• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯

 

আজ বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

আজ ১০ জানুয়ারি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিন দুপুরে (১টা ৪১ মিনিটে) বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা ও পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। ৮ জানুয়ারি মুক্তিলাভের পর বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে প্রথমে লন্ডন এরপর দিল্লি হয়ে এই দিন ঢাকায় আসেন। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনসহ রাজনৈতিক দল দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। দীর্ঘ ৯ মাস ১৪ দিন পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে বন্দিজীবন শেষে ১৯৭২ সালের এই দিনে জাতির পিতা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও প্রকৃতপক্ষে জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই বিজয়ের পূর্ণতা লাভ করে। অবিস্মরণীয় এ দিনে তিনি জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বাণীতে বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের প্রতি যে দৃঢ় আস্থা রেখেছে তার পরিপূর্ণ মূল্যায়ন করা হবে। সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ আওয়ামী লীগকে বিপুলভাবে বিজয়ী করেছে। আমাদের ওপর দেশের মানুষ যে দৃঢ় আস্থা রেখেছে, আমরা তার পরিপূর্ণ মূল্যায়ন করব। আমরা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত দেশে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের এই উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করে জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আ’লীগের কর্মসূচি : আজ সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭টায় জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন এবং বিকেল ৩টায় রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়াও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে আওয়ামী লীগ এবং সংগঠনের সব সহযোগী সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির অনুরূপ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

ফিরে দেখা : ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালি জাতি ‘মুক্তির সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম’ এর মানসিক প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বঙ্গবন্ধু সর্বস্তরের জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। স্বাধীনতা ঘোষণার অব্যবহিত পর পাকিস্তানের সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করে তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে আটক রাখা হয়। তবে দেশব্যাপী শুরু হয় স্বাধীনতার সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে প্রবাসী সরকার তার (বঙ্গবন্ধুর) নির্দেশনা অনুসরণ করে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে। জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, এএইচএম কামরুজ্জামানসহ আওয়ামী লীগের অন্য নেতারা বাংলাদেশে বিভিন্ন এলাকাকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সামরিক বেসামরিক ব্যক্তিবর্গকে দায়িত্ব প্রদান করেন। নয় মাসের যুদ্ধের এক পর্যায়ে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ চূড়ান্ত রূপ নিতে শুরু করে। মুক্তিযোদ্ধা, জনতা ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণ আরও তীব্র হয়। জয় যখন সময়ের ব্যাপার সেসময় প্রবাসী সরকারের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে তোলা হয়। বিশ্ব নেতারা বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হলে আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তানি বর্বর শাসকগোষ্ঠী তাকে (বঙ্গবন্ধুকে) সসম্মানে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে নয় মাস যুদ্ধের পর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে। জাতির জনক পাকিস্তান থেকে ছাড়া পান ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি ভোর রাতে (ইংরেজি হিসাবে ৮ জানুয়ারি)। এদিন বঙ্গবন্ধু ও ড. কামাল হোসেনকে বিমানে তুলে দেয়া হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় তারা পৌঁছান লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে। বেলা ১০টার পর থেকে তিনি কথা বলেন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ, তাজউদ্দীন আহমদ ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীসহ অনেকের সঙ্গে। পরে ব্রিটেনের বিমানবাহিনীর একটি বিমানে করে পরের দিন ৯ জানুয়ারি দেশের পথে যাত্রা করেন। দশ তারিখ সকালে তিনি নামেন দিল্লিতে। সেখানে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সমগ্র মন্ত্রিসভা, প্রধান নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান এবং অন্যান্য অতিথি ও সে দেশের জনগণের কাছ থেকে উষ্ণ সংবর্ধনা লাভ করেন সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিব। বঙ্গবন্ধু ভারতের নেতৃবৃন্দ এবং জনগণের কাছে তাদের অকৃপণ সাহায্যের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা হিসেবে।’ বঙ্গবন্ধু ঢাকা এসে পৌঁছেন ১০ জানুয়ারি। ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয়ের পর বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানানোর জন্য প্রাণবন্ত অপেক্ষায় ছিল। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকেল ৫টায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন। পরের দিন দৈনিক ইত্তেফাক, সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে এভাবেই লিখা হয়Ñ ‘স্বদেশের মাটি ছুঁয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা শিশুর মতো আবেগে আকুল হলেন। আনন্দ-বেদনার অশ্রুধারা নামলো তার দু’চোখ বেয়ে। প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়ে সেদিন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি আনন্দাশ্রুতে সিক্ত হয়ে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তোলে বাংলার আকাশ বাতাস।

বঙ্গবন্ধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়ে তার ঐতিহাসিক বক্তৃতায় বলেন, ‘যে মাটিকে আমি এত ভালোবাসি, যে মানুষকে আমি এত ভালোবাসি, যে জাতিকে আমি এত ভালোবাসি, আমি জানতাম না সে বাংলায় আমি যেতে পারব কি-না। আজ আমি বাংলায় ফিরে এসেছি বাংলার ভাইদের কাছে, মায়েদের কাছে, বোনদের কাছে। বাংলা আমার স্বাধীন, বাংলাদেশ আজ স্বাধীন।’ সশ্রদ্ধচিত্তে তিনি সবার ত্যাগের কথা স্মরণ করেন, সবাইকে দেশ গড়ার কাজে উদ্বুদ্ধ করেন। ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন। ২৩ সদস্যবিশিষ্ট আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করে। স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রথম সরকারের সাফল্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন এবং প্রায় এক কোটি শরণার্থীর পুনর্বাসন। বঙ্গবন্ধু সরকার অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে এই গুরুদায়িত্ব সম্পন্ন করে। দুর্ভিক্ষের যে আশঙ্কা করা হয়েছিল, সরকার তা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করে। সামরিক-বেসামরিক প্রশাসন গড়ে তোলা হয়। বাংলাদেশ সেই মুহূর্তে অল্প সময়ের মধ্যে শতাধিক রাষ্ট্রের কূটনৈতিক স্বীকৃতি লাভ করতে সক্ষম হয়। স্বাধীনতা লাভের তিন মাসের মধ্যেই বাংলার মাটি থেকে ভারতীয় সৈন্যদের প্রত্যাবর্তন বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল, যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশকে ‘ক্ষুধামুক্ত, দরিদ্রতা মুক্ত’ সোনার বাংলায় রূপান্তর করা। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতক চক্রের ষড়যন্ত্রে একদল বিপথগামী সেনাসদস্যের নির্মম বুলেটের আঘাতে সপরিবারে নিহত হন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। থেমে যায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নের স্বপ্ন।

সততা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করতে হবে : নতুন মন্ত্রীদের প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ, জনবান্ধব প্রশাসন গড়া এবং কোন কাজ ফেলে না রাখতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রিসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া অনুমোদন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একাদশ জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি যে ভাষণ দেবেন, তার খসড়া অনুমোদন

পহেলা মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন করবে ইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভোটাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্র সম্পর্কে সচেতনা বাড়াতে প্রথমবারের

sangbad ad

‘উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবার জন্য কাজ করব’ : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নানা চেষ্টা

সাইফ বাবলু

image

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজধানীতে পক্ষকালব্যাপী পুলিশের ট্রাফিক শৃঙ্খলা পক্ষের ৩

সরকারের প্রধান লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সুশাসনের মাধ্যমে

শিক্ষা প্রশাসনে বড় পরিবতর্ন আসছে

রাকিব উদ্দিন

image

শিক্ষা প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল আসছে। রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ‘লোভনীয়’ পদে

ইশতেহার বাস্তবায়নই প্রথম লক্ষ্য

মোস্তাফিজুর রহমান

image

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নেই মনোযোগ সরকারের। চলতি মেয়াদের শুরু থেকে

নিজের জন্যই ট্রাফিক আইন মানা উচিত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আমাদের নিজেদের জন্যই ট্রাফিক আইন মানা প্রয়োজন। দ্রুত যাওয়ার চাইতে জীবন

sangbad ad