• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮

 

বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী

আমার প্রতিটি বাজেটই নির্বাচনী বাজেট

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৯ জুন ২০১৮

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করা যাবে, কর না বাড়ানোর কথা রাখতে পেরেছি, সঞ্চয়পত্রের সুদের হার পরের মাসেই সমন্বয় করা হবে, অনলাইন কেনা-কাটার কোন ভ্যাট দিতে হবে না

আগামী (২০১৮-১৯) অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, আমার প্রতিটি বাজেটই নির্বাচনী বাজেট। কিন্তু এটি গরিব মারার বাজেট না। তেলা মাথায় তেল দেয়ার বাজেট না। প্রস্তাবিত বাজেটে যে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জন করা যাবে, বাজেট বাস্তবায়ন করা যাবে। কারণ আমাদের সক্ষমতা বেড়েছে। পাশাপাশি যে সম্পদ আহরণ করি তা সম্পূর্ণ রূপে ব্যবহার করতে পারি। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা যা নির্ধারণ করেছি, তা বাস্তবায়নযোগ্য। আগেই বলে ছিলাম এবার বাজেটে কর বাড়ানো হবে না। সে কথা রাখতে পেরেছি। রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ও সহায়তার জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাজেটের পরের মাসেই সমন্বয় করাসহ অনলাইন কেনাকাটায় কোন ভ্যাট দিতে হবে না বলে জানান তিনি।

শুক্রবার (৮ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আগামী অর্থবছরের (২০১৮-১৯) প্রস্তাবিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আজম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শামসুল আলম প্রমুুখ। বরাবরের মতো এবারও বাজেট প্রস্তাব পেশের পরদিন এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আমি একটি দলের সদস্য ও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। সে হিসেবে আমার বাজেট নির্বাচনী বাজেটই হবে। আমি এমন বাজেট দিই যেটা মানুষ পছন্দ করবে। তবে বাজেটে নির্বাচনী হাওয়া যত কম লাগবে বাজেট বাস্তবায়ন তত ভালো হবে। বাজেট বাস্তবায়নে নির্বাচনের কোন প্রভাব পড়বে না। নির্বাচনী বছরে বাজেট বাস্তবায়নে কোন সমস্যা হবে না। আমাদের যে রিসোর্স আছে, তার মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, তা অর্জন করা সম্ভব। খুব বেশি সমস্যা হবে না। বিদেশ থেকে আমরা যে ঋণ নেই, তার যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে। আমরা বৈদেশিক ঋণ ঝুঁকিতে নেই। যেসব সেক্টরে এই ঋণের অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে, তা থেকে রিটার্ন আসবে। ফলে এটি প্রবৃদ্ধিতে যুক্ত হবে। দেশে কোন অভাব নেই। গ্রামের মানুষ সুখ-শান্তিতে বসবাস করছে। আরামে দিন পার করছে। কেউ কষ্টে নেই। দেশে দারিদ্র্যের হার কমেছে। বৈষম্য মোটেও বাড়ছে না। গত কয়েক বছরে দেশে গুণগত মানের অনেক পরিবর্তনসহ মঙ্গা দেশ থেকে উধাও হয়েছে বলে জানান তিনি। এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, যারা নির্বোধ ও যাদের দেশপ্রেম নেই, তারাই বলে ভুয়া বাজেট। ভুয়া বাজেট বলে কিছু নেই। বাজেট যখন দেই, সেটা ভেবেই দেই। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা যা নির্ধারণ করেছি তা বাস্তবায়নযোগ্য বলে মনে করি।

মুহিত বলেন, সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাজেটের পরের মাসেই সমন্বয় করা হবে। সাধারণত দুই তিন বছর পরপরই আমরা সুদহার সমন্বয় করি। কিন্তু এবার একটু দেরি হয়েছে। তাই এবার বাজেটের পরই এটা সমন্বয় করব। এর আগে তিনি বলেছিলেন, বাজেটের পর সঞ্চয়পত্রে সুদের হার কমানো হবে। তিনি বলেন, সঞ্চয়পত্রের সুদহারের ক্ষেত্রে আমরা বাজার রেট থেকে ১ বা দেড় শতাংশ বেশি রাখতে চেষ্টা করি। কিন্তু এখন এটা অনেক বেশি হয়ে গেছে। সুতরাং অবশ্যই বাজেটের পর এটা কমানো হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন দারিদ্র্যের হার ২০ শতাংশ। আপনাদের যখন জন্ম হয়েছে কিংবা জন্মের আগে, দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ৭০ শতাংশ। বোঝেন, কোথায় ছিল বাংলাদেশ এবং এখন কোথায় এসেছে? এই কিছুদিন আগে দেশে ৩০ শতাংশ মানুষ ছিল গরিব। ৭ বছর আগে সাড়ে ৩০ শতাংশ দরিদ্র ছিল, আজ ২২ দশমিক ৪ শতাংশ। যারা চূড়ান্ত গরিব, তাদের সংখ্যা ছিল ১৮ শতাংশ। এখন ১১ শতাংশ। সেটা আপনাদের চোখে পড়ে না? তিনি বলেন, দেশে আয় বৈষম্য মোটেও বাড়েনি। যারা পরিবর্তনে বিশ্বাস করে না, তারাই এ ধরনের প্রশ্ন করেন। কোন মুখে আপনারা বলেন, এই দেশে গরিব মারার বাজেট হচ্ছে, ধনীকে তেল দেয়ার বাজেট হচ্ছে? বলেননি, কিন্তু বোঝাতে চাচ্ছেন দেশের উন্নয়ন কিছুই হয়নি।

তিনি বলেন, আপনারা বাজেট দেখেননি। আপনারা কোনভাবেই এই বাজেটের সমালোচনা করতে আসেননি এখানে। আপনাদের কিছু গৎবাঁধা প্রশ্ন আছে। সেই প্রশ্ন করতেই আপনারা এখানে এসেছেন। এক সময় আমরা তলাবিহীন ঝুড়ি ছিলাম, এখন মধ্য আয়ের দেশে যাচ্ছি। একটু আগে যেজন্য ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম, কারণ আমার কাছে এসব প্রশ্ন অমূলক ও বাস্তবতা বিবর্জিত মনে হয়েছে। পরে তিনি সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। প্রবাসীদের নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের জন্য সবকিছু করব। তারা আমাদের দেশের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছেন। এ জন্য যে দেশেই ১২ হাজার বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছে তাদের সহায়তার জন্য সে দেশেই শ্রম অফিস খোলা হবে।

মুহিত বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বর্তমান সরকারের সময়ের মতো সুযোগ-সুবিধা আগে কখনো পাননি। যারা ৪০ হাজার টাকা বেতন পেতেন তারা এখন পাচ্ছেন ৭৮ থেকে ৮০ হাজার টাকা। তাছাড়া পেনশনের অবস্থা ভালো ও ইনক্রিমেন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমার মনে হয় না, সরকারি কর্মকর্তাদের এমন কেউ আছেন যারা আরও সুযোগ-সুবিধা চান।

রোহিঙ্গা নিয়ে আবদুল মুহিত বলেছেন, রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ও সহায়তার জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে পুরো টাকা খরচ করতে হবে না। সামান্য কিছু টাকা ব্যয় হবে। রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় করা অর্থ এ পর্যন্ত বিদেশি অনুদান থেকে পাওয়া গেছে। এটি আগামী বছরও পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। এছাড়া রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় করা অর্থের সংস্থান করতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সঙ্গে কথা হচ্ছে। সেখান থেকেও অর্থ পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার এগিয়ে আছে। গত বছর সরকার দেশে ১৩ লাখ লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। আমরা ১০ লাখ লোককে বিদেশে পাঠিয়েছি। এছাড়া ‘যারা একসময় গৃহে কাজ করতেন, যাদের কাজের জন্য কোনও পারিশ্রমিক দেয়া হতো না, এমন প্রায় ১৩ লাখ মানুষকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনা হয়েছে। যে পরিমাণ জনগোষ্ঠী কর্মজীবনে আছেন, তার চেয়ে বেশি জনগোষ্ঠীকে আমরা কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে পেরেছি, এটি আমাদের বড় অর্জন। বাংলাদেশের অগ্রগতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন তুলে ধরে বলেন, এক সময় যে পাশ্চাত্য আমাদের ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ ও ‘হতাশার ঝুড়ি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল, আমাদের অগ্রগতি দেখে তারাই এখন প্রশংসা করছে। জাতিসংঘের মহাসচিব ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ আখ্যা দিয়েছেন। এক সময় আমাদের ‘বিশ্বভিক্ষুক’ হিসেবে দেখতেন। এমন একটা পরিস্থিতির মধ্যে আমরা ছিলাম। ওই পরিস্থিতির মধ্যে এখন আমরা নেই। এক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রীর (আবুল মাল আবদুল মুহিত) বিশেষ অবদান রয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, সরকার ঋণ নিয়ে ঘি খাচ্ছে না, মেগা প্রকল্পে ব্যয় করছে। ঋণের টাকায় দেশের উন্নয়ন হচ্ছে, রপ্তানি বাড়ছে। আমরা ঋণ নিয়েছি কিন্তু পরিশোধ করতে পারিনি এমনটা কখনোই হয়নি। আমরা ঋণের টাকা পরিপূর্ণভাবে মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছি। এতে দেশে বিদ্যুতের জোগান বাড়ছে, দেশে রপ্তানি বাড়ছে, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেটে ধনী-গরিবের মধ্যে বৈষম্য বাড়েনি। যারা বেশি আয় করেন তারা বেশি কর দেবেন, যারা আয় কম করেন তারা কম কর দেবেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুইয়া বলেন, অনলাইন কেনাকাটায় ৫ শতাংশ কর নেয়া হবে না। ফেসবুক, গুগলসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আয়ের ওপর কর আরোপ করা হয়েছে। তবে অনলাইনে কেনাকাটার জন্য জনগণকে কোন কর দিতে হবে না। কিন্তু অনলাইন বিজনেসকে আমরা আলাদা রেখেছি। এটার ওপর আমরা ভ্যাট রাখিনি। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় অনলাইন কেনাকাটায় ৫ শতাংশ কর আরোপ করা হয়েছে। বিষয়টি ভুলে ছাপা হতে পারে। প্রস্তাবিত বাজেটে এনবিআর’র দায়িত্ব ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করা উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমরা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হবে। জনগণের ট্যাক্স দেয়ার সক্ষমতা বেড়েছে। এখন গ্রামের মানুষ ট্যাক্স দিচ্ছেন। আমরা কাজ করছি, ভ্যাটের আওতা বাড়াচ্ছি। পর্যায়ক্রমে সবাইকে ভ্যাটের আওতায় আনা হবে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আজম বলেন, বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১৯৮ মার্কিন ডলার। এই মুহূর্তে ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণ জমা আছে। প্রতিবছর ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হয়, যা মোটেও ঝুঁকিপূর্ণ নয়। এ বছর ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ ছাড় হবে। ১ বিলিয়ন ডিসভার্স করার পরেও আমাদের হাতে ৫ বিলিয়ন ডলার জমা থাকবে। প্রতিবছর আমাদের ২ হাজার কোটি টাকা সুদ দিতে হয়, যা খুবই নমিনাল।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ সেøাগানে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ, মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই ব্যয় বিদায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ২৫ এবং মূল বাজেটের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেশি। এবার প্রস্তাবিত মূল বাজেটের যে আকার ধরা হয়েছে তা বাংলাদেশের মোট জিডিপির ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ। গত বছর প্রস্তাবিত বাজেট ছিল জিডিপিরি ১৮ শতাংশ। প্রায় পৌনে পাঁচ লাখ কোটি টাকার এই বাজেটের মধ্যে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা; যার ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা যাবে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি)। আর অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। বাজেটে ঘাটতি ধরা হচ্ছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।

দায়িত্ব বুঝে নিলেন নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব বুঝে নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজিজ আহমেদ। সোমবার

বাংলাদেশ নৌপ্রধানের সঙ্গে ভারতীয় নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয়

স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

টেকসই উন্নয়ন অর্জনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের বাজেটে নিরাপদ পানি,

sangbad ad

বিজ্ঞানের উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে সরকার-স্থপতি ইয়াফেস ওসমান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন প্রধানের বৈঠক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে : সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, কোচিং বন্ধে ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য

পদ্মা সেতুর ব্যয় বাড়ল আরও ১৪শ’ কোটি টাকা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

তৃতীয় দফায় বাড়ানো হলো দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতুর ব্যয়। এ দফায় বাড়ল এক

ছয় বছরেও শিক্ষা আইন চূড়ান্ত হয়নি

রাকিব উদ্দিন

image

দীর্ঘ ছয় বছরেও শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গোঁজামিল দিয়ে গত বছর

নির্বাচনকালীন সরকার অক্টোবরে গঠিত হতে পারে : সেতুমন্ত্রী

image

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন সরকার চলতি বছরের অক্টোবরেই গঠিত হতে পারে। নির্বাচনকালীন

sangbad ad