• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯

 

নতুন রপ্তানি নীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে রপ্তানিমুখী শিল্প খাত

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৩ নভেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

সহজ শর্তে ঋণ প্রদান, শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠাসহ রপ্তানিমুখী শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে করা হচ্ছে নতুন রপ্তানি নীতিমালা। নতুন নীতিমালায় রপ্তানি পণ্যে প্রণোদনামূলক সুবিধার জন্য মূল্য সংযোজন হার ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ করার প্রস্তাব আছে। এছাড়া শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা স্থাপনের জন্য সব ধরনের যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক সুবিধা দেয়া হবে। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা থাকছে এ নীতিমালায়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের কাতারে যুক্ত হয়েছে প্লাস্টিকের তৈরি পণ্য, কাঁকড়া, কাজু বাদাম, চামড়াজাত পণ্য, সিনথেটিক জুতা, অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট। এছাড়া রপ্তানিতে গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আধুনিক আইসিডি নির্মাণ, চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি সম্প্রসারণ, কনটেইনার টার্মিনালে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। সরকারের বাস্তবায়নাধীন ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকায় রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য ভূমি বরাদ্দসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কমপ্লায়েন্স প্রতিপালনে অগ্রাধিকার দেয়ার কথাও বলা হয়েছে নীতিমালায়। একইসঙ্গে রপ্তানি শিল্পের ফেব্রিকস, স্যাম্পল, কাঁচামাল দ্রুত সরবরাহের জন্য বন্দর বা বিমানবন্দরে পৃথক উইন্ডো স্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, রপ্তানি নীতিমালায় দেশের হিমায়িত চিংড়ি ও মাছ প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, আমদানি নির্ভরতা কমানোর জন্য দেশে তুলার উৎপাদন বাড়ানো, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্লাস্টিক শিল্প নগরী প্রতিষ্ঠা, তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে অ্যাক্সপোর্ট ডেভলপমেন্ট ফান্ডে অন্তর্ভুক্ত করা এবং আইসিটি সেক্টরে কর্মরত মিড লেভেল ম্যানেজমেন্টকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। নতুন রপ্তানি নীতিতে তৈরি পোশাক খাতের জন্য ‘নিটপল্লী’সহ অন্য বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চলে গড়ে ওঠা পোশাকপল্লীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ইউটিলিটি সুবিধাসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশের রপ্তানির অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৮তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে।

রপ্তানিকারক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই মূলত বেশিরভাগ পণ্য রপ্তানি হয়। এ বন্দরে কনটেইনারের ভাড়াও তুলনামূলক কম। ফলে অধিকাংশ রপ্তানিকারকই চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করছেন। পদ্মার ওপারে প্রায় সব বেসরকারি জুট মিল ও টোয়াইন মিলের পণ্য চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।

বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি মঈনউদ্দিন আহমেদ মিন্টু বলেন, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে রপ্তানি বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে রপ্তানি যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে রপ্তানি আয়ও। তিনি বলেন, রপ্তানি খাতে পণ্য পরিবহন ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। তাই জাহাজে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে ভারী যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো অপরিহার্য। এজন্য বন্দরে নতুন জেটি ও ইয়ার্ড নির্মাণ করা জরুরি।

চট্টগ্রাম বন্দরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ৮ মাসে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পণ্যবাহী ও খালি কনটেইনার পরিবহন হয়েছে ১৮ লাখ ১৮ হাজার ৪৯৪ টিইইউ। গত বছর একই সময়ে পরিবহন হয়েছিল ১৬ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮৪ টিইইউ কনটেইনার। বন্দর দিয়ে কনটেইনারে যেসব পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা হয়, তার বড় অংশই পোশাক শিল্পের কাঁচামাল ও তৈরি পোশাক পণ্য। এছাড়া আছে ইস্পাত কারখানার কাঁচামাল, খাদ্যপণ্য, ওষুধ, রাসায়নিক, ইলেক্ট্রনিক সামগ্রীসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।

এক সময় পোশাক ছিল রপ্তানির একমাত্র উপাদান। পরে এর সঙ্গে যুক্ত হয় চামড়াজাত পণ্য। নতুন নীতিমালায় চামড়া শিল্পের কাঁচামাল সহজলভ্য করা এবং ‘সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যার হাউস’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে কমপ্লায়েন্ট পাদুকা ও চামড়াজাত শিল্প খাতের সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোকে সবুজ রং শ্রেণীভুক্ত করা হবে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইটিপি’র মাধ্যমে তরল ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অধীনে পরিবেশবান্ধব উপায়ে আমদানিকৃত চামড়া প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী পুনরায় রপ্তানির অনুমতি দেয়া হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার। জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৯৩৩ কোটি ডলার। তার বিপরীতে আয় হয় ৯৯৪ কোটি ডলার। শুধু সেপ্টেম্বরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭৪ কোটি ডলার। আয় হয়েছে ৩১৪ কোটি ডলার। এই ৩ মাসে নিটওয়্যার খাত থেকে রপ্তানি আয় এসেছে ৪২০ কোটি ডলার। আর ওভেন খাতে রপ্তানি আয় এসেছে ৩৯৮ কোটি ডলার। পোশাকের দুই খাতে এসেছে ৮১৯ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৪২ কোটি ডলার। তিন মাসে পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এছাড়া এ খাতে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। শিল্পপণ্য খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৯০৩ কোটি ডলার। তার বিপরীতে আয় হয় ৯৫১ কোটি ডলার।

রিজার্ভ চুরি : ফিলিপাইনের ব্যাংক কর্মকর্তা দেগুই তো দোষী সাব্যস্ত

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংক করপোরেশনের

ছয় মাসে ফার্নিচার রপ্তানি বেড়েছে ৪০ শতাংশ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দেশের বাইরে ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশে তৈরি আসবাবপত্র বা গৃহস্থালি

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে রপ্তানি আয়

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

রপ্তানি আয় খুব ভালো সময় পার করছে। চলতি (২০১৮-১৯) অর্থবছরের প্রথম ছয়

sangbad ad

‘কাগুজে সংস্কার’ দিয়ে ব্যবসা পরিচালনার সূচকে উন্নয়ন সম্ভব নয়

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)’র নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল

উত্থান দিয়ে বছর শুরু পুঁজিবাজারের

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

নতুন বছরের (২০১৯ সাল) প্রথম দিন মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে

ফের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

এক বছর পর বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের তিন হাজার ২০০

খেলাপি ঋণ আদায় বাড়াতে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের পরামর্শ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

খেলাপি ঋণ আদায় বাড়াতে হাইকোর্টে রিট করা কমানোসহ একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠনের

জিএসপি সনদ ইস্যু করবেন রপ্তানিকারক নিজেই

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

আগামী বছরের শুরু থেকে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)

করের আওতায় আসবে শহরের বাড়ি ও ফ্ল্যাট মালিকরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

রাজধানীর ছাড়াও সব বিভাগীয় শহর, জেলা শহর ও উপজেলা শহরের বাড়ি বা ফ্ল্যাটের

sangbad ad