• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০

 

আবাসিকে আবার গ্যাস সংযোগ চালুর বিষয়ে ধোঁয়াশা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

সংবাদ :
  • ফয়েজ আহমেদ তুষার
image

প্রতীকী ছবি

আবাসিক খাতে গ্যাস সংযোগ চালু করার আশার আলো দেখিয়ে আবার পিছু হটছে সরকার। তবে বিকল্প জ্বালানি এলপি গ্যাসের খুচরা বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। বন্ধ হয়নি অবৈধ সংযোগ। ফায়দা লুটছে এলপি গ্যাস ব্যাবসায়ীদের সিন্ডিকেট। বৈধ গ্যাস সংযোগের অপেক্ষায় থাকা নাগরিকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। এদিকে আবাসিক খাতে গ্যাস সংযোগ চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিবের দুই ধরনের বক্তব্যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ আবার চালুর বিষয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আনিছুর রহমানের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর দফতরে ফাইল জমা আছে। তার চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই বিতরণ কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে বাসা-বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেয়া শুরু হবে। তবে এবার প্রিপেইড সংযোগ দেয়া হবে। কয়েকদিন পর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর বরাত দিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, আবাসিকে গ্যাস সংযোগ প্রদান করবে না সরকার। এ নিয়ে সরকার আগের অবস্থানেই আছে। গ্যাস সংকটের কথা বলে ২০০৯ সালে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে এবং ২০১০ সালে আবাসিকে (বাসায় রান্নায়) নতুন সংযোগ বন্ধ করে দেয় সরকার। দশম সংসদ নির্বাচনের কিছুদিন আগে ২০১৩ সালের মে মাসে আবাসিক খাতে নতুন সংযোগ দেয়া চালু হয়। ওই সময় সিটি নির্বাচন সামনে রেখে রাজশাহীতেও বেশকিছু আবাসিক সংযোগ দেয়া হয়। তবে ভোটের তা বন্ধ হয়ে যায়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালের এপ্রিলে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ চালু করার ইঙ্গিত দেয়া হয়। কিছু লোক সেই সুযোগ কাজে লাগালেও বঞ্চিত হন অধিকাংশ সংযোগ প্রত্যাশী।

নয় বছরের বেশি (টানা সাড়ে ৬ বছর) সময় গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় রাজধানীসহ আশপাশের জেলাগুলোতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেয়ার মহোৎসব চলে; যা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। গ্যাস বিতরণ কোম্পানি অভিযান চালিয়ে মাঝে-মধ্যে লাইন কাটলেও কয়েকদিনের মধ্যেই অবৈধ সংযোগ আবার চালু হয়ে যায়। অথচ বৈধ গ্যাস সংযোগের অভাবে ফ্ল্যাট বিক্রিতে ধস নামায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আবাসন খাত। পরিস্থিতি দেখে নতুন বাড়ি করে বৈধ সংযোগের জন্য অপেক্ষমান অসংখ্য বাড়িওয়ালা ও ফ্ল্যাট মালিকদের হতাশাও দিন দিন বাড়ছে।

জনমনে প্রশ্ন- নির্বাচনের আগে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ চালু করার ইঙ্গিত কতটুকু জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট। এলপি গ্যাস জনপ্রিয় করানোর সরকারি প্রচেষ্টাই বা কার স্বার্থে। কারণ এলপি গ্যাসের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনস্বার্থ রক্ষার সরকারি উদ্যোগ শুধু কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ।

পাইপলাইনের মাধ্যমে আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দেয়ার কারণ হিসেবে গত এক দশক যাবৎ জ্বালানি বিভাগ সংশ্লিষ্ট একটি অংশ বলছে, বিশ্বের কোন দেশে পাইপলাইনে আবাসিক গ্যাস সংযোগ দেয়া হয় না। বাংলাদেশে বাসায় রান্নার কাজে পাইপলাইনে গ্যাস দিয়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের অপচয় হচ্ছে।

অথচ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গঠিত এক কমিটির ২০১৮ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত, সিঙ্গাপুর, জাপানে আবাসিক খাতে বাসা-বাড়িতে রান্নায় পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহ চলমান আছে এবং এর আওতা আরও বাড়ানো হচ্ছে। জাপান ও সিঙ্গাপুরে নাগরিক সেবায় পাইপলাইনে গ্যাসের পাশপাশি এলপিজি ও বিদ্যুৎ দিয়ে রান্নার সুযোগও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

জ্বালানি খাতের একাধিক বিশ্লেষকের মতে, দেশে এলপিজির (তরল পেট্রলিয়াম গ্যাস) একচেটিয়া বাজার সৃষ্টি করতে, জ্বালানি বিভাগের সুবিধাভোগী একটি অংশের অপতৎপরতায় পাইপলাইনের গ্যাস বন্ধ করা হয়েছে। আবাসিকে শুধু এলপিজি চালু করা জনগণকে জিম্মি করার শামিল বলেও মনে করেন তারা। এলপিজির বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার। সরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ে তিন-চারশ’ টাকা বেশি দামে বেসরকারি কোম্পানির বোতল বিক্রি হয়েছে। বোতলের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লেখার সরকারি নির্দেশও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ওজনে কম দেয়া এবং টুইনিং (বোতলে পানি-হাওয়া ইত্যাদি ভরা) করার বিষয়টি মনিটরিং হচ্ছে না। প্রান্তিকে ঠকছেন গ্রাহকরা, লাভবান হচ্ছে উৎপাদক ও মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা।

বিশ্লেষকদের মতে, বাসা-বাড়িতে রান্নায় পাইপলাইন গ্যাস, এলপিজি এবং বিদ্যুৎ সব সুযোগই থাকা উচিত; যাতে মূল্য ও সুবিধাভেদে গ্রাহক তার পছন্দসই জ্বালানি বেছে নিতে পারেন। পাইপলাইনে প্রি-পেইড মিটার দেয়াটা জরুরি উল্লেখ করে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রি-পেইড মিটার হলে একজন গ্রাহক যতটুকু গ্যাস ব্যবহার করবেন, ততটুকু গ্যাসেরই বিল দেবেন। এতে সবার স্বার্থ রক্ষা হবে।

রাজধানীসহ আশপাশে কয়েকটি জেলার সংসদ সদস্যরাও নিজ নিজ এলাকায় আবাসিক খাতে গ্যাস সংযোগ প্রত্যাশী। এসব এলাকায় অনেকের বাসায় বৈধ এবং অনেকের অবৈধ সংযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গ্যাস সংযোগ এনে দেয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা, যা বাস্তবে রূপ পায়নি।

জ্বালানি খাতে বিশ্লেষকরা বলছেন, আবাসিক খাতে পাইপলাইনে গ্যাস ব্যবহারকারীরা গড়ে যে পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করেন, তার বাণিজ্যিক মূল্য প্রদেয় বিলের চেয়ে কম। মাসিক বিল নিয়ে বিতরণ কোম্পানিগুলো লাভবান হচ্ছে, ঠকছেন গ্রাহক। যেসব এলাকায় বিতরণ লাইন আছে, সেখানে সবাইকে প্রি-পেইড মিটার দিয়ে গ্যাস সংযোগ দেয়া যেতে পারে। এতে সরকার ন্যায্য মূল্য পাবে। গ্রাহক স্বার্থও রক্ষা হবে।

জাতীয় স্বার্র্থে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রি করা হয় ৪ টাকা ৪৫ পয়সা দরে। জনস্বার্থে আবাসিক খাতের গ্রাহকদের কাছে একই পরিমাণ (প্রতি ঘনমিটার) গ্যাস বিক্রি করা হয় ১২ টাকা ৬০ পয়সা দরে।

বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেশি গ্যাস সরবরাহ করে আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ কমানোর যুক্তি দেয়া হয়। আবার বিদ্যুতের চাহিদা না থাকায় অলস বসিয়ে রেখে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে কোটি কোটি টাকা ভাড়া দেয়া হয়। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত জাতীয় স্বার্থে বিবেচনায় আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।

সারাদেশে রাষ্ট্রীয় ৬টি কোম্পানি গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত। এগুলো হলো- তিতাস, কর্ণফুলী, পশ্চিমাঞ্চল, জালালাবাদ, বাখরাবাদ ও সুন্দরবন। সারাদেশে বৈধ আবাসিক গ্রাহক রয়েছেন ৩৮ লাখ। সবচেয়ে বড় বিতরণ কোম্পানি তিতাসের আবাসিক গ্রাহক ২৮ লাখ ৪৬ হাজার (মোট গ্রাহজ ২৮ লাখ ৬৫ হাজার); এরমধ্যে প্রিপেইড গ্রাহক প্রায় দেড় লাখ। রাজধানীসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় গ্যাস বিতরণ করে তিতাস।

আবাসিক খাতে গ্যাস সংযোগ বন্ধ করার সময় দেশে গ্যাসের গড় উৎপাদন ছিল ১৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফ)। দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের গড় উৎপাদন প্রায় আড়াই হাজার এমএমসিএফ। তবে চাহিদার তুলনায় ঘাটতি রয়ে গেছে। গ্যাসের বিকল্প হিসেবে আমদানিকৃত এলএনজি (তরলাকৃতি প্রাকৃতিক গ্যাস) আসছে দৈনিক সাড়ে ৫শ’ এমএমসিএফ। দৈনিক উৎপাদিত ও আমদানিকৃত মোট গ্যাসের এক হাজার ২শ’ এমএমসিএফ বিদ্যুৎ উৎপাদনে, প্রায় ৫শ’ এমএমসিএফ আবাসিক খাতে, ১৩০ এমএমসিএফ সার কারখানায়, শিল্প কারখানা, বাণিজ্যিক খাত, চা বাগানসহ অন্য খাতে অবশিষ্ট গ্যাস বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, সক্ষমতা অনুযায়ী গ্যাস উৎপাদনে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো বিদেশি কোম্পানিগুলোর চেয়ে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় ৩টি কোম্পানি ১৮টি গ্যাস ক্ষেত্র থেকে ৭০টি কূপের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে পৌনে ৯শ’ এমএমসিএফ গ্যাস উৎপাদন করে; সক্ষমতা এক হাজার ১৪৫ এমএমসিএফ। অপরদিকে বহুজাতিক কোম্পানি শেভরন একাই তিনটি গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৩৮টি কূপের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে এক হাজার ৫৪০ এমএমসিএফ গ্যাস উৎপাদন করে; সক্ষমতা এক হাজার পাঁচশ ১২ এমএমসিএফ। বিদেশি অপর কোম্পানি তাল্লো একটি গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৫টি কূপের মাধ্যমে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন করে গড়ে একশ’ এমএমসিএফ; সক্ষমতা একশ তিন এমএমসিএফ।

বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী কাল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৯০তম

সিলেট-লন্ডন রুটে বিমান চলাচল শুরু সোমবার থেকে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সিলেট-লন্ডন রুটে বিমান চলাচল শুরু হচ্ছে সোমবার থেকে। ওইদিন বিমানের একটি ফ্লাইট সিলেটে যাত্রী নামিয়ে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাবে।

কয়লা চুনাপাথর রপ্তানির আশ্বাস দিয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠন

বিশেষ প্রতিনিধি

image

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ৫ মাস বন্ধ থাকার পর সিলেটের তামাবিল সীমান্ত দিয়ে আবারও কয়লা, পাথর ও চুনাপাথর রপ্তানির আশ্বাস দিয়েছেন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ব্যবসায়ীরা

sangbad ad

সাবেক মেজর সিনহা হত্যাকান্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

কক্সবাজার, প্রতিনিধি

image

সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর সিনহার মৃত্যুর পর ৩ জনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তৎকালীন বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি লিয়াকত আলী। এরমধ্যে ওসি ও এসপিও রয়েছে।

কক্সবাজারে মেজর সিনহা খুনের ৭ আসামীর রিমান্ড প্রক্রিয়া শুরু করেছে র‌্যাব

জসিম সিদ্দিকী, কক্সবাজার

image

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামী ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৩ আসামিকে ৭ দিন এবং ৪ আসামীকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাদের প্রক্রিয়া শুরু করেছে র‌্যাব-১৫।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের শিকড় মাটির অনেক গভীরে: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একটি অশুভ চক্র নানা ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে গুজব রটনা ও অপপ্রচারে লিপ্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের শেকড় এ দেশের মাটির অনেক গভীরে।

১৫৩ দিনে করোনা শনাক্তে ইতালিকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৮৫১জন, ১৫৩ দিনে মোট শনাক্ত হয়েছেন দুই লাখ ৫২ হাজার ৫০২ জন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

সিলেটে ট্রাকের ধাক্কায় একজনের মৃত্যু

প্রতিনিধি, সিলেট

image

সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে রাফি আহমদ (১৮) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। সে হাওয়াপাড়া এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে

সিলেটে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত আরো ১১২ জন

প্রতিনিধি, সিলেট

image

সিলেট বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ১১২ জন। আর নতুন করে সুস্থ হয়েছে ৪৯ জন।