• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮

 

‘যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ দিলে ও ক্ষমা চাইলে আলোচনায় প্রস্তুত ইরান’

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ আগস্ট ২০১৮

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
image

ইরানের উদ্দেশে আলোচনার প্রস্তাব রেখে পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশটির উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক মান সময় প্রথম প্রহর থেকে (ভোট ৪টা ১ মিনিট ) এবং ইরানের স্থানীয় সময় তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল হয়। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় দেশটির গাড়ি শিল্প, বেসামরিক বিমান পরিবহণ, গালিচা ও খাদ্য রপ্তানি এবং কিছু ধাতু আমদানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রথম দফায়, ইরানের আর্থিক কাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ফলে তেহরান সরকার মার্কিন ডলার ক্রয়বিক্রয়, সোনা ক্রয়বিক্রয় এবং সরকারি বন্ড বিক্রির ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়বে। এদিকে ওয়াশিংটনের আলোচনার প্রস্তাবের জবাবে ক্ষতিপূরণ ও ক্ষমা চাওয়ার পূর্বশর্ত চাপিয়েছে তেহরান। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে চুক্তিবদ্ধ অপর তিন দেশ যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্স। তবে মার্কিন চাপ মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মঙ্গলবার থেকেই একটি আইন কার্যকর করছে। এর আওতায় ইউরোপীয় কোম্পানিগুলি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এড়াতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের উপর চাপ সৃষ্টি করতেই ওয়াশিংটন এ একতরফা নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ২০১৫ সালের জুলাই মাসে চীনসহ পশ্চিমা পাঁচ বিশ্ব শক্তির (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও রাশিয়া) সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা চুক্তি সই করে ইরান। তবে এ চুক্তি ত্রুটিপূর্ণ বলে অভিযোগ করে পরমাণু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের দাবি, ইরান গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরির প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান সন্ত্রাসবাদে মদত ও প্রভাব বিস্তার করে চলেছে বলেও অভিযোগ তুলেছে ওয়াশিংটন। দেশটির এ সব কর্মকা-ে লাগাম টানতে না পারায় পরমাণু চুক্তি শুরু থেকেই ত্রুটিপূর্ণ ছিল বলে যুক্তি মার্কিন প্রশাসনের। তাই তেহরানের উপর একতরফা নিষেধাজ্ঞা চাপানোসহ দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করাতে চুক্তি সইকারী বাকি দেশগুলোর উপর চাপ সৃষ্টি করেই তেহরানকে নতি স্বীকার করাতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। একই সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান সংকট কাটানোর প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরান এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেয়নি। দেশটির মতে, পরমাণু চুক্তি থেকে সরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার নির্ভরযোগ্যতা হারিয়েছে। আলোচনার প্রস্তাবের জবাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, ১৯৫৩ সাল থেকে ইরানে মার্কিন হস্তক্ষেপের ক্ষতিপূরণ পেলে এবং তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ক্ষমা প্রার্থনা করলেই কেবলমাত্র তিনি দেশটির সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য প্রস্তুত। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান পরমাণু চুক্তি মেনে চলবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রুহানি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ জাভেদ জারিফ ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, ইরানের প্রতি শত্রুতামূলক রাজনীতির কারণে ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইরায়েল ও সৌদি আরব বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জারিফ বলেন, তাদের আক্রমণাত্মক নীতি ও সহিংস ব্যবস্থাই তাদের একঘরে করে দিয়েছে। ইরানের প্রতি শত্রুতার নীতির কারণে বিশ্বও তাদের কাছ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছে।

এদিকে আগামী ৩ মাসের মধ্যেই ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপরেও ওয়াশিংটন নতুন করে নিষেধাজ্ঞা চাপাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের জ্বালানি খাতের উপরেও আগামী নভেম্বর মাসে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। এ প্রসঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতাদের সম্পদের প্রবেশাধিকারও বন্ধ করে দিতে যাচ্ছেন। আর সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আগামী ৫ নভেম্বর ইরানের বিরুদ্ধে আরও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। ইরানের বন্দর, জ্বালানি, নৌপরিবহন ও নির্মাণ খাত, ইরানের জ্বালানি ও তেল বিষয়ক লেনদেন এবং ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে। তবে তার আগেই তেহরান থেকে পেট্রোলিয়াম আমদানি ধীরে ধীরে কমিয়ে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে ইতোমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উপর চাপ সৃষ্টি করে চলেছে ওয়াশিংটন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ নিষেধাজ্ঞা কৌশলের কয়েকটি দুর্বল দিকও রয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপ ও চীন ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাবার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। তাই এ নিষেধাজ্ঞা কতটুকু ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যেই সোমবার (৬ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপে উদ্বেগ জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে দুঃখিত’। এদিন ট্রাম্প সকলকে সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ না করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সবধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার জন্য পুরোপুরি সংকল্পবদ্ধ। তাই ইরানকে পুরোপুরি বশ্যতা স্বীকার করাতে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করব আমরা। এর পাশাপাশি হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন বলেছেন, যদি ইরান এসব নিষেধাজ্ঞা এড়াতে চায় তাহলে তাদের ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাব মেনে নেয়া উচিত।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগেই ইরানের অর্থনীতি প্রবল চাপের মুখে পড়েছে। দেশটির মুদ্রা বাজরে নাটকীয় অবমূল্যায়ন ঘটে চলেছে। গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের হুমকি দেয়ার পর থেকেই ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রার দাম অর্ধেক কমে গেছে। হঠাৎ করে অর্থনীতির ওপর এমন আঘাত আসার পর পরই দেশটিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দেখা দেয়। ওই সময় দেশটির সাধারণ মানুষের ওই আন্দোলনকে সমর্থন জানায় যুক্তরাষ্ট্র । এর পাশাপাশি পেট্রোলিয়াম রপ্তানি কমে গেলে তা আরও ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা রয়েছে। পরমাণু চুক্তির বাকি স্বাক্ষরকারী দেশগুলো এখনও ওয়াশিংটনের কাছে নতি স্বীকার না করলেও বিশ্বের আর্থিক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের কারণে ইরান কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। গত মে মাসে ট্রাম্প পরমাণু চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

নতুন যুদ্ধে প্রবেশ তেহরান-যুক্তরাষ্ট্রের
এদিকে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জনগণকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ ছাড়া আর কিছুই নয়। যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনে এ বিষয়টি ব্যবহার করে ট্রাম্প ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলকে বিজয় এনে দিতে চান। সোমবার রাতে ইরানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এদিকে মঙ্গলবার থেকে এ নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিশ্বের যে সব দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করছে তাদের উদ্দেশ্য করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য করার অধিকার হারাবে। এর মধ্য দিয়ে বিশেষ করে তিনি ইরান পরামাণু চুক্তির বাকি সহযোগী ইউরোপীয় দেশগুলোকে বিশেষভাবে হুঁশিয়ার করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক পরমাণু চুক্তি থেকে গত মে মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয়ার পর থেকে দেশ দুটির পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি হুমকি দেয়ার ঘটনা বেড়েই চলে। সম্প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি তার দেশকে নিয়ে মার্কিন ষড়যন্ত্রের বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করতে গিয়ে ওয়াশিংটনকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘সিংহের লেজ নিয়ে খেলবেন না।’ এর প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তেহরানকে ‘নজিরবিহীন শিক্ষা’ দেয়ার হুমকি দেন। দেশ দুটির মধ্যে এমন পাল্টাপাল্টি হুমকির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহের কথা জানান। হাসান রুহানি বলেন, ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। কারণ, গোটা ইউরোপসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এই ইস্যুতে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। বিষয়টি উপলব্ধি করে ট্রাম্প ইরানের প্রতি আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে এদেশের জনগণকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করছেন। ইরানের জনগণকে ধোঁকা দেয়া সহজ নয় উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, ইরানি জাতি গত চার দশকে এ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে যে, তাদের আঘাত করার প্রতিটি সুযোগ যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করে। এ সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য বন্ধুর বেশ ধারণ করতেও সিদ্ধহস্ত ওয়াশিংটন। তিনি আরও বলেন, যিনি আলোচনায় বসতে চান তার জানা উচিত আলোচনার প্রথম শর্ত সততা।

কিন্তু আমাদের আলোচনার প্রস্তাব দিচ্ছেন এমন এক ব্যক্তি যিনি তার দেশের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ও ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেছেন। তিনি যে আবার আলোচনায় বসে অর্জিত সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাবেন না তার কোন গ্যারান্টি নেই। কাজেই এ ধরনের মানুষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে না তেহরান। ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট রুহানি জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, এ নিষেধাজ্ঞা প্রভাব ব্যর্থ করে দেয়ার জন্য সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। অতীতের মতো এবারও মার্কিন ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

মার্কিন গোয়েন্দাদের সন্দেহের তীর যুবরাজ সালমানের দিকে

সংবাদ ডেস্ক

image

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির নিখোঁজের ঘটনায় দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের

বিল গেটসের বন্ধু ও মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা পল অ্যালেন মারা গেছেন

সংবাদ ডেস্ক

image

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা পল অ্যালেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। সোমবার (১৫ অক্টোবর) ৬৫

দানবীয় ঘূর্ণিঝড় মাইকেল লণ্ডভণ্ড ফ্লোরিডা

সংবাদ ডেস্ক

image

ক্যারিবিয়ান সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মাইকেল’র তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের

sangbad ad

ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে রুশ সীমান্তে জীবাণু অস্ত্র গবেষণার অভিযোগ

সংবাদ ডেস্ক

image

রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী সিরিজ সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য

রাশিয়ার সঙ্গে ঐতিহাসিক এস-৪০০ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করল ভারত

সংবাদ ডেস্ক

image

আঞ্চলিক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলায় সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে নয়াদিল্লি তার অন্যতম

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মায়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার আহ্বান : ভারতকে আন্তোনিও গুতেরেস

image

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মায়ানমারের ওপর চাপ দিতে ভারতকে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের

ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে : পিউ রিসার্চ জরিপ

সংবাদ ডেস্ক

image

৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর (২০১৭ সালে) দায়িত্ব নেয়ার

ইন্দোনেশিয়ায় সুনামিতে প্রাণহানি ১২০০ ছাড়াল

সংবাদ ডেস্ক

image

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প পরবর্তী সুনামিতে যেন ধ্বংসস্তূপে

একতরফাভাবে পরমাণু কর্মসূচি ত্যাগ না করার ঘোষণা উত্তর কোরিয়ার

সংবাদ ডেস্ক

image

একতরফাভাবে পরমাণু কর্মসূচি পরিত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। গত শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর)

sangbad ad