• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

 

ট্রাফিক আইন জানে না অধিকাংশ মানুষ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রবিবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • মাহমুদ আকাশ
image

উল্টোপথে চলছে পুলিশের গাড়ি

ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন নয় অধিকাংশ মানুষ। গাড়িচালকও জানে না ট্রাফিক আইন ভাঙলে কি অপরাধ হয়। এমন কি অনেক পুলিশ সদস্যও জানে না মোটরযান আইনের কোন অপরাধে কী শাস্তি হয়। সড়কে শৃঙ্খলার জন্য আইন হয়, কিন্তু বাস্তবায়ন হয় না। আইন সম্পর্কে মানুষকে সচেতন না করার কারণে কোন সুফল পাওয়া যায় না। সড়কে রাস্তা পারাপারে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করা, গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা, ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও ইন্স্যুরেন্স না থাকার কারণে কী শাস্তি ও জরিমানা হবে তা জানে না অনেকেই। জরিমানা ও শাস্তি থেকে কিভাবে ছাড়া পাবে তাও জানে না। এক্ষেত্রে জরিমানার টাকা জমা দিতে গিয়ে বিভিন্ন সময় দালালের মাধ্যমে প্রতারিত হতে হয় তাদের। এজন্য আইন মান্য করার ক্ষেত্রে মানুষের আগ্রহ কম। অনেক ক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশকে ঘুষ দিয়ে অথবা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে ফোন দিয়ে অপরাধ থেকে পাড় পেয়ে যায় অনেকেই। এর ফলে দিন দিন অপরাধ কমার চেয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান পরিবহন বিশেষজ্ঞরা। তাই ‘মোটরযান আইন’ অনুযায়ী কোন অপরাধে কি শাস্তির বিধান ও সমাধানের উপায়গুলো সড়কের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে প্রকাশ করা ও তা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের সুপারিশ তাদের।

এ বিষয়ে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী সাইদুর রহমান সংবাদকে বলেন, আইনের বিধি-বিধান প্রকাশ করা একটি ভালো কাজ। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ অথবা বিআরটিএ’র কেউ এ কাজ করবেন না। কারণ ভালো কাজ তারা করতে পারে না। যদি জরিমানার টাকার পরিমাণ প্রকাশ পায় তাহলে তারা দুর্নীতি করতে পারবেন না। তাই পরিবহন ও সড়কে শৃঙ্খলা আনতে সঠিক আইন তৈরির পাশাপাশি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

এ বিষয়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় মেসকাত পরিবহনের এক চালক বলেন, ‘আইন ক্যামনে বুঝবো? শুনি তো প্রতিদিন নতুন নতুন আইন হয়, আমরা গাড়ি বের করি আর মামলা খাই। পুলিশ যা চায় তা দিয়ে দেই। বিভিন্ন সমস্যার কারণে মামলা দেয়, আগে এতো ধরতো না। এখন বেশি ধরে। তবে আইনের বিষয়গুলো প্রকাশ করলে অবশ্যই ভালো হতো বলে জানান তিনি।’

বিআরটিএ’র সূত্র জানায়, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন করে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অনুমোদন দিয়েছে। জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পরে তা কার্যক্রম হবে। ১৭৭টি ধারা ও ১২টি তফসিলসম্বলিত দ্য মোটর ভেহিকল অধ্যাদেশ-১৯৮৩’র স্থলে যুগোপযোগী করে ১৪টি অধ্যায়ে ১২৪টি ধারা সমন্বয়ে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর খসড়া বাংলায় প্রণয়ন করা হয়েছে। মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ড্রাইভিং লাইসেন্স, রুট পারমিট প্রদান ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে দ্য মোটর ভেহিকল অধ্যাদেশ-১৯৮৩’র অধ্যাদেশ অনুযারী। তবে প্রস্তাবিত আইনে ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী চালককে কারাদন্ড ও অর্থদন্ডের অতিরিক্ত পয়েন্ট কাটার বিধান রাখা হয়েছে। পাশপাশি সড়কের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী ব্যক্তি বা পরিবার বা প্রতিষ্ঠান বা এলাকার জন্য মোটরযানের সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারকে দেয়া হয়েছে আইনটিতে। তবে অন্যান্য শাস্তি বিধান ও জরিমানা একই রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে মোটরযানের আইন অনুযায়ী কোন অপরাধে কি শাস্তির বিধান আছে। তা উল্লেখ করা হলো-

ধারা : ১৩৮- লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো : কোন ব্যক্তি ৩ ধারা (১) উপধারা লংঘন করে (লাইসেন্স ছাড়া) কোন মোটরযান চালালে সর্বোচ্চ চার মাসের কারাদন্ড অথবা পাঁচশ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়বিধ শাস্তি পেতে হবে। ধারা : ১৩৯- নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র লাগানো ও ব্যবহার : যদি মোটরযানে এমন ধরনের হর্ন বা শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র সংযোজন বা ব্যবহার করা হয় যা সংশ্লিষ্ট এলাকায় যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষ প্রণীত কোন বিধি বা প্রবিধান মোতাবেক নিষিদ্ধ, তা হলে নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ একশ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হবে।

ধারা : ১৪১- লাইসেন্স সংক্রান্ত অপরাধসমূহ : (১) এই অধ্যাদেশ অনুসারে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য কোন ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে কোন মোটরযান চালালে কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্স যোগাড় বা এর জন্য আবেদন করে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য হওয়ার পর পূর্ববর্তী ড্রাইভিং লাইসেন্সের এনডোর্সমেন্টের কথা প্রকাশ না করে পুনরায় ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করলে সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদন্ড অথবা পাঁচশ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। (২) এই আইন অনুসারে কন্ডাক্টরস লাইসেন্স ধারণ করার ও পাওয়ার অযোগ্য কোন ব্যক্তি প্রকাশ স্থানে 'স্টেজ-ক্যারেজ' করলে সর্বোচ্চ এক মাসের কারাদন্ড কিংবা দুইশ টাকা পর্যন্ত জরিমানা কিংবা উভয় শাস্তি পেতে হবে। (৩) মোটরযান চালানোর সময় এই আইন অনুযায়ী কর্মরত যে কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক চাওয়ামাত্র বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে হবে। অন্যথায় পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করা হবে।

ধারা : ১৪২- নির্ধারিত গতির চেয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালালে : এমন অপরাধের জন্য প্রথমবার সর্বোচ্চ এক মাস কারাদন্ড কিংবা সর্বাধিক তিনশ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডণীয় হবেন এবং তৎপরবর্তী অনুরূপ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদন্ড কিংবা সর্বাধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডণীয় হবেন এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্স অনধিক এক মাস মেয়াদের জন্য সাসপে- করা হবে। ধারা : ১৪৩-বেপরোয়াভাবে কিংবা বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালালে : প্রথমবার এই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদন্ড কিংবা পাঁচশ টাকা জরিমানা হবে এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্স একটা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য সাসপেন্ড থাকবে।

ধারা : ১৪৪- মদ্যপান কিংবা মাদকদ্রব্য সেবনের পর মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালালে : গাড়ির ওপর যথাযথ নিয়ন্ত্রণ কার্যকর করতে অক্ষম, এমতাবস্থায় যদি কেউ গাড়ি চালান কিংবা চালানোর চেষ্টা করেন, তবে অনুরূপ অপরাধ প্রথমবার সংঘটনের জন্য সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদন্ড কিংবা সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দন্ড হবে। ধারা : ১৪৫-শারীরিকভাবে অনুপযুক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো : প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচশ টাকা জরিমানা হবে এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্স নিদিষ্ট মেয়াদে বাতিল করা হবে। ধারা : ১৪৭- কতিপয় অপরাধ করতে সহায়তার জন্য শাস্তি : কোন ব্যক্তি ১৪৩ কিংবা ১৪৫ ধারা অনুযায়ী কোন একটি অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে তিনি সেই অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হবেন।

ধারা : ১৪৮- মোটরগাড়ির দৌড়বাজি কিংবা গতি পরীক্ষা : এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ এক মাস কারাদন্ড অথবা পাঁচশ' টাকা জরিমানা কিংবা উভয় শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হবেন এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্স সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য সাসপেন্ড করা যেতে পারে। ধারা : ১৪৯- নিরাপত্তাবিহীন অবস্থায় গাড়ি ব্যবহার : সর্বোচ্চ এক মাস কারাদন্ড কিংবা সর্বাধিক দুইশ পঞ্চাশ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডণীয় হবেন। সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদন্ড কিংবা সর্বাধিক এক হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ড হবে। ধারা : ১৫০- ধোঁয়া বাহির হওয়া মোটরযান ব্যবহার : স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ ধোঁয়া বের হওয়া গাড়ি প্রকাশ্য স্থানে চালালে সর্বোচ্চ দুইশত টাকা জরিমানা হবে।

ধারা : ১৫১- এই অধ্যাদেশের সঙ্গে সঙ্গতিবিহীন অবস্থায় গাড়ি বিক্রি অথবা গাড়ির পরিবর্তন করা : সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদন্ড কিংবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ড দেয়া হতে পারে।

ধারা : ১৫২- রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সার্টিফিকেট অথবা পারমিট ব্যতীত মটরগাড়ি ব্যবহার : কোন ব্যক্তি ৩২, ৪৭, ৫১ (১) উপধারা অনুযায়ী পারমিট ব্যতীত মোটরগাড়ি চালালে প্রথমবারের অপরাধের জন্য সর্বাধিক তিন মাস কারাদন্ড অথবা সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে। ধারা : ১৫৪- অননুমোদিত ওজন অতিক্রমপূর্বক গাড়ি চালানো : কোন ব্যক্তি ৮৬ অথবা ৮৮ ধারার অধীনে আরোপিত কোন নিষেধাজ্ঞা লংঘন করে অর্থাৎ অনুমোদিত মাত্রার অতিরিক্ত ওজন নিয়ে গাড়ি চালালে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা। ধারা : ১৫৫- অবীমাকৃত মোটরযান চালানো : কোন ব্যক্তি ১০৯ ধারার বিধান লংঘন করে অর্থাৎ বীমা না করে কোন মোটরযান চালালে কিংবা চালানোর অনুমতি দিলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা জরিমানা হবে।

ধারা : ১৫৬- অনুমতি ব্যতীত গাড়ি চালালে : কোন ব্যক্তি কোন মোটরযানের কিংবা অন্য কোন আইনানুগ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত সংশ্লিষ্ট মোটরগাড়ি চালিয়ে বাইরে গেলে সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদন্ড অথবা সর্বাধিক দুই হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হবেন। ধারা : ১৫৭- প্রকাশ্য সড়কে অথবা প্রকাশ্য স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি : সর্বোচ্চ পাঁচশ টাকা জরিমানা হবে এবং অনুরূপ মোটরযান কিংবা খুচরা যন্ত্র বা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। ধারা : ১৬০- ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতারের ক্ষমতা : এক ইউনিফরমধারী পুলিশ অফিসারের সামনে কেউ ৩২, ৫১, ১৪৩, ১৪৪, ১৪৫, ১৪৬, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫৪ কিংবা ১৫৬ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ করলে তিনি উক্ত অপরাধীকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারবেন।

জানা গেছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ চারটি জোন থেকে রাজধানীর সড়কের ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এগুলো হলো ট্রাফিক বিভাগ উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম। বিভিন্ন সময় সড়কে পরিবহনের মামলা ও জরিমানা হলে এ সব ট্রাফিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ইউপে’র মাধ্যমে জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানায়। এ বিষয়ে রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় তালেব নামের এক ট্রাফিক সার্জেন্ট বলেন, মোটরযান আইন অনুযায়ী গাড়ি ও চালকের লাইসেন্স চেক করা হয়। দোষী হলে আইনের ধারা অনুযারী তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা দেয়া হয়। জরিমানার টাকা মোবাইলের ইউপে’র মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়। আগে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করা হতো। এখন তা করা হয় না। তাই দুর্নীতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে সচেতনতার জন্য মোটরযান আইনের শাস্তি ও জরিমানার বিধানগুলো প্রকাশ করা উচিত বলে জানান তিনি।

ট্রাফিক পুলিশের পশ্চিম বিভাগের (রমনা-ধানমন্ডি) উপকমিশনার (ডিসি) লিটন কুমার সাহা বলেন, বহুদিনের অভ্যাস একদিনে তো আর ঠিক হবে না। যত্রতত্র যাত্রী ওঠা-নামার দায়ে আমরা অনেক মামলা দিয়েছি। ওরা দুষ্টু, ওদের আইনের আওতায় আনতে সময় লাগবে। শুধু শ্যামলী বা নিউমার্কেট নয়, রাজধানীজুড়েই একই চিত্র। তবে আগের চাইতে গণপরিবহন অনেকটা শৃঙ্খলায় আসছে বলে জানান তিনি।

‘ঢাকার পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ গিনেস বুকে রেকর্ড

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে ‘ঢাকা পরিচ্ছন্নতা অভিযান’। ঢাকা দক্ষিণ

বিমান বন্দরে বিমান দুর্ঘটনা পরবর্তী কার্যক্রম এর উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে

নারী আসনে মনোনয়ন নয় নির্বাচনের দাবি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মতামত ছাড়াই হঠাৎ করে জাতীয় সংসদে বিল পাশ করে নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধির

sangbad ad

সরকারের উন্নয়নের বার্তা জনগণের কাছে তুলে ধরার আহবান স্পিকারের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বর্তমান সরকারের উন্নয়নের বার্তা জনগণের কাছে তুলে

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান স্পিকারের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী

ইভিএম নিয়ে সন্দেহ দূর করতে প্রচারণা চলানোর নির্দেশ সিইসির

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে

সংসদের ২২তম অধিবেশন সমাপ্ত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) শেষ হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারের

উদ্বেগের মধ্যেই ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল পাস

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ব্যাপক সমালোচিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা বাতিল করে বহুল

sangbad ad