• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ২৭ মে ২০২০

 

দীর্ঘ নয় বছর ধরে আমি সাক্ষী নিয়ে আসি আর ঘুরে যাই!

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৩ আগস্ট ২০১৯

সংবাদ :
  • লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর
image

রংপুর : সালিশে দুই নারীর ওপর নির্যাতন-ফাইল ছবি

বহুল আলোচিত রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের রাজারামপুর কাশিবাড়ি গ্রামের সেই হ্যাপি বেগম ও শাহিদা বেগমের কাহিনী এখনও শেষ হয়নি। অপবাদ দিয়ে সালিশের নামে হাজার হাজার মানুষের সামনে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করার সেই নিষ্ঠুর ঘটনার দীর্ঘ নয় বছরেও বিচার হয়নি। নয় বছর ধরে মাসের পর মাস আদালতে আসছে আর ফিরে যাচ্ছে নির্যাতিতা নারী হ্যাপি বেগম। শুধু তাই নয় দীর্ঘ নয় বছর ধরে ঘটনার মূল হোতা ইউপি চেয়ারম্যান আয়নাল ও তার লোকজন এক ঘরে করে রেখেছে হ্যাপি বেগমসহ পুরো পরিবারকে।

জানা গেছে ২০১১ সালের ২৬ জুন তারিখে রংপুরের বদরগজ্ঞ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আয়নাল হক রাজারামপুর গ্রামের দুই নারী হ্যাপি বেগম ও শাহিদা বেগমকে নষ্টা মেয়ে অপবাদ দিয়ে স্থানীয় একটি লিচু বাগানে সালিশ ডাকে। সেখানে মাইকিং করে হাজার হাজার লোক জড়ো করে সালিশের নামে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে দুই নারীকে চেয়ারম্যান আয়নাল হকের নির্দেশে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে। বিশেষ করে হ্যাপি বেগমকে লাঠি দিয়ে চোরের মতো পায়ের তলায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অকথ্য নির্যাতন করা হয়। হ্যাপি বেগম দুবার জ্ঞান হারিয়ে ফেললে আবার তাদের শরীরে পানি ঢেলে জ্ঞান ফিরিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। তার চুল কেটে দেয়া হয়। এই নির্যাতনের দৃশ্যের ভিডিও চিত্রসহ ছবি দৈনিক সংবাদসহ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। এ দৃশ্য দেখে দেশে-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। পরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বাদী হয়ে বদরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।

পরে র‌্যাব মামলার প্রধান আসামি ইউপি চেয়ারম্যান আয়নালকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে। মামলার অন্যান্য আসামি কারাগারে আটক থাকার পর সবাই জামিনে বেরিয়ে আসে। চাঞ্চল্যকর এই মামলাটিতে আয়নাল চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে ৫৭ জনের নামে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। বর্তমানে মামলাটি রংপুর নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালত ২ এ বিচারাধীন আছে। দীর্ঘ ৯ বছরেও মামলার বাদী হ্যাপি বেগমের আংশিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা ছাড়া মামলার বিচার হচ্ছে না। বরং প্রধান আসামি আয়নাল দীর্ঘ দিন ধরে আদালতে হাজির হয় না। এদিকে অব্যাহত হুমকির পরেও মামলা তুলে না নেয়ায় দীর্ঘ নয় বছর ধরে এক ঘরে করে রাখা হয়েছে হ্যাপি বেগমের পুরো পরিবারকে। তাদের বাড়িতে আশপাশের কাউকে যেতে দেয়া হয় না, কেউ তাদের কাজে নেয় না-ফলে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর দিন কাটছে তাদের। হ্যাপি বেগমের আর্তনাদ বিচার পাবার আকুতি করেও বিচার পাচ্ছে না সে।

সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই আদালত চত্বরে হ্যাপি বেগম তার বাবা-মাসহ সাক্ষীদের নিয়ে এসেছিল কিন্তু তাদের সাক্ষী হয়নি জানিয়ে এ প্রতিনিধিকে হ্যাপি বেগম জানান দীর্ঘ নয় বছর ধরে আমি সাক্ষী নিয়ে আসি আর ঘুরে যাই। আমার মামলার বিচার হয় না। এদিকে তাকেসহ পুরো পরিবারকে এক ঘরে করে রাখায় তারা অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর দিন কাটছে তাদের।

তিনি জানান, মামলার প্রধান আসামি আয়নাল হক দীর্ঘ দিন ধরে আদালতে হাজির হয় না, তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পরেও বদরগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না। এ ছাড়াও মামলার বেশিরভাগ আসামি তারিখে আদালতে হাজিরার দিন আসে না। আবেদন করে সময়ের। এভাবেই নয় বছর কেটে গেলেও মামলার বিচার শুরই হচ্ছে না বলে অভিযোগ তার।

এ ব্যাপারে সিনিয়র আইনজীবী ও মানবাধিকার সংগঠক এমএ বাশার অ্যাডভোকেট জানান, হ্যাপি বেগমের মামলার বিচারের বাণী যেন নীরবে নিভৃতে কাঁদে-তা না হলে দীর্ঘ নয় বছরেও বহুল আলোচিত এই মামলার বিচার শুরু হলো না। নয় মাস নয়, কেন নয় বছর তাহলে হ্যাপি বেগমের মতো অসহায় নির্যাতিত নারীরা ন্যায় বিচার থেকে এভাবে বঞ্চিত হবে? তিনি দ্রুত মামলার বিচার শেষ করার দাবি জানান।

এদিকে সরকার পক্ষের আইনজীবী রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত ২-এর বিশেষ পিপি জাহাঙ্গীর হোসেন তুহিন অ্যাডভোকেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেও স্বীকার করলেন হ্যাপি বেগম দিনের পর দিন সাক্ষী নিয়ে আসছেন আর ফিরে যাচ্ছেন। তিনি বললেন, অন্যান্য সাক্ষীদের হুমকি দেয়ায় তারা আসতে পারছেন না। তিনি নিজেই সাক্ষীদের নিরাপত্তা দাবি করেন।

আইনজীবীসহ মানবাধিকার কর্মীদের দাবি সালিশের নামে অকথ্য নির্যাতন এরপর দীর্ঘ নয় বছরেও বিচার না পাওয়া কি বার্তা দেবে বিচারপ্রার্থীদের। তার ওপর নয় বছর ধরে এক ঘরে রুদ্ধশ্বাস দিনযাপনকারী হ্যাপি বেগমের মামলা দ্রুত বিচার শেষ করার দাবি তাদের।

করোনায় বিশ্বে মৃত্যু সাড়ে ৩ লাখ ছাড়াল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। গত ডিসেম্বরের শেষে চীনের উহানে শুরু হওয়া করোনার সংক্রমণ বিশ্বের ২১৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু ১ লাখ ছাড়াল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ তালিকার শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

লাদাখে চীনা যুদ্ধ সরঞ্জাম বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

image

চীন-ভারত সীমান্তের লাদাখ অঞ্চলের এক নদীর দু’পারে মুখোমুখি দু’দেশের সামরিক বাহিনী। সীমান্তে চীনের সেনা সংখ্যা ও সামরিক সরঞ্জাম বৃদ্ধির ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে তৎপর হয়ে উঠেছে ভারত। চীনা ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর এমন সংঘাতময় পরিস্থিতিতে থমথম অবস্থা বিরাজ করছে লাদাখে।

sangbad ad

করোনার চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ বন্ধ : ডব্লিউএইচও

সংবাদ ডেস্ক

image

করোনা ভাইরাস উপশমে ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের পরীক্ষামূলক ব্যবহার আপাতত বন্ধ রাখতে বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যু প্রায় ১ লাখ

অনলাইন বার্তা পরিবেশক,

image

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ তালিকার শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

লকডাউন দ্রুত তোলায় মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

image

যেসব দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে যাওয়ায় লকডাউন শিথিল বা কড়াকড়ি তুলে নেয়া হচ্ছে, সেখানে আবারও সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সোমবার সংস্থাটির হেলথ ইমারজেন্সিজ প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইকেল রায়ান এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এ আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

ট্রাম্পের গেমচেঞ্জার ওষুধ ব্যবহারে ডব্লিউএইচও-এর নিষেধাজ্ঞা

সংবাদ ডেস্ক

image

করোনা ভাইরাস চিকিৎসার পরীক্ষামূলক ওষুধ হিসেবে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার স্থগিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সোমবার তারা জানিয়েছে, ঝুঁকি এড়াতে কয়েকটি দেশে সাময়িকভাবে এটির ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এক গবেষণায় ওষুধটি ব্যবহারে কোভিড-১৯ রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডব্লিউএইচও।

করাচিতে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার

সংবাদ ডেস্ক

পাকিস্তানের করাচিতে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে এই ডাটা রেকর্ডার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স

ঈদে দেশব্যাপী লকডাউন চলছে তুরস্কে

সংবাদ ডেস্ক

image

তুরস্কে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ছয়শ ৮৬ জন এবং মারা গেছে চার হাজার তিনশ আটজন। গত ১১ মার্চ সে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর এই প্রথম দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ঈদের ছুটিতে করোনা যেন ছড়াতে না পারে, সেজন্য চারদিনের লকডাউন চলছে সে দেশে।

sangbad ad