• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৪ আগস্ট ২০১৮

 

সিপিডির বাজেট মূল্যায়ন

মধ্যবিত্তের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে : বাড়বে অর্থনৈতিক বৈষম্য

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৯ জুন ২০১৮

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘নবীন দেশের জন্য প্রবীণ বাজেট’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গবেষণা সংস্থাটি বলছেন, কিছু ক্ষেত্রে দরিদ্র মানুষের জন্য প্রণোদনা থাকলেও এ বাজেট মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। ভ্যাটনির্ভর রাজস্ব সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা, ভ্যাটের স্তর কমানো, আবাসন খাতের বাড়তি কর, উৎসে কর নির্ধারণ এবং আয়করের কাঠামো আগের মতোই রাখাসহ বেশ কিছু বিষয় বিবেচনায় নিলে দেখা যায় ঘুরেফিরে চাপ আসছে মধ্যবিত্তদের ওপরই। এছাড়া কিছু সিদ্ধান্ত নিম্ন, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত তথা সব শ্রেণীর মানুষের ওপরই চাপ সৃষ্টি করবে। বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টির তেমন কোন উদ্যোগ না থাকায় নিম্নবিত্তের চাপ সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য আরও বাড়বে। সিপিডি বলছে, দেশে কিছু স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি সংকট চলছে। বাজেটে সেই সংকট মোকাবিলায় তেমন উদ্যোগ নেই। যা ব্যাংক ঋণ, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার ও মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি করবে। ব্যাংকগুলোকে ক্রমাগত যে শর্তহীন সুযোগ দেয়া হচ্ছে তা উল্লেখিত তিন খাতের ওপর চাপকে আরো বাড়িয়ে দেবে। বছর শেষে মূল্যস্ফতি বাড়তে পারে। এই সঙ্গে প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য অর্জন নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছে সিপিডি। আগামী বাজেটের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে দেড় লাখ কোটি টাকা সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে বলে মনে করছে তারা।

শুক্রবার (৮ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে বাজেট পরবর্তী সিপিডির নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়। এ সময় সিপিডির পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি বাজেট প্রস্তাব দেয়া হয়। এগুলোর মধ্যে ব্যাংক খাতে বিবেচনাহীন করপোটে কর না কমানো, করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করা, আবাসন খাতে ছোট ফ্ল্যাট ক্রয়ে ভ্যাটের বাড়তি চাপ কমানো, সিগারেটের রপ্তানি শুল্ক প্রত্যাহার প্রস্তাব বাতিল করা অন্যতম।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় বাজেট বিষয়ে মূল আলোচনা করেন সম্মানিয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন সম্মানীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান ও গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম হোসেন। এছাড়া সিপিডির অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিতি ছিলেন।

দেবপ্রিয় বলেন, বাজেট বাস্তবায়নের কিছু শক্তি রয়েছে। আমাদের প্রবৃদ্ধি ভালো, অর্থনীতিতে শিল্প খাতের অবদান বাড়ছে, রেমিটেন্সের প্রবাহ বাড়ছে, বৈদেশিক সাহায্যও বাড়ছে, সরকারি বিনিয়োগ ভালো অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু বিপরীতে মাধ্যমেয়াদি বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। এগুলো হলো- আমাদের ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ বাড়ছে না, আমাদের কর্মসংস্থান সেই হারে বাড়ছে না, আয়ের হারও তেমন বাড়ছে না, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হার খুব কম, কৃষি খাতের উদ্যোক্তারা ন্যায্য দাম পাচ্ছে না, রাজস্ব কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে, বৈদেশিক লেদেনের ক্ষেত্রে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে, ব্যাংক খাতে চলছে চরম বিশৃঙ্খলা আর পুঁজিবাজারের অবস্থাও ভালো নয়। দেশে ঘনায়মান এসব সংকট মোকাবিলায় তেমন কোন আলোচনা বা উদ্যোগ নেই। ফলে আগামীতে এসব সংকট আরও জটিল হতে পারে বলে মনে হচ্ছে।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বাজেটে যে প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে তা প্রকল্পনির্ভর। দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থানমুখী বাজেটের যে কর্মপরিকল্পনা থাকার প্রয়োজন এই বাজেট প্রস্তাবে তা নেই। তিনি বলেন, যে সব বড় বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে তা একদিকে প্রলম্বিত হচ্ছে, খরচ বাড়ছে। কিন্তু কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি ইতিবাচক ফল দিচ্ছে না।

বাজেটের এই লক্ষ্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে দেবপ্রিয় বলেন, ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির জন্য বাজেটে বিনিয়োগের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা পূরণ করতে হলে সরকারি বেসরকারি খাত থেকে বাড়তি দেড় লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ আসতে হবে। যার মধ্যে ১ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা আসতে হবে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ। আর তাতে করে ‘পুঁজির উৎপাদনশীলতা কমে যাবে’ বলে মন্তব্য করেন সিপিডিরি সম্মানীয় ফেলো।

প্রবৃদ্ধির অঙ্কের বদলে সেই প্রবৃদ্ধি মানুষের জীবনমানে কতটা পরিবর্তন আনতে পারছে- সেদিকে নজর বাড়ানোর তাগিদ দেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

‘আমরা বার বার বলেছি যে, বিড়াল বড় হতে পারে, বিড়াল ছোট হতে পারে কিন্তু তাকে ইঁদুর ধরতে হবে। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধির হার উঁচু হতে পারে, প্রবৃদ্ধির হার নিচু হতে পারে, কিন্তু প্রবৃদ্ধিতে গরিব মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন হতে হবে, তাদের বেশি পেতে হবে। কিন্তু আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে পূর্ব-পশ্চিম ভাগ তৈরি হয়েছে। একদিকে সিলেট, চট্টগ্রাম, ঢাকা; অপরদিকে বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী। একদিকে উন্নততর বাংলাদেশ, আরেকদিকে দরিদ্রতর বাংলাদেশ। আমরা দেখছি, সম্পদ, ভোগ এসব ক্ষেত্রে বৈষম্য বেড়েছে।

অর্থনীতির এই গবেষক বলেন, যারা সবচেয়ে গরিব, গত পাঁচ বছরে তাদের ৬০ শতাংশের আয় কমেছে। অন্যদিকে সবচেয়ে ধনী পাঁচ শতাংশ মানুষের ৫৭ দশমিক ৪ শতাংশ আয় বৃদ্ধি ঘটেছে। এখানে যার পুঁজি আছে, তারা আয় করার বেশি সুযোগ পাচ্ছে যার শ্রম ও উদ্যোগ আছে তার তুলনায়। শ্রম ও উদ্যোগের তুলনায় পুঁজি এবং সম্পদকে বেশি পুরস্কৃত করছেন। এটা মেধা ভিত্তিক অর্থনীতির জন্য ভালো খবর বলে মনে হচ্ছে না।

দেবপ্রিয় বলেন, প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, রেমিটেন্স, রপ্তানি আয়, মুদ্রাস্ফীতি ও সামাজিক সুরক্ষার জায়গাগুলোকে দেশের অর্থনীতির শক্তিশালী দিক।

পাশাপাশি রাজস্ব আদায় ও এডিপি বাস্তবায়নে দুর্বলতা, কৃষকের প্রণোদনামূলক দাম না পাওয়া, বৈদিশিক আয়-ব্যয়ে চাপ ও খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিকে তিনি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ এখনও স্থবির হয়ে রয়েছে। কর্মসংস্থানে প্রবৃদ্ধির হার এবং গরিবের আয় বৃদ্ধির হার দুর্বল, উৎপাদনশীলতা ও মানবসম্পদের গুণগত মান দুর্বল। এ কারণ বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাজেটে ব্যক্তিখাতে করমুক্ত আয়ের সীমা না বাড়ানোয় হতাশা প্রকাশ করে দেবপ্রিয় বলেন, ‘আনুতোষিক ব্যয়ে ৭৫ লাখ টাকা সুবিধা দেয়া হয়েছে। সেটা উচ্চবিত্তের মানুষ পাবেন। এটা আমাদের কাছে বৈষম্যপূর্ণ মনে হয়েছে। যখন নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তকে সুবিধা দিলাম না, কিন্তু উচ্চবিত্তকে আনুতোষিক ব্যয়ে সুবিধা দিচ্ছি, এটা অর্থনীতির সাম্যনীতিতে ঠিক হল না।

অর্থমন্ত্রী এবারের বাজেটে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করপোরেট ট্যাক্স বিদ্যমান ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ প্রস্তাব করেছেন। আর অনিবন্ধিত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করপোরেট ট্যাক্স বিদ্যমান ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন।

এর বিরোধিতা করে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো বলেন, ব্যাংক খাতে যে ধরনের নৈরাজ্য চলছে, সটা সমাধান না করে এ ধরনের সুবিধা দেয়া আগে যেভাবে পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে, সেটাকে ধরে রাখা হয়েছে। এর ফলে তারল্য বাড়বে না বলেই আমাদের সন্দেহ।

ব্যাংকিং খাতে করপোরেট ট্যাক্স হার কমানোর প্রস্তাবকে কঠোর সমালোচনা করেন দেবপ্রিয়। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যতটুকু যতœবান হওয়ার কথা ছিল - সে ব্যাপারে বাজেটে কোন উদ্যোগই লক্ষ্য করা যায়নি। উল্টো করপোরেট ট্যাক্স কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ব্যাংকিং খাতের তারল্য বৃদ্ধি বা সুদ হার-দুটোর কোনটাই কমানোর সম্ভাবনা নেই।

প্রস্তাবিত বাজেট মেধাভিত্তিক অর্থনীতির জন্য সহায়ক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাজেটে ‘শ্রম‘ ও ‘উদ্যোগ‘ উপেক্ষিত হচ্ছে। আর লাভবান হচ্ছে ‘পুঁজি‘ ও ‘সম্পদ‘। ফলে দারিদ্র বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নের যে অভিষ্ট তা অর্জিত হচ্ছে না। এজন্য সম্পদ বণ্টন, বৈষম্যের কমানোর জন্য নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হচ্ছে। তিনি রাজস্ব আদায় ও ব্যয় নির্বাহভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণে সরকারকে পরামর্শ দেন।

মূল্যস্ফীতি বিষয়ে তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থাকবে বলে ধরা হয়েছে, আমরা অবশ্যই এটার ব্যাপারে গভীর সংশয় প্রকাশ করছি। কারণ বিশ্ব অর্থনীতির যে পরিস্থিতি এবং দেশের ভেতরে যে প্রবণতা সেটা এটাই বলছে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির জন্য বোর্ড গঠিত হয়েছে সেখানে শ্রমিকদের জীবনমান জন্য পর্যাপ্ত মজুরির বৃদ্ধির পরামর্শ দেন খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, মজুরির বৃদ্ধি বাজেটের অংশ না হলেও একই সময়ে দুটি কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন শুরু হলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। এতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে। এতে শ্রমিকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে। মজুরি বোর্ড নামমাত্র মজুরি বৃদ্ধি করলে শ্রমিকরা মূল্যস্ফীতি সামাল দিতি পারবে না।

বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ আগামীর পথে এগিয়ে নেয়ার স্বপ্ন সামনে রেখে ভোটের বছরে ৪ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের সামনে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এতে জিপির প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৭.৮ করা ও মূল্যস্ফীতি ৫.৬ শতাংশে আটকে রাখার পরিকল্পনা নিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত এই ব্যয় বিদায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ২৫ এবং মূল বাজেটের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেশি আর বাংলাদেশের মোট জিডিপির ১৮.৩ শতাংশ। গত বছর প্রস্তাবিত বাজেট ছিল জিডিপিরি ১৮ শতাংশ। প্রায় পৌনে পাঁচ লাখ কোটি টাকার এই বাজেটের মধ্যে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা; যার ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা যাবে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি)। আর অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত অনুন্নয়ন বাজেটের চেয়ে ৩৪ শতাংশ বেশি। এই অনুন্নয়ন ব্যয়ের মধ্যে ৫৮ হাজার ৫১২ কোটি টাকা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধেই যাবে, যা মোট অনুন্নয়ন ব্যয়ের ২০.৭১ শতাংশ।

বৈধপথে অর্থ পাঠালে ঋণ সুবিধা পাবে বিদেশফেরতরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

প্রবাশীদের আয় বৈধপথে আনতে স্বল্পসুদে ঋণ তহবিল গঠন করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই তহবিল থেকে প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফেরার পর কর্মদক্ষতা

স্বল্পসুদে গৃহঋণ : আবাসনে নতুন বাজারের সম্ভাবনা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

আবাসন সমস্যা সমাধানকল্পে সরকারি কর্মচারীদের জন্য গৃহনির্মাণ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করায় এই শিল্পে নতুন বাজার সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে

বড় বাধা বিলম্ব রপ্তানি

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৈরি পোশাক খাতের অর্থায়নে ব্যাংক ও ব্যবসায়ীদের

sangbad ad

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমেছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দুই কার্যদিবস পতন আর তিন কার্যদিবস সূচক উত্থানের মধ্য দিয়ে আরও একটি সপ্তাহ পার করল দেশের পুঁজিবাজার। গত সপ্তাহে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার

হালাল পণ্য উৎপাদনে আলাদা অর্থনৈতিক অঞ্চল চান ব্যবসায়ীরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

হালাল পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে আলাদা অর্থনৈতিক অঞ্চলের দাবি জানিয়েছেন

১৬ আগস্টের মধ্যে শ্রমিকদের বোনাস দেয়ার নির্দেশ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

পোশাক শ্রমিকদের ঈদুল আজহার বোনাস ১৬ আগস্টের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ

গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৩৫ থেকে ৪৫

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

ঈদ সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের জন্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। পশু ও আকারভেদে এবার চামড়ার দাম গতবারের তুলনায়

নাজমুল হক অগ্রণী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

সম্প্রতি অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে যোগ দিয়েছেন মো. নাজমুল হক। এর

নির্বাচনের আগে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমছে-অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে সঞ্চপত্রের সুদহার কমছে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী

sangbad ad