• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

 

নবম সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ কতটা বাস্তব?

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন ‘নোয়াব’ গত বুধবার নবম সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতির পূর্ণ বিবরণ এখানে প্রকাশ করা হলো-

সংবাদপত্রের মালিকরা সব সময় সাংবাদিকদের আর্থিক সুরক্ষা ও বেতন-ভাতা দেয়ার চেষ্টা করে থাকেন। এ জন্য কষ্ট হলেও কিছু সংবাদপত্র সরকার ঘোষিত মজুরি বোর্ডের রোয়েদাদ বাস্তবায়নের চেষ্টা করে চলছে। কিন্তু বর্তমানে সংবাদপত্র শিল্প অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে কঠিন সময় পার করছে। এই পরিস্থিতিতে নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের অবাস্তব প্রস্তাব এই শিল্পের জন্য একটি বড় সংকট তৈরি করবে। নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান এককভাবে মজুরি বোর্ডের রোয়োদাদ চূড়ান্ত করে এ সংক্রান্ত সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। সুপারিশ চূড়ান্ত করার জন্য একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিও এ নিয়ে সম্প্রতি উদ্যোগী হয়েছে।

উল্লেখ্য, সপ্তম ও অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডও এভাবে একতরফাভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। জুন ২০০৮ সালে সপ্তম মজুরি বোর্ডে মূল বেতনের ৮৯.৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালে অষ্টম মজুরি বোর্ডে বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৭৫ শতাংশ। এ কারণে গুটিকয়েক পত্রিকা ছাড়া অন্যরা অষ্টম মজুরি বোর্ড বাস্তবায়ন করতে পারেনি। এ অবস্থায় নবম (২০১৯) মজুরি বোর্ড কমিটি ৮৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধিসহ একটি অবাস্তব সুপারিশ জমা দিয়েছে, যা বাস্তবায়ন কোনভাবেই সম্ভব নয়। অতীতে যে গুটিকয়েক পত্রিকা মজুরি বোর্ড বাস্তবায়ন করত, এগুলোও এখন বাস্তবায়ন করতে পারবে না। নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) নবম মজুরি বোর্ডের রোয়েদাদ প্রস্তাব বাস্তব নয় বলে মত প্রকাশ করেছে। সারাবিশ্বেই সংবাদপত্রের ছাপা কাগজের সংখ্যা কমছে। আমাদের দেশে ৮-১০ শতাংশ হারে প্রিন্ট মিডিয়ার সার্কুলেশন/বাজার সংকুচিত হচ্ছে বেসরকারি বিজ্ঞাপন আয় বার্ষিক প্রায় ২০ শতাংশ হারে কমেছে। ২০১৯ সালেও এই ধারা অব্যাহত আছে। তাছাড়া বর্তমানে ছাপা কাগজকে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে টেলিভিশন, অনলাইন পোর্টাল, সোশ্যাল মিডিয়াসহ অন্যান্য মিডিয়ার সঙ্গে। বর্তমানে বিজ্ঞাপন বাজারের বড় এক অংশই সোশ্যাল মিডিয়া, অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক ও গুগলের নিয়ন্ত্রণে। অন্যদিকে সরকারি বিজ্ঞাপনের হার অত্যন্ত কম। তারপরও সরকারের কাছে ১৫টি পত্রিকার মোট প্রায় ৮৫ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বিল পাওনা রয়েছে। পাশাপাশি বার্ষিক প্রায় ১০ শতাংশ হারে সরকারি বিজ্ঞাপন কমছে। এছাড়া সংবাদপত্রের প্রধান কাঁচামাল নিউজপ্রিন্টের ওপর আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট মিলে ল্যান্ডেড কস্ট হিসেবে প্রায় ২৬ শতাংশ পরিশোধ করতে হচ্ছে। সম্ভবত সংবাদপত্রই একমাত্র পণ্য, যার উৎপাদন খরচ পণ্যের বিক্রয় মূল্যের থেকে ৩ গুণ বেশি। বিজ্ঞাপন আয় কমে যাওয়ায় এই ঘাটতি পূরণ করে প্রতিষ্ঠান চালানো অসম্ভব পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। এ অবস্থায় নবম মজুরি বোর্ডের অবাস্তব সুপারিশ বাস্তবায়ন সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দেবে।

উল্লেখ্য, সরকার ঘোষিত ৪২টি শিল্পের মধ্যে কোন শিল্পেরই বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের মতো নয়।

সর্বশেষ দুটি সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ডের বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ১৬৫ শতাংশ। সর্বশেষ দুটি তৈরি পোশাক শিল্পের ওয়েজ বোর্ডে বেতন বৃদ্ধির পরিমান ৭০ শতাংশ। অর্থাৎ সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে বেতন বৃদ্ধির পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। এরপরও নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড কমিটি ৮৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির অবাস্তব প্রস্তাব করেছে।

http://thesangbad.net/images/2019/June/13Jun19/news/upload.jpg

বর্তমান অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের অধীন সর্বনিম্ন গ্রেডের (গ্রেড-৬ : পিয়ন, দারোয়ান, মালি) মোট বেতন ২০ হাজার ২৩১ টাকা। সেখানে একই রকম কাজের জন্য বর্তমান সরকারি বেতন স্কেলে সর্বনিম্ন গ্রেডের (গ্রেড-২০) মোট বেতন ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা। অর্থাৎ সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন সরকারি বেতন স্কেলের তুলনায় প্রায় ৫ হাজার টাকা বেশি। আর ব্যতিক্রম ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয় সর্বনিম্ন গ্রেডের মোট বেতন গড়ে ১০-১২ হাজার টাকার বেশি নয়। এ অবস্থায় নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে সর্বনিম্ন (গ্রেড-৬) গ্রেডের বেতন ৩৫ হাজার ৬৭০ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে। তা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একেবারেই অবাস্তব মনে করে নোয়াব।

অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী একজন রিপোর্টার গ্রেড ৩-এ যোগদান করেন ৩৮ হাজার ৭৩ টাকা বেতনে। সেখানে বর্তমান সরকারি বেতন স্কেলের অধীন সেরা ছাত্ররা একজন সিভিল ক্যাডার শুরুতে গ্রেড ৯-এ যোগদান করেন ৩৫ হাজার ৬০০ টাকা বেতনে এবং একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শুরুতে গ্রেড ৮-এ যোগদান করে মোট বেতন পান ৩৭ হাজার ১৫০ টাকা। অর্থাৎ এখানেও সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড অনুসারে একজন রিপোর্টার একজন সরকারি প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তার চেয়ে প্রায় ২ হাজার ৪৭৩ টাকা বেশি বেতন পাচ্ছেন। আর ব্যতিক্রম ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয় এই লেভেলের মোট বেতন গড়ে ২৫-৩০ হাজার টাকার বেশি নয়। এ অবস্থায় নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে গ্রেড ৩-এর একজন রিপোর্টারের শুরুর বেতন ৬৭ হাজার ১১২ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে। এই বেতন দেয়া যে কোন সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের জন্য অসম্ভব ব্যাপার। কেননা সরকার সংবাদপত্র শিল্পের কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য মজুরি বোর্ড ঘোষণা করে। আর সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব আয় বাড়িয়ে এই মজুরি বোর্ডের ব্যয়ভার বহন করতে হয়। এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কোন বিশেষ সহায়তা ও অনুদান থাকে না। উল্লেখযোগ্য কোন সুযোগ-সুবিধাও থাকে না। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এবং ডিজিটাল মিডিয়ার যুগে চাইলেই সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে পারে না।

বিবিএস ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড বাস্তবায়নের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ৩৬.৩৪ শতাংশ। এই সময়কালে অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড অনুসারে শুধু একটি করে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট হিসাব করলেও প্রায় ২৮.৮০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। বাস্তবে বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ আরও অনেক অনেক বেশি। যোগ্য কর্মীদের ধরে রাখতে বা চাকরিতে উৎসাহিত করতে অনেক সময় অতিরিক্ত বেতন বৃদ্ধি করতে হয়। তাই নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে ১০-১২ শতাংশের বেশি বেতন বৃদ্ধি বাস্তব নয় বলে নোয়াব মনে করে। এছাড়া নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে এমন কিছু বিষয় ও সুযোগ-সুবিধা রয়েছে- যেগুলোও রুগ্ণ সংবাদপত্র শিল্পের জন্য বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। যেমন-

-- সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে গ্রেড সংখ্যা ৬। সরকারের জাতীয় বেতন স্কেলে ২০টি। ব্যাংক-বীমাসহ দেশের অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্রেডের সংখ্যা ১৮ থেকে ২২ পর্যন্ত। সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে গ্রেড সংখ্যা কম থাকার কারণে প্রতিষ্ঠান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

-- বাংলাদেশ শ্রম আইনের ২(১০) ধারায় প্রতি বছর চাকরির জন্য ১টি গ্র্যাচুইটির বিধান আছে। অন্যান্য শিল্পেও গ্র্যাচুইটি বছরে ১টির বেশি নেই। অনেক প্রতিষ্ঠান শ্রম আইনের এই বিধানও অনুসরণ করে না। সেখানে মজুরি বোর্ডে প্রতি বছরের জন্য ২টি গ্র্যাচুইটির বিধান একটি অবাস্তব আর্থিক চাপ।

-- ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৪ অনুযায়ী যার আয় তাকেই আয়কর বহন করার নিয়ম। কিন্তু সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড অনুসারে সংবাদপত্রের সব সাংবাদিক ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর আয়কর সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠান থেকে দিতে হয়। সরকারিসহ অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা নিজে তার আয়কর প্রদান করেন। দেশে এমন কোন আইন উচিত নয়, যেটা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নয়।

-- নবম সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ডে বাড়ি ভাড়া দেয়া আছে ৬৫ শতাংশ। কিন্তু ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৪-এর বিধি ৩৩(এ) অনুযায়ী বাড়ি ভাড়া ৫০ শতাংশ আয়করমুক্ত। অবশিষ্ট ১৫ শতাংশ ব্যক্তির আয় হিসাবে ব্যক্তি খাতের আয়করের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

-- সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে প্রতি ৩ বছর পর এক মাসের মোট বেতন ও ৩০ দিনের বিনোদন ছুটির বিধান রাখা হয়েছে। সরকার ঘোষিত অন্যান্য শিল্পে এ সুবিধা নেই।

-- এছাড়া কিছু প্রান্তিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে- যেগুলো বাস্তব নয় বা কেউ বাস্তবায়ন করেন না, সেগুলো ওয়েজ বোর্ড থেকে বাদ দেয়া জরুরি। যেমন- দায়িত্ব ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা, কারিগরি ভাতা, চক্ষু ঝুঁকি ভাতা, কেমিক্যাল পয়জনিং ভাতা, আউটফিট ভাতা, পোশাক ধোলাই ভাতা ইত্যাদি।

-- সংবাদপত্র সেবা শিল্প হওয়া সত্ত্বেও এর করপোরেট ট্যাক্স ৩৫ শতাংশ।

-- সংবাদপত্র শিল্প ভ্যাট অ্যাক্ট ১৯৯১-এর শিডিউল-২ (অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবার তালিকায়)-এ থাকার পরও ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হচ্ছে।

-- ভ্যাট অ্যাক্ট ১৯৯১-এর ৫৩(কে) অনুসারে সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন আয়ের ওপর ৪ শতাংশ টিডিএস/এআইটি দিতে হচ্ছে। অপরদিকে কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে উৎসস্থলে ৫ শতাংশ টিডিএস দিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৯ শতাংশ টিডিএস দিতে হচ্ছে। অথচ অনেক সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশই ৯ শতাংশ হয় না।

বিগত সপ্তম ও অষ্টম ওয়েজ বোর্ডে নোয়াব সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করলেও নোয়াব সদস্যদের অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়। সব মজুরি বোর্ডেই উল্লিখিত বিষয়গুলো নোয়াব থেকে তুলে ধরা হয়েছে। বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা না করে প্রায় একতরফাভাবে মজুরি বোর্ড ঘোষণা করা হয়েছে। নোয়াবের প্রত্যাশা ছিল, এবার নবম মজুরি বোর্ড প্রণয়নের সময় অন্তত মজুরি বোর্ডের কার্যক্রম আলোচনার মাধ্যমে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নবম মজুরি বোর্ডের ক্ষেত্রেও এই অভিজ্ঞতা ভিন্ন হয়নি।

সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে মালিকপক্ষের মতামত বিবেচনায় না নেয়ায় মজুরি বোর্ড শুধু বেতন-ভাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। তা দিন দিন এই শিল্পকে রুগ্ণ করছে। অবাস্তব আর্থিক চাপ সামলাতে না পেরে প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীর সংখ্যা কমানো, ওয়েজ বোর্ড না দেয়া বা আংশিক দেয়া এবং সর্বোপরি প্রতিষ্ঠান বন্ধের পর্যায়ে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।

সর্বশেষ (০৩/০৬/২০১৯) চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের নিরীক্ষা শাখার প্রতিবেদন অনুযায়ী সারাদেশে মোট ৬৮৪ (ঢাকা ৩৪৬+মফস্বল ৩৩৮)টি পত্রিকার মধ্যে ১৫৮ (ঢাকা ১০৯+মফস্বল ৪৯)টি (প্রায় ২৩ শতাংশ) পত্রিকা অষ্টম মজুরি বোর্ড বাস্তবায়ন করেছে। তবে এই প্রতিবেদনের সঙ্গেও বাস্তবতার কোন মিল পাওয়া যায় না। নোয়াবের জানা মতে, অল্পকিছু সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানই কেবল পুরোপুরি মজুরি বোর্ডের রোয়েদাদ বাস্তবায়ন করে। তাই নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের প্রজ্ঞাপন জারির আগে মালিক-সাংবাদিক উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত রোয়েদাদ ঘোষণা দেয়া প্রয়োজন। একটি শিল্পের ভালো থাকার সঙ্গে ওই শিল্পের কর্মরত কর্মীদের ভালো থাকা নির্ভরশীল।

‘সংবাদ’ রিপোর্টার তুষারের মাতৃবিয়োগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দৈনিক সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার ফয়েজ আহমেদ খান তুষারের মাতা ফায়েজা আক্তার মারা গেছেন। ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকায় ইন্তেকাল করেন

ঈদের আগেই নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ : দাবি সাংবাদিক নেতাদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ঈদের আগে ৯ম ওয়েজবোর্ডের রোয়েদাদের গেজেট প্রকাশের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল

‘হাফ সেঞ্চুরি’র আগেই চলে গেল অজয়

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শুক্রবার (১২ জুলাই) ছুটির দিনে হঠাৎ করে টিভি নিউজ স্ক্রলের এক খবরে চোখ আটকে গেল,‘লন্ডনের হাসপাতালে ক্রীড়া সাংবাদিক

sangbad ad

‘মৃত্যুঞ্জয়ী অজয়দা’

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু। ৪৬ বছরের বেশি সময় সংবাদের ক্রীড়া পাতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন অজয় বড়ুয়া। তার হাত দিয়েই দৈনিক সংবাদ এর

বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক অজয় বড়ুয়া আর নেই

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক, দৈনিক সংবাদের ক্রীড়া সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা অজয় বড়ুয়া লন্ডনের সেন্ট বার্টস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

প্রবীণ সাংবাদিক অজয় বড়ুয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া প্রার্থনা

ক্রীড়া বার্তা পরিবেশক

image

দৈনিক সংবাদ-এর ক্রীড়া সম্পাদক ও স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসজেএ) এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রবীণ সাংবাদিক

নওগাঁর বদলগাছীতে সংবাদ-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

প্রতিনিধি, বদলগাছী (নওগাঁ)

image

নওগাঁর বদলগাছীতে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কাটার মাধ্যমে জাতীয় দৈনিক ‘সংবাদ’ গৌরবের

জঙ্গিদের বিষয়ে গণমাধ্যম রিপোর্ট যেন জঙ্গিদের হিরো হিসেবে উপস্থিত না করে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জঙ্গিদের উদ্দেশ্য হামলা চালিয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করা। নিজেদের হিরো হিসেবে

দেশে গণমাধ্যমের দুর্দিন চলছে : ডিআরইউতে সাংবাদিক নেতারা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দেশে গণমাধ্যমের দুর্দিন চলছে। এর শিকার হচ্ছেন গণমাধ্যম কর্মীরা। এ সঙ্কট দূর করতে সাংবাদিকদের ঐক্যের বিকল্প নেই। ৪ মে শনিবার

sangbad ad