• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০

 

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শেষ বিদায় স্যার আবেদকে

নিউজ আপলোড : ঢাকা , রোববার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

আর্মি স্টেডিয়ামে স্যার ফজলে হাসান আবেদের মরদেহে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন-সংবাদ

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর পথ প্রদর্শক স্যার ফজলে হাসান আবেদ। ২২ ডিসেম্বর রোববার দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। এর আগে সকালে আর্মি স্টেডিয়ামে তার মরদেহ রাখা হলে সর্বস্তরের মানুষের ফুলেল শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হোন তিনি। এরপর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ছাড়াও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন। আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্ত্রী আয়েশা হাসান আবেদের কবরে তাকে শায়িত করা হয়।

গত ২০ ডিসেম্বর শুক্রবার রাতে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ। রোববার সকাল শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার মরদেহ রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হয়। এরআগ থেকেই সর্বস্তরের মানুষ সমবেত হোন এই মহান ব্যক্তিকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে স্টেডিয়ামে তার লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি এসে পৌঁছলে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান।

শুরুতেই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষ থেকে স্যার ফজলে হাসান আবেদের মরেদেহ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে জানানো হয় শ্রদ্ধা। রাষ্ট্রপতির পক্ষে মেজর আশিকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে উপ-সামরিক সচিব কর্নেল মো. সাইফুল্লাহ শ্রদ্ধা জানান। এরপরই জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী স্যার ফজলে হাসান আবেদকে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, বাহাউদ্দিন নাছিমসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর্মি স্টেডিয়ামে ফজলে হাসান আবেদকে শ্রদ্ধা জানান নোবেল জয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এছাড়াও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা তোফায়েল আহমেদ, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, দৈনিক সংবাদের সম্পাদক আলতামাশ কবির, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গণের নেতারা। এ সময় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র, জাতিসংঘ ঢাকা কার্যালয়, এফবিসিসিআই, এমসিসিআই, প্রশিকা, বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, নিজেরাই করি, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে, আইন ও সালিস কেন্দ্র ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

শ্রদ্ধা জানানোর আগে ওবায়দুল কাদের বলেন, স্যার ফজলে হাসান আবেদ একজন জনদরদি অসাধারণ মানুষ ছিলেন। তার শূন্যতা কোনদিন পূরণ হবে না। তার তুলনা তিনি নিজেই। এদেশে অনেক বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) কার্যক্রম আছে। ফজলে হাসান আবেদ ছিলেন একেবারে প্রচার বিমুখ। নীরবে, নিঃশর্তভাবে তিনি বাংলার তৃণমূল পর্যন্ত তার কার্যক্রম ছড়িয়ে দিয়েছেন। দেশব্যাপী ব্র্যাকের কর্মকা- বিস্তৃত হয়েছে। শুধু দেশেই নয় দেশের বাইরেও ব্র্যাকের কার্যক্রম বিস্তৃতি লাভ করেছে। দেশের তৃণমূলের মানুষের জন্য তার অসামান্য অবদান রয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমেও ক্ষুদ্র ঋণে অবদান আছে তার। তিনি চলে গেলেও তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি ছিলেন ক্ষণজন্মা পুরুষ। পৃথিবীতে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে যারা কাজ করেছেন তার মধ্যে স্যার আবেদ একজন। গ্রামীণ অর্থনীতি, নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষা ক্ষেত্রে তার অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি ছিলেন সৃজনশীল মানুষ। তার শূন্যতা পূরণ হবে না।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে, এই দেশের মানুষের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে আবেদ জড়িয়ে আছেন। তার এই চলে যাওয়ায় আমি মর্মাহত। এ এক বিরাট শূন্যতা। তবে তিনি যে ঘুমিয়ে গেলেন, তা না। তিনি আমাদের সবার মাঝে আছেন। তিনি আরও বলেন, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে যতকিছু করা সম্ভব, স্যার ফজলে হাসান আবেদ করেছেন। তিনি নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়েছেন, পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা সিস্টেমও দাঁড় করিয়েছেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, স্যার আবেদ ছিলেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জগতের বটবৃক্ষ। আমরা যারা তার সঙ্গে কাজ করেছি, তারা জানি তিনি কত কাজ করেছেন। এক জীবনে তিনি এতো প্রতিষ্ঠান করেছেন যে, সব ছাপিয়ে তিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে তিনি বিশ্বের দরবারে পরিচয় করিয়েছেন। এসব কাজ করতে গিয়ে সম্মাননা পেয়ে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করেছেন। সুজন সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এশিয়া-আফ্রিকার দরিদ্র মানুষ তাকে কোনদিন ভুলবে না। কারণ তিনি তাদের জন্য একটি নতুন উজ্জ্বল মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পথ রচনা করে গেছেন।

এ সময় স্যার ফজলে হাসান আবেদের ছেলে সামেরান আবেদ বলেন, সবাই অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিয়ে আমাদের ব্র্যাক পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, সেজন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কষ্ট করে যারা এসেছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমার বাবা সারাটি জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তিনি কাউকে দুঃখ দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, পরিবারের প্রত্যেকের সঙ্গে ফজলে হাসান আবেদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ ছিল। কারও জীবন পরিবর্তনের জন্য তিনি কাউকে নীতিবাক্য দিতেন না, বাস্তববাদী পরামর্শ দিতেন। শুধু ব্র্যাক না, বাংলাদেশের যত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আছে, তার সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যুক্ত ছিলেন। এটা অনেকেই জানেন না। তিনি এসব প্রতিষ্ঠানে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছেন।

আর্মি স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে খোলা হয়েছিল শোক বই। সেখানে প্রায়ত স্যার আবেদের স্মরণে স্মৃতিগাঁথা লিপিবদ্ধ করেছেন অনেকেই। এছাড়া মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে একটি শোক বই খোলা হয়। আজ আড়ং, ব্র্যাক ব্যাংক ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শোক বই খোলা থাকবে। ৩০ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত এসব শোক বই খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

এলাকার গর্ব স্যারকে শেষ দেখার ইচ্ছায় অপেক্ষায় ছিলেন বানিয়াচংবাসী

হবিগঞ্জ থেকে মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, স্যার ফজলে হাসান আবেদের জন্মস্থান হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কামালকানি গ্রামবাসী তাকে একনজর দেখার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। বাল্যকাল থেকেই প্রচ- মেধাবী ও আবেগপ্রবণ মানুষ ছিলেন ফজলে হাসান আবেদ। অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে পারতেন না। তাইতো অসহায় মানুষের কথা বিবেচনা করে ১৯৭২ সালে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন।

মৃত্যুর পর শনিবার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় জনশূন্য বাড়ি অত্যন্ত নীরব-নিভৃত। শোকে স্তব্ধ পুরো গ্রাম। বাড়ির সামনে এলাকাবাসী অশ্রসিক্ত নয়নে দাঁড়িয়ে। তারা জানেন প্রিয় স্যার ফজলে হাসান আবেদকে শেষ দেখা দেখতে পারবেন না। তবুও পথের পানে থাকিয়ে ছিলেন।

তার পরিবার ও এলাবাসী জানান, স্যার ফজলে হাসান আবেদ অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে পারতেন না। মুক্তিযুদ্ধে বিধস্ত দেশ দেখে তিনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। কোন উপায় না পেয়ে ১৯৭২ সালে নিজের কষ্ঠার্জিত টাকায় নির্মাণ করা লন্ডনের প্লট বিক্রি করে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। নিজ জন্মভূমি বানিয়াচংয়ে মানুষের ঘর তৈরি, কিছু খাবার ও জেলেদের জন্য মাছ ধরার জাল দিয়ে সহযোগিতা শুরু করেন। পরবর্তীতের এর বিস্তর শুধু নিজ জন্মভূমিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ছড়িয়ে পরে সারা দেশে। এখন দেশ-বিদেশের শত কোটি মানুষের ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছে সেই ব্র্যাক।

দেশ-বিদেশে জয় করার পর ফজলে হাসান আবেদ নিজ জন্মভূমির জন্য আলাদা কিছু করতে চেয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি নাজমুল হাসান জাহেদ নামে একটি একাডেমির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। যেটিকে তিনি এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। এছাড়াও এলাকার সব জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেছেন।

স্যার ফজলে হাসান আবেদের ভাই কামরুল হাসান ও ভাতিজা তাওহিদ হাসান বলেন- ‘দেশ বিদেশের মানুষের জন্য তিনি অনেক কিছু করেছেন। শেষ সময়ে এসে জন্মভূমির জন্য তিনি আদালাভাবে কিছু করতে চেয়েছিলেন। তিনি নাজমুল হাসান জাহেদ নামে একটি একাডেমির উন্নয়ন কাজ দেখার জন্য গত মাসে এলাকায় এসেছিলেন।’

তারা জানান- বানিয়চংয়ে একটি চক্ষু হাসপাতাল করতে চেয়েছিলেন তিনি। যেখানে বিনামূল্যে চোখের লেঞ্চ প্রদানের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেই আশাপূরণ হওয়ার আগে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি।

ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মী শেখ গিয়াস উদ্দিন বলেন- ‘উনি অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। যুদ্ধবিধস্ত মানুষের কথা বিবেচনা করে তিনি ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাইতেন।’

তিনি বলেন, লন্ডনে বিশাল বাড়ি বিক্রি করে তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। অথচ তিনি নিজে থেকেছেন ছোট একটি ঘরে। এমন মানুষ পৃথিবীতে পাওয়া দায়।’

ফজলে হাসান আবেদের প্রতিবেশী ডা. শফিকুর রহমান ঠাকুর বলেন, ‘আমরা এলাকাবাসী উনাকে নিয়ে গর্ব করি। তিনি আমাদের নিয়ে সব সময় চিন্তা করতেন। কিন্তু আজ তিনি আমাদের মধ্যে নেই। তিনি এলাকাবাসীর উন্নয়নের জন্য অনেক পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু জানি না এখন আর সেটি হবে কি না।’

একজন স্বপ্নদ্রষ্টাকে হারিয়ে শোকাচ্ছন্ন সারাদেশ। আর ফিরবেন না স্যার ফজলে হাসান আবেদ। অহসায় মানুষের জন্য নেবেন না উন্নয়ন পরিকল্পনা। তবুও যা রেখে গেছে তা আজীবন মনে রাখবেন লাখো-কোটি মানুষ।

বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেলেন ১০ জন

সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক

image

শিল্প ও সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান স্বরুপ চলতি বছর ১০ জন পাচ্ছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরষ্কার। আগামী ২রা ফেব্রুয়ারি অমর

‘শালুক ও অধুনাবাদ’ শুক্রবারের সাহিত্যসন্ধ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয়

সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক

image

৩ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার ‘শালুক-সাহিত্যসন্ধ্যা’র নবম আয়োজন রাজধানীর শাহবাগস্থ পাঠক সমাবেশ কেন্দ্রে বিকাল চারটায়।

‘ন ডরাই’ সিনেমার সেন্সর বাতিলের নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

‘ন ডরাই’ সিনেমার সেন্সর সার্টিফিকেট বাতিল করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে

sangbad ad

২২-২৪ নভেম্বর তিনদিনব্যাপী ‘শালুক’-এর নিবিড় সম্মিলন

সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক

image

সময়কে খামচে দিয়ে বালি-কাকড়ের গভীর থেকে লিটল ম্যাগাজিন তুলে আনে মনিমাণিক্যের ভাণ্ডার। এ যাত্রায় ‘শালুক’ বরাবরই অবিকল্প

পর্দা নামলো ঢাকা লিট ফেস্ট ২০১৯

সাইফুল ইসলাম আফ্রাদ

image

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে প্রভাবিত সারদেশ। দিনভর বৃষ্টির হানায় সাহিত্যের উৎসব ছিল অনেকটা সাদামাটা। বৃষ্টির কারণে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ

চলছে আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব বটতলা রঙ্গমেলা ২০১৯

সাইফুল ইসলাম আফ্রাদ

image

শনিবার (১৬ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে ১১ দিন ব্যাপী এই আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব বটতলা রঙ্গমেলা ২০১৯। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে বটতলার

‘ঢাকা লিট ফেস্ট’ শুরু

সাংস্কৃতিক বার্তা পরিবেশক

image

বিশ্বনন্দিত প্রায় তিনশ’ লেখক-সাহিত্যিক-চিন্তাবিদের অংশগ্রহণের সঙ্গে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী ঢাকা লিটারারি

“টাগোর ইন্টারন্যাশনাল লিটারেচার এন্ড আর্ট ফেস্টিভ্যাল”-এ যোগ দিচ্ছেন কবি ওবায়েদ আকাশ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলদেশের এসময়ের ব্যতিক্রম ধারার কবি ও ‘দৈনিক সংবাদ’-এর সাহিত্য সম্পাদক ওবায়েদ আকাশ ”টাগোর ইন্টারন্যাশনাল লিটারেচার

বিশ্ব স্বীকৃতি পেল জামদানির নগরী ‘সোনারগাঁ’

মোস্তাফিজুর রহমান

image

জামদানি বয়নশিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্যের মৌলিক, উৎকৃষ্ট ও অন্যতম অংশ। অসাধারণ নকশায় সমৃদ্ধ জামদানি বস্তুত মসলিনেরই একটি প্রকার

sangbad ad