরিবার, বাজারসহ সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে। বিশেষ করে আইসিইউতে যারা ক্লোজ ডোরে কাজ করেন তাদের জামা-কাপড়ে ভাইরাস থাকে। তারা যানবাহনে গেলে সেখানে করোনা ছড়াবে। লিফটে নামার সময় করোনা ছড়াবে বলে তিনি মনে করেন।

এ বিশেষজ্ঞ বলেন, টাকার জন্য ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হোটেলে থাকা বন্ধ করে দেয়ায় বাড়তি ইনফেকশন হতে পারে। করোনা হাসপাতালে ডিউটি করে জীবাণু নিয়ে ডাক্তার রিকশায় বাসায় গেলে রিকশাচালক ও আশপাশের লোকজন আক্রান্ত হবে। শুধু তাই নয়, জুনিয়র ডাক্তারা মন দিয়ে কাজ না করলে করোনা রোগীদের কষ্ট বাড়বে। বিভিন্ন চিকিৎসা পরামর্শ কমিটির প্রধানের পদ জাতীয় বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক, প্রফেসর, ডাক্তার না রেখে অন্য পেশার কর্মকর্তাকে প্রধান করলে পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন এ বিশেষজ্ঞ।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে ড্যাবের একজন বিশেষজ্ঞ জানান, করোনা চিকিৎসা করে ডাক্তারদের বাসা ডাক্তারদের খুঁজে নিতে হবে। এমন নিয়ম বিশ্বের কোথাও নেই। সব দেশে সরকার ডাক্তারদের আইসোলেশনের ব্যবস্থা করেন। এখন ডাক্তার ও শিশু বাচ্চাসহ পুরো পরিবারকে মৃত্যুর ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। যা কাম্য নয়।

করোনা হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হোটেলে থাকা নিষেধ করে দেয়া প্রসঙ্গে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি প্রবীন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. ইকবাল আর্সলান বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত অনেক চিকিৎসকই তরুণ। তারা অনেকেই ছোটখাট বাসায় পরিবার নিয়ে থাকেন। তারা হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে কার্যক্রমে যুক্ত। তারা দলবদ্ধভাবে হোস্টেলে বা বাসা ভাড়া করে থাকেন। এসব চিকিৎসক ও তাদের পরিবার এবং তাদের অন্যান্য সদস্য এমনকি অতিথিরাও এখন সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। সরকারের যে সমস্ত ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, ডরমেটরিতে চিকিৎসক ও সেবাকর্মীদের ডিউটিকালীন সময় বসবাসের জন্য বা থাকার জন্য যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হাসপাতালসমূহের স্থানীয় প্রশাসন যোগাযোগ করলেও তারা কোন ইতিবাচক সাড়া পায়নি।

রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তারা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করেন। এ সব ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের গণপরিবহন ব্যবহার করতে দিবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ অবস্থায় তাদের পক্ষে হপাসপাতালসমূহে যাতায়াত সম্ভব না বলে এ বিশেষজ্ঞ মনে করেন। কোরবানির ঈদের আগে হঠাৎ করে মন্ত্রণালয় থেকে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। তার মতে, সরকারের উচিত এ আদেশ পূর্ণ বিবেচনা করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। আর দরকার হলে হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আর্থিক সমস্যার সমাধান করা যায়।

একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন পরিপত্রের খবর ঈদের পর বিভিন্ন হাসপাতালে প্রচার হলে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অনেক হাসপাতালে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এ সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ডা. কনককান্তি বড়য়ার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি তার ব্যক্তিগত মতামতে বলেন, এ পরিপত্রের কারণে চিকিৎসক এবং তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়বে। সবার যৌথ পরিবার। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনা বাংলাদেশে চলে না। চিকিৎসকরা দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় গেলে বৃদ্ধ বাবা-মা, ভাই-বোন সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ পরিপত্রটি পূর্ণ বিবেচনা করা। না করলে আত্মঘাতী হবে। এতে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে। এমনকি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী সংকট দেখা দিতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জানা গেছে, সারাদেশে সরকারি ডাক্তারের সংখ্যা ২৭ হাজারের বেশি হবে। আর স্বাস্থ্যকর্মী মিলে এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে চিকিৎসকদের মধ্যে মঙ্গলবার দিনভর আলোচনা হয়েছে। তারা হতাশ, ক্ষুব্ধ।

আল্লামা শফীর জানাজা সম্পন্ন, জানাজায় মানুষের ঢল

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফীর নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার দুপুর

সীমান্ত হত্যা বন্ধে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা ও মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আবারও সম্মত

বৃষ্টিপাত বাড়বে সোমবার থেকে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সোমবার থেকে সারাদেশে বৃষ্টিপাত বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আজ সকাল ৯

sangbad ad

বান্ধবীর মাধ্যমে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ

প্রতিনিধি, বগুড়া

image

বগুড়ার সোনাতলার পল্লীতে স্কুল পড়–য়া ছাত্রীকে (১৪) বান্ধবীর মাধ্যমে ডেকে নিয়ে গিয়ে

মাদ্রাসায় পৌছেছে শফীর মরদেহ : ভক্ত-অনুসারীদের ভিড়

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

হেফাজত ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মরদেহ হাটহাজারীর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল

আল্লামা শফীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

হেফাজতে ইসলামের আমির বিশিষ্ট আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ

বাংলাদেশে ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত

image

বাংলাদেশে ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। গতকাল শুক্রবার নয়াদিল্লিতে

আল্লামা শফীর মরদেহ রাতেই চট্টগ্রাম নেয়া হবে

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

হেফাজতে ইসলামের শুরা কমিটি সদ্য প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জানাজার

পিয়াজের দাম পাইকারি বাজারে কমলেও খুচরা বাজারে কমছেনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নানা চেষ্টার পরও পিয়াজের দাম পাইকারি বাজারে কমতে শুরু করলেও খুচরা বাজারে