• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

 

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতারিত বিনিয়োগকারীরা

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image

আন অডিটেড বা অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে ব্যাপক কারসাজি চলছে বলে মনে করছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এজন্য কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন তারা। তারা বলছেন, পুঁজিবাজারে ম্যানিপুলেশনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো আন-অডিটেড অর্ধবার্ষিক আর ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন। আন-অডিটেড হওয়ার কারণে মনগড়া রিপোর্ট প্রকাশ করে শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করা হচ্ছে। যদি কোম্পানিগুলো শেয়ারের দাম বাড়ানোর দরকার মনে করে, তবে রিপোর্টে বা আর্থিক প্রতিবেদনে অনেক লাভ দেখায়, আর দাম ফেলতে চাইলে রিপোর্টে বা আর্থিক প্রতিবেদনে লাভ অনেক কম দেখায়। ফাইনাল অর্থাৎ বার্ষিক অডিটেড আর্থিক প্রতিবেদনে বা রিপোর্টে তার ধারাবাহিকতা পাওয়া যায় না। বড়ই দুঃখের বিষয় যে, একটি শক্তিশালী চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকে, যার মধ্যে রয়েছে কোম্পানির মালিকপক্ষ আর ম্যানুপুলেশনকারী। বছরব্যাপী এই আর্থিক প্রতিবেদন/রিপোর্ট প্রকাশের কালে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত ও তটস্থ থাকে। অবিলম্বে এই অবস্থার অবসান হওয়া বিশেষ প্রয়োজন। তাই ত্রৈমাসিক রিপোর্ট, অর্ধবার্ষিক রিপোর্ট বা আর্থিক প্রতিবেদন যাতে বার্ষিক রিপোর্টের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হয়, সে বিষয়ে তীব্র ও দ্রুত কার্যকর নজরদারী করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই দাবি জানিয়েছেন পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী জাতীয় ঐক্য ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠনের নেতারা। এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ফান্ড সংগ্রহ ও বিএসইসিকে আরও সক্রিয়া করাসহ ১৪টি দাবি জানায় সংগঠনটি। বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসির) ২৫ বছর পূর্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ দাবি প্রদান করা হয়।

সংগঠনটির দাবিগুলোতে বলা হয়- পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতন চলছে। গত ২ মাস যাবৎ সূচক নিম্নমুখী অবস্থায় রয়েছে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা মোটেই ভাল নেই। খুবই করুণভাবে জীবন-যাপন করছেন। পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণে ও স্থায়ী স্থিতিশীলতায় বিএসইসিকে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন না করে সত্যিকারের কার্যকর ও দৃশ্যমান ভূমিকায় থাকতে হবে।

শেয়ারবাজারে অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে পুঁজির সংকট। এটা যেমন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি তা বড় বড় বিনিয়োগকারী এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিযোগকারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এজন্য পুঁজিবাজারের ক্রান্তিকালে সাপোর্ট দেয়ার জন্য আইসিবিকে সিঙ্গেল বরোয়ার এক্সপোজার লিমিটেড এর আওতা থেকে মুক্ত (ফ্রি) করে দিতে হবে। অবিলম্বে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী-বিশেষকরে আইসিবিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও সম্প্রতি আইসিবি কর্তৃক ২ হাজার কোটি টাকার বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ বিষয়টি এক্সপোজার লি. এর বাহিরে রেখে শিথিল করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি এবং পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের পুঁজিবাজার এক্সপোজার লিমিট গণনা করার ক্ষেত্রে বাজারমূল্য (মার্ক টু মার্কেট) অনুযায়ী না ধরে ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে গণনা করতে হবে। আমাদের যুক্তিসঙ্গত প্রতিবাদ সত্ত্বেও বিএসইসি কয়েকটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ষড়যন্ত্রমূলক ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে অবসায়ন করে দেয়। এর ফলে বড় বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা লাভবান হয়। কাজেই বর্তমানে তারল্য সংকটের বাজারে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ও টাকা পাচারের উদ্দেশ্যে ফান্ডগুলোকে অবসায়ন না করে এর মেয়াদ বৃদ্ধি করার জন্য আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অতিরিক্ত প্রিমিয়ামসহ বুক বিল্ডিং পদ্ধতির আইপিও অনুমোদনের সাজানো ব্যবসা বন্ধ করতে হবে এবং বাই-ব্যাক আইন দ্রুত কার্যকর করতে হবে। আর্থিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও নো-ডিভিডেন্ড দেয়া কো¤পানিগুলোর বিরুদ্ধে মনিটরিংসহ দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রতিদিনে ১৭/১৮টি কো¤পানির এজিএমএর অনুমোদন না দিয়ে প্রতিদিন সকাল-বিকাল ২টি করে কো¤পানির এজিএম এর অনুমোদনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং সেটা ঢাকাস্থ সিটির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে হবে। এবং এজিএমএ শেয়ারহোল্ডারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ ও বাড়ানোর জন্য অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে আপ্যায়নের সু-ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে এবং বার্ষিক প্রতিবেদন এজিএম এর কমপক্ষে ২ সপ্তাহ পূর্বে পৌঁছাতে হবে।

সম্প্রতি কতিপয় ব্যাংকগুলোর মালিকানা পরিবর্তনে পুঁজিবাজারের শেয়ারহোল্ডারগণ খুবই উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত। এহেন পরিস্থিতিতে, পুঁজিবাজারের ব্যাংক ও ফিন্যান্স সেক্টরের বিরুদ্ধে ডাক-ঢোল পিটিয়ে স্পর্ষকাতর কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে বিএসইসির সাথে অবশ্যই জরুরিভাবে সমন¦য় মিটিং করতে হবে। নইলে পুঁজিবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর দায় স¤পূর্ণভাবে বাংলাদেশ ব্যাংককেই নিতে হবে। ওটিসি মার্কেটের কো¤পানিগুলোকে দ্রুত মূল মার্কেট পুঁজিবাজারে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এখানে বিনিয়োগকারীদের বিশাল অংকের টাকা আটকে আছে। ফলে বিনিয়োগকারীগণ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ওপেনিং চার্জ কমাতে হবে এবং ভারতের মত আমাদের দেশেও পুঁজিবাজার উন্নয়নে আরও ৫(পাঁচ)টি বিনিয়োগ ব্যাংক স্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে।

আইপিও আবেদনকারীদের যোগ্যতাস্বরূপ পুঁজিবাজারে কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকার বিনিয়োগের বিধান রাখতে হবে এবং আইপিও লটারিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। আইপিও আবেদন কোটায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৬০%, এনআরবি ইনভেস্টরদের ১০% ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ৩০% কোটার সু ব্যবস্থা করতে হবে। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ কোম্পানিগুলো কি কাজে ব্যবহার করছে- সে বিষয়ে মনিটরিং করার জন্য বিএসইসিকে বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করতে হবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা বিশাল ক্ষতি থেকে উত্তরন পাবেন। রাইট শেয়ার ইস্যু করার ক্ষেত্রে কোন রকম নিয়মনীতি মেনে চলা হয় না। ফলে রাইট শেয়ার ইস্যুর পর নির্ধারিত অংকের চেয়েও শেয়ারমূল্য অনেক পড়ে যায়। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারায় ও নিঃস্ব হয়। কাজেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে যথাযথ নিয়মনীতি মেনে চলেই অনুমোদন দিতে হবে।

পুঁজিবাজার উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতায় বিএবি ফান্ড, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বাংলাদেশ ফান্ড, ইউনিট ফান্ড, পেনশন ফান্ড গুলোকে দৃশ্যতঃ কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারীদের পুঁজির নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা, গবেষণা সেল ও পরামর্শ কেন্দ্র স্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জানুয়ারী, ২০১১ সাল থেকে হালনাগাদ পর্যন্ত মার্জিন ঋণের বিপরীতে আরোপিত ১০০% সুদ স¤পূর্ণ নিঃশর্তভাবে মওকুফের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং নিয়মিতভাবে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের উপর কমিশন কমাতে হবে, স্বল্প সুদে বা ব্যাংক রেটে ঋণ সুবিধা প্রদানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

পুঁজিবাজার উন্নয়ন ও স্থায়ী স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, বিএসইসি, ডিএসই, সিএসই, সিডিবিএল, আইসিবি, এবিবি, বিএবি, ডিবিএ, বিএমবিএ, বিনিয়োগকারী সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন¦য়ে মাসিক অন্ততঃ ১টি সমন¦য় মিটিং এর ব্যবস্থা করতে হবে।

সামিটের উদ্যোগের প্রশংসায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির নিয়ে আসার প্রচেষ্টার

করদাতা বেড়েছে, বাড়াতে হবে আরও : আয়কর মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুহিত

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

জনগণকে কর দিতে উৎসাহিত করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়োজনে সারাদেশের

তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৩২ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি থাকলেও বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের

sangbad ad

এগারো এগারো তে ৮০% পর্যন্ত ছাড় থাকবে মীরবাজারে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

নভেম্বর এর ১১ তারিখ, সংক্ষেপে এগারো এগারো বা এলেভেন এলেভেন। এই দিনে বিশ্বের

কর ব্যবস্থায় দুর্নীতি রয়েছে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

দেশের ৬৫ শতাংশ মানুষ মনে করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর ব্যবস্থায় দুর্নীতি

খুলনা পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খুলনা পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

নতুন রপ্তানি নীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে রপ্তানিমুখী শিল্প খাত

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

সহজ শর্তে ঋণ প্রদান, শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠাসহ রপ্তানিমুখী শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে করা হচ্ছে

বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এক ধাপ এগোলেও চুক্তি বাস্তবায়ন সূচকে সবচেয়ে পিছিয়ে

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে ১৭৬ তম। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের

কৃষি ঋণে বেসরকারি ব্যাংকের নজর কম

অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে

sangbad ad