• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

 

শরণার্থী সংকটের ইউরোপীয় সমাধানে জার্মানি-ফ্রান্সের ঐকমত্য

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ২০ জুন ২০১৮

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
image

জার্মানির মেসেবার্গ শহরে মঙ্গলাবর ২০তম মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল (ডানে) ও ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (বামে) -দ্য টেলিগ্রাফ

ইউরোপে শরণার্থী সংকট নিরসনে সামগ্রিক সমাধানসূত্র তুলে ধরেছেন ফ্রান্স ও জার্মানির শীর্ষ দুই নেতা। এ দুই দেশের পক্ষ থেকে অ্যাঞ্জেলা মার্কেল ও ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর এ সমাধানসূত্রে ইউরোপীয় কমিশনের প্রস্তাবও স্থান পেয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর মার্কেল তার সরকারের রাজনৈতিক সংকট মেটাতে চান। তবে দায়িত্ব এড়িয়ে ইউরোপীয় চুক্তি অমান্য করে শরণার্থীদের অন্য দেশে ঠেলে দেয়ার প্রথার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর ইউরোপের সবচেয়ে প্রভাবশালী দুই দেশের শীর্ষ দুই নেতা।

শরণার্থী নীতিকে কেন্দ্র করে দেশের মধ্যে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন চ্যান্সেলর মার্কেল। আর তাই এ বিষয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সমর্থন পেয়ে কিছুটা আশ্বস্ত হলেন তিনি। মঙ্গলবার (১৯ জুন) বার্লিনের উপকণ্ঠে শীর্ষ বৈঠকের পর ম্যাক্রোঁ বলেন, শরণার্থীরা ইউরোপের যে দেশে প্রথম নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছে, যত দ্রুত সম্ভব তাদের সেখানে ফেরত পাঠাতে হবে। এ লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সমাধানসূত্র খুঁজে বের করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ম্যাক্রোঁ মার্কেলের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে মার্কেল শরণার্থী নীতির প্রশ্নে একতরফা পদক্ষেপের পরিবর্তে ইউরোপীয় স্তরে সমাধানসূত্রের যে উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন, সেই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানালেন ম্যাক্রোঁ। এদিন মার্কেল বলেন, ম্যাক্রোঁ ও তিনি ইউরোপে আর বিভাজন চান না। তাদের মতে, ইউরোপীয় সংকটের মুখে বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপের পরিবর্তে সাধারণ সমাধানসূত্র প্রয়োজন। তা না হলে শেনজিয়েন চুক্তির ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এবং তার ফলে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে উন্মুক্ত সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাবে।

যেসব দেশে শরণার্থীদের আগমন ঘটে, তাদের সহায়তার জন্য এদিন বিশেষ ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছেন এ দুই নেতা। তাদের প্রস্তাবিত সার্বিক সমাধানসূত্রের আওতায় ইউরোপের বর্হিসীমানা সুরক্ষা সংস্থা ফ্রন্টেক্সকে আরও শক্তিশালী করে তোলা হবে।

শরণার্থীদের অন্য দেশে ঠেলে দেয়ার প্রথার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর মার্কেল-ম্যাক্রোঁ

এছাড়াও যেসব দেশ থেকে শরণার্থীরা আসছেন, সেসব দেশের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে বেআইনি অনুপ্রবেশ বন্ধ করার চেষ্টাও চালানো হবে। তবে ম্যাক্রোঁ ও মার্কেলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এক দেশে শরণার্থীরা নথিভুক্ত হবার পর তাদের সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশে চলে যেতে দেয়া হবে না। এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে জার্মানির বর্তমান জোট সরকারের মধ্যে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাভেরিয়ার সিএসইউ দল ইউরোপীয় বা দ্বিপাক্ষিক সমাধানসূত্রের জন্য অপেক্ষা না করে অবিলন্বে একক পদক্ষেপ নিতে চায়। আপাতত তারা মার্কেলকে দুই সপ্তাহ সময় দিতে সম্মত হয়েছে। এই সময়কালে মার্কেল বিকল্প সমাধানসূত্র না পেলে আগামী জুলাই মাসে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে ইউরোপীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক ইউরোপের বাইরে শরণার্থী শিবির গড়ে তোলার যে প্রস্তাব দিয়েছেন, মার্কেল সে বিষয়ে আলোচনা করতেও প্রস্তুত। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংগঠন আইওএম-এর সঙ্গে যৌথভাবে এমন শিবির পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছেন টাস্ক। তার মতে, এমন কেন্দ্রে প্রকৃত শরণার্থী ও অর্থনৈতিক শরণার্থীদের দ্রুত আলাদা করা সম্ভব হবে। বিপজ্জনক পথে ইউরোপে অনুপ্রবেশের পরিবর্তে আইনি পথে শরণার্থীদের এমন কেন্দ্রে যেতে উৎসাহ দেয়া হবে। এখনও পর্যন্ত কোন দেশের নাম প্রস্তাব না করা হলেও লিবিয়া ও আলবেনিয়ায় এমন কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা আলোচিত হচ্ছে। আগামী ইইউ শীর্ষ সম্মেলনে এ প্রস্তাবের খসড়া পেশ করা হবে। একই সঙ্গে বেআইনি অনুপ্রবেশ রুখতে মার্কেল আইনি পথে শরণার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণ বা উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থার পক্ষেও অবস্থান নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ম্যাক্রোঁ ও মার্কেল ইউরোপ জুড়ে শরণার্থী গ্রহণের একক মানদ-ের ওপর জোর দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য এক ইউরোপীয় এজেন্সি বিভিন্ন দেশের আইনের মধ্যে সমন্বয় করবে। তবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এত বড় আকারের পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে না। তাই শরণার্থী সংকটের সমাধান করতে আগামী সপ্তাহে ইইউ শীর্ষ সম্মেলনেই এসব প্রক্রিয়া শুরু করতে চান মার্কেল ও ম্যাক্রোঁ।

উ. কোরিয়ার সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র

সংবাদ ডেস্ক

image

কোরীয় উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ করার লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পুনরায় আলোচনা

রোহিঙ্গা নির্যাতন : প্রাথমিক তদন্ত শুরু অপরাধ আদালতের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

মায়ানমারের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রাথমিক তদন্ত

মায়ানমার সেনা আইনের ঊর্ধ্বে থাকলে দেশটিতে শান্তি ফিরবে না

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মায়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা কমিয়ে বেসামরিক প্রশাসনকে শক্তিশালী

sangbad ad

মুসলিম নারীদের সামাজিব ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে উৎসাহ দেবে ওআইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাষ্ট্রীয়, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মুসলীম নারীদের আরও সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত

তুরস্ক ও রাশিয়াকে অবশ্যই ইতিবাচক সমাধান খুঁজতে হবে: এরদোগান

সংবাদ ডেস্ক

image

সিরিয়া ইস্যুতে মস্কো ও রাশিয়াকে অবশ্যই ইতিবাচক সমাধান খুঁজতে হবে বলে মন্তব্য

চীন ও হংকংয়ে মাংখুটের আঘাত

সংবাদ ডেস্ক

image

ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর এবার চীন ও হংকংয়ে আঘাত হেনেছে

ফিলিপাইনে টাইফুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫

image

টাইফুন ম্যাংখুতের আঘাতে ধ্বংসযজ্ঞে পরিনত হয়েছে ফিলিপাইন জুড়ে। রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে

আমার সঙ্গে খেল, তোমার মোবাইলের সঙ্গে নয়

সংবাদ ডেস্ক

image

আজকাল প্রযুক্তির আসক্তির কারণে সামাজিক বন্ধন ভেঙে পড়ছে। বিষয়টি নিয়ে অনেক

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের পকেটে : উত্তর কোরিয়া

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

কোরীয় উপদ্বীপের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই নির্ভর করবে

sangbad ad