• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০

 

সাক্ষাৎকার : ড. এসএসএম সাদরূল হুদা

করোনার দুর্যোগে প্রচলিত শিক্ষার বিকল্প হতে পারে অনলাইন শিক্ষা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ২০ জুন ২০২০

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

ড. এসএসএম সাদরূল হুদা

করোনাভাইরাসের মহামারীর চরম অবস্থার মধ্যেও মানুষের জীবন-জীবিকার কথা চিন্তা করে সবকিছু আবার খুলে দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সব অফিস-মার্কেট পুর্নোদ্যমে চালু হয়েছে। সব কিছুতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে অনেকে মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করার কোন প্রয়োজন নেই। অনেকে আবার অনলাইনে শিক্ষার্থীদের পাঠ দেয়ার প্রচেষ্টা নেয়া উচিত বলে মনে করেন। কারও কারও মতে, শিক্ষাবর্ষের মেয়াদ কমিয়ে যথাসময়ে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। এসব ব্যাপারে জানতে চাইলে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক ড. এসএসএম সাদরূল হুদা এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে সংবাদকে বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখনও উচ্চ মাত্রায় বাড়ছে। এ অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কোন সুযোগ নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে কোমলমতি ছেলেমেয়েদের মৃত্যুঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেয়া হবে। সে চিন্তা বাদ দিয়ে অন্য কোন উপায়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখা যায় তা নিয়ে ভাবা যেতে পারে। তবে বছরের দীর্ঘ সময় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে দূরে রাখাও ভালো ফল বয়ে আনবে না। এ প্রেক্ষাপটে শিক্ষা ব্যবস্থায় অনলাইন বা ভার্চুয়াল শিক্ষার বিস্তার ঘটানো ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। সারাবিশ্বেই এখন বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা দেয়ার প্রবণতা অত্যন্ত বিকশিত হচ্ছে। বিদেশের উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনেক আগেই অনলাইনে পাঠ দেয়া হচ্ছে, পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। আমাদের দেশেও এটা প্রচলন করার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। তবে এ ব্যাপারে যারা বিশেষজ্ঞ তাদের সুচিন্তিত মতামত নিতে হবে।

এখানে সাক্ষাৎকারটি সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

সংবাদ : করোনাভাইরাসের মহামারীর এ সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করা না গেলে কিভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখা যেতে পারে?

ড. সাদরূল হুদা : করোনা মহামারীর মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট। একটি ক্লাসে যদি ৪০ জন ছাত্র থাকে, ক্লাস তো একটি বদ্ধ কক্ষ, সেখানে যদি একজন আক্রান্ত থাকে, তা হলে সবাই সংক্রমিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রায় শতভাগ। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা টিফিন টাইমে খেলাধুলা করবে, সবাই সবার সঙ্গে মেলামেশা করবে। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা অনেক বেড়ে যাবে।

তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেও কোন না কোন একটি উপায় গ্রহণ করা প্রয়োজন। একটি পদ্ধতির কথা এখন ভাবা যায়, তা হলো অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠ দেয়া। অবশ্য ইতোমধ্যেই অনলাইনে স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠদান শুরু হয়েছে। তবে তা খুবই স্বল্প পরিসরে হচ্ছে বলে আমার ধারণা। ক্লাসগুলো সুন্দর কিন্তু পড়া কতটা কভার করতে পারছে তা মূল্যায়ন করা দরকার। কারণ ক্লাস নাইনে দশটার মতো সাবজেক্ট, সেখানে দুই/একটা সাবজেক্ট পড়ালে হবে না, দশটা সাবজেক্টই পড়াতে হবে। এতগুলো ক্লাস মাত্র একটা টিভি চ্যানেল (বিটিভি) দিয়ে কভার করা সম্ভব না। আমার মতে, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে অন্যান্য টিভি চ্যানেলগুলোকেও যুক্ত করা উচিত। এটা সম্ভব হলে আমাদের যত শিক্ষার্থী আছে তার বেশির ভাগই অনলাইনে পাঠ গ্রহণ করতে আগ্রহী হবে। এ ব্যাপারে টিভি চ্যানেলগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা চাইলে তারা না করবে বলে আমার মনে হয় না।

সংবাদ : এখন টিভিতে পাঠ দেয়া হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শ্রেণীর। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ক্লাসগুলো কি টেলিভিশনের মাধ্যমে নেয়া যায়?

ড. সাদরূল হুদা : ইউনিভার্সিটি লেভেলে আসলে টিভিতে ক্লাস করানো প্রয়োজন হয় না। কারণ এখানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সবাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সংযুক্ত। কিছুক্ষেত্রে হয়তো ইন্টারনেট সেবা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য ব্যয়বহুল মনে হতে পারে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার খরচ, হলে থাকা-খাওয়ার খরচ ও অন্যান্য আনুসাঙ্গিক খরচ তো থাকবে না। তাছাড়া অনলাইনে বিভিন্ন যোগাযোগ সেবাও পাওয়া যায়। আমরা গুগলে যেরকম জি-মেইল ব্যবহার করি, গুগল এরকম আরও অনেক সেবা প্রদান করে। এরকমই একটা সার্ভিস ‘গুগল মিট’। এটা দিয়ে আপনি পুরো ওয়ার্ল্ড একসঙ্গে কানেক্ট করতে পারবেন। এটা এতদিন মূলত ব্যবহার করত বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো টেলিকনফারেন্সিংয়ের জন্য। এই সেবাগুলো আমরা শিক্ষা প্রদানের কাজে ব্যবহার করতে পারি।

সংবাদ : প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরও কি এগুলো ব্যবহার করা সম্ভব?

ড. সাদরূল হুদা : সম্প্রতি প্রকাশিত ইউজিসির এক জরিপে দেখা গেছে যে, ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থীদের হাতে ব্যক্তিগত স্মার্টফোন আছে। আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অধিকাংশ শিক্ষার্থীরই সোশ্যাল মিডিয়া, ল্যাপটপ, ফোন, কম্পিউটার আছে। ফলে অনলাইনে তাদের পাঠ দেয়ায় কোন অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। আর আমরা যদি চারপাশে তাকাই, তবে দেখব, স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতেও স্মার্টফোন ও ল্যাপটপ আছে। এ জন্য অনলাইন শিক্ষা প্রদান, বিশেষ করে করোনাকালে, খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা নয়। অনলাইনে গুগলের আরেকটা ব্যবস্থা আছে ‘গুগোল ফর্ম’ ও ‘গুগল কুইজ’। এগুলোর মাধ্যমে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। আবার যদি কেউ ভাবেন লিখিত পরীক্ষা নিবেন, সেটাও নেয়া সম্ভব। আবার অনেকে মনে করেন অনলাইনে নকল বেশি হবে। কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে প্রশ্নের ধরনের উপর। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা অনেক সময় ‘ওপেন বুক এক্সাম’ নেই। সেখানে দেখা যায় শিক্ষার্থীরা খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না। আসলে এটা সম্পূর্ণ ডিপেন্ড করে কোশ্চেনের উপর। অনলাইন প্লাটফর্মে ‘ওপেন বুক’ নয় ‘ওপেন সোর্স’ এক্সাম নিতে হবে। যদি আপনার ফোন থাকে, ইন্টারনেট থাকে, আপনি যেখান থেকে পারেন খুঁজে বের করে উত্তর দিতে পারেন। সেখানে মূলত থাকে বাস্তবধর্মী প্রশ্ন। সেগুলো নকল করে লেখার কোন সুযোগ থাকে না, নিজের মেধা ও সৃজনশীলতা থেকে লিখতে হয়। আমাদের দেশে কিন্তু সরকার ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে কয়েক বছর আগে। অফ ক্যাম্পাস লারনিংয়ে বাংলাদেশ ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আগের সংস্করণ বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি। সেখানে দূর শিক্ষন পদ্ধতির ধারণায় লাখ লাখ শিক্ষার্থী ব্লেন্ডেড পদ্ধতি, টেলিভিশনে পাঠ্যদান ও সরাসরি টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে পড়াশোনা করেছে। এখন বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই অনলাইনে ক্লাস অফার করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ২০২১ সাল পর্যন্ত অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিয়েছে।

সংবাদ : অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে আপনার কি অভিমত?

ড. সাদরূল হুদা : করোনা দুর্যোগে সারাবিশ্বের মতো আমাদের দেশেও শিক্ষা ব্যবস্থায় স্থবিরতা এসেছে। তবে শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সীমিত আকারে হলেও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়েছে তার কৃতিত্বের অন্যতম দাবিদার বর্তমান সরকারের ডিজিটালাইজেশন নীতি। বর্তমান সরকার বিগত বছরগুলোতে শিক্ষাখাতসহ অন্যান্য খাতে যে ডিজিটাল বিপ্লব সাধন করেছেন, তার সুফল এখন আমরা শিক্ষাখাতে পেতে যাচ্ছি। মনে রাখতে হবে অনলাইন ভিত্তিক শিক্ষাই হবে সামনের দিনগুলোতে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলেও সপ্তাহে একদিন আমরা অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে পারি। এতে করে আমরা প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা প্রদান কার্যক্রম পরিচালনায় উৎকর্ষতা আনতে পারব। এছাড়াও শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বাসায় থাকার কারণে পরিবারে সময় দিতে পারবেন, যানজট কম হবে, ইউটিলিটির (বিদ্যুৎ-পানি) ওপর চাপ কম পড়বে ও সামগ্রিকভাবে পরিবেশের উন্নতি হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে দুর্যোগকালীন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের সম্পূর্ণ ফলাফল বা সুযোগ-সুবিধা পুরোপুরি বুঝে ওঠা সম্ভবপর না। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অনলাইন শিক্ষাক্রম পরিচালনা করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থী উভয়পক্ষের জন্যই সেটা সাশ্রয়ী হবে।

সংবাদ : আমাদের এসএসসি এবং এইচএসসি লেভেলের তিন/চার মাস Ñ মার্চ থেকে মে/জুন- পাঠদান সম্ভব হয়নি। এই সময়কে কিভাবে কভার করা যায়?

ড. সাদরূল হুদা : আগামী ডিসেম্বরে যদি পরীক্ষা নেয়ার টার্গেট থাকে তা হলে শীতের ছুটি যদি বাদ দেয়া যায় তবে ভালো হবে। মনে করুন একটি বিষয়ে দশটি অধ্যায় আছে, কিন্তু সবগুলো সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। বর্তমান ক্লাসের পরবর্তী ক্লাসে যেগুলো লাগবে শুধু সে অধ্যায়গুলো কভার করে শিক্ষাবর্ষ সম্পন্ন করা যায়। এতে একদিকে মৌলিক অধ্যায়গুলো পড়া হয়ে যাবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীতের ওপর চাপ কম পড়বে।

সংবাদ : কোন কোন মহল থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের যেসব ছুটি রয়েছে যদি সেগুলো কিছু কমিয়ে দেয়া যায়, তবে ২০২০ সালে পড়াশোনার যে ঘাটতি রয়েছে সেগুলো কভার করা সম্ভব হবে। আপনার কাছে কি এটা সঠিক মনে হয়?

ড. সাদরূল হুদা : সেক্ষেত্রে দেখা যাবে পরবর্তী বছরে ছাত্রের ওপর চাপ অনেক বেড়ে যাবে। আর আমরা যদি এখন থেকেই কিছুটা অনলাইন মাধ্যমে পাঠদান শুরু করতে পারি সেক্ষেত্রে তাদের ওপর পরবর্তীতে চাপ কম পড়বে বলে মনে হয়।

শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে মেস মালিকদের প্রতি এনইউ উপাচার্যের আহ্বান

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনইউ) অধিভুক্ত কলেজগুলোতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায়ে মেস মালিকদের সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ।

চাঁদাবাজদের কাছে জিন্মি ঢাকা কলেজ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সাবেক ও বর্তমান ছাত্র নেতাদের চাঁদাবাজির কাছে জিন্মি হয়ে পরেছে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ। প্রতিষ্ঠানে নির্মাণাধীন সব ধরণের অবকাঠামো কাজ থেকেই চাঁদা গুণতে হয়।

লিডিং ইউনিভার্সিটিতে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম চলছে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর জন্য সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটি অনলাইনে গত ২৩ মার্চ ২০২০ থেকে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশ অনুযায়ী লিডিং ইউনিনভার্সিটিতে ১ জুন ২০২০ থেকে সামার সেমিস্টারে ভর্তি চলছে।

sangbad ad

৭ জুলাইয়ের মধ্যে অনলাইন ক্লাস শুরু করবে ঢাবি

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সাড়ে তিন মাস বন্ধ আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্লাস-পরীক্ষা।

ঢাবি ক্লাবের সভাপতি ওবায়দুল, সম্পাদক রহিম

প্রতিনিধি, ঢাবি

image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সভাপতি এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুর রহিম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

এম এ কাসেম নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান নির্বাচিত

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

বিশিষ্ট শিল্পপতি, বাংলাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষার পথ প্রদর্শক, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নতুন উপাচার্য হলেন অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সত্য প্রসাদ

অবসরের বন্ধু বই

ওয়ালিয়ার রহমান

image

করোনায় অনেকেই অবসর সময় পার করছেন। এই সময়ে শুধু শিক্ষার্থীদেরই নয়, আমাদের সকলেরই বইপড়া দরকার। কেননা বই শুধু মনের অন্ধকারই দূর করে না, সমৃদ্ধ করে জ্ঞানের ভাণ্ডার। আমাদের বই পড়তেই হবে। কেননা বইপড়া ছাড়া যেমন সাহিত্যচর্চার উপায়ন্তর নেই, তেমনি জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন বইপড়া। বইপড়া থেকে আনন্দ, বুদ্ধি ও সক্ষমতা অর্জিত হয়। বই পড়তে হয় একাকী এবং তাতে অবসর ভরে ওঠে নির্মল আনন্দে, বুদ্ধি আসে বইয়ের কথামালা থেকে, আর সক্ষমতা আসে গ্রন্থগত বিদ্যার সঙ্গে বিষয়বুদ্ধির সংশ্লেষে।

করোনায় বিপর্যস্ত শিক্ষাব্যবস্থা ও উত্তরণে করণীয়

অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু

image

বিশ্ব মহামারি কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ থাবায় দীর্ঘ তিন মাস যাবৎ বাংলাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ফলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এক চরম সংকটের মধ্যে পড়েছে। চরম বিপর্যস্ত শিক্ষা ব্যবস্থাকে সচল রাখার জন্য সরকার প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার সংসদ টিভির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইন ব্যবস্থায় ক্লাস নেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । এতে করে শহর কেন্দ্রিক শিক্ষার্থীদের একটি অংশ হয়ত উপকৃত হচ্ছে, বাস্তবতা হলো দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বৃহদাংশের শিক্ষার্থীরা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

sangbad ad