• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ২৭ মে ২০২০

 

বিক্ষোভে অচল হংকং

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ১২ জুন ২০১৯

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
image

চীনবিরোধী অব্যাহত বিক্ষোভে অচল হয়ে পড়েছে হংকং। গত ৯ জুন স্থানীয় সময় রাতে কথিত অপরাধী প্রত্যর্পণ বিলের বিরুদ্ধে অঞ্চলটির রাজপথে নামে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ। রাজপথে বিক্ষোভকারীদের ঢল অব্যাহত রয়েছে। ১২ জুন বুধবারও অঞ্চলটির সরকারি অফিসে যাওয়ার প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে রেখেছে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী। তবে ব্যাপক গণআন্দোলনের মধ্যেই ১০ জুন সোমবার অঞ্চলটির শাসক বেইজিংপন্থী হিসেবে পরিচিত ক্যারি ল্যাম জানান, কথিত ওই অপরাধী প্রত্যর্পণ বিলে কোনও কাটছাঁট করা হবে না। বুধবার তার কার্যালয় সংলগ্ন রাস্তায়ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিক্ষুব্ধ মানুষ। এ সময় সেখানে মোতায়েন দাঙ্গা পুলিশের শত শত সদস্য তাদের আর সামনে অগ্রসর না হওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়। রয়টার্স।

মূলত চীন ও তাইওয়ানে অপরাধী প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত প্রস্তাবিত একটি বিলের বিপক্ষে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে বিক্ষোভকারীদের মূল ক্ষোভ চীনের সঙ্গে এ ধরনের সমঝোতা নিয়ে। বেইজিংয়ের দুর্বল আইন এবং মানবাধিকার রেকর্ডের কারণে সেখানে কাউকে ফেরত পাঠানো নিরাপদ মনে করছেন না হংকংয়ের সাধারণ মানুষ। তারা মনে করছেন, বিলটি পাস হলে তা হংকংয়ের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চীনের হস্তক্ষেপের সুযোগ বাড়িয়ে দেবে। প্রস্তাবিত বিলে সন্দেহভাজন অপরাধীকে চীন ও তাইওয়ানে ফেরত পাঠানোর পথ সুগম করা হয়। কিন্তু চীন এ আইনের সুবিধা নিয়ে হংকংয়ের বাসিন্দাদের ওপর খবরদারি বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা থাকায় বিষয়টি সেখানে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সাধারণ বাসিন্দারা ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত বছর এক ঘটনার প্রেক্ষিতে এ বিলটি তৈরি করা হয়। তাইওয়ানে ছুটি কাটানোর সময় অন্তঃসত্ত্বা বান্ধবীকে হত্যার অভিযোগ ওঠে হংকংয়ের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কিন্তু তাইওয়ানের সঙ্গে হংকংয়ের বন্দী বিনিময়ের কোন চুক্তি না থাকায় সেই ব্যক্তিকে এখন তাইপেতে বিচারের জন্য পাঠানো যাচ্ছে না। কিন্তু এখন তাইওয়ানও জানিয়েছে, সন্দেহভাজন সেই খুনের মামলার আসামিকে ফেরত নিতে চায় না তারা। কেননা এটি এমন এক উদাহরণ তৈরি করবে, যা চীন ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে পারে। হংকং চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হলেও ২০৪৭ সাল অবধি অঞ্চলটির স্বায়ত্তশাসনের নিশ্চয়তা দিয়েছে দেশটি। ১৫০ বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনে থাকার পর লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই অঞ্চলটি চীনের কাছে ফেরত দেয়া হয়েছিল। হংকংয়ের জনসংখ্যা প্রায় ৭৪ লাখ হলেও, ১২শ’ জনের একটি বিশেষ কমিটি নেতা বাছাইয়ে ভোট দেয়ার সুযোগ পান। অঞ্চলটির নেতা বা প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যামের দাবি, হংকং যে বিশেষ স্বাধীনতা উপভোগ করে, নতুন আইনের ফলে তার কোন ক্ষতি হবে না। তবে গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীরা বলছেন, আইনটির মাধ্যমে অঞ্চলটির রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করবে বেইজিং। এর প্রতিবাদ জানাতেই তারা রাজপথের বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ক্যারি ল্যাম দাবি করেন, এ আইনের প্রয়োজন রয়েছে এবং এতে মানবাধিকারের রক্ষাকবচগুলো যুক্ত করা হয়েছে। তার দাবি, প্রস্তাবিত আইনটি বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে তোলা হয়নি। বিবেকের তাড়নায় এবং হংকংয়ের প্রতি অঙ্গীকার থেকেই এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। হংকংয়ে পুরো পরিবার সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেয়া হেরা পুন বলেন, ‘আমি মনে করি এটা এখন পর্যন্ত প্রস্তাবিত সবচেয়ে বাজে আইন। আমরা সবাই বুঝতে পারছি, হংকংয়ের বিচার ব্যবস্থায় নাড়া দিচ্ছে চীন।’ পুন মনে করেন, চীন সরকার কারও ওপর অসন্তুষ্ট হলেই তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে, যা সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থার বহিঃপ্রকাশ নয়। রোববারের বিক্ষোভে অংশ নেয়া আরও অনেকে তার মতো একই মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

ক্রিস্টোফার নামের এক প্রতিবাদকারী বলেন, ‘আমি তিন সন্তানের পিতা এবং আমিও প্রস্তাবিত আইনের বিরুদ্ধে আমার মতামত জানাতে চাই। আমি মনে করি নতুন এ আইন হংকংয়ের মৌলিক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের শামিল।’ হংকং সরকার অবশ্য আইনটি নিয়ে জনগণের উদ্বেগের কথা বিবেচনায় এনে কোন কোন ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বন্দী বহিঃসমর্পণ করা যাবে, তা কমিয়ে আনার কথা বলছে।

তবে প্রতিবাদকারীরা সরকারের এমন কথায় সন্তুষ্ট নয়। বরং অতীতে এ ধরনের প্রতিবাদে কাজ হওয়ায় এবারও আইনটি বাতিল হবে বলে আশাবাদী তারা। এদিকে অব্যাহত গণবিক্ষোভের মুখে সরকারি ভবনগুলোতে যাওয়ার রাস্তায় গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কেননা এসব সড়ক ইতোমধ্যে অবরোধ করে রাখা হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, প্রস্তাবিত বিলটি আইনে পরিণত হলে হংকংয়ের প্রতি আস্থা হারাবেন বিনিয়োগকারীরা।

করোনার চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ বন্ধ : ডব্লিউএইচও

সংবাদ ডেস্ক

image

করোনা ভাইরাস উপশমে ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের পরীক্ষামূলক ব্যবহার আপাতত বন্ধ রাখতে বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যু প্রায় ১ লাখ

অনলাইন বার্তা পরিবেশক,

image

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ তালিকার শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

লকডাউন দ্রুত তোলায় মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

image

যেসব দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে যাওয়ায় লকডাউন শিথিল বা কড়াকড়ি তুলে নেয়া হচ্ছে, সেখানে আবারও সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সোমবার সংস্থাটির হেলথ ইমারজেন্সিজ প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইকেল রায়ান এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এ আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

sangbad ad

ট্রাম্পের গেমচেঞ্জার ওষুধ ব্যবহারে ডব্লিউএইচও-এর নিষেধাজ্ঞা

সংবাদ ডেস্ক

image

করোনা ভাইরাস চিকিৎসার পরীক্ষামূলক ওষুধ হিসেবে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার স্থগিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সোমবার তারা জানিয়েছে, ঝুঁকি এড়াতে কয়েকটি দেশে সাময়িকভাবে এটির ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ওষুধটি ব্যবহারে কোভিড-১৯ রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডব্লিউএইচও।

করাচিতে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার

সংবাদ ডেস্ক

পাকিস্তানের করাচিতে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে এই ডাটা রেকর্ডার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স

ঈদে দেশব্যাপী লকডাউন চলছে তুরস্কে

সংবাদ ডেস্ক

image

তুরস্কে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ছয়শ ৮৬ জন এবং মারা গেছে চার হাজার তিনশ আটজন। গত ১১ মার্চ সে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর এই প্রথম দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ঈদের ছুটিতে করোনা যেন ছড়াতে না পারে, সেজন্য চারদিনের লকডাউন চলছে সে দেশে।

দক্ষিণ সুদানের ১০ মন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত

সংবাদ ডেস্ক

image

প্রাণঘাতী মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দক্ষিণ সুদানের ১০ জন মন্ত্রী। বর্তমানে তাঁরা সবাই সেলফ আইসোলেশনে আছেন। সুদানের তথ্যমন্ত্রী মিকাইল মাকুয়েই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত তাঁরা সবাই সুস্থ আছেন বলেও জানান তিনি। আক্রান্ত মন্ত্রীরা সবাই করোনা প্রতিরোধে টাস্কফোর্সের সদস্য ছিলেন। একমাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়া টাস্কফোর্সের সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনার ৬ ভ্যাকসিন গণহারে পরীক্ষা করছে যুক্তরাষ্ট্র

সংবাদ ডেস্ক

image

চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের একটি কার্যকরী এবং নিরাপদ ভ্যাকসিন আনার লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ জন্য দেশটি প্রতিশ্রুতিশীল অন্তত ছয়টি ভ্যাকসিন এক থেকে দেড় লাখ স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। ব্যাপক এই কর্মযজ্ঞের সঙ্গে জড়িত বিজ্ঞানীরা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে আগামীকাল ঈদ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে আগামীকাল রোববার (২৪ মে) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

sangbad ad