• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯

 

ঈদে ঘরমুখো মানুষের পাকা সড়ক-মহাসড়কের বেহাল অবস্থা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০৭ আগস্ট ২০১৯

সংবাদ :
  • মাহমুদ আকাশ
image

শরীয়তপুরের একটি পাকা সড়কের অবস্থা-সংবাদ

ঈদুল আজহার আর মাত্র ৪ দিন বাকি। বৃষ্টি ও বন্যায় সারাদেশের সড়ক-মহাসড়কের বেহাল অবস্থা। তাই এবার সড়ক পথে ঈদযাত্রায় শঙ্কায় ঘরমুখো মানুষ। সারাদেশের প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার সড়ক-মহাসড়ক খারাপ অবস্থা। এর মধ্যে চলতি বর্ষায় বৃষ্টি ও বন্যায় দেশের ২৫ জেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের ২ হাজার ৭৪টি গ্রামীণ সড়কে ৪ হাজার ৭৮ কিলোমিটার রাস্তা ও ৭৬৬টি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সড়কে খানা-খন্দে ভরা, ছোট-বড় গর্ত, বিটমিন উঠে গিয়ে বিভিন্ন মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতু মেরামতের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া বন্যায় দেশের ১৮ জেলায় সড়ক ও জনপদ অধিদফতরের প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঈদের আগেই সড়কগুলো মেরামত করে যান চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। কিন্তু এখনও বিভিন্ন জেলায় সড়ক মেরামতের কাজ শেষ হয়নি বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।

স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্র জানায়, বন্যায় গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সারাদেশে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এবার বন্যায় দেশের ২৫ জেলায় ২ হাজার ৭৪টি গ্রামীণ অবকাঠামোর রাস্তার ৪ হাজার ৭৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ব্রিজ ও কালভার্ট ৭৬৬টি। যা ১১ হাজার ১৮০ কিলোমিটার। এসব গ্রামীণ অবকাঠামোর রাস্তার ২ হাজার ৭৮ কোটি টাকা ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ২৫ জেলার ৫০টি উপজেলায় ৬০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব চেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে জামালপুর জেলা। এ জেলায় স্থানীয় সরকার বিভাগের ৫৬২টি সড়ক এবং ২৪৩টি ব্রিজ বন্যায় ভেঙে গেছে। আর চট্টগ্রাম জেলায় ৩৮৮টি সড়ক এবং ৭৪টি ব্রিজ এবং সুনামগঞ্জ জেলার ২৭৫টি সড়ক এবং ৯৬টি ব্রিজ বন্যায় পানিতে ভেঙে গেছে। কুড়িগ্রাম জেলায় নয়টি উপজেলার ৬০টি সড়ক এবং ৪০টি ব্রিজ। গাইবান্ধা জেলার ১৬১টি সড়ক ২২টি ব্রিজ, লালমনিরহাট জেলার ৪১টি সড়ক এবং ২৬টি ব্রিজ। রংপুর জেলার ১২টি সড়ক এবং ১০টি ব্রিজ, সিরাজগঞ্জ জেলার ৭২টি সড়ক এবং ১১টি ব্রিজ। বগুড়া জেলার ৬৬টি সড়ক এবং ৮টি ব্রিজ। মৌলভীবাজার জেলার ২৭টি সড়ক এবং ১৫টি ব্রিজ। হবিগঞ্জ জেলার ৫৩টি গ্রামীণ সড়ক এবং ২৯টি ব্রিজ। টাঙ্গাইল জেলার ৯৭টি গ্রামীণ সড়ক এবং ৪৭টি ব্রিজ। খাগড়াছড়ি জেলার ২২টি সড়ক এবং ১৩টি ব্রিজ। বান্দরবান জেলায় ২৯টি সড়ক এবং ১১টি ব্রিজ। রাঙ্গামাটি জেলায় ১৫টি সড়ক এবং ১৮টি ব্রিজ। কক্সবাজার জেলায় ৪৯টি সড়ক এবং ২৩টি ব্রিজ। ময়মনসিংহ জেলায় ৪৫টি সড়ক এবং ৬২টি সেতু। নেত্রকোনা জেলায় ৩৮টি সড়ক এবং ১৯টি সেতু। শরীয়তপুর জেলায় ৪৯টি সড়ক এবং ১৯টি সেতু। মাদারীপুর জেলায় ৮টি সড়ক। রাজবাড়ী জেলায় ১৫টি সড়ক এবং ১টি সেতু। এছাড়া শেরপুর, ফরিদপুর, সিলেট এবং গোপালগঞ্জ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়ক ও সেতু তথ্য এখনও মন্ত্রণালয়ে আসেনি।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)’র প্রধান প্রকৌশলী মো. খলিলুর রহমান সংবাদকে বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেরামত ও সংস্কার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত মেরামতের জন্য জেলা পর্যায়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন মেরামতের কাজ চলছে। আশা করছি ঈদের আগে যতটুকু সম্ভব যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে।

সওজ’র সূত্র জানায়, এবার বন্যায় ১৮টি জেলার ৪৫০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও জামালপুরে অনেক আঞ্চলিক মহাসড়ক ও জেলা সড়ক পানিতে ভেসে গেছে। পার্বত্য জেলা বান্দরবানে জাতীয় মহাসড়কও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্ষা শুরুর আগে সরকারি হিসাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কের ৪ হাজার ২৪৭ কিলোমিটার খারাপ ছিল। এরপর বর্ষা ও বন্যায় তলিয়েছে অনেক সড়ক।

এ বিষয়ে সওজ’র রংপুর জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান সংবাদকে বলেন, এবার বন্যায় রংপুর জোনে কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় সবচেয়ে বেশি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কুড়িগ্রামে ৮০ কিলোমিটার এবং গাইবান্ধায় ৫০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে সড়কগুলো যান চলাচলের জন্য স্বল্প মেয়াদে মেরাতম করা হয়েছে। তবে সড়কগুলো দীর্ঘ মেয়াদি মেরামতের ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, সারাদেশের সওজের অধীনে ২১ হাজার ৫৭৬ কিলোমিটার সড়ক ও মহাসড়ক রয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮২৬ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক, ৪ হাজার ৪৭০ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক ও ১৩ হাজার ২৭৮ কিলোমিটার জেলা সড়ক এই তিন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিবছর সওজ হাইওয়ে ডেভেলপমেন্ট মডিউল (এইচডিএম) পদ্ধতিতে সড়কের অবস্থা সমীক্ষা করে থাকে। সর্বশেষ গত নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৪৫২ কিলোমিটার সড়কের সমীক্ষা চালানো হয়েছে। প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় গত মে মাসে। সমীক্ষা প্রতিবেদনে ভালো, চলনসই, দুর্বল, খারাপ ও খুব খারাপ এই পাঁচ শ্রেণীতে সড়ক-মহাসড়ক ভাগ করা হয়। এইচডিএমের প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়, দেশের ২২ শতাংশ জাতীয় মহাসড়ক দুর্বল, খারাপ ও খুবই খারাপ অবস্থায় আছে। অন্যদিকে আঞ্চলিক মহাসড়কের ২৩ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং ২৫ দশমিক ৬০ শতাংশ জেলা সড়ক খারাপ। তিন শ্রেণীর সড়ক এক করে হিসাব করলে দেখা যায়, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ২৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ খারাপ বা বেহাল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলা ও আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। এর মধ্যে দুর্ভোগ যেন পিছু ছাড়ছে না শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক সড়কে। নারায়ণপুর থেকে নরসিংহপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়ক চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী দীর্ঘদিন থেকে। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে পশুবাহী আর পণ্যবাহী যানবাহন চালকরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। কবে নাগাদ এ সমস্যার সমাধান হবে সঠিকভাবে বলতে পারছে না সওজ কর্মকর্তারাও। প্রতিদিনই নারায়ণপুর থেকে নরসিংহপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত বেহাল সড়কে চলতে গিয়ে বিকল হচ্ছে যানবাহন। সড়কের বিভিন্ন অংশে খানাখন্দে আটকে থাকছে দিনের পর দিন। সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষায় থাকছে শত শত যানবাহন। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে কোরবানির পশুবাহী যানবাহন। ভোমরা বন্দর থেকে পিয়াজ নিয়ে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন সাব্বির হোসেন। তিনি বলেন, কাঁঠালবাড়ী বা দৌলদিয়া ঘুরে গেলে ২ থেকে ৩শ কিলোমিটার পথ বেশি পাড়ি দিতে হয়। ওই পথে যানজট আর চাঁদাবাজি বেশি। তাই এই সড়ক দিয়েই যাতায়াত করি। কিন্তু নারায়ণপুর থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত এখন আর গাড়ি নিয়ে যেতে সাহস পাই না। একবার ফেসে গেলে দুই তিন দিন বসে থাকতে হয়। গাড়ি ওঠাতে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা লাগে।

এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার পর তা চালু হয়েছে দুই বছর আগে। এখনই এই মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান উঁচু-নিচু হয়ে গেছে। আছে ফাটলও। এখন মেরামতের জন্য প্রায় ৮০০ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যশোর অংশ ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। একই অবস্থা ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া পর্যন্ত অংশ। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের আবদুল্লাহপুর থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল। মহাসড়কের এই অংশে বাসের বিশেষ লেন (বিআরটি) নির্মাণের প্রকল্প চলমান। এর অধীনে সড়কের দুই পাশেই নালা নির্মাণ চলছে। ফলে মহাসড়কের এক-তৃতীয়াংশই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে আছে। বৃষ্টি হলেই টঙ্গী স্টেশন রোড, সাইনবোর্ড, চান্দনা চৌরাস্তা, বাসন ও ভোগড়া এলাকায় পানি জমে যাচ্ছে। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যশোর অংশের ৩৮ কিলোমিটার এবং যশোর-বেনাপোল অংশের ৩৮ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দের। দীর্ঘদিন থেকে সড়কটিতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যশোর-খুলনা মহাসড়কের যশোরের চাঁচড়া থেকে অভয়নগর উপজেলার রাজঘাট পর্যন্ত ৩৪ কিলোমিটার সড়কটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেটের ১২টি স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের সৈয়দপুর, আউশকান্দি, রুস্তমপুর, সদরঘাট, দেবপাড়া, পানিউমদা, বড়চর এবং বাহুবলের আবদানাড়াউল ও মিরপুর উল্লেখযোগ্য। সিলেটের লালাবাজার ও বাহাপুর এবং মৌলভীবাজারের শেরপুরের অবস্থাও ভালো নয়। এছাড়া ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার সড়ক খারাপ অবস্থায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তকর্তা জানায়।

অনিয়মের অভিযোগ তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে সাময়িক অব্যাহতিদান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টের তিন বিচারপতিকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তাদের অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছেন সুপ্রিম কোর্ট। আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতির নেতৃত্বে চলছে এই তদন্ত। কোন ধরনের দুর্নীতি

আমার গাংচিল যেন ডানা মেলে উড়তে পারে যত্ন নেবেন সবাই-প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তৃতীয় বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ‘গাংচিল’র উদ্বোধন করেছেন। বাসস। প্রধানমন্ত্রী

১৫ যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধ মামলায় ময়মনসিংহের ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক

sangbad ad

অর্থনৈতিক বিকাশের প্রধান অন্তরায় দুর্নীতি : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বিকাশের প্রধান অন্তরায় হচ্ছে দুর্নীতি

বঙ্গবন্ধু জনগণের মুক্তির প্রশ্নে আপসহীন থেকে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত না করে অসীম সাহসিতার

ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের পরিচালককে হাইকোর্টে তলব

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভোক্তাদের জরুরি সেবায় হটলাইন চালু করতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রস্তাবের বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ

বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ কোনদিন শোধ হবে না শোধ করা যাবেও না

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

‘বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ কোনদিন শোধ হবে না। শোধ করা যাবেও না। কারণ জাতির পিতা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়।

মিল্কভিটার দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠের নীতি প্রণয়নের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুধের গুণগত মান নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় জনশক্তি নিয়োগের মাধ্যমে মিল্কভিটার সুনাম অক্ষুন্ন রাখার

উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু গ্রাহকের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে এবং উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-

sangbad ad