• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

 

আকাশ সংস্কৃতির হিংস্র থাবায় আমাদের অনেক সংস্কৃতি হুমকির মুখে: তথ্যমন্ত্রী

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

সংবাদ :
  • সংবাদ অনলাইন ডেস্ক
image

বাংলার সংস্কৃতিগুলো ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ঘুড়ি উৎসব পুরান ঢাকার ঐতিহ্যের পাশাপাশি দেশের ঐতিহ্য। আমাদের আবহমান সংস্কৃতির অংশ হচ্ছে ঘুড়ি উৎসব। কিন্তু আকাশ সংস্কৃতির হিংস্র থাবায় আমাদের অনেক সংস্কৃতি এখন হুমকির মুখে। আমাদের দেশে আগে বিয়ে ও গায়ে হলুদ উৎসবে দেশের গান গাওয়া হতো। আমাদের ছেলে-মেয়েরা বাংলার সাজসজ্জা নিয়েই হাজির হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। এখন এসব উৎসবে বাংলা গান না হয়ে হিন্দি গান হয় এবং সেখানে সাজগোজও ইন্ডিয়ান সিরিয়াল দেখে বদলে যাচ্ছে। এগুলো আমাদের সংস্কৃতিতে প্রচন্ড আঘাত আনছে। তাই আমাদের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার ধুপখোলা মাঠে ঢাকা সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত ঘুড়ি/সাকরাইন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফি, দপ্তর সস্পাদক রিয়াজ উদ্দিন ইলিয়াস, ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শামীম সিদ্দিকী, সেক্রেটারি আক্তার হোসেন, সহ-সভাপতি লাবণ্য ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব ও ঢাকা সাংবাদিক ফোরামে উপদেষ্টা আব্দুল জলিল ভূঁইয়া, সাংবাদিক নেতা শাকিল আহমেদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ঘুড়ি উৎসব সংস্কৃতিরই একটি অংশ। সেটা আপনারা ধরে রেখেছেন সেজন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি এ উৎসব সব সময় জাগ্রত থাকুক সেই প্রত্যাশাই করছি।

তিনি বলেন, আমাদের কিশোর-তরুণ সবাই ঘুড়ি উড়িয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ঘুড়ি উড়ানোর সুযোগ বড় শহরে কমে গেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে খেলার মাঠ সেভাবে নেই। ছাদে উঠে ঘুড়ি উড়ানোর বিষয়টাও অনেকাংশে সঙ্কোচিত হয়ে গেছে। যে কারণে আমাদের তরুণরা এখন আর ঘুড়ি উড়াতে পারে না।

হাছান মাহমুদ বলেন, এ ঘুড়ি উড়ানোর মধ্যে যে কি মজা ও উত্তেজনা সেটা আসলে যারা ঘুড়ি উড়াননি তারা বুঝতে পারবেন না। এজন্য আমি ধন্যবাদ জানাই এ উৎসব যারা আয়োজন করেছেন তাদের। আসলে আমাদের সংস্কৃতিকে ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে এ সমস্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে এ করোনা মহামারির মধ্যেও আমাদের উৎসাহিত করা, তরুণদের উৎসাহিত করা এগুলো কিন্তু উৎসাহ উদ্দীপনা সংকট পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়তা করে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমগ্র পৃথিবী যখন করোনা মহামারিতে আক্রান্ত তখন প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ও দেশের জনগণের শিক্তিতে কোনো কাজ থেমে নেই, সবকিছু চলছে। এটির অত্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ও প্রচুর জীবনীশক্তি সম্পন্ন জনগোষ্ঠী এ সংকটকে মোকাবিলা করছে।

ড. হাছান বলেন, আমি প্রায় টেলিভিশনে দেখতাম পুরান ঢাকায় ঘুড়ি উৎসব হয়। সেখানে উৎসব মুখর পরিবেশে রং বেরঙের ঘুড়ি উড়ানো হয়। সেটি শুধু টেলিভিশনেই দেখেছি, এবার আসার সৌভাগ্য হয়েছে। ছোট বেলায় ঘুড়ি উড়াতাম, এখনতো আর ঘুড়ি উড়ানো যাচ্ছে না। তাই ঘুড়ি উৎসবে আসার সুযোগটা মিস করেনি। সেজন্য আমি অত্যন্ত উৎসাহ নিয়ে এখানে এসেছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রাচীন উৎসবগুলোর মধ্যে সাকরাইন অন্যতম। এটি ঘুড়ি উৎসব বা পৌষসংক্রান্তি নামেও পরিচিত। পৌষ মাসের শেষে ও মাঘ মাসের প্রথম দিনে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব উদ্‌যাপন করা হয়। বৃহস্পতিবার সূত্রাপুর এলাকায় এবং পরদিন শুক্রবার শাঁখারীবাজার এলাকায় এ উৎসব উদ্‌যাপন করা হয়।

সরেজমিনে পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, নারিন্দা, সূত্রাপুর ও লালবাগ এলাকায় দেখা যায়, ভোরের কুয়াশার কাটতে না কাটতেই ছাদে ছাদে শুরু হয় ঘুড়ি ওড়ানো ও ঘুড়ির কাটাকাটি খেলা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে উৎসবের জৌলুশ। বিভিন্ন বাড়ির ছাদে বাজছে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেমে দেশি-বিদেশি গান।

স্থানীয় লোকজন জানান, সন্ধ্যায় থাকবে আগুন নিয়ে খেলা, আতশবাজি ও ফানুস ওড়ানো। এ ছাড়া সাকরাইন উপলক্ষে বিভিন্ন মন্দিরে হচ্ছে ‘বুড়ো-বুড়ি’ পূজা।

করোনায় কমতি ছিল না ভালোবাসার

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

দিবস হয়তো নিছকই প্রতীক। তবে সেই প্রতীকই নানা তর্ক-বিতর্কের মধ্য দিয়ে আমাদের বারবার স্মরণ করায় সে বিশেষ দিনটি। আজ বসন্ত, আজ ভালোবাসার দিন।

লেখকের খোঁজে ’রাইটার্স গ্যারাজ’

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

বাংলাদেশের উদীয়মান লেখকদের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করে সম্ভাবনার দিকটিকে আরও উজ্জ্বল করতে দেশের খ্যাতনামা প্রকাশনা সংস্থা

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে দশ লক্ষাধিক বাঙালির উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের ৪৯ বছর পূর্তি দিবস উদযাপিত হয়েছে।

sangbad ad

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকল্পে খেয়ালীর সাংস্কৃতিক জাগরণ ।

সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক

image

সংস্কৃতির ছোঁয়ায় অবক্ষয় ঘুচে জাগ্রত হোক মানবতা স্লোগান নিয়ে খেয়ালীর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক

এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন ২১ গুণীজন

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

জাতীয় ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২১ বিশিষ্ট নাগরিককে ২০২১ সালের একুশে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অনুষ্ঠান) অসীম কুমার দে স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বছর ঘুরে আবার ও মঞ্চে ‘কঞ্জুস’

সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক

image

করোনার জন্য প্রায় এক বছর ধরে মঞ্চে দেখা যায়নি দেশের সর্বাধিক মঞ্চায়িত

এবারের বইমেলা ১৮ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

অমর একুশে বইমেলা আগামী ১৮ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে । সব মিলিয়ে টানা ২৮ দিন চলবে এ মেলা। বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক জালাল আহমেদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পূর্ণিমা তিথির মাসিক সাধুসঙ্গের ২২তম আসর

সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় পূর্ণিমা তিথির মাসিক সাধুসঙ্গ আয়োজনের ধারাবাহিকতায় আজ২৮

অমর একুশে বইমেলা ১৮ মার্চ শুরু

সংবাদ অনলাইন ডেস্ক

image

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এ বছরের অমর একুশে গ্রন্থমেলা বাতিলের পরিকল্পনা করেছিল বাংলা একাডেমি। তবে শেষ মুহূর্তে এসে জানা গেল এবারও গ্রন্থমেলা হবে। তবে মেলা ফেব্রুয়ারিতে নয়, হবে মার্চে।