• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০

 

রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধে মায়ানমারকে বাধ্য করা হোক

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
image

দ্য হেগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মায়ানমারের গণহত্যার মামলার অভিযোগ পেশ করে গাম্বিয়া (ডানে) অভিযুক্ত সুচিসহ মায়ানমারের প্রতিনিধিরা (বামে)

মায়ানমারের রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগের শুনানি শুরু হয়েছে ১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার। শুনানির প্রথম দিনে গাম্বিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়, মায়ানমার রাষ্ট্রীয়ভাবে রোহিঙ্গাদের নিশ্চিহ্ন করার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের প্রতি ঘৃণা ছড়াচ্ছে। মায়ানমারে এখনও গণহত্যা চলছে অথচ অং সান সু চির এর বিরুদ্ধে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। গাম্বিয়া আবেদন করে এই অপরাধের দায়ে মায়ানমারের সেনাপ্রধান ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিচার করতে হবে এবং দ্রুত গণহত্যা বন্ধে মায়ানমারকে বাধ্য করতে হবে। এই অবস্থায় আদালত যদি রোহিঙ্গাদের রক্ষা না করে তাহলে আর কেউ তা করবে না। এখনও সেখানে গণহত্যা চলছে।

কাল মায়ানমার আদালতে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করবেন। এ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এক আইনজীবী জানান, সু চি তার বক্তব্যে যুক্তি দেখাবেন যে এই বিষয়ে বিচার করার অধিকার আইসিজের নেই। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ধর্ষণের কথা অস্বীকার করতে সু চির দফতর থেকে ফেসবুকে ‘ফেক রেপ’ নামে পেজ পরিচালনা করা হচ্ছে। মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোতে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করেছে রোহিঙ্গারা। কাল মায়ানমার এবং গাম্বিয়ার মধ্যে যুক্তি-তর্ক হবে।

দ্য হেগ শহরের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত আইসিজেতে মায়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনেছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গ্যাম্বিয়া। আজকের তিন ঘণ্টার শুনানিতে সাক্ষ্য-প্রমাণ দাখিল করার জন্যে গাম্বিয়া প্রজাতন্ত্রকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইনমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু এই শুনানিতে অংশ নেন। মায়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে শুনানির প্রথম দিনে যখন রোহিঙ্গাদের ওপর সে দেশের সামরিক বাহিনীর একের পর এক নৃশংসতার ঘটনা তুলে ধরা হচ্ছিল তখন সেখানে পাথরের মতো মুখ করে বসে ছিলেন নোবেল শান্তি পুরষ্কার বিজয়ী অং সান সু চি। এসব অভিযোগের জবাব দেয়ার জন্য মায়ানমার যে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে ফার্স্ট মিনিস্টার মিজ সু চি নিজেই তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

গাম্বিয়ার বিচার-মন্ত্রী আবুবাকার তাম্বাদু শুনানির শুরুতে বলেন, রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্বিচার হত্যার প্রশ্নে বিশ্ব বিবেককে জাগ্রত করতেই তার দেশ আইসিজেতে এই অভিযোগ এনেছে। সারা বিশ্ব কেন এখন নীরব দর্শক? কেন আমাদের জীবদ্দশাতে এটা আমরা ঘটতে দিচ্ছি? তিনি বলেন, সবাই মনে করে এখানে মায়ানমারের বিচার হচ্ছে। আসলে এখানে বিচার চলছে আমাদের সামগ্রিক মানবিকতার। মঙ্গলবার শুনানির প্রথম দিনে বাদীপক্ষের বক্তব্য শোনা হয়।

বিবিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, মায়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে মিজ সু চি যুক্তি দেখাবেন যে এই বিষয়ে বিচার করার অধিকার আইসিজের নেই।

শুনানিতে বক্তব্য রাখার সময় গ্যাম্বিয়ার নিযুক্ত একজন কৌঁসুলি অ্যন্ড্রু লোয়েনস্টিন রাখাইনের মংড়– শহরে বেশ কয়েকটি গণহত্যার বিবরণ পেশ করেন। মায়ানমারের সেনাবাহিনী, যাকে টাটমাডাও নামেও ডাকা হয়, ঐ শহরের শত শত রোহিঙ্গা বেসামরিক পুরুষকে হত্যা করে এবং নারীদের ধর্ষণ করে। আইসিজের ওয়েবসাইট থেকে লাইভ স্ট্রিম করা শুনানিতে এসব বিবরণ যখন পড়ে শোনানো হচ্ছিল তখন অং সান সুচির মুখে কোন অভিব্যক্তি লক্ষ্য করা যায়নি। কখনও সোজা সামনে তাকিয়ে, কখনও মাটির দিকে তাকিয়ে তাকে বাদী পক্ষের বক্তব্য শুনতে দেখা যায়।

শুনানির প্রথম দিকে গ্যাম্বিয়ার লক্ষ্য হচ্ছে, আদালতের কাছ থেকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ লাভ করা।

উদ্দেশ্য, মায়ানমারের অভ্যন্তরে যে প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা রয়ে গেছেন তাদের ওপর যে কোন ধরনের নির্যাতন না চলে, তা সুনিশ্চিত করা। পাশাপাশি, সাক্ষ্য-প্রমাণ ধ্বংস করার বিরুদ্ধেও ঐ আদেশ কার্যকরী হবে বলে বাদী পক্ষ আশা করছে। আদালত এই রায় দেবে কি দেবে না, সেটা নতুন বছরের শুরুর দিকেই জানা যাবে, বলছেন অক্সফোর্ডের ট্রিনিটি কলেজের আইনের অধ্যাপক মাইকেল বেকার। এটা এক দীর্ঘ প্রক্রিয়ার সূচনা মাত্র। এই মামলাটির নিষ্পত্তি হতে কয়েক বছর লেগে যাবে। কিন্তু গোড়ার দিকেই মায়ানমারের অভ্যন্তরের রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপত্তা বিধানের প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আইসিজের প্রতি আবেদন জানিয়ে গাম্বিয়া বলেছে, রোহিঙ্গাদের রক্ষা করা প্রয়োজন। এখনও তারা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। প্রতিদিনই সেখানে ঝুঁকি বাড়ছে।

আদালতের প্রতি আস্থা রয়েছে বলেই গাম্বিয়া আদালতে এসেছে। গাম্বিয়া চায় আদালত মায়ানমারকে গণহত্যা বন্ধ করতে বাধ্য করুক। মায়ানমার যেনো আর কখনও গণহত্যা চালাতে না পারে। আদালত হচ্ছে গণহত্যা প্রতিরোধের একমাত্র অভিভাবক। গাম্বিয়া মনে করে, রাষ্ট্রকেই গণহত্যা রোধ করতে হবে।

মায়ানমার নেত্রী অং সান সুচি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা বন্ধ করতে তার ক্ষমতা ব্যবহার করেননি বলেও অভিযোগ করা হয়।

আদালতকে গাম্বিয়া জানায়, যেসব গ্রামে রোহিঙ্গা নেই, সেসব গ্রামে নির্যাতনের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মায়ানমার রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে বহু বছর ধরে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই নির্যাতনের মাত্রা বাড়ানো হয়েছে। জাতিগতভাবে রোহিঙ্গাদের নিধন করার উদ্যোগ নিয়েছে মায়ানমার সরকার। এসব তথ্য আছে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনে।

মিশনের তথ্য প্রমাণ করছে, রোহিঙ্গাদের জোর করে বন্দিশিবিরে নিয়ে আনা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তার কথা বলে সেখানে আনা হয়েছিল। কিন্তু, মূল উদ্দেশ্য ছিল তাদের নিধন করা। দেশ থেকে বিতাড়িত করা। এই কাজটি রাখাইন রাজ্যে মায়ানমার সেনাবাহিনী করেছে। মায়ানমার রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাদের গতিবিধির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে ২০১২ সাল থেকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের অন্যদের থেকে আলাদা করে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো হয়েছে। তাদের জমিজমা কেড়ে নেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের মধ্যে খাদ্য সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে তারা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়। তাদের সব ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে।

মায়ানমার কোন স্বাধীন তদন্ত করতে দেয়নি। তাদের তদন্তগুলো ছিল ‘হোয়াইট ওয়াশ’। তারা মূল ঘটনা থেকে অন্যদের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। মায়ানমার মিথ্যাচার করছে বলেও মন্তব্য করেছে গাম্বিয়া।

রোহিঙ্গাদের শান্তির সন্ধানে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে আজ বাংলাদেশ সময় বেলা তিনটায় বিচারের শুনানি শুরু হবে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী তাফাদজ পাসিপান্দো বলেছেন, রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণের কথা অস্বীকার করতে মায়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি বলেছেন, সেনাবাহিনী এবং বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর কেউ নোংরা বাঙালি মেয়েকে ছোঁবে না। ওরা আকর্ষণীয় নয়। এই আইনজীবী বলেন, ফেসবুকে ‘ফেক রেপ’ নামে যে পেজ খোলা হয়েছে, সেটির নিয়ন্ত্রণও হচ্ছে স্টেট কাউন্সিলরের দফতর থেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী তাফাদজ পাসিপান্দো এরপর আদালতের কাছে আরাকানে এখনও যে ছয় লাখ রোহিঙ্গা আছেন, তাঁদের দুর্ভোগ ও ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। পাসিপান্দো বলেন, সেখানে রোহিঙ্গাদের কাঁটাতারের বেষ্টনীর মধ্যে শিবিরে আটক রাখা, চলাচলের স্বাধীনতা খর্ব করা ও অন্য বিধি-নিষেধের কথা, যা জাতিসংঘ তদন্তে উঠে এসেছে, সেগুলোর বিবরণ দেন।

এই আইনজীবী বলেন, রোহিঙ্গাদের চাষাবাদের জমি কেড়ে নেয়া হয়েছে, খাদ্য সরবরাহ কমানো হয়েছে, তাদের পালিত পশু কেড়ে নেয়া হয়েছে বলে জাতিসংঘ তদন্তে যে তথ্য উঠে এসেছে, তার উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের অভুক্ত রাখা। এগুলো গণহত্যার উদ্দেশ্য হিসেবে সনদের লঙ্ঘন। আরও গণহত্যার অপরাধ যাতে না ঘটে, সে জন্য ব্যবস্থা নিতে পারেন এই আদালত। তিনি বিভিন্ন প্রমাণ তুলে ধরে বলেন, এগুলোয় গণহত্যার উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটেছে। এরপর তিনি তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

ইসলামী দেশগুলোর জোট ওআইসির পক্ষে গাম্বিয়া-মায়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ এনে দ্যা হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলাটি করেছে গত ১১ নভেম্বর। বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যানাডা এবং নেদারল্যান্ডসও শুনানিতে গাম্বিয়াকে সহযোগিতা করবে। মায়ানমারে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সেখান থেকে পালিয়ে প্রায় লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ২০১৭ সালে।

নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আইসিজের ওয়েবসাইটে জানানো হয়, আদালত তিন দিন শুনানি করবে। কাল একই সময়ে শুরু হতে যাওয়া শুনানিতে অংশ নেবে মায়ানমার। শুনানির শেষ দিনে (১২ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় দেড় ঘণ্টার আলোচনায় অংশ নিবে গাম্বিয়া এবং বিরতির পর রাত সাড়ে ৯টায় দেড় ঘণ্টার আলোচনায় অংশ নিবে মায়ানমার।

১৫ সদস্য বিশিষ্ট আদালতের বর্তমান প্রেসিডেন্ট সোমালিয়ার আবদুলকাবি আহমেদ ইউসুফ এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট চীনের শুই হানকিন। আদালতের অন্য সদস্যরা হলেন : স্লোভাকিয়ার বিচারপতি পিটার টমকা, ফ্রান্সের বিচারপতি রনি আব্রাহাম, মরক্কোর বিচারপতি মোহাম্মদ বেনুনা, ব্রাজিলের অ্যান্তোনিও অগাস্তো কানশাদো ত্রিনদাদে, যুক্তরাষ্ট্রের জোয়ানই ডনোঘুই, ইতালির গর্জিও গাজা, উগান্ডার জুলিয়া সেবুতিন্দে, ভারতের দলবীর ভা-ারি, জ্যামাইকার প্যাট্রিক লিপটন রবিনসন, অস্ট্রেলিয়ার জেমস রির্চাড ক্রার্ফোড, রাশিয়ার কিরিল গিভরগিয়ান, লেবাননের নওয়াফ সালাম এবং জাপানের ইউজি ইওয়াসাওয়া।

করোনাভাইরাস এখনও অপ্রতিরোধ্য

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

চীনে মহামারী আকারে তাণ্ডব চালিয়ে নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। দক্ষিণ এশিয়ার চীন থেকে এ ভাইরাসের

করোনা আতঙ্কে স্কুল-কলেজ ও সীমান্ত বন্ধ করলো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

image

ইরানে নির্বাচন চলাকালীন সময়ে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় ভাইরাস সংক্রমিত এলাকায় স্কুল-কলেজ-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ

বিরল ইনফ্লুয়েঞ্জায় যুক্তরাষ্ট্রে নীরব মৃত্যু ১৪ হাজার

সংবাদ ডেস্ক

image

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলতি মৌসুমে বিরল এক ইনফ্লুয়েঞ্জায় (ভাইরাসঘটিত এক ধরনের ছোঁয়াচে সর্দি জ্বর) আক্রান্ত হয়ে কমপক্ষে

sangbad ad

করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও থেমে নেই প্রাণহানি

সংবাদ ডেস্ক

image

চীনের হুবেই প্রদেশে করোনাভাইরাসে নতুন করে আরও ১০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে প্রদেশটিতে এ ভাইরাসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে

চীনে নিহতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়াল

সংবাদ ডেস্ক

image

চীনে আরও ১৩৬ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে নতুন করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তবে নতুন রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে

কেজরিওয়াল তৃতীয়বার শপথ নিলেন

সংবাদ ডেস্ক

image

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বারের মতো শপথ নিয়েছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। রাজধানীর বিখ্যাত

কমতে শুরু করেছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা

সংবাদ ডেস্ক

image

চীনে কমতে শুরু করেছে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশটির যে এলাকাকে এ ভাইরাসের

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে অবহেলার দায়ে হুবেইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অপসারণ

সংবাদ ডেস্ক

image

নভেল করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে অবহেলার দায়ে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে তাদের পদ থেকে সরিয়েছে চীন। যারা চাকরি হারিয়েছেন

১শ’ আরোহী নিয়ে রাশিয়ায় ছিটকে গেল বিমান

সংবাদ ডেস্ক

image

১শ’ আরোহী নিয়ে বিমানবন্দরে ছিটকে পড়েছে বিমান। রাশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি বিমান-বন্দরে ৯ ফেব্রুয়ারি রোববার এ ঘটনা ঘটেছে।

sangbad ad