• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

 

অর্থবছরের দুই মাসে রেমিটেন্স বেড়েছে ৮ শতাংশ

ঈদের পর রেমিটেন্সে ধীরগতি

নিউজ আপলোড : ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

ইতিবাচক ধারায় রয়েছে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স। সদ্য শেষ হওয়া আগস্ট মাসে প্রবাসীরা ১৪১ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন। যা আগের মাস জুলাইয়ের তুলনায় ৯ কোটি ২৮ লাখ ডলার বেশি। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিটেন্স এসেছিল ১৩১ কোটি ৮১ লাখ ডলার। কিন্তু ঈদের কয়েক দিনের ছুটি এবং ঈদ শেষে মাসের বাকি দিনগুলোতে তেমন রেমিটেন্স পাঠাননি প্রবাসীরা। সে কারণে অগাস্ট মাসে রেমিটেন্স প্রবাহে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে অর্থবছরের দুই মাসের হিসাবে রেমিটেন্স প্রায় ৮ শতাংশ বেড়েছে। তবে ১৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি নিয়ে গত অর্থবছর শেষ হলেও চলতি অর্থবছরে সেটা ধরে রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কিত অর্থনীতিবিদরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস অগাস্টে ১৪১ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত বছরের অগাস্ট মাসের চেয়ে দশমিক ৫৩ শতাংশ কম। তবে অর্থবছরের প্রথম মাসের চেয়ে অর্থাৎ জুলাই মাসের চেয়ে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে অর্থাৎ জুলাই-অগাস্ট সময়ে ২৭২ কোটি ৭৯ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৫৩ কোটি ৪১ লাখ ডলারের রেমিটন্স এসেছিল বাংলাদেশে। গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় ‘সুখবর’ নিয়ে শুরু হয়েছিল নতুন অর্থবছর। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৩১ কোটি ৭০ লাখ (১.৩১ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল গত বছরের একই মাসের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের খরা কাটিয়ে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে গত অর্থবছর শেষ করে বাংলাদেশ।

এদিকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রেমিটেন্সের নিম্নগতি সরকারের নীতি-নির্ধারকদের কপালে ভাঁজ ফেলেছিল। রেমিটেন্স বাড়াতে মাশুল না নেয়াসহ নানা ঘোষণাও দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। কিন্তু এখন পর‌্যন্ত মাশুল কমানোর অর্থমন্ত্রীর সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন হয়নি।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, অর্থবছরের প্রথম মাসে রেমিটেন্সে ভালো প্রবৃদ্ধি হলেও সেটা ধরে রাখা সম্ভব হবে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় আছে। আমার বিশ্লেষণ হচ্ছে, গত অর্থবছরের ইতিবাচক ধারা নাও থাকতে পারে। সে কারণে রেমিটেন্স বৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে হলে যেসব ভাই-বোনদের আমরা বিভিন্ন দেশে পাঠাচ্ছি তাদের অবশ্যই দক্ষ করে পাঠাতে হবে। আর আরেকটি হচ্ছে, তারা যাতে কোন ঝামেলা ছাড়া কম খরচে দ্রুত টাকা দেশে পাঠাতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৪১ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যার বেশিরভাগই এসেছে দেশের কার্যরত বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। আগস্টে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১০২ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার। তার পরের অবস্থান রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো। এসব ব্যাংকের মাধ্যেমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫ কোটি ৭২ লাখ মার্কিন ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে এক কোটি ৫৩ লাখ মার্কিন ডলার এবং বিদেশি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে এক কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিটেন্স।

এদিকে বরাবরের মতো এবারও একক ব্যাংক হিসেবে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে ২৯ কোটি ডলার। রেমিটেন্স আহরণে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে আগস্টে রেমিটেন্স এসেছে ১৫ কোটি মার্কিন ডলার। এছাড়া সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে ৮ কোটি ডলার, ডাচ্-বাংলা ৮ কোটি ৮৮ লাখ মার্কিন ডলার ও ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে ৫ কোটি ৫৫ লাখ ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছে।

রেমিটেন্সের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স এসেছে। এ সময় রেমিটেন্স এসেছিল এক হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রবাসীদের রেমিটেন্স পাঠানোর পরিমাণ ছিল এক হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ মার্কিন ডলার। সর্বশেষ জুনে শেষ হওয়া ২০১৭-১৮ অর্থবছরের এক হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে বাংলাদেশে অর্থনীতিতে। বাংলাদেশের জিডিপিতে ১২ শতাংশ অবদান রাখে প্রবাসীদের পাঠানো এই বিদেশি মুদ্রা। বর্তমানে এক কোটির বেশি প্রবাসী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। দেশের রেমিটেন্সের অর্ধেকের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্যের ছয় দেশ- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইন থেকে। রেমিটেন্স বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও রয়েছে সন্তোষজনক অবস্থায়। বর্তমানে রিজার্ভে রয়েছে ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় গত কয়েক মাস ধরে ডলারের দর স্থিতিশীল রয়েছে। বাজারে ডলারের চাহিদা কমে আসায় বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোর কাছে কোন ডলার বিক্রি করেনি। চাহিদা বাড়ায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৩০ কোটি ডলার বিক্রি করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে (জুলাই) বিক্রি করে ১১ কোটি ডলার। আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বাজারে প্রতি ডলার ৮৩ টাকা ৭৫ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে। তিন মাস আগেও ডলারের দর একই ছিল। অথচ এক বছর আগে এই দর ছিল ৮০ টাকা ৫৯ পয়সা। এ হিসেবে এক বছরে ডলারের দাম বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।

সামিটের উদ্যোগের প্রশংসায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির নিয়ে আসার প্রচেষ্টার

করদাতা বেড়েছে, বাড়াতে হবে আরও : আয়কর মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুহিত

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

জনগণকে কর দিতে উৎসাহিত করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়োজনে সারাদেশের

তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৩২ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি থাকলেও বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের

sangbad ad

এগারো এগারো তে ৮০% পর্যন্ত ছাড় থাকবে মীরবাজারে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নভেম্বর এর ১১ তারিখ, সংক্ষেপে এগারো এগারো বা এলেভেন এলেভেন। এই দিনে বিশ্বের

কর ব্যবস্থায় দুর্নীতি রয়েছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দেশের ৬৫ শতাংশ মানুষ মনে করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর ব্যবস্থায় দুর্নীতি

খুলনা পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খুলনা পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

নতুন রপ্তানি নীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে রপ্তানিমুখী শিল্প খাত

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

সহজ শর্তে ঋণ প্রদান, শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠাসহ রপ্তানিমুখী শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে করা হচ্ছে

বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এক ধাপ এগোলেও চুক্তি বাস্তবায়ন সূচকে সবচেয়ে পিছিয়ে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে ১৭৬ তম। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের

কৃষি ঋণে বেসরকারি ব্যাংকের নজর কম

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে

sangbad ad