• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

 

‘ব্যাংক সংস্কার কমিশন হচ্ছে না’

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৯ জুন ২০১৮

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

খেলাপি ও দুর্নীতি রোধে ব্যাংক খাতের সংস্কারের জন্য বিভিন্ন সময় ব্যাংকিং কমিশন গঠনের কথা বললেও সেখান থেকে সরে এসেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ব্যাংকিং কমিশন আমি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা আর করছি না। শুক্রবার (৮ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আগামী অর্থবছরের (২০১৮-১৯) প্রস্তাবিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বরাবরের মতো এবারও বাজেট প্রস্তাব পেশের পরদিন এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রসঙ্গত, নানা রকম দুর্নীতি ও জালিয়াতিতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো সংকটে ঘূর্ণিপাক খাচ্ছে। পরিস্থিতি উত্তোরণের জন্য বিভিন্ন মহল থেকেও ব্যাংকিং কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে আসছে ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে। সবদিক বিবেচনা করে ব্যাংকিং খাত সংস্কারের জন্য চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংকিং কমিশন গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সংস্কারের এই উদ্যোগ কার্যকর করা হয়নি। আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংকিং কমিশন গঠনের কোন কথা বলা হয়নি। ফলে বার বার কথা দিলেও কথা রাখেননি অর্থমন্ত্রী। তবে সবাই ভেবে ছিল এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী ব্যাংকিং কমিশন গঠনের প্রস্তাব করবে। কিন্তু সকলকে নিরাশ করে শেষ পর্যন্ত অর্থমন্ত্রী ব্যাংককিং কমিশন থেকে সরে এসেছেন।

শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ সরকারের সময়ে ব্যাংকিং কমিশন হচ্ছে না। আমাদের ব্যাংকিং সেক্টরটি আয়তনে অনেক বড় হয়েছে। এরপরও ব্যাংকিং সেবা এখনও দেশের অনেকেই পাননি। আকারে বাড়লেও সেবা সেভাবে বাড়েনি। ব্যাংকিং কমিশন আমি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা আর করছি না। এজন্য কাগজপত্র সব তৈরি করে রেখে দিচ্ছি, আগামী সরকারের জন্য। আগামীতে যে সরকার আসবে তার জন্যই এটা রেখে যাচ্ছি।

অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ব্যাংকিং খাতের জন্য কমিশন জুন মাসের যে কোন সময়ে ঘোষণা করা হবে। এ বিষয়ে সব কিছু ঠিক হয়ে আছে। শুধু সদস্যদেও নির্বাচন করলেই হবে। সর্বশেষ ২০০৪ সালে কমিশন করা হয়েছিল। তারপর তেমন কিছু করা হয়নি। আগের কমিশনের সুপারিশগুলোতো বাস্তবায়ন হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোন কমিশনের সুপারিশই পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। কিছু কিছু হয় আর কিছু কিছু হয় না সূত্র জানায়, দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো। জনগণ ও সরকারের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে তা ঋণ হিসেবে বিতরণ করছে ব্যাংকগুলো। কিন্তু অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণকৃত ঋণগুলো আর আদায় করতে পারছে না। ঋণ শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ায় প্রতিবছর সম্পদ আটকে যাচ্ছে ব্যাংকগুলোর। আদায় না হওয়ায় খেলাপি ঋণের পাহাড় জমছে। ঋণ অনাদায়ী থাকার কারণে ব্যাংকগুলোর আয় কমে যাচ্ছে। ফলে খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে ব্যাংকগুলো। পরিচালনায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ লোকসান করছে। এতে মূলধন ঘাটতিও ক্রমশ বাড়ছে। প্রতিবছর জনগণ থেকে সংগৃহীত কর থেকে মূলধনের যোগান দিচ্ছে সরকার। সেই টাকাও খেয়ে ফেলছে ব্যাংকগুলো।

সূত্রমতে, কমিশন গঠন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত অনুমোদনের জন্য একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি পাঠানো হয়েছে অর্থমন্ত্রীর কাছে। অর্থমন্ত্রী অনুমোদনের পর তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো সারসংক্ষেপে বলা হয়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো দেশের খাদ্য উৎপাদন, শিল্পায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে শুরু থেকে অদক্ষতা ও অপর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনাসহ নানা ধরনের সমস্যার কারণে সমালোচনার মুখে পড়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বেসিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক গ্রুপ এবং বিসমিল্লাহ গ্রুপের ঘটনা সমালোচনার নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এছাড়া সুশাসনের অভাব রয়েছে সরকারি ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায়। ঋণগ্রহীতা নির্বাচন ও ঋণ প্রস্তাবের মূল্যায়নে অনিয়ম, ঋণ বিতরণ ও আদায়ে দুর্নীতি ও অনীহা, খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি, মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতিসহ নানা সমস্যার কথা প্রতিনিয়তই আলোচনা হচ্ছে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকগুলো তুলনামূলক উন্নত গ্রাহক সেবা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সুপরিচিত। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘন করে মাত্রাতিরিক্ত ঋণ দেয়া এবং এক ব্যাংকের পরিচালক অন্য ব্যাংকের পরিচালককে ঋণ দেয়ার মাধ্যমে এক ধরনের স্বজনপ্রীতি প্রতিষ্ঠার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ফারমার্স ব্যাংকের ঘটনা বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। ফলে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের সার্বিক কর্মকান্ডে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং দক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়াতে একটি ব্যাংক কমিশন গঠন প্রয়োজন। এ কমিশন গঠনের ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দেয়া যেতে পারে।

উল্লেখ্য, সরকারি ব্যাংকগুলোর ভালো করার জন্য সংস্কার প্রয়োজন বলে আসছে বিশ্বব্যাংকসহ দেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এই সংস্কারের জন্য স্বাধীন একটি কমিশন গঠনের কথা দাবি দীর্ঘদিনের। ওই কমিশন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করবে। পরে ওই সমস্যাগুলোর সমাধান কি হবে তা সুপারিশ হিসেবে সরকারের কাছে পেশ করবে। সরকার ওই সুপারিশমালা বাস্তবায়ন করবে।

শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে : বিজিএমইএ সভাপতি

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

তৈরি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। মালিক-শ্রমিক সব পক্ষ

শিঘ্রই চালু হচ্ছে ডাক বিভাগের সেবা "নগদ"

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের ডাক বিভাগের ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস “নগদ”। অধিকতর

হঠাৎ বড় উল্লম্ফন রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধিতে

রোকন মাহমুদ

image

দেশের পণ্য রপ্তানিতে বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে

sangbad ad

পাঁচ বছরে নতুন ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২৪০০ কোটি টাকা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

অনুমোদনের পাঁচ বছরের মাথায় খেলাপি ঋণের খাতায় নাম লিখিয়েছে নতুন নয়টি নতুন

মানুষের শ্রম ও মেধাকে সম্পদে পরিণত কর হবে : কৃষিমন্ত্রী

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশের বিশাল জনসংখ্যাকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী

বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন হবে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাট থেকে পলিথিন (জুটপলি) উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে যুক্তরাজ্যের একটি

বড় সাইবার হামলা ঠেকাতে প্রস্তুতি নেই ২৮ শতাংশ ব্যাংকের

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বিশ্বব্যাপী দিন দিন বাড়ছে আইটি ঝুঁকি। হ্যাকাররা সব সময় সাইবার হামলার জন্য প্রস্তুত। এরপরও বড় সাইবার হামলা মোকাবিলায় দেশের ২৮

তিন মাসে পোশাক রপ্তানি কমেছে ২৮ কোটি ডলার

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বেশ কয়েক

গাবতলীতে ফুল বিক্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করবে সরকার

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

ফুলের ন্যায্য দাম নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রায় দেড় একর জমির উপর গাবতলীতে নির্মাণ করা

sangbad ad