• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০

 

শিক্ষার প্রকৌশল বিভাগের ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

নিউজ আপলোড : ঢাকা , শনিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও অবৈধভাবে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকৌশল বিভাগের সাবেক ও বর্তমান দুই প্রকৌশলীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করছে দুদক! তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বর্তমানে অবসরে) মো. দেলোয়ার হোসেন, খুলনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৌহিদ উদ্দীন আহমেদ এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের স্টোনোটাইপিস্ট (বর্তমানে চাকরিচ্যুত) মো. আবদুল কাদের নামের এ ৩ কর্মকর্তা কর্মচারীর নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরে দুর্নীতির দমন কমিশনে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য অভিযোগ যাচাই-বাচাই সেলে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও এ ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করা হলেও কৌশলে ওই নথি সরিয়ে ফেলেন তারা।

দুদকের নির্ভরযোগ একটি সূত্র জানায়, এ ৩ কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগটি যাচাই বাচাই সেলে রয়েছে। সেখান থেকে এটি অনুসন্ধানের জন্য কমিশন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্তের পরই অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে। দুদক এ বিষয়ে অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা অধিদফতরের প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন (অবসরোত্তর ছুটি ভোগরত) অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে সে ময়মনসিংহ জোনের নির্র্বাহী প্রকৌশলী থাকার সময়ে সে তার ভাইয়ের প্রভাব খাটিয়ে জামালপুর জেলা ও শেরপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব বাগিয়ে নেন। ময়মনসিংহের ২-৩ জন ঠিকাদারের মধ্যে তার ভাই হওয়ার কারণে কাউকে টেন্ডারে অংশগ্রহণ না করতে দিয়ে সমুদয় কাজ বণ্টন করে দিতেন। সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি ওই ঠিকাদারদের সঙ্গে ব্যবসায় অংশীদার ছিলেন। তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি শিক্ষা অধিদফতরের সকল কাজ পছন্দের ঠিকাদারকে পাইয়ে দিতেন। তার আশির্বাদে কাজ পাওয়া ঠিকাদার শিডিউলের স্পেসিফিকেশান না মেনে কাজে ৪০ গ্রেডের লোহা ব্যবহার করলেও ৬০ গ্রেডের লেহা ব্যবহারের বিল তুলতেন। এভাবে কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিম্নমানের কাজ করেও অতিরিক্ত বিল তুলতেন। এসব বিলের কমিশন নিজের কতিথ ভাগিনা মিরন নামে একজনকে দিয়ে আদায় করতেন সাবেক এ প্রকৌশলী। এভাবে ঘুষ ও কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে সাবেক এ প্রকৌশলী শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। কক্সবাজার জেলায় সহকারি প্রকৌশলী থাকার সময়ে সে ৫ থেকে ৬ কোটি আত্মসাৎ করে ৫ তলা অট্টালিকা তৈরি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। খুলনা সার্কেল ও ঢাকা মেট্রো সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক থাকার সুবাদে অর্জন করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি। সে স্ত্রী-সন্তানের নামে অবৈধ সম্পত্তির পাহাড় গড়েছে। মোহাম্মদপুরে মেট্টোপলিটন কোঅপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লি. ৩১ নম্বর সুফিয়া বিলাস নামে ৫ তলা বাড়ি রয়েছে। মনমনসিংহের ৮ নম্বর মনমোহন রোডে ময়মনসিংহ টাওয়ারের ৮ তলায় ১৯শ এবং ১৫৬০ বর্গফুটের ২টি ফ্লাটের মালিক তিনি। ময়মনসিংহ শহরসংলগ্ন জেলখানা মৌজার, দাগ নং-৩৮৪ সাবেক ও হালদাগ ২১৯ ও ২২০, ২১৮ এবং চর ঈশ^রদিয়া মৌজার ২১৫নং দাগ মিলিয়ে তিনি ৩৫৬ শতাংশ জমি রয়েছে তারা। এছাড়াও ঢাকা শহরে একাধিক ফ্ল্যাট এবং তার গ্রামের বাড়িতে বহু জমিজমা ও মিল ফ্যাক্টরির মালিক হয়েছেন তিনি। এসব সম্পদ তিনি অবৈধভাবে অর্জিত অর্থে গড়েছেন বলে অভিযোগ দুদকের কাছে। বিভিন্ন ব্যাংকে নামে বেনামে এবং আত্মীয়-স্বজনের নামে একাধিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে তার। অবৈধ অর্থ এসব অ্যাকাউন্টে রয়েছে।

দুদকে করা অভিযোগে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের খুলনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৌহিদ উদ্দিন আহমেদের বিষয়ে বলা হয় ১৯৮৮ সালে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তার চাচার জোরে কোন ধরনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বা কোন লিখিত-মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগ পান। তার নিয়োগে শর্ত ছিল পরবর্তীতে তাকে পরীক্ষার জন্য বোর্ডের সম্মুখে উপস্থিত হতে হবে। কিন্তু কোন ধরণের পরীক্ষায় তিনি অংশগ্রহণ না করেই আজও চাকরি করছেন এবং পদোন্নতিও পাচ্ছেন। সহকারী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায়ই ঘুষ, দুর্র্নীতির মাধ্যমে এবং ব্যবসার নামে কাজ না করেই বিল উত্তোলনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে থাকেন। ২০১১ সালের ঢাকা জোনে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করার পর থেকে আরও বেপরোয়া হয়েছেন। তার স্ত্রী-সন্তান, নিকট আত্মীয় এবং অন্য ঠিকাদারদের সঙ্গে ব্যবসা করা শুরু করেন এবং কাজ না করেই বিল উত্তোলন করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত যে সব মেরামত ও সংস্কার কাজের কর্মসূচি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত যে সব দফতরে প্রণীত হয়েছে সেই সব কাজের এমবি, কার্যাদেশ এবং কৃতকাজের পরিমাপ করলেই প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প, ঢাকা মহানগরীতে ১১টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬টি সরকারি স্কুল স্থাপন প্রকল্পে নিম্নমানের কাজ এবং কোন ধরনের ডিজাইন অনুমোদন ছাড়াই কাজ করার কারণে দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং মাটি ধুয়ে যায়। এর ফলে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবং পুনরায় সরকারি অর্থে একই কাজ করায় সরকারি টাকার অপব্যয় হয়। তিনি এখান থেকে বড় অংকের কমিশন প্রাপ্ত হয়ে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে নিম্নমানের কাজ করান। বতর্মানে অর্ধশত কোটি টাকার মালিক তৌহিদ উদ্দিন আহমেদ। এসব অর্থ ঘুষ, কমিশন বাণিজ্যসহ নানাভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত। সম্পদের মধ্যে রাজধানীর শ্যামলীল ২ নম্বর রোডে একটি বাড়ি (বাড়ি নং ১৩৬/৬/২এ), ধানমন্ডির সোহানবাগের তল্লবাগ এলাকায় স্বরলিপি শিলালিপি ভবনে বিলাশবহুল ফ্লাট (ফ্লাট নং ১০/৩ এবং ১০/৪) রয়েছে। এছাড়া নামে বেনামে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ রয়েছে। আজিমপুর মুক্তিযোদ্ধা স্মরণীতে জমি এবং ধানমন্ডি এলাকায় তার প্রবাসী মেয়ে ও জামাইয়ের নামেও বিলাসবহুল ফ্ল্যাটও রয়েছে। তার মেয়ে ও জামাই বিদেশে পড়ালেখা করে। তাদের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন তিনি।

অপরদিকে শিক্ষা অধিদফতরের কর্মচারী নেতা আবদুল কাদেরের বিরুদ্ধে নামে বেনামে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী এসএসএম এ মান্নানের বিরুদ্ধে ৪শ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় আবদুল কাদেরও আসামি। শিক্ষা অধিদফতরের প্রভাবশালী ও বিতর্কিত ঠিকাদার ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিকের অন্যতম সহযোগী আবদুল কাদের। সাবেক প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা দুর্নীতির কারণে আবদুল কাদেরকে বরখাস্ত করে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে।

৫ দিনে প্রবাসীদের হটলাইনে সহস্রাধিক অভিযোগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

প্রবাসীদের জন্য দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর জন্য দেয়া টেলিফোনে

সম্রাট-শামীমের নিয়ন্ত্রনে গণপূর্ত টেন্ডার ভাগ-ভাটোয়ারা করেছেন মুশফিক ও শাহে আলম

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গণপূর্তে অবৈধভাবে টেন্ডার নিয়ন্ত্রন, কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে কাজ আগিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঠিকাদার সমিতির সভাপতি

আওয়ামী লীগ নেতা ডাবলুর অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধান করবে দুদক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাজশাহীতে সংখ্যালঘু পরিবারের সম্পত্তি দখল, জালিয়াতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রাজশাহী

sangbad ad

দক্ষিনের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন রতনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ক্যাসিনো কাণ্ডসহ বিভিন্নভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার, এবং সরকারী প্রকল্পে টেন্ডার নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে অবৈধভাবে কাজ ভাগিয়ে নিয়ে নানা

ছদ্মবেশে পাসপোর্ট প্রত্যাশী দুদকের নিকট সরাসরি ঘুষ দাবি

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ঘুষ এবং দালালের সহযোগিতা ছাড়া পাসপোর্ট অধিদপ্তরের শরিয়তপুর জেলা আঞ্চলিক অফিসে সময়মতো পাসপোর্ট পাওয়া যায়না

দৈনিক পত্রিকার ওয়েবসাইটগুলোর নকলকারী ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারক গার্ডিয়ানের এমডি গ্রেফতার

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নূর মোহাম্মদকে (৩১) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২। র‌্যাব জানিয়েছেন, বিভিন্ন

নাম অপ্রকাশিত এক সরকারি কর্মকর্তা মোটা ঘুষ লেনদেনে প্রমাণিত

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

সরকারি দপ্তরের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বড় অংকের ঘুষ লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি

জি কে শামীমের অবৈধ কজের সহযোগী হয়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুই প্রকৌশলীসহ তিনজনকে দুদকের তলব

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

টেন্ডার মাফিয়া গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে অবৈধভাবে কাজ দিয়ে সহযোগিতা এবং কমিশন ও ঘুষের মাধ্যমে অবৈধ

কিশোরগঞ্জের এমপি আফজালের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের নেমেছে দুদক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবজাল সু’র মালিক আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে

sangbad ad