• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

 

‘পশ্চিমাদের ইরানবিরোধী’ চক্রান্ত ব্যর্থ করার প্রত্যয় রুহানির

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট ২০১৮

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
image

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ধাক্কা তেহরান সামলে উঠতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। একইসঙ্গে তার দেশ পশ্চিমাদের যে কোন চক্রান্তও ব্যর্থ করে দেবে মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) ইরানী পার্লামেন্ট মজলিশের এক জবাবদিহি অধিবেশনে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এদিন আইন প্রণেতারা তেহরানের অর্থনীতি বিষয়ক পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রুহানিকে জবাব দেয়ার আহ্বান জানান। তবে অধিবেশনের শেষে আইন প্রণেতারা ভোটের মাধ্যমে রুহানির জবাবের বিরুদ্ধে গণঅসন্তোষ প্রকাশ করেন বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম এএফপি।

এদিকে মঙ্গলবাবের জবাবাদিহি পর্বে প্রেসিডেন্ট তার দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে সকল আইন প্রণেতাকে সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হওয়ায় দেশটির পার্লামেন্ট মজলিশ প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি বিচার বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে বলে সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা সর্বশেষ খবরে জানিয়েছে । পাঁচ বছরের ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট রুহানিকে এই প্রথমবারের মতো জবাবদিহিতার আওতায় আনল মজলিশ। এর আগেও বেশ কয়েকটি বিষয়ে তার প্রশাসনকে মজলিশের জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হয়। এর আগের দিন জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত আইসিজে (ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে) যুক্তরাষ্ট্রের আবরোধ প্রত্যাহার চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠান করে তেহরান। ঠিক তার পরদিনই দেশটির পর্লামেন্ট প্রেসিডেন্টেকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করল। ইরানের দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাড়তে থাকা বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্ব গতি এবং নিজস্ব মুদ্রা রিয়ালের দ্রুত পতনসহ- গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পাঁচটি বিষয়ে জবাবদিহি করার জন্য প্রেসিডেন্ট রুহানিকে এদিন ডেকে পাঠিয়েছিল পার্লামেন্ট। মঙ্গলবাবের জবাবদিহি অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট রুহানি দু’দফায় আইন প্রণেতাদের উল্লেখিত বিষয়গুলোতে তার প্রশাসনের অবদান তুলে ধরেন। জাতীয় এ গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ বিষয়ের একটিতে (ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে) আইন প্রণেতারা সন্তষ্ট হলেও আর চারটি বিষয়ে প্রেসিডেন্ট রুহানির জবাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তারা। তবে পার্লামেন্টে দেয়া বক্তব্যে রুহানি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর থেকেই সমস্যাগুলো দেখা দিয়েছে।

২০১৫ সালে জুলাইয়ে ইরানের পরমাণু কর্মসূচী থেকে বিরত থাকার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রসহ ছয় বিশ্বশক্তির (যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া চীন ও জার্মানি) সঙ্গে তেহরান এক সমঝোতা চুক্তি সই করে। গত মে মাসে ওই চুক্তিকে ‘বাজে’ আখ্যা দিয়ে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এরপর অগাস্টে ইরানের সোনা ও অন্য মূল্যবান ধাতু রফতানির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি ইরানের গাড়ি শিল্প ও মার্কিন ডলার কেনার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন। আগামী নভেম্বরে ইরানের তেল রপ্তানির ওপরও নতুন আরেকটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এমন প্রেক্ষাপটে ইরানের অর্থনীতি চরম সংকটে পরেছে। এ পরিস্থিতিকে সামনে রেখেই টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে রুহানি বলেন, ‘আমি ইরানি জাতিকে এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই, যে আমরা এই ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যে কোন চক্রান্তকে সফল হতে দিবো না।’ ‘হোয়াইট হাউসের ওই একগুচ্ছ ইরানবিরোধীকে আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতে দেব না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমেরিকা বা অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে ভীত নই। আমরা এ সমস্যাগুলোকে অবশ্যই কাটিয়ে উঠব।’

তবে দেশটির পার্লামেন্ট মজলিশের কট্টরপন্থিরা ট্রাম্পের পদক্ষেপ ও জনঅসন্তোষ হ্রাসের লক্ষে রুহানির অর্থনীতি বিষয়ক টিমকে ঢেলে সাজানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ইরানের মামলা মোকাবিলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
এদিকে আন্তর্জাতিক আদালতদ আইসিজে ইরানের করা মামলা মোকাবিলার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করার বিষয়ে প্রশ্ন তোলার মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করে ওয়াশিংটন। সোমবার (২৭ আগস্ট) হেগে জাতিসংঘ আদালতে ইরানের মামলার প্রাথমিক শুনানি শুরু হওয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক বিবৃতিতে এমন দাবি করেছেন।

সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের তেল রপ্তানি আয় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে চায় তারা। এজন্য বিভিন্ন দেশের ওপর হুমকি ও চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছেন তারা। এ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের বিরুদ্ধে গত জুলাই মাসে জাতিসংঘ আদালত আইসিজে-তে মামলা করে ইরান। সোমবার মামলাটির মৌখিক শুনানি শুরু হয়। এরই ধারবাহিকতায় মামলা লড়ার ঘোষণা দিলেন পম্পেও। বিবৃতিতে পম্পেও বলেন, ‘আইসিজে‘তে ইরানের এ মামলা নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালসহ যুক্তরাষ্ট্রের আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার সার্বভৌম অধিকার প্রতি হস্তক্ষেপের চেষ্টা। এ অধিকার আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়। ইরানের দায়ের করা মামলা এ আদালতের একটি অপব্যবহার।’ আদালতে ইরানের পক্ষে আইনজীবী মোহসেন মোহেবি বলেন, ইরানের অর্থনীতি ও ইরানি কোম্পানিগুলো যত দূর সম্ভব ক্ষতিগ্রস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে একটি নীতি প্রচার করছে। যা নিশ্চিতভাবে ইরানি নাগরিকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি আরও বলেন, এ নীতি দুঃখজনকভাবে ১৯৫৫ সালের সৌহার্দ্যরে চুক্তির লঙ্ঘন। তিনি বলেন, ইরান দুই দেশের সমস্যাগুলো কূটনৈতিকভাবে সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসলেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। পম্পেও বলেন, আইনজীবীরা সবলে যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষা দেবে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সরকারের অস্থিতিশীল কার্যক্রম, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যাপক বৃদ্ধি ও অন্য উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা ঠেকাতে আমরা আমাদের মিত্রদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।

সোমবার আদালতে মামলার শুনানি শুরু হলেও যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ মামলার শুনানিতে অংশ নেয়।

রোহিঙ্গাদের বলপুর্বক ফেরত পাঠানো আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন : জাতিসংঘ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গাদের বলপুর্বক ফেরত পাঠানো হলে সেটা ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ হবে

উত্তপ্ত গাজা-ইসরায়েল সীমান্ত : ৬ হামাস সদস্য নিহত

সংবাদ ডেস্ক

image

অধিকৃত গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক কমান্ডোদের গুপ্ত হামলার পর তেল আবিবে ব্যাপক

খাশোগির খুনিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

সংবাদ ডেস্ক

image

ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনার

sangbad ad

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়টি বাংলাদেশের ওপর নির্ভর করছে : মায়ানমার পুর্নবাসনমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়টি বাংলাদেশের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন মায়ানমারের

আসিয়া বিবির কারামুক্তি

সংবাদ ডেস্ক

image

ধর্ম অবমাননার (ব্লাসফেমি আইনে) অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে আট বছর কারাগারে

ক্যালিফোর্নিয়ায় বারে বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত ১২

সংবাদ ডেস্ক

image

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি বারে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে

ডেমোক্র্যাটদের ঘুরে দাঁড়ানোয় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্প

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মার্কিন কংগ্রেসের ২২তম মধ্যবর্তী নির্বাচনকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য ‘গণভোট’ হিসেবে

ইতিহাস গড়লেন যারা

সংবাদ ডেস্ক

image

এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে ইতিহাস গড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ২২তম এ কংগ্রেসে

নভেম্বরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না করার আহ্বান জাতিসংঘের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নভেম্বরের মধ্যে শুরু না করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির

sangbad ad