• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮

 

কেউ চায় না যুদ্ধাপরাধীরা ক্ষমতায় আসুক : প্রধানমন্ত্রী

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০৭ নভেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • ফয়েজ আহমেদ তুষার, মোস্তাফিজুর রহমান ও মাহমুদুল হাসান

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বাম ও ইসলামিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দুপুরে ইসলামী ঐক্যজোটসহ ১২টি দলের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামী ঐক্যজোট ৬১২টি ইসলামী দল শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দেশের ৮টি বাম দল নিয়ে গঠিত ‘বাম গণতান্ত্রিক জোটের’ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। বাম গণতান্ত্রিক জোটের সাথে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী যাদের সাজা দিয়েছি এবং কার্যকর করেছি তার আবার ক্ষমতায় আসুক বাংলাদেশের জনগণও চায় না, আমরাও চাই না। যারা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করে যুদ্ধাপরাধীরা ক্ষমতায় আসুক তারা ও সেটা চাইবে না। এখন সামনে নির্বাচন আমরা চাই দেশের যে উন্নয়ন আমারা করতে পেরেছি, গণতান্ত্রিক ধারা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে উন্নত ও অব্যাহত থাকবে। সংলাপের শুরুতে সবাইকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা এবং সেই অবস্থা থেকে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে আনা এটাই ছিল আমাদের লক্ষ। সবচেয়ে বড় কথা ছিল দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি করা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে ঠিক একই কায়দায় ২০০১ সালে নির্বাচনের পর অত্যাচার নির্যাতন করা হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর। যে ক্ষমতায় আসে সেই বসে যেতে চায়। খালেদা জিয়া বারোটা মামলা দিয়েছিল সরকারে এসে। আবার দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসেও আরো ৫/৬টি মামলা দেয় আমার বিরুদ্ধে। এক/এগারো সরকারও আমাকে ইলেকশন না করার প্রস্তাব দিয়েছিল। বিনিময়ে একটি মর্যাদা দেয়ার প্রস্তাব দেয় তারা। কিন্তু আমি, একটি কথা জোর দিয়ে বলেছি, নির্বাচন হবে জনগণ যাকে চাইবে সেই ক্ষমতায় আসবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে এ আমরা বাংলাদেশকে যেখানে রেখে এসেছিলাম সেখান থেকে বাংলাদেশ আবার পিছিয়ে যায়। ২০০৮ সালে যখন সরকার গঠন করি তখন বিশ্বমন্দা থাকে। এর মধ্য দিয়ে আমরা এগিয়ে যাই। ২০১৩ সাল থেকেই নির্বাচন ঠেকানোর নামে অগ্নিসংযোগসহ নানা নাশকতা করা শুরু করে। ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আপনারা যদি বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্রটা দেখেন তাহলে নিশ্চয়ই এটা স্বীকার করতে বাধ্য হবেন যে আমরা উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিরিয়ে আনা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার মতো কঠিন কাজটা এই সময়ের মধ্যে আমরা করতে পেরেছি। কারণ জনগণের সমর্থন ছিল বলেই যুদ্ধাপরাধের বিচার করার পাশাপাশি রায়ও কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে সরকার। এ কারণে বাংলাদেশের উন্নয়ন হচ্ছে যে কারণে আমাদের বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হার ৭. ৮। আমরা আজ বিশ্ব উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। বিশাল জনগোষ্ঠীর নিয়ে আমরা আমাদের প্রবৃদ্ধির হার অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছি। এখন সামনে নির্বাচন। আমরা চাই দেশের আমরা যে উন্নয়নটা করতে পেরেছি গণতান্ত্রিক ধারা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে উন্নত ও অব্যাহত থাকবে। স্বাধীনতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী যাদের সাজা দিয়েছি এবং কার্যকর করেছি তার আবার ক্ষমতায় আসুক বাংলাদেশের জনগণও চায় না, আমরাও চাই না। যারা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করে যুদ্ধাপরাধীরা ক্ষমতায় আসুক তারাও সেটা চাইবে না। প্রধানমন্ত্রী বাম জোটের নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ১০ বছরে কোনদিন দেখা হয়নি। তাই সে দেখাটা হোক, এটা আমি চেয়েছি।

সংলাপে আওয়ামী লীগ নেতারাসহ ১৪ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এতে সিপিবি-বাসদ নেতৃত্বাধীন বাম জোটের ১৬ নেতা অংশ নেন। বাম গণতান্ত্রিক জোটের মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন। সংলাপে বাম জোটের পক্ষে অংশ নিয়েছেন- সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, পলিটব্যুরোর সদস্য আকবর খান, বাসদের (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটি সদস্য শুভ্রাংশু চক্রবর্তী ও আলমগীর হোসেন দুলাল, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, আব্দুস সাত্তার, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য মোমিনুর রহমান বিশাল, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রনজিৎ কুমার।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে দুপুরে সংলাপে অংশ নেন ইসলামী ঐক্যজোট (আইওজে), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ জালালী পার্টি, আশিক্কীনে আউলিয়া ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশ, জাকের পার্টি; বাংলাদেশ জাতীয় ইসলামী জোট-বি.এন.আই.এ, বাংলাদেশ সম্মিলিত ইসলামী জোট, ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সসহ (আইডিএ) ১২টি দলের ৫২ জন নেতা। সংলাপের সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সবার মতামত নিয়ে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।’ সংলাপ শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরাতে ইসলামী দলগুলো সহযোগিতা করবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশ পরিচালনা করেছেন তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ইসলামী দলগুলোর নেতারা। আগামীতে পিএম শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ফিরে আসবেন এ ব্যাপারে তাদের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে একথা তারা অকপটে বলে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার আদর্শ সম্মুন্নত রাখার ব্যাপারে উভয় পক্ষই সংলাপে একমত হয়েছেন বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ৯ নভেম্বর থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু হবে। ইসলামী দলগুলো ‘সংবিধানসম্মতভাবে’ নির্বাচন সমর্থন করে এবং এ ব্যাপারে তারা ‘অংশী’ হিসেবে থাকবেন বলেও জানান কাদের। সংলাপে দ্বিমত বলেও কিছু ছিল না বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

সংলাপ শেষে ইসলামী দল ও জোটের নেতারা জানান, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চান তারা। এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে তাদের আপত্তি নেই। তবে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ এতে ভিন্নমত পোষণ করেছে। সংলাপ শেষে ইসলামি ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ সাংবাদিকদের বলেন, ‘সব দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে নির্বাচন ব্যবস্থা করার জন্য আমরা প্রস্তাব দিয়েছি। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।’ ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের কো-চেয়ারম্যান এমএ আউয়াল বলেন, ‘আমরা বলেছি এ সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক। একই সঙ্গে এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আমাদের আপত্তি নেই সেটিও জানিয়েছে।’ বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের চেয়ারম্যান মাওলানা আতাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেব। কোন জোটে যাবো না। অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রস্তাব করেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের কথা শুনেছেন।’ মুসলিম লীগের এক নেতা বলেন, ‘আমরা বলেছি, আওয়ামী লীগই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দালন করেছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দলনিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা দরকার।’ সংলাপকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে অভিহিত করে জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল মুজাদ্দেদী সাংবাদিকদের বলেন, সংলাপ অত্যন্ত প্রাণবন্ত হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে আসলেই এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়। আমরা মনে করি, এর একটি স্থায়ী সমাধান হওয়া উচিত। তাই এবার সরকারকে বহাল রেখে এ সরকারের অধীনে নির্বাচন করা দরকার। এটা এক্সপেরিমেন্টাল। দেখা যাক কতটা সফলতা আসে। তিনি আরও বলেন, আমাদের কাছে জাতীয় স্বার্থ সবার আগে। মোট ভোটের ২.৫%-৩% ভোট জাকের পার্টির। অর্থাৎ সারাদেশে জাকের পার্টির ২৫-২৮ লাখ ভোট আছে। আমরা ন্যায়সঙ্গতভাবেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৫টি আসন চেয়েছি। জাকের পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, আরেকটি রক্তাক্ত বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা চাই গণতন্ত্রের ভিত মজবুত হোক। শান্তি, সৌহার্দ, সম্প্রীতি বজায় থাকুক। সুন্দর একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংসদ যাতে গতিশীল হতে পারে এবং দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকে সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

সংসদ ভবনের নির্মাণশৈলীর প্রশংসা দ. কোরিয়ার প্রতিনিধি দলের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণশৈলীর ভূয়সী প্রশংসা করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদীয়

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে কাল শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি সড়কে যানবাহন চলাচল

ইসি বিব্রত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর দ্বিতীয় দিনে দু'জন নিহত হওয়ার ঘটনা এবং বিএনপি মহাসচিবের

sangbad ad

ঢাবিতে ডিনস্ অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭০ শিক্ষার্থী

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

বিবিএ ও এমবিএ পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জন করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ব্যবসায়

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের দায়িত্ব তিন জনের হাতে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

চার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার পর তাদের দফতরগুলো নতুন

উত্তাপ যেন উত্তপ্ত না হয় : সিইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে প্রধান নির্বাচন

প্রজ্ঞা ও মেধা খাটিয়ে নিরপেক্ষ বিচার করার নির্দেশ

image

রাজধানীর আগারগাঁয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী নির্দেশনামূলক এক ব্রিফিং

৬ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ব্যয় হচ্ছে ১৫ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা

রাকিব উদ্দিন

image

সারাদেশের বেসরকারি হাইস্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ১৫ হাজার

মায়েদের প্রতি শেখ হাসিনা : সন্তানদের জঙ্গিবাদ ও মাদক থেকে দূরে রাখতে যত্নবান হউন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাতা-পিতাকে বিশেষ করে মায়েদের তাদের সন্তানকে বেগম রোকেয়ার

sangbad ad