• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

 

ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে ব্যর্থ ১২ ব্যাংক

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০৬ জুন ২০১৮

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

ব্যাংক খাতে বেড়েছে মন্দ বা খেলাপি ঋণের পরিমাণ। ঝুঁকিপূর্ণ এসব ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের ১২টি ব্যাংক। এসব ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকা। যার সিংহভাগই রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের। বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি করা সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের যে পরিমাণ ঋণ বিতরণ করে তার বেশিরভাগই আমানতকারীদের অর্থ। তাদের অর্থ যেন কোন প্রকার ঝুঁকির মুখে না পড়ে সে জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা আছে। এর একটি হলো প্রভিশন সংরক্ষণ।

নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকের অশ্রেণীকৃত বা নিয়মিত ঋণের বিপরীতে দশমিক ২৫ থেকে পাঁচ শতাংশ হারে প্রভিশন রাখতে হয়। নিম্নমান বা সাব-স্ট্যান্ডার্ড ঋণের বিপরীতে রাখতে হয় ২০ শতাংশ, সন্দেহজনক ঋণের বিপরীতে ৫০ শতাংশ এবং মন্দ বা কুঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। ব্যাংকের আয় খাত থেকে অর্থ এনে এ প্রভিশন সংরক্ষণ করা হয়। খেলাপি ঋণ বাড়লে, আর সে অনুযায়ী ব্যাংকের আয় না হলে প্রভিশন ঘাটতি দেখা দেয়।

ব্যাংক ব্যবস্থার ঋণের শ্রেণীমান অনুযায়ী নির্ধারিত পরিমাণ নিরাপত্তা সঞ্চিতির অর্থ সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী, বেসিক ও অগ্রণী ব্যাংক। বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, আইএফআইসি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক।

প্রভিশন সংরক্ষণে ব্যর্থদের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক এবং বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক, আইএফআইসি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে মোট প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল ৪৯ হাজার ২৩৯ কোটি ছয় লাখ টাকা। এর বিপরীতে সংরক্ষণ হয়েছে ৪১ হাজার ২৮০ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ফলে সার্বিক ভাবে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে সাত হাজার ৯৫৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা। বেশ কিছু অনেক ব্যাংক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি প্রভিশন সংরক্ষণ করায় সামগ্রিক ঘাটতি কম দেখা যাচ্ছে। নিয়ম অনুসারে প্রতিটি ব্যাংকের আলদাভাবে প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়।

সে হিসেবে ১২টি ব্যাংক নির্ধারিত হারে প্রবিশন রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। আলোচিত সময়ে এসব ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৫৯৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি সোনালী ব্যাংকের। মার্চশেষে সোনালী ব্যাংকের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৯৪৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এরপরই বেসিক ব্যাংকের ঘাটতি তিন হাজার ৩০৭ কোটি ১০ লাখ, রূপালী ব্যাংকের এক হাজার ২৬৮ কোটি ৩৩ লাখ এবং অগ্রণী ব্যাংকের এক হাজার নয় কোটি ৬১ লাখ টাকা।

বেসরকারি খাতের আট ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি এক হাজার ৬২ কোটি টাকা। এর মধ্যে এবি ব্যাংকের ১৫৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ১৯৯ কোটি ৮৫ লাখ, আইএফআইসির ২৯ কোটি ৪১ লাখ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ১১৪ কোটি ৩৭ লাখ, ন্যাশনাল ব্যাংকের ১৪০ কোটি ২০ লাখ, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ১১৯ কোটি ৫৯ লাখ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ২৩৬ কোটি ৩৪ লাখ ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৬৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, খেলাপি ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তার জন্য ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন রাখতে হয়। যেহেতু খেলাপি বেড়েছে তাই প্রভিশন ঘাটতিও বেড়েছে। তিনি বলেন, গত ৭/৮ বছরে ব্যাংক খাতে ঋণের নামে টাকা লুট হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো কিছু বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালকদের দিয়ে এ খাত আরও অস্থির করেছে। এভাবে চলতে থাকলে ব্যাংক খাতে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক এ ডেপুটি গভর্নর বলেন, খেলাপির বিষয়ে এখনই বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রদক্ষেপ নিতে হবে। যারা দীর্ঘদিন খেলাপি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। যেসব খেলাপি তিনবারের বেশি পুনঃতফসিল করেছে তারা যাতে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়মিত হয়- এমন নির্দেশনা দিতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, প্রভিশন ঘাটতি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শেয়ারহোল্ডাদের জন্য কোন লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চশেষে ব্যাংক খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আট লাখ ২২ হাজার ১৩৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৮ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা, যা ডিসেম্বর’ ১৭ শেষে ছিল ৭৪ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা বা ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৪ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা।

রিহ্যাব পুরস্কার পেলেন ২৪ গণমাধ্যমকর্মী

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) আয়োজিত বর্ষসেরা

সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ধার ৫ হাজার কোটি টাকা

রোকন মাহমুদ

image

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সঞ্চয়পত্রে বড় ধরনের বিনিয়োগ এসেছে। এ

বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায় থাই ব্যবসায়ীরা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা। নিকটতম

sangbad ad

পুনর্মুদ্রণ হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাস

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাস’ গ্রন্থ পুনর্মুদ্রণের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গ্রন্থটিতে

এসডিজি বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অর্ধেকেরও বেশি

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি (সাসটেন্যাবল ডেভেলপমেন্ট গোল) বাস্তবায়নে

ব্যাংক সেবার বাইরে দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

ব্যাংক খাতের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সম্পর্ক এখনও কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছায়নি। অনেক

আরো এক কোটি ১৪ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দেশের পরিবারভিত্তিক দরিদ্র্য ও সুবিধাবঞ্চিতদের চিহ্নিত করতে ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেজ

অভ্যন্তরীনভাবে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন বলতে কিছু নেই

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

ব্যাংকিং খাতে সুশাসনের অভাবের পাশাপাশি দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা জেঁকে বসেছে বলে মন্তব্য

প্রতিযোগিতা করে বাণিজ্য করতে বাংলাদেশ সক্ষম

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাণিজ্য করতে বাংলাদেশ সক্ষম বলে মন্তব্য করেছেন

sangbad ad