• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

 

কিসের ছাত্রলীগ, কাউকে ছাড় নয়, অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বুয়েট শিক্ষার্থী আবরারের হত্যাকারীদের’ সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এ নৃসংসতা কেন? এই জঘন্য কাজ কেন? এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, কিসের ছাত্রলীগ, আমার কাছে অপরাধী অপরাধীই। যতরকমের ‘উচ্চ শাস্তি’ আছে সেটা দেওয়া হবে। কোন সন্দেহ নেই। দল-টল বুঝি না। অপরাধের বিচার হবেই। এই হত্যাকান্ডের পরিপ্রেক্ষিতে সবক্ষেত্রে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার যে দাবি উঠেছে, তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, রাজনীতি, ছাত্র রাজনীতি, এসব বন্ধ করে ‘ক্ষমতা দখলকারী সেনাশাসক, স্বৈরশাসকরা’। আমিতো ছাত্র রাজনীতি করেই আজ এ পর্যন্ত এসেছি। আর এ দেশের প্রতিটি সংগ্রামের ছাত্রদের অগ্রণী ভূমিকা আছে। তবে বুয়েট চাইলে তাদের ক্যাম্পসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ৯ অক্টোবর বুধবার বিকেলে গণভবনে ‘সাম্প্রতিক ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খুব সকালে ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমি পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে দিয়েছি, আলামত সংগ্রহ করার জন্য, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার জন্য। যখন পুলিশ সিসি ক্যামেরা থেকে ফুটেজ হার্ডডিস্কে নিয়ে আসছে তখন তাদেরকে ঘেরাও করা হল। আইজিপি জানালেন, পুলিশকে আলামত নিয়ে আসতে দেয়া হচ্ছে না। তারা বলছে, ফুটেজগুলো পুলিশ নষ্ট করবে। আমি আইজিপিকে বললাম, বলা যায় না এর মধ্যে কী যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তারা আছে? ফুটেজ পেলে পরে তারা ধরা পড়ে যাবে এজন্য তারা এসব করছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টে দেখা গেল, বাইরে অত ইনজুরি নেই, সমস্ত ইনজুরি ভিতরে। আমার মনে পড়ল, ২০০১ সালে বহু নেতা-কর্মীকে এমনভাবে পিটানো হত, বাইরে থেকে ইনজুরি নেই, তারা মারা যেত। শেখ হাসিনা বলেন, স্বাভাবিকভাবে এটা সন্দেহের বিষয়। এরা কারা? তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকলে অনেকে দল করতে আসে। কিছু লোকতো আছে ‘পার্মানেন্ট গভর্মেন্ট পার্টি’। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগকে ডেকেছি। সবগুলোকে বহিষ্কার করতে বলেছি। পুলিশকে বলেছি সবাইকে অ্যারেস্ট করতে। কারও দাবি-টাবির অপেক্ষায় থাকিনি।

ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের বিপক্ষে শেখ হাসিনা

আবরার ফাহাদ হত্যাকান্ডের পর বুয়েট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ থেকে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের যে দাবি উঠেছে, তা নাকচ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি নিজেই যেহেতু ছাত্র রাজনীতি করে এসেছি। সেখানে আমি ছাত্র রাজনীতি ব্যান বলব কেন? এই দেশের প্রতিটি সংগ্রামের অগ্রণী ভূমিকা কিন্তু ছাত্ররাই নিয়েছেন। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের উজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরে তা কলুষিত করার জন্য সামরিক শাসকদের দায়ী করেন। তিনি বলেন, নষ্ট রাজনীতি যেটা, সেটা তো আইয়ুব খান শুরু করে দিয়েছিল, আবার জিয়াউর রহমান এসে শুরু করলো একইভাবে। দুইজনের ক্ষমতা দখলের চরিত্র একই রকম।

বুয়েট চাইলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে

আবরার হত্যাকান্ড এবং ছাত্র রাজনীতি প্রসঙ্গে একই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বুয়েট তাদের ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে। তিনি বলেন, অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই তো সংগঠন করা নিষিদ্ধ আছে। বুয়েট যদি মনে করে তারা সেটা নিষিদ্ধ করে দিতে পারে। এটা তাদের উপর। কিন্তু একবারে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করে দিতে হবে, এটা তো ‘মিলিটারি ডিক্টেটরদের’ কথা। আসলে পলিটিকস ব্যান, স্টুডেন্ট পলিটিক্স ব্যান তারাই করে গেছে।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হল থেকে মাস্তানদের ধারা হবে

বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাস্তানদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের টাকায় হলে থাকবে আর মাস্তানি করবে তা হতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে থেকে কারা মাস্তানি করছে তা বের করার জন্য নির্দেশ দেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে কোনো দলীয় পরিচয় বিবেচনায় আনা হবে না। তিনি বলেন, দেখা গেছে এক রুম নিয়ে বসে এরা জমিদারি চালায়। শেখ হাসিনা বলেন, প্রত্যেকটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিটি হল, সব জায়গায় সার্চ (তল্লাশি) করা দরকার, কোথায় কী আছে-না আছে, খুঁজে বের করা। এ নির্দেশ দেয়া হবে।

শেখ হাসিনা দেশের স্বার্থ বিক্রি করবে, এটি হতে পারে না : ভারতে এলপি গ্যাস যাবে, প্রাকৃতিক গ্যাস নয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে, এটা হতে পারে না। ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রির চুক্তি নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশ এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) রপ্তানি করবে, প্রাকৃতিক গ্যাস নয়; এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝিরও কোনো অবকাশ নেই। তিনি বলেন, আমরা বিদেশ থেকে যে ‘ক্রুড ওয়েল’ আমদানি করি, সেটা রিফাইনিং করার সময় ‘বাই-প্রোডাক্ট’ উপজাত হিসেবে এলপিজি পাওয়া যায়। ত্রিপুরায় যে গ্যাস দেয়া হবে, তা আমদানি করা এলপিজি, বটল গ্যাস। অন্য পণ্য যেমন আমরা রপ্তানি করি, ঠিক তেমন। যারা এর বিরোধিতায় সোচ্চার, মানে বিএনপি, ২০০১ সালের কথা মনে করিয়ে দিতে চাই। আমেরিকা গ্যাস বিক্রির জন্য বলেছিল, আমি বলেছিলাম দেশের চাহিদা মিটিয়ে আমরা তারপর বিক্রি করব। যে কারণে ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি। আর যারা গ্যাস বিক্রি করে দিচ্ছে বলছে, তারাই গ্যাস দেবে বলে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল।

কেউ পান করার পানি চাইলে, সেটা না দিলে কেমন দেখায়?

ফেনী নদীর পানি বণ্টন চুক্তি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ফেনী নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়িতে। এটা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী একটা নদী। এর ৯৪ কিলোমিটার সীমান্তে, ৪০ কিলোমিটার বাংলাদেশের ভেতরে। সীমান্তবর্তী নদীতে দুই দেশেরই অধিকার থাকে। যে চুক্তিটা হয়েছে, সেটা ত্রিপুরাবাসীর খাবার পানির জন্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামান্য (১ দশমিক ১২ কিউ.সেক) পানি দিচ্ছি, এতে হইচই করার কী আছে? তিনি বলেন, যে চুক্তিটা হয়েছে সেটা তাদের খাবার পানির জন্য। তারা যখন আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে পানি তোলে, সেটার প্রভাব আমাদের দেশেও পড়ে। তাই নদী থেকে সামান্য পানি দিচ্ছি। কেউ যদি পানি পান করতে চায়, আর আমরা না দেই, সেটা কেমন দেখা যায়? তিনি বলেন, ত্রিপুরা আমাদের ঐতিহাসিক বন্ধু। মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরার মানুষ আমাদের আগলে রেখেছে। মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছে। সেই ত্রিপুরায় সামান্য খাবার পানি দেয়ার জন্য আপত্তি থাকতে পারে না। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াতো ভারত সফর থেকে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, ফারাক্কা চুক্তির কথা, গঙ্গার পানি নিয়ে আলোচনার কথা ভুলে গিয়েছিলাম।

দেশের বন্দর বিদেশিদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পোর্ট কেউ একা ব্যবহারের জন্য তৈরি করে না। নেপাল, ভারত, ভুটান আমাদের বন্দর ব্যবহার করতে পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের শুল্ক আয় হবে। সে কারণেই ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর নেপাল ও ভুটানকে ব্যবহারের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা না বাড়ালে উন্নতি হবে কীভাবে। কেউ তো আর একা একা উন্নতি করতে পারে না।

তিস্তার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন নরেন্দ্র মোদি : এনআরসি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই

তিস্তার পানিবণ্টন প্রসঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বস্ত করেছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আলোচনার মাধ্যমে পানি সমস্যার সমাধান করা হবে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আন্তর্জাতিক নদীগুলো খননের পরিকল্পনা নিয়েছি। ভারত তাতে সহায়তা করবে। যৌথ নদীগুলোর সমস্যা সমাধানে আমরা আলোচনা করে যাচ্ছি, কাজ চলছে। তিস্তা ছাড়াও আরও সাতটি নদী নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আসামের এনআরসি নিয়ে অসুবিধা হয়নি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আমি আসামের এনআরসি বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত অসুবিধা হয়নি, আর হওয়ারও কথা নয়। শেখ হাসিনা বলেন, এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।

ক্যাসিনো নিয়ে হাস্যরস, প্রয়োজনে নীতিমালা হবে ক্যাসিনো নিয়ে হাস্যরস করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, অভ্যাস যদি বদভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়, এই বদভ্যাস যাবে না। যারা ক্যাসিনো ও জুয়া খেলে অভ্যস্ত হয়ে গেছে, তাদের কেউ কেউ হয়তো দেশ থেকে ভেগে গেছে। এখানে সেখানে খেলার জায়গা খোঁজাখুঁজি করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা দ্বীপ মতো জায়গা খুঁজে, সেখানে ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। দরকার হলে ভাসান চরে, সেটা বিশাল দ্বীপ। এর একপাশে রোহিঙ্গা আরেক পাশে এই ক্যাসিনোর ব্যবস্থা করে দেবো। সবাই ওখানে চলে যাবে। ১০ লাখ লোকের বসতি দেওয়া যাবে। কারা কারা (ক্যাসিনো) করতে চায়, করতে পারবেন। ক্যাসিনোর জন্য প্রয়োজনে নীতিমালা হবে। লাইসেন্স নিতে হবে, ট্যাক্স দিতে হবে। তারপর ওখানে গিয়ে কারা কারা করবেন করেন, আমার কোনও আপত্তি নাই। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কিছু হেসে উঠলে তিনি বলেন, আমি বাস্তবতাটাই বলছি। পরে প্রধানমন্ত্রী নিজেও হেসে ফেলেন।

জনগণের ভাল-মন্দ দেখার দায়িত্ব আমার; এ নিয়ে প্রশ্ন কেন?

দেশে কোন অপরাধ ঘটলে গ্রেফতার, বহিস্কার এসব নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীকে দিতে হয় কেন? এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি মনে করি এই রাষ্ট্র, এই দেশ আমার। এই দেশের মানুষ আমার মানুষ। তাদের ভালো-মন্দ দেখার দায়িত্ব তো আমারই। শেখ হাসিনা বলেন, আমি তো ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেশ চালাই না। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, এর আগে একজন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, ১২টা পর্যন্ত ঘুমিয়ে রাতে ব্যস্ত হতেন। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেশ রাষ্ট্র চালানো দেখে আপনাদের অভ্যাস খারাপ হয়ে গেছে। শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষকে আপন বলে মনে করে বলেই কখন, কোথায়, কী ঘটছে তা কঠোরভাবে নিজ দায়িত্বে নজরদারি করি। আমি যতক্ষণ পারি, সেই দায়িত্ব পালন করি। এটা নিয়ে এত প্রশ্ন কেন, সেটা আমার বোধগম্য নয়।

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের দায়িত্ব মালিকদের

সাংবাদিকদের জন্য সম্প্রতি সরকার ঘোষিত নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার জন্য সরকার আলাদা আইন করবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সংবাদপত্র মালিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা (মালিক পক্ষ) অনেকে এখানে উপস্থিত আছেন। শেখ হাসিনা বলেন, ওয়েজবোর্ডের ব্যাপারে আমাদের যে দায়িত্ব ছিল সেটা করেছি। এখন সংবাদপত্র মালিকরা না দিলে আমরা কী করব? এটি বাস্তবায়নের ব্যাপারে মালিকদেরই দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এখন এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমি তাকেই দায়িত্ব দিলাম।

এক সপ্তাহের মধ্যে দাম নিয়ন্ত্রণে না আসলে বিষয়টি দেখবে উচ্চ আদালত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া পিয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আপাতত কোন হস্তক্ষেপ করবে না হাইকোর্ট। তবে এক সপ্তাহের মধ্যে দাম নিয়ন্ত্রণে

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা

সৌদি আররে নির্যাতিত নারীশ্রমিক ও তাদের পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণের দাবি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সৌদি আররে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার নারীশ্রমিক ও তাদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত

sangbad ad

সরকারি আইন কর্মকর্তা নিয়োগে স্বাধীন প্রসিকিউশন কেন নয়?

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সরকারি আইন কর্মকর্তা নিয়োগে স্বাধীন প্রসিকিউশন/অ্যাটর্নি সার্ভিস কমিশন

পদ্মা সেতুর ব্যয় তিন দফায় বেড়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা

মাহমুদ আকাশ

image

ঋণের টাকায় নির্মাণ হচ্ছে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ স্বপ্নে পদ্মা সেতু। তবে বিদেশি নয়, স্বয়ং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঋণের টাকায় নির্মাণ

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান স্পিকারের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। ১৬ নভেম্বর শনিবার

মুজিববর্ষে ঘরে ঘরে জ্বলবে বিদ্যুতের আলো : প্রধানমন্ত্রী

বাসস

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, তার সরকার ২০২১ সাল নাগাদ সব উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে

দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৭ কোটি টাকা : সংসদে অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, গত জুন পর্যন্ত দেশে ঋেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৭ কোটি টাকা। এসব ঋণের মধ্যে

মানুষের কল্যাণে প্রয়োজনে বাবার মত জীবনটাও দিয়ে যাবো

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মানুষের জন্য জীবন দিয়ে গেছেন।

sangbad ad