• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯

 

ঢাকার চারপাশে নদীর সীমানা নির্ধারণে ১০ হাজার পিলার স্থাপনের সিদ্ধান্ত

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

সংবাদ :
  • মাহমুদ আকাশ
image

ভেঙে ফেলা নদীর সীমানা নির্ধারক পিলার-সংবাদ

ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সীমানা চিহ্নিত জন্য ১০ হাজার পিলার স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে গত ২৯ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১ হাজার ১৯৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হয়েছে। কামরাঙ্গীরচর, ছাতামসজিদ, বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল, কিল্লার মোড়, শ্মশানঘাট এলাকায় যেসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর আগে ২০১১ সালে চার নদীতে সীমানা নির্ধারণের জন্য ৯ হাজার ৫৭৭টি পিলার স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু বেশির ভাগ পিলার নিয়ে অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের আপত্তি থাকায় পুনরায় এই ১০ হাজার পিলার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নদীর জায়গা দখল করে পুনরায় গড়ে তোলা হয় টিনের ঘর, আধাপাকা, পাকা বহুতল ভবন, বিভিন্ন স’মিল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এই উচ্ছেদ অভিযানে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির এমনকি সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনার প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছেন। এই প্রকল্পের আওতায় ঢাকার চার নদীতে এই সীমানা পিলার স্থাপন করা হবে বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর এম. মোজাম্মেল হক সংবাদকে বলেন, নদী দূষণ ও দখলদার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। দখলদার যত শক্তিশালী হোক না কেন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। চারটি নদীর তীর উচ্ছেদ করে সীমানা পুনরায় নির্ধারণ করা হবে। এর জন্য ১০ হাজার সীমানা পিলার স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে নদীর রক্ষা ও সীমানা পিলার স্থাপন বিষয়ে ৮৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে পরিকল্পনা কমিশন। এই প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে দুই বছর। এর মধ্যে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ৫০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। এছাড়া তিনটি ইকোপার্ক ও ২০টি জেটি নির্মাণ হবে।

নৌ-মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ঢাকার চারদিকের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর সীমানা নির্ধারণের জন্য ২০০৯ সালে আদালত নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনার আলোকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়েরর পিডাব্লিউডি মাধ্যমে ২০১১ সাল থেকে নদীর পাড় সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়। ৯ হাজার ৫৭৭টি পিলার স্থাপন করা হয়েছিল। মধ্যে আপত্তি আছে ৩ হাজার ৮৫৫টি পিলারে। এর বেশির ভাগ পিলার নির্দিষ্ট স্থানে বসানো হয়নি। তাই অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়েছে বলে সংস্থাটির সূত্র জানায়। এর মধ্যে ঢাকা নদী বন্দরের আওতায় ৪ হাজার ৬৩টি পিলার স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১৫৪টি পিলার আপত্তি রয়েছে। এছাড়া টঙ্গী নদী বন্দরের আওতায় ৫০৩টি পিলার স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে সবগুলো পিলার নিয়ে আপত্তি রয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরে স্থাপিত ৫ হাজার ১১টি পিলার মধ্যে ২ হাজার ১৯৮টি পিলার নিয়ে আপত্তি রয়েছে। তাই নদী সীমানা পুনরায় চিহ্নিত করার জন্য এই সীমানা পিলার স্থাপন করা হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিস্তৃত ‘বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমিতে পিলার স্থাপন, তীর রক্ষা, ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ (২য় পর্যায়)’ প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। প্রকল্পের পুরো অর্থই সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) থেকে যোগান দেয়া হবে। অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটি গত জুলাইয়ে শুরু হয়ে ২০২২ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় মোট ৫২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ের ৩৫ দশমিক ৫১ কিলোমিটারই নির্মিত হবে নদীর নিচু তীরভূমিতে। ১০ দশমিক ২৭ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে নদীর উঁচু তীরভূমিতে। ৫ দশমিক ৯২ কিলোমিটার নদীর তীরভূমিতে কলামের ওপর ওয়াকওয়ে (হাঁটার রাস্তা) নির্মাণ করা হবে। দশমিক ৩০ কিলোমিটার পায়ে হাঁটার সেতু নির্মাণ করা হবে। ৪৪ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার তীররক্ষা কাজ করা হবে। ১ কিলোমিটার ওয়াল নির্মাণ করা হবে। ১ দশমিক ৫০ কিলোমিটার বেড়াসহ সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হবে। ৩টি ইকো-পার্ক নির্মাণ করা হবে। ১৯টি জেটি নির্মাণ করা হবে এবং ১ হাজার ৮২০টি সীমানা পিলার স্থাপন করা হবে।

নৌ-মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এ চার নদীর তীরে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও টঙ্গীতে ৩টি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর রয়েছে। কিন্তু এসব নদীর তীরভূমির বিভিন্ন জায়গা অবৈধ দখলদারদের কবলে রয়েছে। অবৈধ দখলদাররা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যবসা পরিচালনার জন্য নদীর তীরে আরসিসি কাঠামো তৈরি করেছে। ফলে নদীগুলোর প্রশস্ততা এবং নৌচলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় গভীরতা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অননুমোদিত ও অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণের ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। বিআইডব্লিউটিএ বিভিন্ন সময় নদীর তীরভূমির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে এবং এখনও করছে। কিন্তু দখলদারদের হাত থেকে উদ্ধার করা তীরভূমি সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে ওঠে। তাই অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে। দখলদারা যত বড় শক্তিশালী হোক সব অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে এবং হবে। বুড়িগঙ্গার আশপাশে দফায় দফায় উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পর এমন কথাই বলছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মহানগরীর চারদিকে নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে ২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল একটি সভাও হয়। এ সভায় সিদ্ধান্ত হয় ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দু’পাশ অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে তীরভূমিতে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ চলমান রাখতে হবে। পাশাপাশি তীরের জায়গায় জনগণের জন্য বসার বেঞ্চ, ইকো পার্ক, বৃক্ষরোপণ ইত্যাদি কাজ হাতে নেয়া যেতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা শহরের চারদিকে বৃত্তাকার নৌপথের মোট ১২০ কিলোমিটার তীরভূমির মধ্যে ১ম পর্যায়ে ২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। ২য় পর্যায়ে ৫২ কিলোমিটার অংশ অন্তর্ভুক্ত করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পটি প্রস্তাব করেছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অংশেও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। ৮৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন মাসে শেষ করার লক্ষ্যে প্রকল্পটির প্রস্তাব করা হলে ২০১৭ সালের ৫ আগস্ট প্রস্তাবটির ওপর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৭ সলের ৫ ডিসেম্বর পুনর্গঠিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে গৃহীত হয়। পুনর্গঠিত ডিপিপিতে কিছু অসংগতি থাকায় তা সংশোধন করে গত বছর ১৩ মার্চ পুনর্গঠিত ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে গৃহীত হয়। বর্তমান পুনর্গঠিত ডিপিপি অনুসারে প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৪৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত।

জানা গেছে, রাজধানীর যানজট কমাতে ঢাকার চারপাশের নৌপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের বৃত্তকার নৌপথ খননের প্রকল্প নেয়া হয় ২০০০ সালে। দুই দফা খনন কাজ শেষে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয় এই প্রকল্পের কাজ। ৯০ দশমিক ৪৪ কোটি ব্যয়ে ১১০ কিলোমিটার নৌপথ খনন করে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। কিন্তু রাজধানীর চারপাশের বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদীর অবৈধ দখল ও দূষণের কারণে আবার ভরাট হয়ে যাচ্ছে এই নৌপথটি। এছাড়া নদীর উপরে নির্মিত সড়ক ও রেলপথে ১০টি সেতুর উচ্চতা কম থাকায় এর নিচ দিয়ে পণ্য ও যাত্রীবাহী কোন নৌযান চলাচল করতে পারে না। বৃত্তকার এই নৌপথের মধ্যে ডেমরা-নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ-সদরঘাট পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার হলো দ্বিতীয় শ্রেণীর নৌপথ। এছাড়া সদরঘাট-মিরপুর-টঙ্গী-ডেমরা পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার হলো তৃতীয় শ্রেণীর নৌপথ। এই তৃতীয় শ্রেণীর নৌপথের ওপর বিদ্যমান সড়ক ও রেলপথে মোট ১৫টি সেতু রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি সেতুর উচ্চতা নদীর পানির স্তর থেকে খুবই কম। এই সেতুগুলোর মধ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর (সওজ)’র ৪টি, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদফতর (এলজিইডি) ৪টি ও রেলওয়ে ২টি সেতু রয়েছে বলে অভ্যন্তরীণ নৌ-কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্র জানায়।

বিআইডব্লিউটিএর ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম-পরিচালক একেএম আরিফউদ্দিন সংবাদকে বলেন, ঢাকার চারপাশের বৃত্তকার নৌপথ উদ্ধারে নদী দখলদার বিরুদ্ধে এই অভিযান করা হচ্ছে। যত বড় প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অবৈধ স্থাপনা হোক, গুঁড়িয়ে দেয়া হবে। অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে আমাদের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’। অভিযানে কাউকে কোন ছাড় দেয়া হচ্ছে না। ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই অভিযান চলবে। নদী তীর দখল করে প্রভাশালী ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীরা বালু, পাথর, ইট, সুরকী, কয়লা, গাছের গুড়ি ফেলে রাখা হয়েছে। এসব কিছু উচ্ছেদ করা হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে আবার। সেদিন বুড়িগঙ্গার বাকি অংশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। বসিলা, নদীর আদি চ্যানেল, কেরাণীগঞ্জের পাশ দিয়ে এবার অভিযান হবে। নদী-সীমানার মধ্যে যে কোন স্থাপনা, এমন কি সরকারি স্থাপনাও উচ্ছেদ হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিকাশের প্রধান অন্তরায় দুর্নীতি : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বিকাশের প্রধান অন্তরায় হচ্ছে দুর্নীতি

বঙ্গবন্ধু জনগণের মুক্তির প্রশ্নে আপসহীন থেকে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন : স্পিকার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত না করে অসীম সাহসিতার

ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের পরিচালককে হাইকোর্টে তলব

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ভোক্তাদের জরুরি সেবায় হটলাইন চালু করতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রস্তাবের বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ

sangbad ad

বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ কোনদিন শোধ হবে না শোধ করা যাবেও না

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

‘বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ কোনদিন শোধ হবে না। শোধ করা যাবেও না। কারণ জাতির পিতা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়।

মিল্কভিটার দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠের নীতি প্রণয়নের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দুধের গুণগত মান নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় জনশক্তি নিয়োগের মাধ্যমে মিল্কভিটার সুনাম অক্ষুন্ন রাখার

উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু গ্রাহকের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে এবং উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-

বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে কমিশন হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক সকল আসামিকে ফিরিয়ে আনতে সরকার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসা মনিটরিং সেল’র বৈঠক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আওয়ামী লীগের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চিকিৎসা মনিটরিং সেল’ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণে করণীয় বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের লঞ্চে দুর্ঘটনা অপরাধ ও এডিস মশা নির্মূলে নৌ পুলিশের কার্যক্রম

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ঈদে কর্মস্থলে ফেরত আসা লঞ্চ যাত্রীদের ভোগান্তি দূর করতে সদরঘাটসহ নদীপথে বিশেষ টহল জোরদার করেছে নৌ পুলিশ। সরঘাটে

sangbad ad