• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রোববার, ৩১ মে ২০২০

 

একুশে পদকপ্রাপ্ত রাবি অধ্যাপক দেবদাসের দাফন সম্পন্ন

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

একুশে পদকপ্রাপ্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণিত বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. মজিবর রহমান দেবদাস আর নেই। সোমবার (১৮ মে) বার্ধক্যজনিত কারণে জয়পুরহাটের মহুরুল গ্রামে নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি আমৃত্যু মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিলেন।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান শেষে অধ্যাপক মজিবরকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ড. মজিবুর রহমান ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি জয়পুরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫২ সালে গণিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তারপর করাচির সেন্ট্রাল সরকারি কলেজে যোগদানের মাধ্যমে তার অধ্যাপনা জীবনের শুরু। ১৯৬৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটি থেকে ফলিত গণিতে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করে করাচির নাজিমাবাদ কলেজে যোগ দেন। পরে তিনি ১৯৬৭ সালের ১৬ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে সিনিয়র লেকচারার হিসেবে যোগ দেন।

১৯৭১ সালের ১০ মে মজিবর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্রতা নষ্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে পাকিস্তান আর্মির ক্যাম্পে পরিণত করবার জন্য তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে একটি প্রতিবাদলিপি দেন। মুসলমান হয়ে আর এক মুসলমানের ওপর পাকবাহিনীর নির্মমতা দেখে নিজের নাম পরিত্যাগ করে নতুন ‘দেবদাস’ নাম ধারণ করেন। প্রতিবাদলিপিতে আগের নাম উল্লেখসহ পরিবর্তিত নাম ‘দেবদাস’ উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

প্রশাসনিক তৎপরতায় অধ্যাপক মজিবর রহমান দেবদাসের চিঠি পৌঁছে যায় পাকিস্তানি সামরিক দফতরে। ১৯৭১ সালের ১২ মে এ প্রতিবাদী অধ্যাপককে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ক্যাম্পাস থেকে ধরে নিয়ে যায়। রাজশাহী, পাবনা ও নাটোর কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে প্রায় চার মাস ধরে তার ওপর অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। পাকিস্তানি বাহিনীর নিষ্ঠুর নির্যাতনে অধ্যাপক রহমান যখন প্রায় মানসিক ভারসাম্য হারানোর মতো অবস্থায়, তখন ৫ সেপ্টেম্বর ’৭১ তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় নাটোর ক্যাম্প থেকে।

স্বাধীনতার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন তাদের পরিবারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারে অবস্থানের সুযোগ ও অন্যান্য সুবিধা দিয়ে সিন্ডিকেট সভায় এক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ সালাহউদ্দিন আহমেদের (তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন) একান্ত চেষ্টায় শহীদদের পরিবারকে দেওয়া সুযোগ-সুবিধা অধ্যাপক মজিবুর রহমান দেবদাসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এ মর্মে সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই থেকেই তাকে আখ্যায়িত করা হয় ‘জীবন্ত শহীদ’ বলে।

’৭১-এ পাক হানাদার বাহিনীর পাশবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের তীব্র প্রতিক্রিয়ার কারণে তিনি আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেননি। বেঁচে থাকলেও তিনি ছিলেন অনেকটা স্মৃতি বিভ্রম, যেন জীবন্ত শহীদ অর্থাৎ জীবিত থেকেও মৃত। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অকৃতদার এই বুদ্ধিজীবী এভাবেই বেঁচে ছিলেন।

তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মানসিক রোগের চিকিৎসার জন্য তাকে পাবনা হেমায়েতপুর মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি পাগল নন এ কথা বলে হেমায়েতপুরে চিকিৎসা নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। হেমায়েতপুর থেকে এসে তিনি চলে যান একেবারে লোকচক্ষুর আড়ালে। দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ তার খোঁজখবর জানতেন না। দৈনিক আজকের কাগজের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রতিনিধি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক হাসিবুল আলম প্রধান তার খোঁজ পেয়ে একটি প্রতিবেদন লেখেন, যা ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ওই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে আসে।

১৯৯৮ সালের ১২ আগস্ট তৎকালীন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্যাগ ও অবদানের জন্য তাকে সংবর্ধনা প্রদান করে। স্বাধীনতা লাভের ৪৩ বছর পর ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।

জীবনে শেষ সময় জয়পুরহাটের সদর উপজেলার মহুরুল গ্রামে নিজ বাড়ির চার দেয়ালের আবদ্ধ ছিলেন। তার দেখভাল করতেন ভাইয়ের স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও নাতি-নাতনিরা।

সূত্র বাংলা ট্রিবিউন

নন-এমপিও শিক্ষকদের জন্য আর্থিক অনুদান চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় আড়াই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে সবচেয়ে অসহায় জীবনযাপন করছেন নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা। তাই নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের এককালীন আর্থিক অনুদান দিতে ১২৬ কোটি টাকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

করোনায় স্থবির উচ্চশিক্ষা সচলে জরুরি করণীয়

প্রফেসর ড. মো. নাসির উদ্দীন মিতুল

image

করোনাভাইরাস সংক্রমণে এশিয়ার হটস্পটের শীর্ষে এখন বাংলাদেশ। দেশে প্রথম করোনারোগী শনাক্ত হয় এবছর ৮মার্চ । ১৬ মার্চ সরকার ঘোষণা দিয়ে ১৭ মার্চ থেকে সকল শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। প্রথম দফায় ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল-কলেজ সহ সকল শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ঘোষণা থাকলেও কভিড-১৯ পরিস্থিতির ভয়াবহতায় তা দফায় দফায় বাড়ানো হয়। এমাতাবস্থায় সেশনজট প্রকট হচ্ছে। ঘুরেফিরে অন-লাইনে শিক্ষা-কার্যক্রম পরিচালনার কথা এখন সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে। এমনি একটি প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে কিভাবে অন-লাইনে উচ্চ-শিক্ষা কার্যক্রম পদ্ধতি চালু রাখা যায় সে বিষয়ে আমার নিজস্ব মতামত উপস্থাপন করতেই এ লেখনী।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ঈদের শুভেচ্ছা সামগ্রী প্রদান পিএসএফের

সরাইল প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

image

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি গত দুইমাস যাবৎ আশুগঞ্জে অবস্থান করে জনগণের সেবায় সাধ্যমত সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছেন।

sangbad ad

নতুন এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের এমপিওর চেক ব্যাংকে

ইন্টারনেট, নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নতুন এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতার চেক ব্যাংকে পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। বুধবার ২০ মে বেতন-ভাতার চেক ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ৩১ মে পর্যন্ত বকেয়া বেতন-বোনাসের টাকা তুলতে পারবেন। শিক্ষা অধিদপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করছে।

ঈদের পর এসএসসির ফল: মিলবে শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট ও এসএমএসে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

করোনা দুর্যোগে এবার মাধ্যমিক ও সমমানের (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফল কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই পাঠানো হবে না। ঈদের পর যে কোনো সময় শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। ফল পাওয়া যাবে এসএমএসের মাধ্যমেও।

বাংলা বিষয়ের প্রস্তুতি

আনোয়ার হোসেন

image

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনষ্ঠিত হবে। নিশ্চই এখন চলছে পুরোদমে প্রস্তুতি। প্রথম ধাপে পরীক্ষার্থীকে দুই ঘণ্টা সময়ে ১০টি বিষয়ের ওপর ২০০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। মোট নম্বরের মধ্যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ৩৫, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে ৩৫, বাংলাদেশ বিষয়ে ৩০, আন্তর্জাতিক বিষয়ে ২০, ভূগোল পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ১০, সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়ে ১৫, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে ১৫, গাণিতিক যুক্তি বিষয়ে ১৫, মানসিক দক্ষতায় ১৫, নৈতিকতা, মূল্যবোধ এবং সুশাসন বিষয়ে ১০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে অর্ধেক নম্বর।

সময়কে কাজে লাগাও

শিক্ষা ডেস্ক

image

আমাদের অনেকই আছি সময়ের সঠিক ব্যবহার করি না। অকাজে সময় নষ্ট করি। বিশেষ করে আমাদের শিক্ষার্থীদের উচিত সময় নষ্ট না করে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়া। কারণ ছাত্র জীবনে মন দিয়ে পড়াশোনা করলে সাফল্য আসবেই। অতীতের সময়ের চেয়ে বর্তমানের সময়গুলো ভিন্ন প্রকৃতির। খুব দ্রুতই পরিবর্তিত হচ্ছে সমাজ আর সামাজিক মূল্যবোধ। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের স্রোতে বদলে যাচ্ছে সব কিছু।

সুবিধা বঞ্চিত দুই শিক্ষার্থীকে শিক্ষা বৃত্তি দিলো বিইআরএফ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সুলতানা এবং হবিগঞ্জের ইসলামিয়া হাই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী সিমা আক্তারকে (৩০ হাজার করে) ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

এইচএসসি বিশেষ পরামর্শ : মন দিয়ে অনুশীলন করো

ইন্টারনেট, ওয়ালিয়ার রহমান

image

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা থাকল। আশা করি তোমরা ভালোভাবেই প্রস্তুতি পর্ব শেষ করছ। যেহেতু এখন আমারা খারাপ সময় পার করছি। তাই এ মুহূর্তে তোমাদের প্রতি একটিই অনুরোধ থাকবে, বাসায় অবস্থান করবে এবং নিয়মিত অনুশীলন করবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নতুন সময়সূচি দেয়া হবে। সেটা মাথায় রেখে পড়াশোনা করো। তবে এর বাইরেও পরীক্ষার্থী হিসেবে আরও কিছু বিষয় জানা দরকার। সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো-

sangbad ad