• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

 

মায়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদেকে তাড়ানোর মূল অস্ত্র ধর্ষণ

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গাদের তাড়ানোর জন্য অস্ত্র হিসেবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণকে ব্যবহার করছে দেশটির সেনাবাহিনী। রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নির্মূল করার ষড়যন্ত্রে রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর সহিংসতা এবং সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। ঘটনা তদন্তে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে গিয়ে সেইসব ভয়াবহ যৌন নিপীড়নের ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে সহিংসতা ও যৌন নিপীড়ন ঘটনা তদন্তে গঠিত জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দল। মায়ানমারের সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সাম্প্রতিক মানবাধিকার হরণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনা তদন্তে ওই অনুসন্ধানী দল গঠন করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে ওই দল তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের চলমান তদন্তকে ভিত্তি করে রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার এবিসি নিউজ আর ভারতের এনডিটিভিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের ধারাবাহিকভাবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে জাতিসংঘের দুই কর্মকর্তা বলেছেন রোহিঙ্গাদের রাখাইন থেকে তাড়ানোর অস্ত্র হিসেবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণকে ব্যবহার করছে মায়ানমারের সেনাবাহিনী। এদিকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার করে রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন। মায়ানমারের সরকারি বাহিনীর রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাকে জাতিসংঘ ইতোমধ্যে ‘জাতিগত নির্মূলের পাঠ্যপুস্তকীয় দৃষ্টান্ত আখ্যা দিয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ অক্টোবরে শুরু হওয়া সেই যৌন নিপীড়নকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কাঠামোগত সহিংসতা আখ্যা দিয়েছেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ‘জাতিগতভাবে নির্মূল করার’ অভিযানে সেনাবাহিনী নারী ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলে আলামত মিলছে। জাতিসংঘের চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সহিংসতার মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে এমন কয়েক ডজন নারী চিকিৎসা নিয়েছেন, যাদের আঘাতগুলো নৃশংস যৌন হামলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। মায়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু এই মুসলিম নারীরা বারবার বলাৎকার ও দলবদ্ধ ধর্ষণের যে অভিযোগ এনেছেন, সেগুলোকেই জোরালোভাবে সামনে এনেছেন এই চিকিৎসরা। কিছু ক্ষেত্রে রয়টার্সের পর্যালোচনা করা মেডিকেল নথির সঙ্গেও এগুলো মিলে যায়।

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আয়েশা (ছদ্ম নাম) নামের এক নারীর বিপন্নতার কথা। আরও অনেকের সঙ্গে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন আয়েশা। ২০ বছর বয়সী এই নারী এসেই লেডা শরণার্থী শিবিরের চিকিৎসাকেন্দ্রের শরণাপন্ন হন। তার গ্রামে যখন সেনাবাহিনী প্রবেশ করে গ্রামবাসী পালাতে শুরু করে। আয়েশা এএফপিকে বলেন, সেনারা এসেই বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিতে থাকে। সবাই পালাচ্ছিল। কিন্তু আমাকে তো আমার সন্তানের কথা ভাবতে হবে। আয়েশা এএফপিকে জানান, সেনা পোশাক পরে ৫ জন এসেছিল তার বাড়িতে। এদের একজন তাকে ধর্ষণ করে আর বাকিরা তা চেয়ে চেয়ে দেখতে থাকে। যুদ্ধ-সংঘর্ষে যৌন সহিংসতার ব্যবহার সংক্রান্ত জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি প্রমিলা প্যাটেন এই সপ্তাহে বলেছেন, রাখাইনের নিরাপত্তা অভিযান নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, যৌন নিপীড়নকে ‘সুনির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর (রোহিঙ্গা) জীবিতদের তাড়িয়ে দেয়ার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন।

সামিলার (ছদ্ম নাম) পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। ‘আমি জানি না, কোথায় আমার স্বামী-সন্তান। আমি মানুষজনের কাছে বারবার জানতে চাইছি। কোন খবর পাচ্ছি না। দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে বলেন সামিলা। এরপর তিনি ছোট্ট মেয়েকে কোলে নিয়ে ফিরে যান বাঁশ দিয়ে বানানো আশ্রয়স্থলে। এটাই এখন তাদের বসতবাড়ি। এএফপিকে সামিলা বলেন, যখন তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে আসছিলেন ৩ দিনের পথ হেঁটে, তখনও তার শরীর থেকে রক্ত ঝরছিল। কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি বলেন, সংঘবদ্ধ হয়ে তিন সেনা আমাকে ধর্ষণ করে। তারা চলে যাওয়ার পর আমি দুই সন্তানকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ি। জীবনের তাগিদে বাংলাদেশের সীমান্তের দিকে ধেয়ে আসতে থাকা মানুষের কাতারে শামিল হই।’ এবিসি রেডিও’র সাংবাদিক লিয়াম কোচরেন। রাখাইনে প্রবেশের সুযোগ হয়েছিল তার। মায়ানমার কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। তা সত্ত্বেও সুকৌশলে তিনি বের করে এনেছেন সেখানকার ভয়াবহতা। রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে এবিসি-তে তিনি প্রতিবেদন করেছেন ‘রাখাইনের ভয়ঙ্কর সব ধর্ষণের গল্প বলছেন নারীরা’ শিরোনামে।

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির ঘুরে রোহিঙ্গা নারীদের বিপন্নতা তুলে এনেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। রাখাইনের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একজন সম্পন্ন মানুষ ছিলেন মোহাম্মদ কাশিম। বাড়ি ছিল, গাড়ি ছিল, ছিল একটা সুখী পরিবার। তবে হঠাৎ একদিন মায়ানমারের সেনাবাহিনী তার বাড়িতে ঢুকে তছনছ করে দেয় সব। কাশিমের চোখের সামনে তার মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে সেনারা। সে সময় বাধা দিতে গেলে বন্দুক আর ছুরির মুখে আটকে রাখা হয় তাদের। কাশিম এনডিটিভিকে বলেন, ধর্ষণের পর আমার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়। তাকিয়ে তাকিয়ে দেখা ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার ছিল না।

এএফপির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নারীদের স্বামী কিংবা অন্য আত্মীয়স্বজন যখন বাড়িতে থাকেন না তখনই ঢুকে পড়ে মায়ানমারের সেনারা। সন্তানদের সামনে ধর্ষণ করে তাদের মাকে। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থার লেডা শরণার্থী শিবিরের এক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত আছেন নওরিন তাশনুপা। তিনি বলেছেন, প্রায় সব নারীকেই ধর্ষণ করা হয় পেটানোর পর। নওরিন জানান, ধর্ষিতা নারীদের থেঁতলে যাওয়া শরীর আর বুক কিংবা যৌনাঙ্গে কামড়ের চিহ্ন দেখেছেন তিনি। নওরিন এএফপিকে বলেন, মানুষ এসব ঘটনা তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও আলাপ-আলোচনা করত চান না। গত অক্টোবর থেকে এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে। তবে আমাদের কাছে একটা অভিযোগ আসতে ৩-৪ মাসও লেগে গেছে।

জাতিসংঘ অভিবাসন সংস্থার যৌন সহিংসতা থেকে সুরক্ষা সংক্রান্ত কর্মকর্তা ইরিন লরিয়া। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য এই মুহূর্তে এটি টিকে থাকার লড়াই। তার মতে ধর্ষণকে অস্ত্র বানানো হয় নানাভাবে। ইরিন জানান, ‘একসময় ধর্ষণকে ব্যবহার করা হতো নিপীড়নের একটি উপায় হিসেবে। প্রকাশ্যে নগ্ন করে হাঁটিয়ে নিয়ে বেড়ানো হতো রোহিঙ্গা নারীদের, তাদের ওপর যৌন সহিংসতা চালানো হতো।’ তবে ইরিনের ভাষ্য অনুযায়ী সবশেষ ধাপে জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের যে আলামত পেয়েছেন, সেখানে ধর্ষণকে ব্যবহার করা হচ্ছে নারীদের বিরুদ্ধে ভীতি ছড়াতে। সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনাগুলো বিচার করে তার মনে হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের তাড়িয়ে দেয়াই এগুলোর উদ্দেশ্য।

জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক দলের বরাত দিয়ে এএফপি আরও জানায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েও এ বিষয়ে কোন কথা বলতে চাননি। যুদ্ধে যৌন সহিংসতা বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি প্রমিলা প্যাটেন জানিয়েছেন, রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর সহিংসতা এবং সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এর আগে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রেডক্রসের প্রতিনিধি কোরিন আম্লার বলেছেন, শুধুমাত্র প্রাণভয়ে যে সব রোহিঙ্গা শরণার্থী মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের অবস্থা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। রোহিঙ্গাদের অবর্ণনীয় অবস্থার বর্ণনা করতে গিয়ে ইউনিসেফের মুখপাত্র ম্যারিক্সি মারকাডো বলেন, শরণার্থীদের কষ্ট দিনকে দিন বাড়ছে। তারা অমানবিক অবস্থায় অস্থায়ী ক্যাম্পে দিন পার করছেন।

এদিকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার করে রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন। মায়ানমারের সরকারি বাহিনীর রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাকে জাতিসংঘ ইতোমধ্যে ‘জাতিগত নির্মূলের পাঠ্যপুস্তকীয় দৃষ্টান্ত আখ্যা দিয়েছে। গত অক্টোবরে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার ঘটনার পর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। ২৫ আগস্ট আবার হামলার ঘটনার পর সেনাবাহিনী পাল্টা কঠোর দমন অভিযান চালাচ্ছে, যেটাকে ‘রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী নির্মূলকরণ’ বলছে জাতিসংঘ। এরপর থেকে সোয়া চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশের সীমান্ত জেলা কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে। রয়টার্স এমন আটজন স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে কথা বলেছে, যারা আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে ২৫ জনের বেশি ধর্ষিতা নারীকে চিকিৎসা দিয়েছেন। ওই চিকিৎসকরা বলছেন, তাদের রোগীদের নিয়ে কি করা হয়েছিল তা সুনির্দিষ্টভাবে বের করার চেষ্টা তারা করেননি। কিন্তু ওই ঘটনাগুলোতে তারা ‘নির্ভুল ছাঁচ’ দেখতে পেয়েছেন। অনেক নারীর শরীরে তারা আঘাতের নমুনা দেখেছেন, যেগুলোর জন্য তারা একবাক্যে মায়ানমারের সেনাদের দায়ী করেন। স্পর্শকাতর হওয়ায় কোন রাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে জাতিসংঘ ও সাহায্য সংস্থাগুলোর চিকিৎসকদের মুখ খোলার ঘটনা বিরল।

কক্সবাজারের লেদা শরণার্থী শিবিরে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) পরিচালিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসকরা বলছেন, তারা শত শত জখমি রোহিঙ্গা নারীকে চিকিৎসা দিয়েছেন, যারা গত অক্টোবর ও নভেম্বরে রাখাইনে সেনা অভিযানে নৃশংস যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির সমন্বয়ক ড. নিরন্ত কুমার বলেন, আগস্ট থেকে আসা রোহিঙ্গা ঢলের মধ্যে এখন পর্যন্ত ধর্ষণের খবর আগের তুলনায় কম পাওয়া গেলেও এর মধ্যে যারাই চিকিৎসা নিয়েছেন তাদের জখমগুলো ‘বেশি সহিংস’ হামলার নজির বহন করে। বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী বললেন, অক্টোবরের অভিযানের সময় অনেক শুরুতে অনেক নারী গ্রামে রয়ে গিয়েছিলেন এটা ভেবে যে, সেনাবাহিনী শুধু রোহিঙ্গা পুরুষদের খুঁজছে। কিন্তু এবার মায়ানমার সেনাদের চিহ্ন দেখামাত্র তাদের বেশিরভাগ ঘর ছেড়ে পালান।

লেদা ক্লিনিকের চিকিৎসকরা পরিচয় গোপন রেখে তিন রোগীর নথি দেখিয়েছেন রয়টার্স প্রতিবেদককে। তাদের মধ্যে ২০ বছর বয়সী এক নারী ১০ সেপ্টেম্বর চিকিৎসা নেয়ার এক সপ্তাহ পর বলেন, যে তাকে এক মায়ানমার সেনা ধর্ষণ করেছিল। হাতে লেখা ওই নথিতে বলা হয়েছে, তাকে ধর্ষণের আগে মায়ানমার সেনারা তার ‘চুল ধরে টেনেছিল’ এবং তাকে ‘বন্দুক দিয়ে পেটান’। চিকিৎসকরা বলছেন, অনেক পরীক্ষায় এমন ক্ষত পাওয়া গেছে, যেগুলোতে বলপূর্বক যৌনিতে পুরুষাঙ্গ ঢোকানো, পেটানো এবং কোন কোন ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে নারীর যৌনাঙ্গ কেটে ফেলার চেষ্টা হয়েছে বলে ধরা পড়েছে। আইওএমের চিকিৎসা কর্মকর্তা ড. তাসনুবা নওরিন বলেন, আমরা চামড়ায় এমন দাগ দেখেছি, যেগুলো খুবই জোরালো আঘাত, অমানবিক আঘাত। নতুন আসা এসব রোহিঙ্গা নারীর মধ্যে অন্তত পাঁচজনকে তিনি চিকিৎসা দিয়েছেন, যাদের সম্প্রতি ধর্ষণ করা হয়েছে তার মনে হয়েছে। তাদের সবার ক্ষেত্রে ঘটনার বর্ণনার সঙ্গে তাদের শরীরে আঘাতের আলামতের মিল পাওয়া গেছে।

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

‘শর্ত ছাড়াই’ উ. কোরিয়াকে আলোচনায় বসার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

সংবাদ ডেস্ক

image

কোন পূর্বশর্ত ছাড়াই ‘যে কোন সময়’ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে

অভিযুক্ত হচ্ছে সেই প্যালেস্টাইনি কিশোর

সংবাদ ডেস্ক

image

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে আটক কিশোর ফাউজি আল জুনাইদির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের

জেরুজালেমকে প্যালেস্টাইনের রাজধানীর স্বীকৃতি দিন

সংবাদ ডেস্ক

image

অধীকৃত জেরুজালেমকে প্যালেস্টাইনের রাজধানীর দাবি থেকে মুসলিম বিশ্বকে ‘কোনভাবেই সরে যাওয়া যাবে

sangbad ad

বাবার মৃত্যুর পর থেকে ধর্মের প্রতি অতিরিক্ত অনুরাগ দেখা যেতে থাকে আকায়েদের মধ্যে

image

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে আকায়েদের মধ্যে উগ্রবাদ বা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ির কোনও লক্ষণ কখনও দেখা যায়নি। নিউ

নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের বিস্ফোরণকারী এক বাংলাদেশী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে বাস টার্মিনালের বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে আটক এক বাংলাদেশির নাম আকায়েদ উল্লাহ

উত্তর কোরিয়ার মিসাইল পরীক্ষা অকার্যকর করার এক নতুন মিসাইল

image

মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকিকে পাত্তা না দিয়েই একের পর এক মিসাইল পরীক্ষা চালিয়ে

নিউইয়র্কে বাস টার্মিনালে বিস্ফোরণ

image

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি বাস টার্মিনালে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার

রাহুল গান্ধীকে ভারতীয় কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা

image

নেহেরু-গান্ধী পরিবারের তরুন সদস্য রাহুল গান্ধীকে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হিসেবে

প্যালেস্টাইনিদের ‘ক্ষোভ দিবসে’ সংঘর্ষে নিহত ২

সংবাদ ডেস্ক

image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেয়ার

sangbad ad