• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

 

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে চুক্তি সই দুই কোরিয়ার

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৮

সংবাদ :
  • সংবাদ ডেস্ক
image

দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতা ও সম্পর্কের টানাপড়নের পর শান্তির পথে বৈঠকে বসেন উত্তর কোরিয়ার প্রসিডেন্ট কিম জং উন ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন। ছবিতে দক্ষিণ কোরিয়া পেঁৗছার পর উত্তরের নেতা কিমকে (বামে) লাল গালিচাকে সংবর্ধনা দেন দক্ষিণের নেতা মুন (ডানে) -এএফপি

কোরীয় যুদ্ধের পর দুই কোরিয়ার মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির সাড়ে ছয় দশক পর দক্ষিণ কোরিয়ায় পা রেখে ইতিহাস গড়লেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন। দেশের সীমান্তবর্তী গ্রাম পানমুনজমের ওই সীমান্তে শুক্রবার (২৭ এপ্রিল) ঐতিহাসিক সেই মুহূর্তে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনের সঙ্গে হাসিমুখে করমর্দন করেন কিম। পরে পানমুনজমের ‘পিস হাউস’ নামক এক বাড়িতে দুই নেতা বৈঠকে বসেন। সকালের বৈঠকে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে দুই কোরিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়। গত বছরের ধারাবাহিকতায় কিমের পারমাণবিক পরীক্ষা না চালানোর প্রতিশ্রুতিকে মুন স্বাগত জানান। চুক্তি সইয়ের সময় কিম আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তারা পরমাণুমুক্ত কোরীয় উপদ্বীপ গড়ে তোলার পক্ষে অঙ্গিকারবদ্ধ। দীর্ঘ বৈরিতা ভুলে তারা এখন থেকে এক সঙ্গে শান্তির পথে চলবে। বিবিসি, রয়টার্স, আল-জাজিরা।

এদিন দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতা, সম্পর্কের টানাপোড়েন আর উত্তেজনার অচলায়তন পেরিয়ে উত্তরের নেতা দুই দেশের মিলিটারি লাইনে পৌঁছালে দক্ষিণের নেতা মুন তাকে স্বাগত জানান। কিমের অভাবনীয় এক তাৎক্ষণিক আমন্ত্রণে মুনও সীমারেখা টপকে উত্তরের মাটিতে পা রাখেন। করমর্দনের পর কিমের হাত ধরে ফের তাকে সীমান্ত পার করে দক্ষিণে নিয়ে আসেন প্রেসিডেন্ট মুন। সামরিক কায়দায় গার্ড অব অনার দিয়ে অভিবাদন জানানো হয় উত্তরের নেতাকে। ১৯৫৩ সালে কোরিয়া যুদ্ধের অবসানের পর এই প্রথম উত্তর কোরিয়ার কোন শীর্ষ নেতার দক্ষিণে পদার্পণ। উষ্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে দুই দেশের শীর্ষ বৈঠকের উদ্বোধনীতে কিম বলেন, ‘শান্তির পথে এগিয়ে যেতে এ সম্মেলনে খোলামেলা আলোচনা করা সম্ভব। আমরা আজ সে বিন্দু থেকে শুরু করলাম, যেখান থেকে শান্তি, সমৃদ্ধি আর আন্ত-কোরিয়া সম্পর্কের এক নতুন ইতিহাস লেখা হবে।’ জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী, পরমাণু ও ব্যালাস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র উন্নয়নের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে উ. কোরিয়া। তবে দক্ষিণে থাড নামে পরিচিত উচ্চ প্রযুক্তির মিসাইল প্রতিরোধ ব্যবস্থা মোতায়েন নিয়ে গত বছরের জুলাইয়ে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে দেশটি। দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চতর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ঘোষণার বিপরীতে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা শুরু করে উ. কোরিয়া। বছরজুড়ে ৬টি পরীক্ষা চালায় তারা। তবে শুক্রবারের বৈঠকে দুই নেতাই জানান আজকে বৈঠককে ঘিরে অনেক সকালে উঠতে হয়েছে তাদের। কিম সে সময় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে সকালে মুনের ঘুম ভাঙানোর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, ‘আর কখনও আপনার ভোর বেলার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাব না আমরা।’ কিমের প্রতিশ্রুতিকে ‘খুবই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত’ আখ্যা দিয়ে মুন বলেন, ‘এ সিদ্ধান্ত বিশ্ববাসীর জন্য একটি উপহার।’

তারপর দুই দেশের মধ্যে একটি পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে চুক্তি সই হয়। মুন জায়ে ইন বলেন, কোরীয় উপদ্বীপে যে বসন্ত চলছে আমি আশা করি সেই বাতাস পুরো বিশ্বেই বইছে। আমাদের কাঁধে অনেক বড় দায়িত্ব। বিশ্ববাসী অনেক কিছু আশা করে আছে।’ দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আপনার সফর সামরিক সীমারেখাকে শান্তির প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, বিভাজন নয়।’ এ বৈঠকে অংশ নেয়ায় কিমকে ধন্যবাদ জানান মুন। তিন বলেন, ‘বছরের পর বছর চেষ্টা করেও আমরা পারছিলাম না। অবশেষে আমরা কাক্সিক্ষত বৈঠকে বসতে পারলাম। আপনার সাহস ও আস্থার জন্য ধন্যবাদ।’ এর আগে দুই কোরিয়ার নেতারা দুইবার আলোচনায় বসলেও দুইবারই সেই আয়োজন হয়েছিল পিয়ংইয়ং এ। এবারের বৈঠকের পুরো পরিকল্পনা আগে থেকেই তৈরি করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিতকা শেষে সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হওয়া আলোচনা চলে মধ্যাহ্নভোজনের বিরতির আগ পর্যন্ত। বিরতিতে দুই নেতা নিজেদের দেশে ফিরে যান। নিজ দেশে মধ্যাহ্নভোজনের পর বিকেলেই দুই নেতা দুই কোরিয়ার মাটি ও পানি ব্যবহার করে একটি পাইন গাছের চারা রোপণ করেন। শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে এ চারা লাগানোর পর দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসেন দুই নেতা।

কিম-মুন বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছে চীন
কিম-মুন বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছে এশিয়ার পরাশক্তি চীন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশনে (সিসিটিভি) দুই কোরিয়ার এই শীর্ষ সম্মেলন লাইভ দেখানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা পিপলস ডেইলি উত্তর ও দক্ষিণের নেতার করমর্দনকে ঐতিহাসিক অ্যাখ্যা দিয়েছে। চোখে চশমা, মাও জে দঙ ঘরানার স্যুট পরা কিম ডিমিলিটারাইজ জোনে পৌঁছানোর পর দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানায় দক্ষিণ কোরিয়ার এক শিশু। ঐতিহ্যবাহী অনার গার্ডের সদস্যরা এরপর কিম ও মুনকে লাল গালিচায় নিয়ে আসেন। আলোচনা শুরুর আগে কিম পিস হাউসের গেস্ট বুকে শুভেচ্ছা বার্তা লেখেন। আলাদাভাবে দুপুরের খাবারের পর বিকেলে কিম ও মুনের ডিমিলিটারাইজ জোনে শান্তির প্রতিক হিসেবে একটি পাইন গাছের চারা রোপণ করেন। এজন্য উত্তর কোরিয়ার পায়েকতু এবং দক্ষিণ কোরিয়ার হাল্লা পাহাড় থেকে মাটি এবং উত্তরের তায়েডং ও দক্ষিণের হান নদী থেকে পানিও আনা হয়েছে। এরপর মুন ও কিম ফের পানমুনজনে গিয়ে আলোচনা শুরু করেন। তারপরই দুই নেতা একটি যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

উ. কোরিয়ার সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র

সংবাদ ডেস্ক

image

কোরীয় উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ করার লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পুনরায় আলোচনা

রোহিঙ্গা নির্যাতন : প্রাথমিক তদন্ত শুরু অপরাধ আদালতের

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

মায়ানমারের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রাথমিক তদন্ত

মায়ানমার সেনা আইনের ঊর্ধ্বে থাকলে দেশটিতে শান্তি ফিরবে না

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মায়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা কমিয়ে বেসামরিক প্রশাসনকে শক্তিশালী

sangbad ad

মুসলিম নারীদের সামাজিব ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে উৎসাহ দেবে ওআইসি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাষ্ট্রীয়, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মুসলীম নারীদের আরও সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত

তুরস্ক ও রাশিয়াকে অবশ্যই ইতিবাচক সমাধান খুঁজতে হবে: এরদোগান

সংবাদ ডেস্ক

image

সিরিয়া ইস্যুতে মস্কো ও রাশিয়াকে অবশ্যই ইতিবাচক সমাধান খুঁজতে হবে বলে মন্তব্য

চীন ও হংকংয়ে মাংখুটের আঘাত

সংবাদ ডেস্ক

image

ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর এবার চীন ও হংকংয়ে আঘাত হেনেছে

ফিলিপাইনে টাইফুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫

image

টাইফুন ম্যাংখুতের আঘাতে ধ্বংসযজ্ঞে পরিনত হয়েছে ফিলিপাইন জুড়ে। রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে

আমার সঙ্গে খেল, তোমার মোবাইলের সঙ্গে নয়

সংবাদ ডেস্ক

image

আজকাল প্রযুক্তির আসক্তির কারণে সামাজিক বন্ধন ভেঙে পড়ছে। বিষয়টি নিয়ে অনেক

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের পকেটে : উত্তর কোরিয়া

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

কোরীয় উপদ্বীপের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই নির্ভর করবে

sangbad ad