• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮

 

বাজেট কর্মসংস্থানমুখী নয় মেগা প্রকল্পমুখী

দক্ষ শ্রমশক্তি না হলে কর্মসংস্থান তৈরি বৃথা, জোর দিতে হবে কারিগরি শিক্ষায়

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রবিবার, ১০ জুন ২০১৮

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

বাংলাদেশের আজকের যে উন্নয়ন তা জনগণের কঠোর পরিশ্রমের ফল, এখানে সরকারে বিশেষ কোন কৃতিত্ব নেই। বিশেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষি, তৈরি পোশাক খাত, প্রবাসী আয় ও এসএমই খাতের অবদান এখানে মুখ্য। বর্তমান সরকার এখন যে অবকাঠামোভিত্তিক উন্নয়ন দর্শন চিন্তা করছে তা আদৌ সফল হবে না যদি কমর্সংস্থানের জন্য দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি করা না যায়। আর দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে দরকার মানসম্মত সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষা, স্বাস্থ্যের মতো সামাজিক ও মানবিক উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ। কিন্তু সরকার করছে তার উল্টোটা। তাই এ বাজেট কর্সংস্থানমুখী নয় বরং মেগা প্রজেক্টমুখী বলা যেতে পারে। রোববার (১০ জুন) বাজেটোত্তর এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এমএম আকাশ। ২০১৮-১৯ সালের বাজেটে জনগণের দাবি-দাওয়ার প্রতিফলন ও প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণ নিয়ে গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন ডেমোগ্রাফিক বাজেট মুভমেন্ট (ডিবিএম) ও ইকোনমিক রিপোটার্স ফোরাম (ইআরএফ) যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। রাজধানীর পুরানা পল্টনের ইআরএফ কার্যালয়ে ‘জাতীয় বাজেট ২০১৮-১৯ পর্যালোচনা : সাংবাদিকবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়’ শীর্ষক ওই সভার আয়োজন করা হয়। গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন এর সহ-সভাপ্রধান আসগর আলী সাবরীর সঞ্চালনায় বাজেট বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন গবেষণা সম্পাদক মনোয়ার মোস্তফা। এছাড়া বক্তব্য দেন ইআরএফ’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম দিলাল, সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন বাবলু, স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ডা. রশিদই মাহবুব, বিজনেস ইনিসিয়েটিভ লিডিং চেঞ্জ (বিল্ড)-এর সিইও ফেরদৌস আরা বেগম ও গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন সভাপ্রধান ড. প্রতিমা পাল মজুমদারসহ আরও অনেকে।

মনোয়ার মোস্তফা তার উপস্থাপনায় বলেন, মেগা প্রকল্পের ক্রমাগত ব্যয় বৃদ্ধির কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য-পুষ্টিসহ সামাজিক ও মানবিক উন্নয়ন খাতে বাজেট প্রতিবছর কমছে। যার ফলশ্রুতিতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হচ্ছে না। একই সঙ্গে আমাদের সমাজে আয় বৈষম্য বাড়ছে। সরকারি হিসাবে শীর্ষ ৫ শতাংশ মানুষের আয় সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ এর আয়ের চেয়ে ১২১ গুন বেড়েছে। ২০১০ সালে এ ব্যবধান ছিল ৩১.৫ গুন। বিশ্লেষণ শেষে তিনি প্রগতিশীল কর ব্যবস্থা, জনকল্যাণ ও সামাজিক খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক বৈষম্য হ্রাসের জন্য উন্নয়ন ও বাজেটের বিকেন্দ্রীকরণের মতো ৩টি কৌশলগত সমাধানের প্রস্তাব করেন।

সাইফুল ইসলাম দিলাল বলেন, বাজেটে মধ্যবিত্তের জন্য করের বোঝা ছাড়া ইতিবাচক কিছু নেই। তিনি বলেন এ বাজেটে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তেরে উপর চাপ বাড়বে। সালাহ উদ্দিন বাবলু বলেন, আমরা যদি স্বর্ণের বাজার মূল্যের সঙ্গে বাজেটের আর্থিক মূল্যের হিসাব করি তাহলে দেখবো যে, বঙ্গবন্ধু যে বাজেট দিয়েছিলেন সেই তুলনায় বর্তমান বাজেটের পরিমাণ অনেক কম। আমরা এই বাজেটে বঙ্গবন্ধুর দর্শনের বা আদশের প্রতিফলন দেখতে পাই না। জনগণের করের টাকায় ব্যাংকিং খাতের দায়শোধের সমালোচনা করেন তিনি।

ডা. রশিদই মাহবুব বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ সবচেয়ে কম। স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দের ভোক্তার যে হিস্যা সেটা কিন্তু ১ টাকাও বাড়েনি, যা বাড়ে তা রাজস্ব বাজেট তথা বেতন, ভাতাদি, প্রশাসনিক ব্যয়ে সিংহভাগ চলে যায়। অন্যদিকে সামগ্রিক বাজেটের আকার বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের ‘আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার’ আরও বেড়ে যাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। বতর্মানে ১০০ টাকার চিকিৎসায় জনগণ নিজে পকেট থেকে গড়ে ৬৬ টাকার বেশি খরচ করে।

ফেরদৌস আরা বেগম বলেন, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশি সাইকেলের বাজার কেবল তৈরি হচ্ছে এমন সময় ব্রেকিং সিস্টেম ও শ্যাডেল-এর উপর হঠাৎ করে ১৫ শতাংশ কর আরোপনকে বিকাশমান বাইসাইকেল শিল্পের উপর নেতিবাচক হস্তক্ষেপ। একইসঙ্গে তিনি আমাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনায় ধারাবাহিকতার অভাবকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে বলেন যে, তাড়াহুড়ো করে এডহক ভিত্তিতে সরকার বিনিয়োগ সংক্রান্ত যেসকল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তার জন্য সামনে বিপদে পড়তে হবে। মাত্র এক বছরে মাথায় পরিবেশ বান্ধব শিল্পে ২% কর বাড়িয়ে ১২% করার সমালোচনা করেন তিনি। আয়মুক্ত করের সীমা বাড়ানোর উপর জোড় দেন তিনি। তিনি বলেন যানজট নিরসনে কোন বান্তবসম্মত পরিকল্পনা নেই, অথচ এর কারণে আমরা জিডিপি হারাচ্ছি।

জিটিভি-র চিফ রিপোটার রাজু আহমেদ বলেন, আমাদের দেশের ৩০% ধনী মানুষ দেশের মোট সম্পদের ৬৪ ভাগ ভোগ করছেন। অন্যদিকে আঞ্চলিক বৈষম্যও বাড়ছে উল্লেখ করে বলেন যে বাজেটে এই বৈষম্য নিরসনের কোন পদক্ষেপ লক্ষণীয় নয়। যারা দারিদ্র সীমার ঠিক উপরে বসবাস করছেন যে কোন পারিবারিক বা আর্থ-সামাজিক সংকট বা দুযোগের ঝুঁকির কারণে তারা আবার দারিদ্র সীমার নিচে চলে আসতে পারেন।

ড. প্রতিমা পাল মজুমদার বলেন, অর্থমন্ত্রীর ভাষণ অনুযায়ী স্কুলে নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য টয়লেট-এর পরিকল্পনাকে তিনি সাধুবাদ জানান। অন্যদিকে ৫ হাজার স্কুলে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগেকে নারী শিক্ষার জন্য ইতিবাচক উদ্যোগ বলে উল্লেখ করেন।

গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক এআর আমান সভার সূচনায় বলেন, বাজেটের আকৃতি বেড়েছে সেটা আপাত:দৃষ্টিতে ভাল সংবাদ মনে হতে পারে; কিন্তু জনচাহিদা সম্পন্ন খাতে বাজেট বেড়েছে কি না সেটা বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন সাধারণ বেকারের পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান শিক্ষিত ও তরুণ বেকারের জন্য অর্থমন্ত্রী বাজেটে কোন বিনিয়োগ কৌশল দেন নি, যা ইনক্লুসিভ গ্রোথের পথে অন্তরায়।

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের আউটলেট উদ্বোধন

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

চট্টগ্রামের পটিয়ায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ১৯৫তম এজেন্ট আউটলেটের

নির্বাচনের আগে পোশাক খাতে বিশৃঙ্খলা পরিকল্পিত

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মো.

খেলাপি ঋণ ছিল আছে থাকবে : দায় শুধু ব্যাংকের নয়

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির দায় শুধু ব্যাংকারদের নয় বলে মনে করছেন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা। তরা

sangbad ad

১২ ব্যাংক নিরাপত্তা সঞ্চিতি ঘাটতিতে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য খেলাপি ঋণের বিপরীতে নির্দিষ্ট একটি অংশ প্রভিশন

ভ্যাট দিবস পালিত : ব্যবসায়ীরা ঠিক মতো ভ্যাট দিলে রাজস্ব আরও বাড়বে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেছেন

বড় পতনে সপ্তাহ শুরু পুঁজিবাজারে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

আগের কার্যদিবসের ধারাবাহিকতায় রোববার (৯ ডিসেম্বর) প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

জামদানি বাজারজাতে লাগবে জিআই সনদ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

জামদানি উৎপাদন ও বাজারজাত করতে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) নিবন্ধন সনদ লাগবে

৩২ প্রতিষ্ঠান পেল আইসিএমএবি বেস্ট কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

২০১৭ সালের জন্য ১৩টি ক্যাটাগরিতে আইসিএমএবি বেস্ট কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ৩২

অগ্রগতির পরিবর্তে উল্টো পথে বিনিয়োগ প্রস্তাব

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

চলতি বছরের নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত স্থানীয়, শতভাগ বিদেশি ও যৌথ

sangbad ad