• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০

 

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: এবারও কি নির্ধারক হয়ে উঠবে ফ্লোরিডা?

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০

সংবাদ :
  • সংবাদ অনলাইন ডেস্ক
download
image

ফ্লোরিডা। নাম শুনলেই রিপাবলিকানদের যেমন হাসি ফোঁটে, ডেমোক্র্যাটদের তেমনি কাঁপুনি ধরে যায়। এই অঙ্গরাজ্য অনেকবারই উদারনৈতিকদের স্বপ্নভঙ্গের কারণ হয়েছে। গণজোয়ারের মধ্যেও ২০১৮ সালে এখানকার গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এখানে সামান্য ব্যবধানে হেরে বসে। ২০০০ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সারাদেশে পিছিয়ে থেকেও শুধু এই রাজ্যের সমর্থনেই জয়ী হয়ে হোয়াইট হাউজে যেতে পেরেছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ। যুক্তরাষ্ট্রের অন্য সব অঙ্গরাজ্যের সর্বমোট ভোট ও ইলেকটোরাল কলেজের ভোট - উভয় দিক দিয়েই এগিয়ে ছিলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল গোর। কিন্তু শেষমেষ বুশ ফ্লোরিডার সবগুলো ইলেকটোরাল কলেজের সমর্থন পেয়ে এগিয়ে যান। তাই ডেমোক্র্যাটদের কাছে ফ্লোরিডা - ভরসা করা যায় না এমন বন্ধুর মতো, যে বিপদে তার কোনো কাজে আসে না।

গত যে চারটি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা জিতেছে, ফ্লোরিডাকে ছাড়াই জিতেছে। কিন্তু শেষ যে তিনটি নির্বাচনে তারা হেরেছে, তার অন্তত দুটিতে তারা জিততে পারতো ফ্লোরিডায় জয় পেলে। তবে ২০১৬ সালের নির্বাচনে সারা দেশ মিলেই ইলেকটোরাল কলেজের সমর্থন বেশি পান ট্রাম্প। সেই নির্বাচনেও হিলারির অবস্থা যে সুবিধের না তা বোঝা গিয়েছিল ফ্লোরিডার ফলাফল হাতে আসার পরই।

তার চার বছর পর আবার যে নির্বাচন এখন হচ্ছে, তাতে ফ্লোরিডার ফলাফল আবারও মুখ্য হয়ে উঠতে পারে। জনমত জরিপের ফল অনুযায়ী, এই অঙ্গরাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে ট্রাম্প ও বাইডেনের মধ্যে। প্রেসিডেন্ট কে হবে তার নির্ধারক হয়ে উঠতে পারে এখানকার ভোটের ফলাফল।

আর সে কারণেই সম্প্রতি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দলের কর্মীদের বলেন, “তোমরা যদি ফ্লোরিডাকে ঘরে আনতে পারো, তাহলে খেলা আমাদের।”

•ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের ভিত্তি

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে পরবর্তী নির্বাচনে জয়ের কৌশল হিসেবে ফ্লোরিডার ওপর বিশেষভাবে মনোযোগ দেন ট্রাম্প। তিনি সেখানকার মার-এ-লাগো এবং ডোরাল প্রপার্টিজে নিয়মিত সফর করেছেন। সারাজীবন নিউ ইয়র্কের বাসিন্দা ট্রাম্প থাকার জায়গা হিসেবে বেছে নেন ফ্লোরিডাকে।

গত শুক্রবার সেখানকারন পেনসাকোলা শহরের বিমানবন্দরে হাজার হাজার উদ্বেল সমর্থকের সামনে ঘোষণা দেন, “এই অঙ্গরাজ্যই আমার বাড়ি।” পরের দিন এখানকারই পাম বিচে সশরীরে ভোট দেন তিনি। গত সেপ্টেম্বরে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠার পর তার চতুর্থ সমাবেশটি হয় পানসাকোলায়। এই অঙ্গরাজ্যে প্রথম। এটি পার্শ্ববর্তী অ্যালাবামা ও মিসিসিপির মতোই রক্ষণশীল দুর্গ সংবলিত রিপাবলিকান ঘাটি। ট্রাম্পের সমাবেশের বাইরেই নির্বাচনী প্রচারণার উপকরণ বিক্রি করছিলেন ডানা আরডুয়িনি। তিনি বলেন, এই এলাকার কারণেই ফ্লোরিডা সুইং স্টেট, জনসমর্থনের দিক থেকে দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্য। এই এলাকায় রিপাবলিকান বেশি। এর কারণেই ডেমোক্র্যাট অধ্যুষিত দক্ষিণাংশের সঙ্গে রিপাবলিকানদের ভোটের ভারসাম্য হয়।

আরডুয়িনির মত, “জনমত জরিপে ট্রাম্পের লাজুক সমর্থকেরা অংশ না নেওয়ায় বাইডেন এগিয়ে আছে দেখাচ্ছে। কিন্তু অন্তত ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের সমর্থকেরা সরব ও সক্রিয়।”

ট্রাম্পের সমাবেশে লাল অক্ষরে ট্রাম্প-পেন্স লেখা টিশার্ট পরে আসা ক্রিস্টেন রাসমুসেন বলেন, “আমি মনে করি ফ্লোরিডার মানুষজন ট্রাম্পকে পচ্ছন্দ করেন।”

পেনসাকোলার সমাবেশে গা-গরমের বক্তৃতায় হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের কংগ্রেসম্যান ম্যাট গ্যাটজ বলেন, “আমরা অতীতে বহু প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছি। আমরা জানি কীভাবে তা করতে হয়।”

ট্রাম্পের প্রতি ফ্লোরিডাবাসীর সমর্থনের বিষয়টি তার নির্বাচনী জনসভাতে বোঝা গেছে। যখন মার-এ-লাগোর এস্টেটে ট্রাম্প আসেন তার বাইরে তার সমর্থকেদের হাত নাড়তে, উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।

এই অঙ্গরাজ্যে করোনা মহামারির আগে ট্রাম্পের সমর্থনে নিয়মিত সামাজিক অনুষ্ঠানাদির আয়োজন হতো। পানশালায়, রেস্তোরায়, এমনকি বৌলিং খেলার ঘরে। তাছাড়া দক্ষিণ ফ্লোরিডার পাম বিচে - যেখানে ট্রাম্প তার বাসভবন করেছেন - ডেমোক্র্যাটদের প্রাধান্য থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় ফ্যান ক্লাবটি সেখানেই। ‘ক্লাব ৪৫’ সেটির নাম। তারা প্রতি মাসে সেখানে ট্রাম্পের সমর্থনে সভা করতো। যেখানে কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার ব্যক্তি অংশ নিতো যাদের মধ্যে অতিথি বক্তা থাকতেন ব্যবসায়ীরা। সেখানে ট্রাম্পের সাজ-পোশাক পরে আসতেন অনেকে। মঙ্গলবার একটি হোটেল বলরুমে তারা বুফে ও আইসক্রিম বার সহযোগে ট্রাম্পের “বিজয় উৎসব” করেছেন।

এই ক্লাবের সহপ্রতিষ্ঠাতা জো বাড বলেন, “প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আরো প্রার্থী আছেন যারা ফ্লোরিডার ভোটারদের সঙ্গে সে অর্থে কোনো সংযোগ তৈরি করতে পারেননি। কিন্তু আগের যে কোনো প্রেসিডেন্টের তুলনায় বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে ট্রাম্পের যোগাযোগ বেশি। আমি তাকে ব্লু কালার বিলিয়নিয়ার বলতে পচ্ছন্দ করি। তিনি মানুষের লোক। তিনি কাজের মানুষ।”

•ডেমোক্র্যাটদের আশা ও আশঙ্কা

গত শনিবার পাম বীচের ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পানসাকোলা এয়ারপোর্টে ট্রাম্পের সমাবেশের একদিন পর সেখান থেকে ৮৫০ কিলোমিটার দূরে এই অঙ্গরাজ্যেরই একটি জায়গায় জো বাইডেনের সমর্থনে বক্তৃতা করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

ওবামা দুইবারই জিতেছিলেন ফ্লোরিডায়।

মিয়ামিতে হাত-মাইকে একদল প্রচারণাকর্মীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “তোমরা যদি ফ্লোরিডাকে ঘরে আনতে পারো, তাহলে খেলা আমাদের।”

এর কয়েক ঘন্টা পরে আরেকটি সমাবেশে তিনি অবিশ্বাস্য সব কথা বলেন ট্রাম্পের ব্যাপারে।

তিনি বলেন, “এই মহামারি যে কোনো প্রেসিডেন্টের জন্যই সামলানো কঠিন হতো। যেহেতু গত একশ বছরে আমরা এমনটা দেখিনি।”

“তবে আর কিছু করতে পারুক আর না পারুক, এই প্রেসিডেন্ট যে অবস্থার আরো ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে সেটা তো কোনো কাজের কথা হতে পারে না।”

২৭ বছর বয়সী আমোর রদ্রিগেস নামে বাইডেনের কিউবান সমর্থক গোষ্ঠীর এক সদস্য ওবামার বক্তব্য শুনে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “ভালবাসা ছড়িয়ে দিতে পারে, শান্তির পক্ষে উদ্বুদ্ধ করতে পারে, দাঁড়িয়ে এভাবে আমাদের সামনে কথা বলতে পারে, এমন একজন প্রেসিডেন্টের তীব্র অভাব বোধ করছিলাম।”

আমোর জানান ২০১৬ সালে হিলারির হারের যন্ত্রণা তিনি ভুলতে পারেন না। এমনকি এখন জনমত জরিপে বাইডেনের এগিয়ে থাকার চিত্র পাওয়া গেলেও তিনি নিশ্চিত হতে পারেন না।

তার আরেকটা বড় উদ্বেগের জায়গা হচ্ছে বাইডেনকে ট্রাম্প সোসালিস্ট হিসেবে চিত্রিত করতে চাইছেন। কিন্তু এখানে যে কিউবান বা দক্ষিণ আমেরিকার অভিবাসীরা রয়েছেন, তাদের কাছে সোশালিস্ট মানে ফিদেল কাস্ত্রো বা মাদুরোর “একনায়কতন্ত্র”।

দক্ষিণে যদি বাইডেনকে সোশালিস্ট হিসেবে দেখিয়ে এদের ভোট ভাগ করে ফেলতে পারে, তাহলে উত্তরের প্রাধাণ্যের কারণে এই অঙ্গরাজ্যে জয় ট্রাম্পেরই হবে বলে আশঙ্কা তার।

ওবামা নিজেও সেই শঙ্কার দিকটি তার বক্তৃতায় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বাইডেনকে লাতিন আমেরিকার কমিউনিস্টদের সঙ্গে মেলানোটা উদ্ভট। তিনি ডেলাওয়ারের সিনেটর ছিলেন। তিনি আমার প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। আমার ধারণা তিনি যদি সোশ্যালিস্ট হতেন তাহলে মানুষ নিশ্চয়ই এতদিনে তা জানতে পারতো।”

ওবামা নির্বাচনে জিতেছিলেন কৃষ্ণাঙ্গ আর হিস্পানিকদের ভোটে। তরুণরা তাকে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু গতবারের নির্বাচনে হিলারিকে তারা ভোট দেয়নি।

তবে এবার তা হবে না বলে মনে করেন ১৬ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট কর্মী রেমন্ড অ্যাডার্লি। তিনি বলেন, হিলারির হারটা ছিল বিব্রতকর।

তার কথা, “আমরা ফ্লোরিডাতে ভালো করবো। ইতিহাসে তরুণ ভোটারদের এত ভোট দেওয়ার ঘটনা আগে ঘটেনি। তারা শুধু রাস্তায় নামছে তাই নয়, তারা ভোট দিতে রাস্তায় নামছে বলেন তিনি। ভোটেই আমরা জিতে যাবো।”

নির্বাচনের আর দিন কয়েক বাকি। ফ্লোরিডা আগে থেকেই ডাক যোগে ভোট দিয়ে আসছিল। সশরীরে ভোট দেওয়া শুরু হয়েছে সোমবার থেকে।

জাপানের নাগরিকরা বিনামূল্যে পাবেন করোনা ভ্যাকসিন

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

করোনা ভ্যাকসিন আগে পাওয়ার প্রতিযোগিতায় উন্নত দেশগুলোর মধ্যে জাপানও রয়েছে। দেশটিতে বুধবার পাস হওয়া একটি বিলের আওতায় সে দেশের সকল বাসিন্দা বিনামূলে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন পাবেন। এদিকে, দেশটি প্রাত্যহিক রেকর্ডসংখ্যক করোনা সংক্রমন মোকাবেলা করছে। খবর এএফপি’র।

যুক্তরাষ্ট্রে সহিংসতা উসকে দিচ্ছেন ট্রাম্প: নির্বাচনী কর্মকর্তা

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সংঘাত উসকে দেয়ার অভিযোগ করেছেন তারই দলের একজন নির্বাচনী কর্মকর্তা, তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কোনো সংঘাত বেধে গেলে দায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই নিতে হবে। খবর বিবিসির।

ভারতে কৃষক বিদ্রোহ: সরকার বলছে নতুন কমিটির কথা, কৃষকদের না

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে নতুন কৃষি আইন বাতিলেরদাবিতে বিক্ষোভরত কৃষকদের প্রতিনিদেরর

sangbad ad

সবাইকে টিকা দেবে না ভারত

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

ভারত তার সব নাগরিককে টিকা দেবে না। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ

ফাইজারের ভ্যাকসিন অনুমোদন, আগামী সপ্তাহে প্রয়োগ শুরু

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

আগামী সপ্তাহ থেকে ফাইজার-বায়োএনটেকের কোভিড টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্যই প্রথম দেশ যারা টিকাটির অনুমতি দিলো। এর ফলে টিকাটি ব্যাপক পরিসরে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সামনের

নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগের কোন প্রমাণ পাননি উইলিয়াম বার

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের ভোট জালিয়াতির অভিযোগের বিষয়ে কোন প্রমাণ খুঁজে

চীনের মহাকাশযান নমুনা সংগ্রহে চাঁদে গেছে

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

চীনের মনুষ্যবিহীন মহাকাশযান চ্যাঙ’ই-৫ চন্দ্রপৃষ্ঠে সফলভাবে অবতরণ করেছে। এই যানটি চাঁদ থেকে

ইরানের পরমাণু বিজ্ঞানীকে “হত্যা করেনি ” সৌদি আরব

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

ইরানের অভিযোগ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদেহকে হত্যার পেছনে সৌদি আরবের হাত

করোনা ভাইরাস নাক দিয়ে মস্তিষ্কে পৌঁছে স্নায়ুতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

করোনাভাইরাস শুধু শ্বাসনালী ও ফুসফুস নয়, নাক দিয়ে মস্তিষ্কে পৌঁছে যাচ্ছে। এটি