• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

 

সিরিয়া পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে

সিরিয়া পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
image

কোন সমাধানের দিকে না এগিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করছে সিরিয়ায়। গত মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) দেশটির ইদলিব শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে কয়েক দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে সিরিয়ার সরকার ও তার মিত্র রাশিয়া। কারণ প্রেসিডেন্ট বাশার দেশজুড়ে বিদ্রোহীদের দমন করতে সক্ষম হলেও ইদলিবে এখনও বিদ্রোহীদের শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। এ ঘাঁটিটি নিয়ন্ত্রণে আসলেই পুরো সিরিয়ায় নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অপরদিকে দেশটির বিদ্রোহীদেরকে সমর্থন দিয়ে আসা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ হামলার পর হুমকি দিয়েছে বিদ্রোহীদের উপর সিরিয়া সরকার যদি রাসায়নিক হামলা চালায় তাহলে পরিণতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রও দেশটিতে হামলা চালাতে পারে। তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে, সিরিয়া সরকার ও রাশিয়া যদি হামলা অব্যাহত রাখে এবং যুক্তরাষ্ট্রও যদি হামলা চালায় তাহলে পরিস্থিতি খুবই ভয়বহ আকার ধারণ করবে। বিবিসি, রয়টার্স, পার্সডুডে।

এ পরিস্থিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিরিয়ায় হামলার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি সিরিয়ায় হামলা চালায় তাহলে দেশটি যেন আগে তার হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলো রাশিয়াকে জানায়। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেরকে হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্য বিমান হামলার জন্য পেন্টাগন ইতোমধ্যে লক্ষ্যবস্তু ঠিক করেছে বলে যে খবর বের হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের উচিত সম্ভাব্য সেসব লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রকাশ করা। নেবেনজিয়া আরও বলেন, ‘যদি আপনারা বিশ্বাস করেন যে, ওইসব লক্ষ্যবস্তু রাসায়নিক অস্ত্রের গুদাম তাহলে আপনারা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি কিছু সম্মান দেখান এবং রাসায়নিক অস্ত্রের গুদাম সম্পর্কিত তথ্য রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা বা ওপিসিডাব্লিউ-কে জানান।’ জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, ইদলিব এখনও বাশার বিদ্রোহীদের জন্য খুবই শক্ত ঘাঁটি। দেশের প্রায় সব শহর নিজের নিয়ন্ত্রণে আনলেও ইদলিব এখনও বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখনও প্রায় ১০ হাজার আল-নসুরা ও আল-কায়েদা সদস্য ইদলিবে অবস্থান করছে।

ধারণা করা হচ্ছে, দেশটির দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের শেষ বড় ধরনের লড়াই এখানেই সংঘটিতে হবে। তাই সিরিয়া সরকার চাইছে যেভাবেই হোক এই ঘাঁটি বিদ্রোহীদের হাত থেকে উদ্ধার করতে হবে। অপরদিকে এর বিরোধিতা করে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা বলছে, সিরিয়া রাসায়নিক হামলা চালাবে এবং এ ধরনের হামলা হলে দামেস্কের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানো হবে। এর আগেও রাসায়নিক হামলার অভিযোগে সিরিয়ার ওপর বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা। এর প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইটার বার্তায় হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেছিলেন, সিরিয়ায় রাশিয়ার হামলার অভিযান হবে বড় ধরনের মানবিক ভুল এবং এ অভিযানে কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারাতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত নিক্কি হ্যালি বলেছেন, ইদলিবে বাশার, রাশিয়া ও ইরানের পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছে সবাই। জাতিসংঘ সতর্ক করে জানিয়েছিল, ইদলিবে হামলা চালালে সেখানে ‘রক্তবন্যা’ হয়ে যেতে পারে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সিরিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইমাদ খামিস জানিয়েছেন, বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশ শিগগিরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসবে। তিনি সেখানে সম্ভাব্য যেকোন যুদ্ধে জয়লাভের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ইদলিবকে জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হবে।’ ইদলিব প্রদেশ থেকে সন্ত্রাসীদের নির্মূলের জন্য যখন ইরান, রাশিয়া ও হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সহযোগিতায় চূড়ান্ত অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সিরিয়ার সেনারা তখন ইমাদ খামিস এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করলেন। কৌশলগত দিক দিয়ে ইদলিব হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রদেশ যার সঙ্গে তুরস্কের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে এবং এর পাশেই অবস্থিত উপকূলবর্তী লাত্তাকিয়া প্রদেশে। সিরিয়ার মুক্ত হওয়া অঞ্চল থেকে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যরা ইদলিবে আশ্রয় নিয়েছে এবং এখন সেখানে সামরিক অভিযান চালাবে সিরিয়া। ইদলিবে তুর্কি সমর্থিত সন্ত্রাসীরা রয়েছে যারা বাশার আল-আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ওই এলাকায় তুর্কি সেনাবাহিনীর বহুসংখ্যক পর্যবেক্ষণ পোস্টও রয়েছে। তুরস্ক ইতোমধ্যে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিরোধিতা করে সিরিয়াকে সতর্ক করেছে।

ইদলিব ইস্যুতে ইরানের রাজধানী তেহরানে শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রিদেশীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। সিরিয়া সংকট সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনার করাই তিন প্রেসিডেন্টের আজকের বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য। বৈঠকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটনের উপায় নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সিরিয়ার শরণার্থীরা যাতে তাদের নিজ দেশে ফিরে আসতে পারে সে পরিবেশ তৈরি করার বিষয়টিও বৈঠকে অগ্রাধিকার পাবে। ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় সিরিয়া বিষয়ক যে শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তার উদ্যোক্তা ছিল ইরান, রাশিয়া ও তুরস্ক। আস্তানা সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য হচ্ছে, ওই সম্মেলন থেকে সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। এর জেরে দেশটির সহিংসতা অনেকাংশে কমে আসে। এর আগে রুহানি, পুতিন ও এরদোগান ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর রাশিয়ার সোচি শহরে প্রথম সিরিয়া বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। ২০১৮ সালের ৪ এপ্রিল তুরস্কের আঙ্কারায় তিন প্রেসিডেন্টের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় শুক্রবার তেহরানে তাদের মধ্যে তৃতীয় বৈঠক হলো। তবে বৈঠকের বিস্তারিত জানা যায়নি।

রোহিঙ্গাদের বলপুর্বক ফেরত পাঠানো আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন : জাতিসংঘ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গাদের বলপুর্বক ফেরত পাঠানো হলে সেটা ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ হবে

উত্তপ্ত গাজা-ইসরায়েল সীমান্ত : ৬ হামাস সদস্য নিহত

সংবাদ ডেস্ক

image

অধিকৃত গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক কমান্ডোদের গুপ্ত হামলার পর তেল আবিবে ব্যাপক

খাশোগির খুনিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

সংবাদ ডেস্ক

image

ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনার

sangbad ad

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়টি বাংলাদেশের ওপর নির্ভর করছে : মায়ানমার পুর্নবাসনমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়টি বাংলাদেশের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন মায়ানমারের

আসিয়া বিবির কারামুক্তি

সংবাদ ডেস্ক

image

ধর্ম অবমাননার (ব্লাসফেমি আইনে) অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিয়ে আট বছর কারাগারে

ক্যালিফোর্নিয়ায় বারে বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত ১২

সংবাদ ডেস্ক

image

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি বারে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে

ডেমোক্র্যাটদের ঘুরে দাঁড়ানোয় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্প

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মার্কিন কংগ্রেসের ২২তম মধ্যবর্তী নির্বাচনকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য ‘গণভোট’ হিসেবে

ইতিহাস গড়লেন যারা

সংবাদ ডেস্ক

image

এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে ইতিহাস গড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ২২তম এ কংগ্রেসে

নভেম্বরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না করার আহ্বান জাতিসংঘের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নভেম্বরের মধ্যে শুরু না করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির

sangbad ad