• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ০১ জুন ২০২০

 

জনদুর্ভোগের আরেক নাম বংশাই রোডের একশ গজ রাস্তা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২০

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)
image

তিন চার বছর ধরে জনদুর্ভোগের আরেক নাম মির্জাপুর পৌর এলাকার অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ বংশাই রোড। এই রোডের মাত্র একশ গজ রাস্তা এখন গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচলকারী হাজারো মানুষের। রাস্তাটির বেহাল দশার কারনে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে কয়েক হাজার মানুষ।

মির্জাপুর পৌর এলাকার অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হচ্ছে বংশাই রোড। এই রোড দিয়ে উপজেলার উত্তরাঞ্চলের তরফপুর, লতিফপুর ইউনিয়নের আংশিক এবং পৌর এলাকার আংশিক মিলিয়ে স্কুল কলেজের শিক্ষাথীসহ কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে থাকে। বংশাই নদীর উপর সেতু নির্মিত হওয়ার পর এই সড়ক দিয়ে মানুষের চলাচলের পাশাপাশি যানবাহন চলাচলও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু মির্জাপুর বাইপাস বাস স্টেশন ও রেল ক্রসিং এর মধ্যবর্তি মাত্র একশ গজ রাস্তা জনযানের অবাধ চলাচল ম্লান করে দিয়েছে।

ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়ক নির্মাণ এবং পরবর্তীতে তা চার লেনে উন্নীত হওয়ার পর ওই রাস্তা টুকু নীচু হয়ে যায়। রাস্তা পাকা করন হলেও মাটি ভর্তি ভারী যানবাহন চলার কারনে তা অল্পদিনেই নষ্ট হয়ে প্রায় পূর্বের অবস্থায় চলে আসে। শুরু হয় মানুষের দুর্ভোগ। প্রায় তিন চার বছর যাবত এই দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।শুকনো মৌসুমে কষ্ট করে চলতে পারলেও বৃষ্টির দিনে ওই রাস্তা টুকু চরম জনদুর্ভোগে পরিনত হয়। রাস্তা টুকু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ওই সড়কের ব্যবসায়ীরার্ স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে কিছুটা সংস্কার করলেও সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় হাটু পানি জমে মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। শুকনো মৌসুমে মাটি ভর্তি ভারী ট্রাক আর বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টি রাস্তাটুকু চলাচলের অনুপযোগী করে ফেলে।

গোড়াইল গ্রামের ফরিদ মিয়া, ফেরেঙ্গি পাড়া গ্রামের জাবেদ হোসেন বলেন আমরা উত্তরাঞ্চলের মানুষ অবহেরিতই রয়ে গেলাম। অল্প একটু রাস্তা সংস্কারে কারো কোন নজর নেই।

ওই রাস্তা দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারী পাথরঘাটা গ্রামের ভাড়্য়া চালিত মোটরসাইকেল চালক তোফাজ্জল বলেন রাস্তার পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির মৌসুমে এত দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।

মির্জাপুর সেনেটারি মিস্ত্রী সমিতির সভাপতি গোড়াইল গ্রামের চান মিয়া বলেন, আমরা তিন চার বছর যাবত বৃষ্টির মৌসুমে অল্প একটু রাস্তা দিয়ে ভালভাবে যেতে পারছিনা।

মির্জাপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র চন্দনা দে বলেন, ওই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্প জমা দেয়া আছে। দেশের করোনা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেই দ্রুততম সময়ে কাজ টি করা হবে বলে তিনি বলেন।

sangbad ad