• banlag
  • newspaper
  • epaper

ঢাকা , সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

 

নিয়মানুযায়ী টর্চার সেলেই চুড়ান্তভাবে টর্চার করা হয়!

নিউজ আপলোড : ঢাকা , বুধবার, ০৯ অক্টোবর ২০১৯

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
image

বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের টর্চার সেলে ৬ ঘন্টা ধরে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। আবরারের ঘটনা শুনে পুলিশ আসলে তাদেরকে হলে ঢুকতে দেয়নি ছাত্রলীগ। জানা গেছে, শেরেবাংলা হলে দুইটি রুম টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহার করতো ছাত্রলীগ। সেখানে শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। রুম দুইটি থেকে মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি শাখা নির্যাতনে ব্যবহৃত লাঠি, স্ট্যাম্প, রড, চাকু ও দড়ি উদ্ধার করেছে। এছাড়া মাদক সেবনের আলামত পেয়েছে।

৭ অক্টোবর সোমবার থেকে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে দুইটি ব্লক রয়েছে। একটি ‘শ-ব্লক’, অপরটি ‘হাজার-ব্লক’। দুই ব্লকেই রয়েছে রাজনৈতিক কক্ষ বা পলিটিক্যাল রুম। তবে হাজার ব্লকে ২০০৫ ও ২০১১ নম্বর রুম দুইটি টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহার করতো বলে জানিয়েছেন হলের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৯ অক্টোবর) শেরেবাংলা হলের বিভিন্ন কক্ষে সরেজমিন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রলীগের পাঁচটি পলিটিক্যাল রুম রয়েছে। তারা জানান, ২০০৫ ও ২০১১ নম্বর রুমে ডেকে এনে কথিত অভিযোগের দোহাই দিয়ে প্রায়ই শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিনের নেতৃত্বে এখানে নির্যাতন চালাতেন তার অনুসারীরা।

সর্বশেষ ৬ অক্টোবর রোববার দিবাগত রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা আবাসিক হলের ১০১১ নাম্বার রুম থেকে ডেকে নিয়ে তাকে ২০১১ রুমে নির্দয়ভাবে হত্যা করা হয়। হলের সিসি টিভি ফুটেজে রয়েছে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের আদ্যপ্রাপ্ত। যেখানে মারধরের পর আবরারকে অচেতন অবস্থায় নিয়ে যেতে দেখা যায় হলটির ৪ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে। যাদের পিছনে হেটে যাচ্ছিলো আরো ৫ জন। ফুটেজটি এখন পুলিশ যাচাই বাছাই করছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার গ্রন্থনা ও গবেষণা সম্পাদক এবং মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টের ১৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক মুন্নার নির্দেশেই এই হত্যাকান্ড ঘটেছে। পুলিশ বলছে, মুন্না নজরদারিতে রয়েছেন।

বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ছাত্রলীগের নেতাদের কথা না শুনলেই ওই রুমে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর করতেন তারা। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ছোট ছোট অভিযোগ তুলে তাদের মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ জব্দ করতেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এগুলো চেক করার নামে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করতেন। এছাড়া বিনা কারণে শাস্তি হিসেবে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ওই কক্ষে শিক্ষার্থীদের আটকে রাখা হতো। ভয়ে কেউ কিছু বলতেন না। ছাত্রলীগের নেতারা হলের প্রভোস্টকেও মানতেন না।

জানা গেছে, তুচ্ছ সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের টর্চার সেলে নিয়ে নির্যাতন করতেন হলের নেতারা। কুশল বিনিময়ের জন্য কোনও শিক্ষার্থী সালাম না দিলে বা নেতাদের আসতে দেখে পাশ হয়ে না দাঁড়ালেই তাকে টর্চার সেলে নেয়া হতো। হলের সিনিয়ররা জুনিয়র শিক্ষার্থীদের নির্দেশ দিতেন মারধর করতে। ফলে বাধ্য হয়েই অনেক জুনিয়র শিক্ষার্থী নেতাদের কথামতো কাজ করতেন। ইচ্ছে হলেই যাকে তাকে র‌্যাগিং দেয়া হতো। র‌্যাগিংয়ের নামে যা ইচ্ছা তাই করা হতো। নেতাদের ভয়ে কেউ মুখ ফুটে কিছুই বলতে পারতেন না।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, সকাল নেই, রাত নেই, যে কাউকে ফোন করে চা, সিগারেট আনতে বলতেন। না গেলে বা দেরি হলে তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হতো। ২০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদক আশিমুল ইসলাম বিটু, উপ-দফতর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ, ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-আইন সম্পাদক অমিত সাহা, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাউল ইসলাম জিয়ন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার। আবরার ফাহাদকে এই রুমেই ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ। পরবর্তী সময়ে এই কক্ষ থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও চকবাজার থানা পুলিশ স্ট্যাম্প, লাঠি, রড, চাকু উদ্ধার করে। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব হোসেন বলেন, আমরা ঘটনার পর আবরার হত্যায় ব্যবহৃত আলামত জব্দ করেছি।

২০০৫ নম্বর কক্ষে থাকতেন বুয়েট ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ও মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টের ইশতিয়াক হাসান মুন্না। এই কক্ষে তিনি একাই থাকতেন। কক্ষটি টর্চার সেল ছাড়াও পার্টি রুম হিসেবে পরিচিত। এই কক্ষের পাশের একটি কক্ষের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, এই রুমে নিয়মিত ছাত্রলীগের নেতারা আড্ডা দেন। ছাত্রলীগের যেসব নেতা বুয়েট থেকে পাস করে গেছেন, তারাও এখানে এসে আড্ডা দেন। জনি নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, সবসময় জুনিয়র ব্যাচের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। জুনিয়র ব্যাচের সবাইকে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য করা হয়, না গেলে ওইসব রুমে নিয়ে আটকে রাখা হয়। হলে ছাত্র নির্যাতন ও টর্চার সেল থাকলেও সে বিষয়ে প্রভোস্ট ড. জাফর ইকবাল কিছুই জানতেন না। কোনও শিক্ষার্থী এসব বিষয়ে কখনও তাদের কাছে অভিযোগ করেনি বলে জানিয়েছেন।

শেরেবাংলা হলের প্রাধ্যক্ষ জাফর ইকবাল বলেন, বুয়েটের হলে র‌্যাগিং নিষিদ্ধ। সেটা অনেকদিন আগে থেকেই। এই র‌্যাগিং প্রতিরোধ করার জন্য প্রত্যেক হলে আমাদের ফোন নম্বর দেওয়া রয়েছে। নিষিদ্ধ থাকার পরও হলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতন। আর সাধারণ শিক্ষার্থীরা নীরবে এ নির্যাতন সহ্য করে আসছেন। কিন্তু আবরারকে হত্যার পর পুরো ক্যাম্পাস ফুঁসে উঠেছে। একে একে বেরিয়ে আসছে হলগুলোতে র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র। তিন মাস আগে ছাত্রলীগ নেতাদের হাতে এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম ব্যাচের আরেক শিক্ষার্থী অভিজিৎ কর। তার অপরাধ চুল লম্বা রেখেছিলেন তিনি। কেন তার চুল লম্বা, এই অপরাধে আহসানউল্লাহ হলের ছাদে ডেকে নিয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় তাকে। এই মারধরের ফলে হাত ভেঙে যায় অভিজিতের। হাত ভেঙে দেওয়ার পর এঘটনা কাউকে না বলার জন্য তাকে হুমকি দেওয়া হয়।

অভিজিৎ কর বলেন, হাত ভেঙে যাওয়ার পরও কাউকে বলার মতো অবস্থা ছিল না। কারণ, বাইরের কেউ জানলে আবার মারতে পারে। এই ভয়ে কাউকে বলিনি। অভিজিতের বন্ধুরা জানান, তার আর্থিক অবস্থা ভালো না। পরবর্তীতে ১৭তম ব্যাচের বন্ধুরা নিজেরা টাকা সংগ্রহ করে অভিজিতের চিকিৎসা করিয়েছেন। শেরে বাংলা হলের আরেক শিক্ষার্থী এহতেশাম। তিনি থাকতেন ২০২ নম্বর রুমে। গত ৩ অক্টোবর বিনা কারণে তাকে মারধরের পর রুম থেকে বের করে দিয়ে রুমটির দখল নেন শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু ও উপ-দফতর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ। কোন অপরাধে রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে তখন তা জানতে পারেননি এহতেশাম। তিনি বলেন, পরবর্তীতে জানতে পারি, আমার নামে বরাদ্দ রুমটি পলিটিক্যাল রুম বানানোর জন্য সেটা তারা দখল নেন। আমি এখন বন্ধুর রুমে আছি।

এদিকে, মারধরের সময় ওই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আশিকুল ইসলাম বিটু। তিনি বলেন, আবরারকে শিবির সন্দেহে রাত আটটার দিকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে আনা হয়। সেখানে আমরা তার মোবাইলে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার চেক করি। ফেসবুকে বিতর্কিত কিছু পেইজে তার লাইক দেয়ার প্রমাণ পাই। সে কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছে। শিবির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাই। আবরারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ২০১১ নম্বর রুমের সদস্য বুয়েট ছাত্রলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুজতবা রাফিদ, উপ সমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ আইন সম্পাদক অমিত সাহা। পরবর্তীতে প্রমাণ পাওয়ার পরে চতুর্থ বর্ষের ভাইদের খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে বুয়েট ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার সেখানে আসেন। একপর্যায়ে আমি রুম থেকে বের হয়ে আসি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, ২০১১ নম্বর রুমে নেয়ার পরেই আবরারকে দফায় দফায় মারধর করা হয়। একপর্যায়ে লাঠি, ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প, চাপাতি দিয়ে বেধরক পিটানো হয় তাকে। হলের সিসি টিভি ফুটেজে রয়েছে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের আদ্যপ্রাপ্ত।

বুয়েটে নির্মম নির্যাতনের ঘটনা আরো ঘটেছে

ছাত্রলীগের কর্মীর সঙ্গে গালাগালিকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা হলের ২০২ নম্বর রুমের ১৫’ব্যাচের ইইই বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) গত ৩ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে নিজেদের ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগ কর্মীরা। সেখানে ছাত্রলীগের সঙ্গে তার বাকবিতন্ডা হয়। এরপর রাত আড়াইটার টার দিকে ১৫ ও ১৬ ব্যাচের ছাত্রলীগের কর্মীরা ২০২ নম্বর রুমে এসে তাকে প্রচন্ড মারধোর করে। এতে বুয়েট ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন (কেমিক্যাল’১৫), গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ মুন্না (মেকা’১৫), উপ সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল (বায়োমেডিক্যাল’১৬), সহ সম্পাদক ফারহান জাওয়াদ চৌধুরী (ইইই’১৬), সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির(১৬) নেতৃত্ব প্রদান করে। তারপর ১৫’ব্যাচের ওই শিক্ষার্থী হল থেকে চলে যায়। এরপর রাত সাড়ে ৩টার টার দিকে ১৭’ব্যাচের জেমির নেতৃত্বে ওই শিক্ষার্থীর সকল জিনিস ভাংচুর করা হয়। পরবর্তীতে ছাত্রলীগের ১৭’ব্যাচের জেমির নেতৃত্বে ৫ অক্টোবর রাতে আবার এসে তার কম্পিউটার সহ বাকি জিনিসগুলো নিয়ে যাওয়া হয়।

মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি আওলাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ইনকিলাব সম্পাদকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

এক কোটি ৭০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ইনকিলাব এন্টারপ্রাইজ পাবলিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের পরিচালক ও ইনকিলাব

ফালুর ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী ফালুর মালিকানাধীন ৩৪৩ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন

sangbad ad

রয়েছে বিপুল সম্পদ ও অর্থ নেই শুধু বৈধ উৎস

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

অনলাইন ক্যাসিনো পরিচালক সেলিম প্রধান ও মোহামেডান ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্য লোকমান ভূইয়ার বিপুল পরিমান সম্পদের খোজ পেয়েছে

ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক রমিজের বিরুদ্ধে মামলার পর সম্পদ ক্রোক

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) নির্বাহী পরিচালক মো. রমিজ উদ্দিন সরকারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ

আমানত হিসেবে রাখা ইয়াবা সেবন করে ফেলায় বন্ধুকে হত্যা

বাকী বিল্লাহ

image

বন্ধুর কাছে জমা রাখা ২০টি ইয়াবা ট্যাবলেটের মধ্যে ১৫টি খেয়ে ফেলে ৫টি ট্যাবলেট ফেরত দেয়ায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তাসিন নামে

নুসরাত হত্যাকাণ্ডে কোন আসামির কি কাণ্ড ছিলো!

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার রায়ে অধ্যক্ষ সিরাজ

হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে ক্যাসিনো খালেদ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

রাজধানীর খিলগাঁও থানার একটি হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার ৭দিনের

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি : আবরার পানি চেয়েছে দেওয়া হয়নি, হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে কিন্তু নেয়নি বড় ভাইয়ারা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এবার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এজহারভুক্ত

sangbad ad