• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯

 

আহমদুল কবিরের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

দৈনিক ‘সংবাদ’-এর প্রধান সম্পাদক, দেশের প্রগতিশীল ধারার রাজনীতির পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও সাবেক সংসদ সদস্য আহমদুল কবির

দৈনিক ‘সংবাদ’-এর প্রধান সম্পাদক, দেশের প্রগতিশীল ধারার রাজনীতির পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও সাবেক সংসদ সদস্য আহমদুল কবিরের (মনু মিয়া) ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী ২৪ নভেম্বর রোববার। ২০০৩ সালের ২৪ নভেম্বর কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আহমদুল কবিরের (মনু মিয়া) মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার (২৪ নভেম্বর) তার পরিবার ও আহমদুল কবির (মনু মিয়া) স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে তার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণসহ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মসূচি সম্পর্কে আহমদুল কবির (মনু মিয়া) স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চ্যাটার্জি জানান, রোববার সকালে পরিবারের পক্ষ থেকে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে পারিবারিক মসজিদে কোরআন খতম ও কাঙালি ভোজ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় নিজ বাড়িতে আহমদুল কবিরের (মনু মিয়ার) কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হবে। সাড়ে ১১টায় আহমদুল কবিরের (মনু মিয়ার) স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনা শেষে পলাশ উপজেলার ১১০ জন মেধাবী ও দুস্থ স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হবে। বাদ জোহর ৭টি এতিমখানায় খাবার বিতরণ করা হবে। এ ছাড়াও বাদ আসর পলাশ উপজেলার ১৫টি মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আহমদুল কবির ছিলেন ব্রিটিশ, পাকিস্তান ও স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবাদিকতা অঙ্গনের এক প্রতিভাদীপ্ত ব্যক্তিত্ব। আপসহীন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্য পাকিস্তান আমল থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি ছিলেন একজন ভিন্নমাত্রার রাজনীতিক। মূলত তার রাজনৈতিক দর্শন ছিল এদেশের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করা। তদানীন্তন পাকিস্তানের রাজনীতিতে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল যে ধারা এদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিপুল জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক চেতনাকে নাড়া দিয়েছিল, সেই ধারার পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন আহমদুল কবির। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী রাজনীতির নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন আহমদুল কবির। দেশের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন আদর্শবান এবং নীতিনিষ্ঠ এক নেতা হিসেবে। তিনি সত্তরের দশকে গণতন্ত্রী পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। মৃত্যুকালে তিনি পার্টির সভাপতি ছিলেন।

আহমদুল কবির ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর প্রথম ভিপি। ১৯৬৫ সালে আহমদুল কবির ন্যাপের প্রার্থী হিসেবে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেন। সংবাদপত্রকে তিনি তার রাজনৈতিক আদর্শ প্রচার ও স্বকীয় প্রতিভা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেন। সাংবাদিকতায় তার অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল এবং বস্তুনিষ্ঠ চেতনার প্রতিরূপ হলো দৈনিক ‘সংবাদ’। দৈনিক সংবাদে বস্তুনিষ্ঠ খবর ও মতামত প্রকাশের মধ্য দিয়ে তিনি অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক নতুন ধারা সৃষ্টি করেন। আমৃত্যু তিনি এই আদর্শ লালন করে গেছেন। কমনওয়েলথ প্রেস ইউনিয়নের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভাপতির পদও অলঙ্কৃত করেছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে। আহমদুল কবির দেশের একজন বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তাও ছিলেন। এদেশের শিল্প-বাণিজ্য প্রসারে তার ব্যাপক অবদান রয়েছে।

সংক্ষিপ্ত জীবনী : আহমদুল কবিরের (মনু মিয়া) বাবা মরহুম আবু ইউসুফ লুৎফুল কবির ছিলেন ঘোড়াশালের জমিদার। মায়ের নাম মরহুমা সুফিয়া খাতুন। তার জন্ম ৩ ফেব্রুয়ারি ১৯২৩ ঘোড়াশালে। তিনি ২০০৩ সালের ২৪ নভেম্বর কলকাতার এপোলো গ্লেনইগল হাসপাতালে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে মারা যান।

শিক্ষা ও অন্যান্য কর্মকাণ্ড : অর্থনীতিতে সম্মানসহ বিএ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ১৯৪৫-৪৬ সালে ডাকসুর প্রথম সহসভাপতি নির্বাচিত হন। এ ছাড়াও ১৯৪২-৪৩ সালে তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৫ সালে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রার্থী হিসেবে তিনি তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে নরসিংদী-২ (পলাশ-শিবপুর) নির্বাচনী এলাকা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে নরসিংদী-২ (পলাশ) নির্বাচনী এলাকা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। আহমদুল কবির অর্থনীতিতে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করার পর রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ায় যোগদান করেন এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫০ সালে তিনি পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন এবং ১৯৫১ সালে গ্যাটে সম্মেলনে যোগদান করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি নিজের ব্যবসায় যোগদান করেন।

আহমদুল কবির তদানীন্তন পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি কৃষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। আশির দশকে তার নেতৃত্বে গণতন্ত্রী পার্টি গঠিত হয় এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি ছিলেন।

১৯৭০ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদান করেন। রোমে ফাও-এর কনফারেন্সে প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। ইইসি দেশগুলোতে তিনি বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সরকার ‘সংবাদ’ অফিস পুড়িয়ে দেয় এবং আহমদুল কবিরকে গ্রেফতার করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ‘সংবাদ’ প্রকাশের জন্য অনেক প্রলোভন দেখায়, কিন্তু আহমদুল কবির পত্রিকা প্রকাশ করেননি। স্বাধীনতার পরপরই তিনি জেল থেকে মুক্তি লাভ করেন এবং সংবাদ পুনঃপ্রকাশ করেন।

আহমদুল কবির ১৯৫৪ সালে সংবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭২ সালে তিনি সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০১ সালে প্রধান সম্পাদক হন এবং আমৃত্যু এ দায়িত্ব পালন করে গেছেন। আহমদুল কবির স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক অনুসারী রেখে গেছেন। প্রয়াত আহমদুল কবিরের স্ত্রী লায়লা রহমান কবির দেশের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তার বড় ছেলে আলতামাশ কবির ‘সংবাদ’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সম্পাদক, দ্বিতীয় ছেলে আরদাশির কবির দেশের বিশিষ্ট চা ব্যবসায়ী এবং একমাত্র মেয়ে ব্যারিস্টার নিহাদ কবির সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত।

রাজনীতিতে নিঃস্বার্থ ও প্রগতিশীল আদর্শের জন্য আহমদুল কবির স্মরণীয় হয়ে থাকবেন : মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণসভায় বক্তারা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দৈনিক ‘সংবাদ’-এর প্রধান সম্পাদক, দেশের প্রগতিশীল ধারার রাজনীতির পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও সাবেক সংসদ সদস্য আহমদুল কবির রাজনীতিতে

শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের নতুন কমিটি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শিপিং রিপোর্টার্স ফোরামের (এসআরএফবি) সভাপতি যুগান্তরের কাজী এমাদ উদ্দিন জেবেল এবং আমাদের সময়ের তাওহীদুল ইসলাম সাধারণ

বিচারকের বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের বিচার দাবি করে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শারীরিক ও মানসিক নির্যাতেনর অভিযোগে নড়াইলের সহকারী জজ মো. রহমত আলী রাজুর বিচার দাবি করলেন তার স্ত্রী রাবেয়া খাতুন

sangbad ad

সংবাদপত্র শিল্পের সমস্যা সমাধানে এফবিসিসিআইয়ের সহযোগিতা চেয়েছে নোয়াব

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সংবাদপত্র শিল্পের উন্নয়ন ও এই শিল্পের সংকট আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য এফবিসিসিআইয়ের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে সংবাদপত্র

সংবাদের সিনিয়র রিপোর্টার বাকী বিল্লাহর মাতৃবিয়োগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

২৩ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় দৈনিক সংবাদের সিনিয়র রিপোর্টার বাকী বিল্লাহর মাতা মোসা. সামছুর নাহার মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্না

‘সংবাদ’ রিপোর্টার তুষারের মাতৃবিয়োগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

দৈনিক সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার ফয়েজ আহমেদ খান তুষারের মাতা ফায়েজা আক্তার মারা গেছেন। ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকায় ইন্তেকাল করেন

ঈদের আগেই নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ : দাবি সাংবাদিক নেতাদের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ঈদের আগে ৯ম ওয়েজবোর্ডের রোয়েদাদের গেজেট প্রকাশের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল

‘হাফ সেঞ্চুরি’র আগেই চলে গেল অজয়

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শুক্রবার (১২ জুলাই) ছুটির দিনে হঠাৎ করে টিভি নিউজ স্ক্রলের এক খবরে চোখ আটকে গেল,‘লন্ডনের হাসপাতালে ক্রীড়া সাংবাদিক

‘মৃত্যুঞ্জয়ী অজয়দা’

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু। ৪৬ বছরের বেশি সময় সংবাদের ক্রীড়া পাতার সঙ্গে জড়িত ছিলেন অজয় বড়ুয়া। তার হাত দিয়েই দৈনিক সংবাদ এর

sangbad ad