• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮

 

প্রাক-বাজেট আলোচনা

তামাকজাত পণ্যে কর বাড়ানোর দাবি

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ মে ২০১৮

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে তামাকজাত পণ্যের ওপর কার্যকর ও বর্ধিত হারে কর আরোপের দাবি জানিয়েছে তামাক বিরোধী সংগঠনগুলো। তাদের দাবি, তামাকপণ্যে কার্যকর ও বর্ধিত হারে কর আরোপ করা হলে তামাকের প্রকৃত মূল্য ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। আর ১০ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি পেলে দেশে তামাকের ব্যবহার ৫ শতাংশ কমে আসবে। কিন্তু কার্যকর কর আরোপের অভাবে দেশে তামাকপণ্যের প্রকৃত মূল্য বৃদ্ধি পায়নি। উল্টো অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে তামাকের দাম সস্তা থেকে সস্তাতর হচ্ছে। ফলে তামাক আসক্তি যেমন উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে, তেমনি তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ অকাল মৃত্যুবরণ করছে।

বৃহস্পতিবার (৩ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাজেটে তামাকপণ্যে যুগোপযোগী এবং কার্যকর কর আরোপের দাবিতে, প্রজ্ঞা ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স-আত্মা’র উদ্যোগে তামাক বিরোধী সংগঠন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহছানিয়া মিশনসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন সম্মিলিতভাবে ‘কেমন তামাক কর চাই’ শীর্ষক এক প্রাক-বাজেট সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ। এ সময় তিনি বলেন, তামাকপণ্যে কর আরোপের ক্ষেত্রে রাজস্ব নয় বরং জনস্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিতে হবে। এ খাত থেকে রাজস্ব আদায় বাড়ানোও সম্ভব। কিন্তু এসব পণ্যের অতিরিক্ত কর আরোপ করতে হলে সেটা জাতীয় সংসদে পাস করতে হয়। অনেক সময় এসব প্রস্তাব পাস হয় না। তাই চাইলেও এক্ষেত্রে কাক্সিক্ষত হারে কর বাড়ানো যায় না।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুল মালিকের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিস’র বাংলাদেশ কান্ট্রি এডভাইজার শফিকুল ইসলাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস’র (সিটিএফকে) গ্রান্টস ম্যানেজার ডা. মাহফুজুর রহমান ভুঁঞা, দি ইউনিয়ন’র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের এবং আত্মার কনভেনর মর্তুজা হায়দার লিটন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স আত্মার কো-কনভেনর নাদিরা কিরণ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে তামাকপণ্যের দাম অনেক বেশি, সুতরাং কর বাড়ালে সিগারেটের চোরাচালান বৃদ্ধির যে যুক্তি তামাক কোম্পানিগুলো দিচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অমূলক। তিনি বলেন, কোনও পণ্যের কর বাড়াতে হলে সেটা জাতীয় সংসদে পাস করতে হয়। আমরা পাস করানোর জন্য যেসব প্রস্তাব নিয়ে যেতাম সবগুলো পাস হতো না। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় এমপিরা তাদের নিজেদের স্বার্থে এসব প্রস্তাব পাস করতে দিতেন না। তবে এখন সময় পাল্টাচ্ছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে তামাক মুক্ত।

এনবিআরের এ সাবেক চেয়ারম্যান বলেন, তামাক ও তামাকজাত পণ্য থেকে এনবিআর প্রতি অর্থবছরে ২০ থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ করে। যা এনবিআরের মোট রাজস্বের ১০ শতাংশ। এছাড়া এ কোম্পানিগুলো করপোরেট ট্যাক্সও দেয়। বাংলাদেশে এখনও করের পরিধি সেভাবে বাড়ানো সম্ভাব হয়নি। তাই রাজস্ব আয়ের জন্য তামাক কোম্পানিগুলোকে প্রাধান্য দেয় এনবিআর। তবে তামাকপণ্যে যে সম্পূরক শুল্ক বিদ্যমান রয়েছে তা আরোপ করা হয় মূল্যের শতাংশ হারে। এটা এখনি বন্ধ করা উচিত। এটা বন্ধ করে সম্পূরক শুল্কের একটা অংশ সুনির্দিষ্ট করে দেয়া উচিত।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিগারেটে উচ্চহারে করারোপ করা হলে চোরাচালান বেড়ে যাবে এটা ভ্রান্ত ধারণা। কারণ বাংলাদেশের চেয়ে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে সিগারেটের দাম অনেক কম। সুতরাং চোরাচালানের কোন সুযোগ নেই। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আগে, তারপর রাজস্ব। জনগণের যদি স্বাস্থ্যই সুরক্ষা না হয় তাহলে রাজস্ব দিয়ে কী হবে? তামাক নিয়ন্ত্রণ নিতীমালা জরুরি।

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুল মালিক বলেন, তামাক সারাবিশ্বের জন্য অভিশাপ। বিশ্ব এটাকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে। আমাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সব অসংক্রামক ব্যাধির অন্যতম কারণ হচ্ছে তামাক। বর্তমানে ৩০ থেকে ৪০ বছরের লোকজন যারা হার্ট অ্যাটাক করে তাদের অধিকাংশই হচ্ছেন তামাকসেবী। তিনি বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জন করতে হলে কর আরোপের মাধ্যমে তামাকপণ্যের দাম বাড়িয়ে এর ব্যবহার কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক বলেন, জনস্বাস্থ্য রাক্ষায় আমরা চাই বাংলাদেশের তামাকজাত পণ্য নিয়েন্ত্রণে আসুক। এর জন্য চাহিদা ও যোগান নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। এক পদ্ধতি অবলম্বন করে তামাক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

বিশ্বব্যাপী তামাকের চাহিদা নিয়ন্ত্রণের জন্য ছয়টি কৌশল বলা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ট্যাক্স বাড়ানো, সচেতনতা বৃদ্ধি, অ্যাডভার্টাইজমেন্ট, আইন প্রয়োগ। এছাড়া যোগান নিয়ন্ত্রণের জন্য তামাক চাষিদের অন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাসহ আরও বেশকিছু কৌশল রয়েছে। এসব কৌশলের তামাকের দাম বাড়িয়ে দিয়ে জনগণকে তামাকপণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহীত করা। এ জন্য সবচেয়ে কার্যকরী কৌশল হচ্ছে কর বাড়ানো বলে জানান বক্তারা।

খেলাপি ঋণ কমাতে আইন সংস্কার ও এডিআরকে গুরুত্বারোপ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

খেলাপি ঋণ কমাতে আইন সংস্কার ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) কে গুরুত্বারোপ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে

আসবাবপত্র রপ্তানি বেড়েছে ২০ শতাংশ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দেশের বাইরে ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশে তৈরি আসবাবপত্র ও গৃহস্থলী পণ্য। গত

সোনা নিয়ে সৃষ্ট জটিলর দ্রুত সমাধান চান প্রধানমন্ত্রী

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

সোনা নিয়ে সৃষ্ট জটিলর দ্রুত সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কেন্দ্রীয়

sangbad ad

অধিকাংশ ব্যাংক কমায়নি সুদের হার

রোকন মাহমুদ

সিঙ্গেল ডিজিট বা ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত অনেক ব্যাংক এখনও কার্যকর করেনি। আবার যেসব ব্যাংক কমিয়েছে, তারা সব ক্ষেত্রে ৯ শতাংশে সুদহার

সিএজি হলেন মুসলিম চৌধুরী

অনলাইন বার্তা পরিবেশক, অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। রোববার (১৫ জুলাই) সিএজি পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন

ইপিজেডের রপ্তানিকারকদেরও জাতীয় সম্মাননা দেয়া হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন বার্তা পরিবেশক,

image

আগামীতে রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকার (ইপিজেড) উদ্যোক্তাদেরও রপ্তানি ট্রফি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তির অভাব রয়েছে : শিল্পমন্ত্রী

অনলাইন বার্তা পরিবেশক,

image

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, বর্তমানে দেশে প্রায় আড়াইশ’ উন্নতমানের

এগার মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দেড় লাখ কোটি টাকা

অনলাইন বার্তা পরিবেশক, নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

আমদানি ব্যয় বাড়লেও সে অনুযায়ী রপ্তানি আয় না বাড়ায় বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১১ মাসে

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুর

অনলাইন বার্তা পরিবেশক,

image

বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগ পরিবেশে বিরাজ করছে। ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট

sangbad ad