• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

 

ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল পরিচালনায় নতুন নিবন্ধন বিধিমালা কার্যকর

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ আগস্ট ২০১৭

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

অবশেষে কার্যকর হতে যাচ্ছে বিদেশী কারিকুলামে পরিচালিত নতুন ইংরেজি মাধ্যম স্কুল নিবন্ধন বিধিমালা। স্কুলের বেতন ও ফি নির্ধারনে আনা হচ্ছে নিয়ন্ত্রন। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ টিউশন ফি বাড়ানো যাবে। তবে নিবন্ধন ছাড়া স্কুল পরিচালনা করলে কী শাস্তি হবে সে সর্ম্পকে নিবন্ধন বিধিমালায় স্পষ্ট করে কোনো কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত মাসে ‘বিদেশি শিক্ষাক্রমে পরিচালিত বেসরকারি বিদ্যালয় (ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল) নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৭’ জারি করে।

শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলো ১৯৬২ সালের বেসরকারি বিদ্যালয় নিবন্ধন অধ্যাদেশের মাধ্যমে পরিচালনার কথা থাকলেও তা মানছে না প্রতিষ্ঠানের মালিকরা। সম্প্রতি উচ্চ আদালতের নির্দেশে পুনঃভর্তির নামে ফি আদায় বন্ধ হলেও রাজধানীর কিছু ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল নানা কৌশলে টিউশন ফি বাড়িয়ে ওই টাকা আদায় করছে। এর আগে ২০০৭ সালেও একটি বিধিমালা করা হয়েছিল তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ ব্যাপারে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান সংবাদকে বলেছেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে বিধিমালা কার্যকরের কাজ শুরু করেছি। সারাদেশে এ ধরনের স্কুলের তথ্য আমরা সংগ্রহ করছি। এখন থেকে সকল ইংরেজি মাধ্যম স্কুলকে সরকারি নিবন্ধনের আওতায় আসা বাধ্যতামূলক।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখন চাইলেই কেউ ইচ্ছেমতো বেতন ও ফি বাড়াতে পারবে না। বাড়াতে হলে শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে আবেদন করে এডিসি‘র (শিক্ষা) অনুমোদন নিতে হবে। তারা অনুমোদন করলেই কেবল বেতন ও ফি বাড়ানো যাবে।’

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, যেসব ইংলিম মিডিয়াম স্কুল এখনো বিবন্ধিত হয়নি তাদের নতুন বিধিমালা অনুসারে অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় প্রায় চার বছর ধরে আটকে ছির ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বিধিমালা প্রণয়ন কাজ। নীতিমালা না থাকায় বছরের পর বছর ধরে ফ্রি স্টাইলে চলছে স্কুলগুলো। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আমলাদের গাফিলতির কারণে এতদিন এ স্কুলকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলনা শিক্ষা বোর্ডগুলো।

জানা গেছে, ২০১২ সালে একবার শিক্ষা বোর্ডগুলো অবৈধভাবে পরিচালিত হওয়া ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল স্কুলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা। দেশে পরিচালিত ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের জন্য একটি পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে ২০১২ সালে উচ্চ আদালত নির্দেশনাও দিয়েছিল। সে অনুযায়ী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের জন্য একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিলে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের কর্মকর্তারা এ নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি। এক পর্যায়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের বিশেষ উদ্যোগে আলোর মূখ দেখে বিধিমালা। বিভিন্ন স্তরের মানুষের মতামত নিয়ে খসড়া প্রণয়ন হয়। এরপর বিধিমালা চুড়ান্ত হয়।

গত মাসে আদালদের আদেশ অনুসারেই বিধিমালা চুড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। যদিও ইংরেজী মাধ্যমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ও কিছু আমলার কারসাজিতে বিধিমালা কার্যকর না করার অভিযোগ ওঠে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সহযোগীতা কামনা করেন। সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন অনুসারে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয় বার্তা। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা গেছে বিধিমালা বাস্তবায়নকারি মূল সংস্থা সকল শিক্ষা বোর্ডের কাছেও।

এ ব্যাপারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক এটিএম মঈনুল হোসেন সংবাদকে বলেন, ‘আমরা নিবন্ধন বিধিমালা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি। এখন সকলকে নিবন্ধন করতেই হবে। যারা ২০০৭ সালের বিধিমালা অনুসারে নিবন্ধন করেনি তাদের নতুন বিধিমালা অনুসারে নিবন্ধিত হতে হবে।’

নতুন বিধিমালায় ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের ওপর সরকারি তদারকি বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শক বলেন, ‘আমরা সকল স্কুল নিয়মিত মনিটরিং করবো। কিভাবে প্রতিষ্ঠান চলছে, কারা চালাচ্ছেন। তাদেরও নিয়মিত প্রতিবেদন সরকারের কাছে দিতে হবে।’

শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, বর্তমানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সাময়িক নিবন্ধনপ্রাপ্ত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল একশ’রও কম। ২০১১ সালের শিক্ষা, তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বেনবেইস) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সারাদেশে তিন ক্যাটাগরিতে ১৫৯টি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে ও লেভেল ৬৪টি এবং এ লেভেল স্কুল ৫৪টি এবং জুনিয়র লেভেলের আন্তর্জাতিক মানের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল আছে ৪১টি।

এই মুহুর্তে সারাদেশে এই ধরণের প্রতিষ্ঠান কতটি আছে তা জানা নেই সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার। আন্ত:শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানায়, যদি কেউ সাময়িক নিবন্ধনের জন্য আসে তবে সেই প্রতিষ্ঠানেরই হিসাব থাকে তাদের কাছে। অন্যদের কোন হিসাব নেই বোর্ড, মন্ত্রনালয় কারো কাছে। দু'একটি ছাড়া সাময়িক নিবন্ধনপ্রাপ্ত বাকি সব স্কুলই সাময়িক অনুমোদনের শর্ত যথাযথভাবে মানছে না। উন্নত শিক্ষা বিস্তারের নামে এসব প্রতিষ্ঠান বেপরোয়া শিক্ষা বাণিজ্যে লিপ্ত বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

বিধিমালায় নানা শর্তের কথা বলা হলেও সরকারের কাছ থেকে নিবন্ধন না নিয়ে স্কুল চালালে কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে, তা বিধিমালায় নেই। বিধিমালা অনুযায়ী, ম্যানেজিং কমিটির ১১ সদস্যের মধ্যে ৬ জন থাকবেন উদ্যোক্তা সদস্য, ২জন শিক্ষক প্রতিনিধি এবং ২জন অভিভাবক প্রতিনিধি। প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ পদাধিকার বলে কমিটির সদস্য সচিব থাকবেন। কমিটি বড় বড় গুরুত্বপূর্ণ ৬টি কাজ সম্পন্ন করবে। এগুলো হচ্ছে- টিউশন ফি নির্ধারণ, শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন নির্ধারণ, স্কুলের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষা, অবকাঠামো, শিক্ষার মান ও পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করা অন্যতম।

সংরক্ষিত ও সাধারণ- দুই নামে স্কুলের দুটি তহবিল থাকবে। সংরক্ষিত তহবিল সঞ্চয়পত্র আকারে বা তফসিলি ব্যাংকে আমানত রাখতে হবে। বিধিমালা বলা হয়েছে- প্লে-গ্রুপ, নার্সারি, কিন্ডার গার্ডেন বা প্রাথমিক স্কুলের জন্য মেট্রোপলিটনে তিন লাখ, জেলা সদরে আড়াই লাখ, জেলা সদরের বাইরে দুই লাখ টাকা থাকতে হবে।

অন্যদিকে নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও সমমানের স্কুলের সংরক্ষিত তহবিল মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য চার লাখ, জেলা সদরে তিন লাখ, জেলার বাইরে দুই লাখ টাকা থাকতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এই তহবিল মেট্রোপলিটনে পাচঁ লাখ, জেলা সদরে চার লাখ, জেলার বাইরে তিন লাখ টাকা হবে। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া এই অর্থ কোনোভাবেই তোলা বা ভাঙানো যাবে না। শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে সরকারি বিধি অনুসরণ করতে হবে। স্কুলে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক কারিকুলামে লেখাপড়া করানো যাবে। তবে সরকার নির্ধারিত পাঠ্যবই থাকবে।

ভাড়া বাড়িতে স্কুল প্রতিষ্ঠার সুযোগ:
ভাড়া বাড়ি এবং স্থায়ী অবকাঠামোতে স্কুল পরিচালনা করা যাবে। ভাড়া বাড়িতে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে হলে কমপক্ষে ৫ বছরের চুক্তি থাকতে হবে। ৫ বছর পর স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে হবে। এতে ভাড়া বাড়িতে কোনো ধরনের স্কুলের জন্য কতটুকু জায়গা লাগবে তা বলা আছে। বিধিমালায় বিভিন্ন বিষয়ে ১৭টি মূল ধারাসহ বেশকিছু উপধারা ও ৪টি ফরম আছে।

পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন ফেসবুক বন্ধ থাকবে

image

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন ফেসবুক বন্ধ থাকবে এমন সিদ্ধান্তের কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি)

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির সৃজনশীলকর্ম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

image

গত শুক্রবার বিকেল ৩টায় শিল্পকলার জাতীয় চিত্রশালায় শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব

একুশ শতকে ব্যবসায় শিক্ষা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

মানব সভ্যতার বিবর্তনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে শিক্ষাকে অন্যতম নিয়ামক শক্তি হিসেবে পাওয়া যায়। শিক্ষাকে

sangbad ad

‘শিক্ষা জাতীয়করণ কর্মচারী ঐক্য মঞ্চ’ গঠন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে নতুন সংগঠন ‘শিক্ষা জাতীয়করণ কর্মচারী ঐক্য মঞ্চ’ গঠন

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের দায়িত্ব গ্রহণ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)’র উপাচার্য

অধ্যাপক আখতারুজ্জামান ঢাবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের (ভিসি) দায়িত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের

জেএসসি পরীক্ষা শুরু ১ নভেম্বর

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আগামী ১ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজে দুর্নীতি ও অপচয় বরদাস্ত করা হবে না

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্মাণ কাজের মান আরও উন্নত করার জন্য নিয়মিত পরিদর্শন ও মনিটরিং করার নির্দেশ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম

শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্টকে একীভূতকরণের দাবি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ...

sangbad ad